২১শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং ঢাকার দুই সিটির ২৫ হাট চূড়ান্ত
Mountain View

ঢাকার দুই সিটির ২৫ হাট চূড়ান্ত

0
image_pdfimage_print

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : কোরবানির ঈদ উপলক্ষে চারদিনের জন্য রাজধানীতে ২৫টি কোরবানি পশুর হাট চূড়ান্ত করেছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি ও ডিএনসিসি)।

ইজারা দেওয়া প্রতিটি হাটের সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও করপোরেশনের কাউন্সিলররা জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া শর্ত ভঙ্গ করে নির্ধারিত সময়ের আগেই হাট প্রস্তুতের পাশাপাশি পশু বেচাও শুরু হয়েছে। এতে দুর্ভোগ বেড়েছে স্থানীয়দের। দুই সিটি করপোরেশনের একাধিক হাট সরেজমিনে ঘুরে দেখে এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এ চিত্র পাওয়া গেছে।

তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, আইন মেনেই হাটের ইজারা দেওয়া হয়েছে। ইজারাদারদের কে কোন দলের সঙ্গে যুক্ত তা দেখা করপোরেশনের দায়িত্ব নয়।

দুই সিটি করপোরেশনের ২৫টি হাটের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটির (ডিএসসিসি) ১৫টি ও ঢাকা উত্তর সিটির (ডিএনসিসি) ১০টি হাট রয়েছে। দক্ষিণ সিটির ১৫টি হাটের মধ্যে ৭টি হাট ইজারা ও ৮টি হাট স্পট টেন্ডারের মাধ্যমে টোল আদায়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। উত্তর সিটির ১০টি হাটের মধ্যে গাবতলী হাট স্থায়ী। এ ছাড়া হজযাত্রীদের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে হাজী ক্যাম্প সংলগ্ন আশিয়ান সিটির হাট শুরুতেই বাতিল করা হয়েছে।

সিটি করপোরেশনের ইজারার শর্ত অনুযায়ী, করপোরেশন থেকে ইজারা দেওয়া হাটগুলোতে আগামী ১৯ আগস্টের আগে পশু বেচা-কেনা করা যাবে না। একইসঙ্গে ১৮ আগস্টের আগে হাট প্রস্তুত করাও যাবে না। তবে ইজারাদাররা এ নিয়ম মানেননি।

ঢাকা দক্ষিণের ইজারা হওয়া সাত হাটের মধ্যে মেরাদিয়া বাজার সংলগ্ন খালি জায়গাটি ৬৮ লাখ ৩০ হাজার টাকায় ইজারা পেয়েছেন ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম। গত কয়েক বছর ধরে তিনি এই এটি ইজারা পাচ্ছেন। তিনি এর সরকারি দর ৬৮ লাখ ২১ হাজার ২৭৮ টাকার বিপরীতে দর দিয়েছেন ৬৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

উত্তর শাজাহানপুর খিলগাঁও রেলগেট বাজারের পেছনে মৈত্রী সংঘ মাঠের পশুর হাট ইজারা পেয়েছেন ১১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি আবদুল লতিফ। তিনি শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্রের পরিচালক (ফিন্যান্স) ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের শিল্পবিষয়ক সম্পাদক। তিনি সরকারি মূল্য ৭ লাখ ৪৫ হাজার ৮৮৭ টাকার বিপরীতে এটির দর দিয়েছেন ৮ লাখ ২০ হাজার টাকা। তবে মাঠ ছাড়িয়ে তার হাট পৌঁছে গেছে আশপাশের প্রায় সব এলাকায়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা।

জিগাতলা হাজারীবাগ মাঠ সংলগ্ন খালি জায়গা ইজারা পেয়েছেন ২২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম সজীবের ছোট ভাই জাহিদুল ইসলাম রাজীব। তিনি সরকারি মূল্য ৭১ লাখ ৪০ হাজার ৮৭৬ টাকার বিপরীতে এর দর দিয়েছেন ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা।

রহমতগঞ্জ খেলার মাঠ সংলগ্ন খালি জায়গাটি ইজারা পেয়েছেন রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস সোসাইটির সহসভাপতি ও ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ সদস্য হাজী শফি মাহমুদ। তিনি ডাল ব্যবসায়ী সমিতি ও বাংলাদেশ মনিহারি বণিক সমিতির সভাপতি। তিনি এ হাটটির সরকারি মূল্য ৯ লাখ ৭২ হাজার ১৯৭ টাকার বিপরীতে দর দিয়েছেন ১১ লাখ ৭ হাজার ১৫০ টাকা।

কামরাঙ্গীরচর চেয়ারম্যান বাড়ির হাটের ইজারা পেয়েছেন থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হোসেন সরকার। এ হাটের জন্য তিনটি দরপত্র কেনা হলেও জমা পড়ে মাত্র একটি। তিনি এ হাটটির সরকারি মূল্য ৫ লাখ ১৯ হাজার ৪০০ টাকার বিপরীতে দর দিয়েছেন ৫ লাখ ২০ হাজার টাকা। এ হাটটির জন্য বাঁধ সংলগ্ন খালি জায়গা বরাদ্দ হলেও তিনি হাট বসিয়েছেন আশপাশের প্রধান সড়কগুলোতেও।

পোস্তগোলা শ্মশানঘাট লাগোয়া খালি জায়গা ইজারা পেয়েছেন আওয়ামী লীগের কর্মী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। তিনি ২০১৬ সালেও এটি ইজারা পেয়েছিলেন। তিনি সরকারি মূল্য ২১ লাখ ৭১ হাজার ২৩৪ টাকার বিপরীতে দর দিয়েছেন ২৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

শ্যামপুর বালুর মাঠ পেয়েছেন কদমতলী থানা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক শেখ মাসুক রহমান। তিনি জাতীয় পার্টি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার ভাগ্নে। তিনি এ হাটের সরকারি মূল্য ৯২ লাখ ২২ হাজার ৩৭১ টাকার বিপরীতে দর দিয়েছেন ১ কোটি ৫ লাখ টাকা।

এদিকে দক্ষিণ সিটির ব্রাদার্স ইউনিয়নের পাশে বালুর মাঠ সংলগ্ন খালি জায়গা, কমলাপুর স্টেডিয়াম এলাকার আশপাশের খালি জায়গা, আরমানিটোলা খেলার মাঠ ও আশপাশের খালি জায়গা, ধূপখোলা ইস্ট অ্যান্ড ক্লাব মাঠ, দনিয়া কলেজ মাঠসংলগ্ন খালি জায়গা এবং সাদেক হোসেন খোকা মাঠসংলগ্ন ধোলাইখাল ট্রাক টার্মিনাল ও সংলগ্ন খালি জায়গায় কোনও দরপত্র না পড়ায় এ বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত না দেওয়া হলেও এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নুতন করে আটটি স্থানে স্পট টেন্ডারের মাধ্যমে খাজনা আদায়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিএসসিসি। এ জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নেওয়া হয়েছে।

স্থানগুলো হচ্ছে ৩২ নং ওয়ার্ডে সামসাবাদ মাঠ সংলগ্ন সিটি করপোরেশনের খালি জায়গা। এতে ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকায় খাজনা আদায়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। মূলত এ হাটটি আরমানিটোলা খেলার মাঠ ও আশপাশের খালি জায়গা সংলগ্ন।

লিটিল ফ্রেন্ডস ক্লাব সংলগ্ন বালুর মাঠ ও কমলাপুর স্টেডিয়াম সংলগ্ন বিশ্বরোডের পাশের খালি জায়গাটি ৩৫ লাখ টাকায় খাজনা আদায়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই হাটটি ব্রাদার্স ইউনিয়নের পাশে বালুর মাঠ সংলগ্ন খালি জায়গা এবং কমলাপুর স্টেডিয়াম এলাকার আশপাশের খালি জায়গা।

শনির আখড়া ও দনিয়া মাঠ সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা। এটি ১ কোটি ৫ লাখ টাকায় খাজনা আদায়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই হাটটি দরপত্র না পড়া দনিয়া মাঠ সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা সংলগ্নয় অবস্থিত। ধূপখোলা মাঠ সংলগ্ন আশেপাশের খালি জায়গা ৩০ লাখ টাকায় খাস আদায়ের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

৪১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউয়ার টেক মাঠ সংলগ্ন খালি জায়গার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে ২৫ লাখ টাকা খাস আদায়ের। এটি দরপত্র না পড়া সাদেক হোসেন খোকা মাঠসংলগ্ন ধোলাইখাল ট্রাক টার্মিনাল ও সংলগ্ন খালি জায়গা।

গোলাপবাগ মাঠ সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গায় ৩০ লাখ টাকা খাস আদায়ের সিদ্ধান্ত হয়েছে। দাওকান্দি ইন্দুলিয়া ভাগাপুর নগর হাটের জন্য ৫৫ লাখ টাকা এবং আমুলিয়া মডেল টাউনের খালি জায়গার জন্য ১৫ লাখ টাকা খাস আদায় নির্ধারণ করা হয়েছে।

দুই সিটি করপোরেশনের এ হাটগুলো চূড়ান্ত করা হলেও এখনও হাটের প্রস্তুতি বা পশু তোলার অনুমতি দেওয়া হয়নি। এরই মধ্যে ইজারাদাররা হাট এলাকায় বাঁশের খুঁটি বসিয়ে তাঁবু দিয়ে ছাউনি তৈরি করে সাজিয়ে রেখেছেন। কয়েকটি হাটে পশুও আনা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী ঈদের দিন ও তার আগের তিন দিনের জন্য রাজধানীর হাটগুলো ইজারা দেওয়া হয়। কিন্তু এবার আগেভাগেই প্রতিটি হাট প্রস্তুত করে ইজারাদাররা পশু বেচাকেনা শুরু করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ আগস্ট) সকালে মেরাদিয়া হাটে গিয়ে দেখা যায়, হাটের বিস্তৃতি পশ্চিম নন্দীপাড়ার বালু মাঠে চলে গেছে। পুরো মাঠে বাঁশের খুঁটি ও তাঁবু দিয়ে ঘর তৈরি হচ্ছে। বিদ্যুৎ সংযোগও দেওয়া হয়েছে। আরও অন্তত এক সপ্তাহ আগে থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে খামারিরা পশু এনে এখানে রেখেছেন।

এই হাটের ইজারাদার হাজী মো. শাহ আলম বলেন,‘সিটি করপোরেশন যে সময় দিয়েছে তাতে একটা হাট প্রস্তুত করা সম্ভব নয়। তাছাড়া ব্যবসায়ীরা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পশু এনে রাখেন। বালুর মাঠে প্রস্তুতি নেওয়ায় জনসাধারণের কোনও সমস্যা হবে না। এটা উন্মুক্ত জায়গা। সেজন্য সেখানে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।’

ব্রাদার্স ইউনিয়ন সংলগ্ন বালুর মাঠ ও কমলাপুর স্টেডিয়াম এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, পশুর হাট বসানোর জোর প্রস্তুতি চলছে। হাটের প্রধান দুই প্রবেশ গেটে দুটি বড় তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে। শ্রমিকরা সারি সারি করে বাঁশের খুঁটি ও তাঁবু স্থাপনের কাজ করছেন। বৃষ্টি থেকে বাঁচতে বিশেষ প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।

সার্বিক বিষয়ে ডিএসসিসি মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেন, ‘যেসব ইজারাদার শর্ত মানবেন না তাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হবে।’

তিনি বলেন,‘খাস আদায়ের মাধ্যমে ইজারা দেওয়া হয়েছে যেসব হাটের, সেগুলোতে কোনও অংশেই অন্যান্য বছর থেকে কম রাজস্ব আসবে না। কোনও দরপত্র না পাড়ায় আমরা স্পট টেন্ডারের মাধ্যমে খাস আদায়ের ব্যবস্থা করেছি।’

অন্যদিকে ঢাকা উত্তরের একটি স্থায়ী হাটসহ ১০টি হাট চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে গাবতলীর স্থায়ী পশুর হাটটির ইজারাদার মিরপুরের কোটবাড়ী এলাকার বাসিন্দা ও আওয়ামী লীগ নেতা মো. লুৎফর রহমান। গত কয়েক বছর ধরে এটি তার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

উত্তরা ১৫ নম্বর সেক্টরের ২ নম্বর ব্রিজের পশ্চিমের ফাঁকা জায়গা ইজারা পেয়েছেন মেসার্স শফিক অ্যান্ড ব্রাদার্সের পরিচালক ও উত্তরখান থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি এটির সরকারি মূল্য ২ কোটি ১৫ লাখ ১৮ হাজার ২৭৮ টাকার পরিবর্তে দর দিয়েছেন ২ কোটি ২১ লাখ টাকা, যা গত বছর ছিল ৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।

তেজগাঁওয়ে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট খেলার মাঠের পশুর হাট ইজারা দেওয়া হয় জনৈক মাসুদ হোসেনকে। তবে এর আসল ইজারাদার ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ২৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফরিদুর রহমান খান ইরান। তিনি ৭৫ লাখ টাকায় হাটটি ইজারা পেয়েছেন।

খিলক্ষেত ৩০০ ফুট সড়ক সংলগ্ন উত্তর পাশের বসুন্ধরা হাউজিংয়ের খালি জায়গা ইজারা পেয়েছেন ভাটারা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ইসহাক মিয়া। তিনি এর দর দিয়েছেন ১ কোটি ১ লাখ টাকা।

ভাটারা (সাঈদ নগর) হাট ইজারা পাচ্ছেন থানা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মারফত আলী। তিনি এ হাটটির সরকারি মূল্য ৫৫ লাখ ৩৪ হাজার ৯৬৭ টাকার বিপরীতে দর দিয়েছেন ২ কোটি ২৯ লাখ টাকা।

মোহাম্মদপুর বুদ্ধিজীবী সড়ক সংলগ্ন (বছিলা) পুলিশ লাইন্সের জায়গার হাট পেয়েছেন হাসান হোসেন এন্টারপ্রাইজের পরিচালক ও ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের নেতা মো. শাহ আলম হোসেন সজীব। তিনি সরকারি মূল্য ৮৩ হাজার ২১ লাখ টাকার পরিবর্তে দিয়েছেন ৯০ লাখ টাকা।

বৃহস্পতিবার হাটটিতে গিয়ে দেখা যায়, এরই মধ্যে সেখানে হাটের পুরো প্রস্তুতি শেষ। স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান, আরও চার-পাঁচ দিন আগে থেকে হাটে পশু আনা হয়েছে।

মিরপুর ৬ নম্বর সেকশনের ইস্টার্ন হাউজিংয়ের খালি জায়গার হাট পাচ্ছেন আশরাফ উদ্দিন। তিনি আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী। হাটটির সরকারি মূল্য ৮৩ লাখ ৯ হাজার ৮১৯ টাকার বিপরীতে তিনি দর দিয়েছেন ১ কোটি ৪৮ লাখ ৭১ হাজার ৭৮৬ টাকা।

মিরপুরের ডিওএইচএস সংলগ্ন উত্তর পাশের খালি জায়গা পেয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সহ-সভাপতি হাজী মো. সাবুল বাশার। তিনি সরকারি মূল্য ১৫ লাখ ৯১ হাজার ৬০ টাকার বিপরীতে দর দিয়েছেন ২৫ লাখ ২০ হাজার ৭৮৬ টাকা।

খিলক্ষেত বনরূপা আবাসিক প্রকল্পের খালি জায়গার হাটের ইজারা পেয়েছেন দক্ষিণখান থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আনিছুর রহমান নাইম। তিনি সরকারি মূল্য ১ কোটি ৫৬ লাখ ৮০ হাজার ৯৬৯ টাকার বিপরীতে দর দিয়েছেন ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

উত্তরখান মৈনারটেক শহীদ নগর হাউজিংয়ের খালি জায়গা ইজারা পেয়েছেন আলো ফ্যাশনের পরিচালক মো. আলমগীর হোসেন। প্রাথমিক অবস্থায় তার রাজনৈতিক পরিচয় পাওয়া যায়নি। তিনি হাটটি ইজারা নিয়েছেন ১০ লাখ ৬৫ হাজার টাকায়।

এ বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘কোন হাট কে পেয়েছে সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয়। তিন দফায় টেন্ডার আহ্বান করে সরকারি মূল্যের বেশি দর পাওয়ার পর হাটগুলো চূড়ান্ত করা হয়। কোনও ইজারাদার যদি শর্ত ভঙ্গ করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নিউজবিডি৭১/এম কে/১৭ আগস্ট, ২০১৮

Share.

Comments are closed.