১৪ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং সাতক্ষীরা-৪ আসনে আবারো নৌকার মাঝি জগলুল হায়দার
Mountain View

সাতক্ষীরা-৪ আসনে আবারো নৌকার মাঝি জগলুল হায়দার

0
image_pdfimage_print

নিউজবিডি৭১ডটকম
মানিক খান:
সাতক্ষীরা-৪ আসনে আবারো নৌকার মাঝি হচ্ছেন জগলুল হায়দার। তিনি দশম জাতীয় সংসদের সদস্য ছিলেন। তৃণমূলপর্যায়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তার কারণে শেখ হাসিনা আবারো তাঁকে বেছে নিয়েছেন। একাধিক জরিপ প্রতিবেদনে সাধারন মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতার বিষয়টি উঠে আসায় তার বিকল্প চিন্তা করছে না আওয়ামীলীগ। গত কয়েকদিন ধরে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন বোর্ডের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

জানা যায়, এবার প্রার্থী বাছাইয়ে জনপ্রিয়তাকে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। নির্বাচনী মাঠে নিশ্চিত বিজয়ী হয়ে আসতে পারবেন এ রকম ১০০ জনের একটি প্রাথমিক তালিকা তৈরী করা হয়েছে। এতে জগলুল হায়দারের নাম রয়েছেবলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। অবশ্য তালিকায় সাতক্ষীরার অন্য কোন আসনের কারো নামস্থান পায়নি।

সামাজিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে গরিব, দুঃখী ও অসহায় মানুষদের পাশে থেকে সহায়তার বিষয়টি ইতিবাচক হিসেবে নিয়েছে আওয়ামীলীগ। অতিসাধারন বেশেগ্রামে গ্রামে ঘুরে সাধারন মানুষের সুখ দুঃখের খোঁজ খবর নেয়া এবং সাধ্যমতো সাহায্য সহযোগিতার করায় সাধারন শ্রেণির মানুষের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। গত পাঁচ বছর ধরে নির্বাচনী এলাকার সাধারন মানুষ বিশেষ করে কৃষক, শ্রমিক দিনমুজুর, ভ্যানচালক, হতদরিদ্র এ সকল শ্রেণির মানুষের মধ্যে এক অনন্য ইমেজ সৃষ্টি হয়েছে। বিতর্কিত কোন কাজে জড়িত না রাখা, এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন, জামায়াত বিরোধী কঠোর অবস্থান এবং আওয়ামীলীগের তৃণমূল নেতা কর্মীদের সঙ্গে সম্পৃক্তার কারণে এলাকায় তার শক্ত অবস্থান তৈরী হয়েছে। যাতে করে তিনি অনায়াসেই বিজয়ী হয়ে আসতে পারবেন বলে মনে করে দলের মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যরা। এছাড়া জগলুল হায়দার জনবান্ধব এবং সামাজিক কল্যাণধর্মী নানা কাজ করায় সকল শ্রেণির মানুষের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা অনন্য মাত্রায় স্থান পেয়েছে। এছাড়া তৃণমূল আওয়ামী লীগ জগলুল হায়দারের পক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়েছে। নির্বাচনী এলাকার ২০টি ইউনিয়নের সভাপতি, সাধারন সম্পাদকসহ প্রায় সকল ওয়ার্ড কমিটিও তাঁর পক্ষে। তার প্রতিটি উঠান বৈঠক, পথসভা, গণসংযোগ, জনসভা সর্বত্রই জনতার ঢল নামে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নেতাকর্মীরা একাট্টা হয়ে তার পক্ষে মাঠে গণসংযোগ করে বেড়াচ্ছে।

অন্যদিকে তার শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের অতীত নেতিবাচক কর্মকান্ড প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বলে জানা যায়। বিশেষ করে সংসদ, উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বিরোধিতা করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে নির্বাচন করে জামানত হারানো এসব নেতাদের কর্মকান্ড প্রতিবেদনে স্থান পেয়েছে। এছাড়া সরকারের উন্নয়ন ও সফলতা প্রচারের নামে প্রকাশ্যে বিভিন্ন সভায় সাংসদ বিরোধী বেশি সমালোচনা করা হয়েছে। যে কারণে সরকারের উন্নয়ন সফলতা সঠিকভাবে মানুষের কাছে পৌঁছায়নি। এতে করে তারা দলেরই ক্ষতি করেছেন বলে মনে করে দল। এছাড়া তাদের সভাগুলিতে বিএনপি-জামায়াতের লোক বেশি অংশগ্রহণ করছে বলে বিভিন্ন সংস্থার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এসব কর্মকান্ড ভালো চোখে নেয়নি আওয়ামীলীগ। যে কারণে সার্বিক বিবেচনায় সাতক্ষীরা-৪ আসনেআবারো নৌকার মাঝি জগলুল হায়দার।

নিউজবিডি৭১/বিসি/নভেম্বর ০১, ২০১৮

Comments are closed.