১৯শে ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং সাতক্ষীরার শ্যামনগরে আনান্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করলেন এমপি জগলুল হায়দার
Mountain View

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে আনান্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করলেন এমপি জগলুল হায়দার

0
image_pdfimage_print

নিউজবিডি৭১ডটকম

ঢাকাঃ বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় ২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা মামলার রায় কে অভিনন্দন জানিয়ে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় আনান্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দার।  এই রায়কে ঘিরে বিএনপি-জামায়াতের যে কোন ধরণের নাশকতা প্রতিহত করতে শ্যামনগর ও কালিগঞ্জ উপজেলার ২০টি ইউনিয়নে স্থানীয় সংসদ সদস্য জগলুল হায়দারের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক নেতাকমী বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে  অবস্থান নেয়।

আওয়ামীলীগ ও এর সহযোগী অংগ সংগঠনের কয়েক হাজার নেতা-কর্মী নিয়ে সাংসদ নিজেই ভোর থেকেই শ্যামনগর উপজেলা সদরের রাজপথে অবস্থান নেন। সকাল থেকে মিছিলে মিছিলে উত্তাল ছিল শ্যামনগরের রাজপথ। নেতা-কর্মীরা তারেক জিয়ার ফাঁসি দাবি করে শ্লোগানে শ্লোগানে প্রকম্পিত করে। রায় ঘোষণার সাথে সাথেই আনান্দ মিছিল শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবং মিষ্টি বিতরণ করা হয়।

Posted by Jaglul Hayder MP on Wednesday, October 10, 2018

জগলুল হায়দারই একমাত্র সংসদ সদস্য যিনি ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে দুপুরের পরই বিভিন্ন ইউনিয়নের গুরুত্ব পয়েন্টে অবস্থানকারী দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারন জনগনকে অভিনন্দন জানাতে বেরিয়ে পড়েন। এ সময় প্রতিটি স্পটে তিনি সকলকে সঙ্গে নিয়ে “ফাঁসি চাই, ফাঁসি চাই, তারেক রহমানের ফাঁসি চাই” বলে নিজেই শ্লোগানে শ্লোগানে প্রকম্পিত করেন এবং মিষ্টি বিতরণ করেন।

ভয়াবহ এই গ্রেণেড হামলার ঘটনায় ১৯ জনকে মৃত্যুদন্ড, ১৯ জনের যাবজ্জীবন এবং ১১ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে অস্থায়ী বিশেষ আদালতে এ মামলার রায় ঘোষণা করেন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট গ্রেণেড হামলার ঘটনার পরই সে সময়ের উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে জগলুল হায়দারের নেতৃত্বে শ্যামনগরে ব্যাপক প্রতিবাদ বিক্ষোভ সংঘটিত হয়। যে কারণে তিনি জোট সরকারের রোষানলে পড়েন এবং হামলা-মামলা ও নিযাতনের শিকার হন। তিনি নেতা কমীদের নিয়ে ২০১২ ও ২০১৪ সালে জামায়াত-বিএনপি’র নাশকতাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। সাংসদ হওয়ার পর তাঁদের অপরাজনীতির বিরুদ্ধে পাড়া-মহল্লা, স্কুল-কলেজ, আলোচনা অনুষ্ঠান, উঠান বৈঠক, পথসভা, জনসভায় সর্বত্র নিয়মিতভাবে ব্যাপক প্রচারণা চালান।তার কঠোর অবস্থান গ্রহণের কারণে গত প্রায় পাঁচ বছর শ্যামনগর ও কালিগঞ্জ উপজেলায় প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কোন কর্মকান্ড পরিচালনা করতে পারেনি স্বাধীনতা সংগ্রামে বিরোধিতাকারী এ দলটি।কঠোর মনোভাব ও কৌশলের কারণে এ আসনে জামায়াত ইসলামী এখন সাংগঠনিকভাবে ছিন্নভিন্ন। সাংসদ জগলুল হায়দারের কারণে এক সময়ের জামায়াতের দূর্গ হিসেবে পরিচিত এই শ্যামনগর ও কালিগ্ঞ্জ উপজেলা এখন নৌকার ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত পেয়েছে।

নিউজবিডি৭১/বিসিপি/১১ অক্টোবর, ২০১৮।

Share.

Comments are closed.