১২ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং আত্মহত্যার প্ররোচনা: মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ায় দুই জনের কারাদন্ড
Mountain View

আত্মহত্যার প্ররোচনা: মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ায় দুই জনের কারাদন্ড

0
image_pdfimage_print

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগের একটি মামলায় মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ায় দুই সাক্ষীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সাক্ষীদের প্রভাবিত করায় মামলার একমাত্র আসামির জামিন বাতিল করে তাকেও কারাগারে পাঠিয়েছেন।

কারাগারে যাওয়া দুই আসামি হলেন- ঢাকার কদমতলীর মৃত বজলুর রহমানের ছেলে আবদুস সত্তার ও লক্ষ্মীপুর সদর থানাধীন দত্তপাড়ার খোকন মিয়ার স্ত্রী লাকি বেগম।

মঙ্গলবার ঢাকার নিু আদালতে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটে। মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার অভিযোগে ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান ওই দু’জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করারও আদেশ দিয়েছেন। ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতকে নিয়মিত মামলা করার আদেশ দেয়া হয়েছে।

আদালত সূত্র জানায়, আবদুস সত্তার ও লাকি বেগম কদমতলী থানার ৩০(১০)০৮ নম্বর মামলার চার্জশিটভুক্ত সাক্ষী। মঙ্গলবার তারা আদালতে সাক্ষ্য দিতে আসেন।একমাত্র আসামি মনিরুজ্জামান পলাশও হাজির হন।

সাক্ষীরা পুলিশের কাছেও মামলার ঘটনার বিষয়ে জবানবন্দি প্রদান করেন। কিন্তু মঙ্গলবার তারা আদালতে হাজির হয়ে মামলার ঘটনা সংক্রান্তে কোন সাক্ষী প্রদান না করে বরং পুলিশের কাছে তারা কোন সাক্ষ্য দেননি বলে জানান। পরে আদালতের জিজ্ঞাসাবাদে তারা কোনো সমন না পেয়ে আসামির দ্বারা প্রভাবিত হয়ে সাক্ষ্য দিতে এসেছেন বলে স্বীকার করেন।

এরপর আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই সঙ্গে সাক্ষীদের প্রভাবিত করায় আসামিরও জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

২০০৪ সালের ৫ অক্টোবর ঢাকার নবাবগঞ্জ থানাধীন জাহানাবাদের কায়সার আহমদের মেয়ে সৈয়দা অনামিকা ওরফে সোমার (২৬) কদমতলীর মনিরুজ্জামান পলাশের সঙ্গে বিয়ে হয়।

পরে পাঁচ লাখ টাকা যৌতুকের জন্য সোমার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে তার স্বামী। নির্যাতন সইতে না পেরে ২০০৮ সালের ৩ অক্টোবর ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় সোমা শ্বশুরবাড়ির ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।

এ ঘটনায় ওই বছরের ১৬ অক্টোবর আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা করেন নিহতের বাবা। তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ২১ আগস্ট এ মামলায় চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ।

নিউজবিডি৭১/আ/ডিসেম্বর ৫ , ২০১৮

Share.

Comments are closed.