১৭ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং ‘মিস ইউনিভার্স নিউজিল্যান্ড’শারীরিক সৌন্দর্যের চেয়ে এটি অনেক বেশি কিছু
Mountain View

‘মিস ইউনিভার্স নিউজিল্যান্ড’শারীরিক সৌন্দর্যের চেয়ে এটি অনেক বেশি কিছু

0
image_pdfimage_print

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : মুসলিম নারীদের সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করাকে কিছু রক্ষণশীল মুসলিম ভালভাবে গ্রহণ করেন না। নিউজিল্যান্ডের ওয়াইকাটো বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ণরত সাইকোলজি বিভাগের স্নাতকের ছাত্রী নূরুল জুরাইনি শামসুল (২০) গতমাসে ‘মিস ইউনিভার্স নিউজিল্যান্ড’প্রতিযোগিতায় শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান পেয়ে তিনি সংবাদের শিরোনাম হন।

হিজাবী এই সুন্দরী বলেন,‘এটি শারীরিক সৌন্দর্যের চেয়ে অনেক বেশি কিছু। এটা আপনার এবং অন্যদের জন্য সম্মানের বিষয়।’

নিউজিল্যান্ডের সুন্দরি প্রতিযোগিতার ইতিহাসে তিনিই প্রথম হিজাবি মুসলিম প্রতিযোগী এবং মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতার ইতিহাসে দ্বিতীয়।

মালয়েশিয়ায় বান্দার বারু আমপাংয়ে জন্মগ্রহণ করেন নুরুল এবং মাত্র পাঁচ বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে নিউজিল্যান্ডে চলে যান।

সম্প্রতি সংক্ষিপ্ত এক সফরে জন্মভূমি কুয়ালালামপুরে যান তিনি। সেখানে ‘মালাই মেইল’কে দেয়া একটি সাক্ষাৎকারে নুরুল জানান, তিনি সোমালি-আমেরিকান মডেল হালিমা অ্যাডেনকে দেখে অনুপ্রাণিত হয়েছেন।

গত বছর যুক্তরাজ্যের ‘মিস মিনোসোটা’সুন্দরি প্রতিযোগিতায় হালিমা প্রথম মুসলিম হিসেবে হিজাব ও বুরকিনি পরে অংশ নেন।একই বছরে, ‘মিস ইউনিভার্স গ্রেট ব্রিটেন’প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন মুনা জেমা। প্রতিযোগিতায় সাঁতার অংশে তিনি শালীন পোশাক ‘কাফতান’ পরে অংশ নিয়েছিলেন।

শামসুল বলেন, ‘মুনা আমাকে ম্যাসেজ করেছিল এবং আমার কাহিনী তার ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করেছিল। এটা সত্যিই অবাক করার মতো ছিল।’

তিনি আরো বলেন, ‘হালিমা ও মুনা উভয়েই মুসলিম মেয়েদের মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের পথ করে দিয়েছেন। তারা যদি হিজাব না পরত, সেক্ষেত্রে আজকে আমি যেখানে আছি, সেখানে থাকতাম না।’

শামসুল বলেন, ‘মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতা সম্পর্কে সবাই যা ভাবেন, আমার জন্য এটি তার চেয়েও বেশি কিছু। আমি প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছি, সকল মুসলিম মেয়েদের জন্য যাতে তারা তাদের আইডিয়ার সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে।’

নূরুল জুরাইনি শামসুল আশা করেন ভবিষ্যতে আরো বেশি মুসলিম নারীরা এতে অংশগ্রহণ করবে।

নিউজবিডি৭১/এম কে/ জুলাই ১২ , ২০১৮

Share.

Comments are closed.