১৪ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং স্মরণকালের সর্ববৃহৎ “উন্নয়নের রোড শো” করে নৌকায় ভোট চাইলেন এমপি জগলুল
Mountain View

স্মরণকালের সর্ববৃহৎ “উন্নয়নের রোড শো” করে নৌকায় ভোট চাইলেন এমপি জগলুল

0
image_pdfimage_print

নিউজবিডি৭১ডটকম

সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ও সফলতা প্রচারের লক্ষ্যে নিজ নির্বাচনী এলাকা শ্যামনগর ও কালিগঞ্জে(সাতক্ষীরা-৪)বিশাল মোটর শোভাযাত্রার মাধ্যমে“উন্নয়নের রোড শো”করে নৌকায় ভোট চাইলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এসএম জগলুল হায়দার। সাতক্ষীরার ইতিহাসে স্মরণকালের সর্ববৃহৎ এই রোড শোতে বার হাজার মোটরসাইকেল, দুইশত মাইক্রো-পিকআপ এবং কয়েকশত নসিমন ভ্যানে করে মানুষ অংশ নেয়।

রবিবার ঢাকা থেকে ফেরার পথে বিকাল ৪টায় নির্বাচনী এলাকার প্রবেশ দ্বার কালিগঞ্জ ব্রিজেরসন্মুখে প্রায় চল্লিশ হাজারমানুষ উপস্থিত ছিলেন।

দুই উপজেলার নেতাকর্মীদের নিয়ে সেখানে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতেপুস্পস্তবক অর্পণের পর “উন্নয়নের রোড শো”র উদ্ধোধন করেন তিনি।উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে জগলুল হায়দার বলেন, উন্নয়নের প্রতীক নৌকা। নৌকার কোন বিকল্প নাই। শেখ হাসিনাকে সামনে রেখে নৌকাকে বিজয়ী করতে হবে। শ্যামনগর ও কালিগঞ্জে ব্যাপক উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে তিনি আরো বলেন, নিজেদের মধ্যে সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে আসুন আমাদের অস্তিত্বের প্রয়োজনে এই দেশের প্রয়োজনে আবারো নৌকাকে বিজয়ী করি, শেখ হাসিনাকে আবারো দেশের প্রধানমন্ত্রী করি।

জগলুল হায়দারের নেতৃত্বে দশ কিলোমিটারদীর্ঘ শোভাযাত্রাটি ত্রিশ মিনিটের পথ পেরোতে প্রায় দুই ঘন্টা লেগে যায়। বিশ কিলোমিটার লম্বা পথেরদু’ধারে দঁড়িয়ে হাজার হাজার নারী-পুরুষ হাত নেড়ে তাকে সমর্থন জানান। শোভাযাত্রার সামনে হুডখোলা গাড়িতে দাঁড়িয়ে থেকে তিনিওহাত নেড়ে নেড়ে জবাব দেন।

শোভাযাত্রাটি সন্ধ্যা ছয়টায় শ্যামনগর পৌঁছে। নকিপুর হরিচরণ সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে স্থানীয় আওয়ামীলীগ আয়োজিত জনসভাটি বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হয়। সেখানেও চল্লিশ হাজারের মতো মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যেজগলুল হায়দার বলেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় থাকে তখন তাদের নেত্রী খালেদা জিয়া এতিমদের টাকা চুরি করে খায়। চুরির অপরাধে তিনি এখন জেলে। এই হলো বিএনপি’র আসল চেহারা। আর বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা এতিমদের কোলে বসিয়ে খাবার খাওয়ান। বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় এলে দেশে সহিংসতা, জঙ্গিবাদ এবং লুটপাটের উত্থান ঘটে। সারের জন্য কৃষককে জীবন দিতে হয়। লোডশেডিংয়ে দেশ অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়। আর তার পুত্র তারেক জিয়া হাওয়া ভবন নামে দালালী কমিশন অফিস বসিয়ে মানুষ মারার পরিকল্পনা করে।

তিনি বলেন, তারেকের নির্দেশে বহুল আলোচিত হাওয়া ভবনেবসে ২০০৪ সালের ২১ শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করে এই বিএনপি-জামায়াত। আওয়ামীলীগকে নেতৃত্ব শুন্য করতে চেয়েছিলতারা।বাংলার মাটিতে আজ তাদের বিচার হয়েছে। বাঙালী জাতি আরেক বার কলঙ্কমুক্ত হয়েছে।

বলেন, বিএনপি নেতৃত্ব শুন্য হয়ে নাম সর্বস্ব দলে পরিণত হয়েছে। তাই ড. কামালের মত জনবিচ্ছিন্ন নেতার পিছনে ঘুরঘুর করেযুক্তফ্রন্টের নামে ঐক্য করেছে।জনগনকে সঙ্গে নিয়ে তাদের সেই ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে।

জগলুল হায়দার বলেন, উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই।শেখ হাসিনার সময়ে বাংলাদেশের মানুষ সুখে শান্তিতে থাকে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শ্যামনগর ও কালিগঞ্জের মানুষকে নৌকা প্রতিকে ভোট দিয়ে আবারো বঙ্গবন্ধু কন্যাকে দেশের প্রধানমন্ত্রী করার আহবান জানান তিনি।

বিশটি ইউনিয়নহতে আওয়ামীলীগের স্থানীয় ও সহযোগী অংগ সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সাধারন মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজবিডি৭১/বিসিপি/ ৪ নভেম্বর, ২০১৮

Comments are closed.