২১শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং পদ্মার ভাঙন অব্যাহত
Mountain View

পদ্মার ভাঙন অব্যাহত

0
image_pdfimage_print

নিউজবিডি৭১ডটকম
শরীয়তপুর : পদ্মা নদীর ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। গেল ২৪ ঘণ্টায় নড়িয়া উপজেলার বাঁশতলা এলাকার বিশাল বিশাল পাকা বাড়ি, ঘর, গাছপালা ও কলার বাগান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

আশপাশের বাড়ি-ঘর সরিয়ে নিতে দিনরাত কাজ করছে ভাঙনকবলিত মানুষ। অনেক পরিবার মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। তারা অনাহারে অর্ধহারে দিন কাটাচ্ছেন। এ এলাকায় চাহিদার তুলনায় সরকারি ত্রাণ সামগ্রী অপ্রতুল।

গেল দুদিন যাবত পদ্মার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভাঙনকবলিত এলাকার মানুষ মারাত্মক আতঙ্কে আছেন।

ভাঙনকবলিত এলাকা ঘুরে জানা গেছে, সর্বনাশা পদ্মা নদীর ভাঙন অব্যাহত আছে। গেল ২৪ ঘণ্টায় নড়িয়া উপজেলার বাঁশতলা এলাকার বিশাল বিশাল পাকা বাড়ি, ঘর, গাছপালা ও কলার বাগান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এছাড়া চারদিন পূর্বে ধসে পড়ে নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নুতন ভবনটি। এ ভবনের আরও কিছু অংশ গেল বুধবার রাতে নদীতে বিলীন হয়ে যায়। ঝুঁকিতে রয়েছে মুলফৎগঞ্জ বাজারের প্রায় আট শতাধিক দোকান পাট ও একটি ব্যাংকসহ আশেপাশের কয়েকশ’ বাড়ি-ঘর। তারা বাড়ি-ঘর মালামাল সরিয়ে নিতে সারাক্ষণ কাজ করছে। ভাঙনকবলিত এলাকার মানুষ খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। তাদের দাবি জরুরি ভিত্তিতে এ এলাকাকে দুর্গত এলাকা ঘোষণা করে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হোক।

এদিকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামূল হক শামীম ভাঙনকবলিত এলাকায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে এসে দুদিন ধরে কাজ করছেন। তাদের খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন খুব শিগগিরই পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে।

মিহির নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, ‘পদ্মার ভাঙন অব্যাহতভাবে চলছে। প্রতিদিন নুতন এলাকা ভাঙছে। বিশাল বিশাল বাড়ি-ঘর, দালান-কোঠা বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে পাঁচ হাজার পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। কমপক্ষে এক হাজার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে ভাঙনের মুখে।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামূল হক শামীম ভাঙনকবলিত এলাকায় ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে দেখা করে খোঁজ নিতে এসে বলেন, নদীতে প্রচুর স্রোত। নদীর গভীরতা এত বেশি যে এ মুহূর্তে বেড়িবাধেঁর কাজ করা সম্ভব না। পানি কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়িবাঁধের কাজ শুরু করা হবে।

নিউজবিডি৭১/এম কে/ ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

Share.

Comments are closed.