২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং আইসল্যান্ডে থাকছে না বিবাহ প্রথা, স্থায়ী হচ্ছে লিভ টুগেদার
Mountain View

আইসল্যান্ডে থাকছে না বিবাহ প্রথা, স্থায়ী হচ্ছে লিভ টুগেদার

0
image_pdfimage_print

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : বিবাহ প্রথা থাকবে না সেদেশে। কারণ, এখন সেখানে সিঙ্গেল মাদারের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। দেশটির ৬৭ শতাংশ শিশুর পিতা মাতার বিয়ে হয়নি। শুধুমাত্র নর-নারীর সাধারণ সম্পর্কের মধ্যে দিয়েই (লিভ টুগেদার) জন্ম হয়েছে সন্তানের। তবে তাদের জন্মদাতারা তাদের প্রতি যথাযোগ্য যত্নশীল। অন‍্যান‍্য দেশের আর পাঁচটা বাবা মায়ের মতই। শুধু তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ নন। দেশটির নাম আইসল‍্যান্ড।

পৃথিবীর বেশির ভাগ জায়গাতেই বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে সন্তানের জন্ম দেওয়া লজ্জার বলে মানা হয়। কিন্তু আইসল্যান্ড ব‍্যাতিক্রমী দেশ। সেদেশের জনসংখ্যা প্রায় তিন লাখ ২০ হাজারের মত। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা আইসল্যান্ডের অধিবাসীদের মতে বিবাহ বিচ্ছেদ তো ভেঙে যাওয়ার যন্ত্রণা দেয়। আইসল্যান্ডে এসব চলে না। এখানকার নারীদের যথেষ্ট স্বাধীনতা রয়েছে। তারা নিজেদের ইচ্ছামত জীবন কাটাতে পারে। তার জন্য তাদের লজ্জায় পড়তে হয় না।

একই সঙ্গে সেদেশের ধর্মীয় মত অনুযায়ী সন্তান নষ্ট করা চলে না। আর প্রচলিত ধর্ম দেশবাসী মেনে চলে। সন্তান সম্ভবা নারীদের জন্য দেশটির সরকার বিশেষ ব‍্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

নয় মাসের বৈতনিক ছুটি দেওয়া হয় সন্তান সম্ভবা নারীদের। এরমধ্যে তিনমাস নারী তিন মাস পুরুষের। বাকি তিন মাস দুজনের যে কেউ ভাগাভাগি করে নিতে পারে। সেই কারণেই সন্তানের পিতা চলে গেলেও মা স্বচ্ছন্দেই সন্তানকে মানুষ করতে পারেন। এরপর যদি কেউ বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে চান তাহলে দেশের কিছু নিয়ম মানতে হয়। নিয়ম অনুযায়ী তাদের বিয়ের আগে একসঙ্গে বেশকিছু দিন থাকা ও সন্তান পালনে সক্ষম হলে তবেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিতে পারে তারা।

ছোট্ট দেশ আইসল্যান্ড শর্তহীন ভালোবাসার পক্ষে। তাদের কাছে মুখ্য বিষয় ভালোবাসা। তাদের কথা অনুযায়ী মানুষের বেঁচে থাকার জন্য ভালোবাসাটাই দরকার, কোনো বন্ধন নয়। এমনটাই দাবি করেছেন সেদেশের মানুষ। তবে যৌবন থাকাবস্থায় সময় ভাল গেলেও বৃদ্ধবয়সে বন্ধন না থাবার কারণে তাদের কেমন দূরাবস্থা হয় সে খবর অবশ্য মিডিয়ায় প্রকাশিত হতে দেখা যায় না।

নিউজবিডি৭১/এম কে/১৫ আগস্ট, ২০১৮

Share.

Comments are closed.