১৯শে জুলাই, ২০১৮ ইং ‘এই বুঝি আমাজানের মানুষ খেগো গাছ’
Mountain View

‘এই বুঝি আমাজানের মানুষ খেগো গাছ’

0
image_pdfimage_print

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : ছবিটা দেখে মনে করতে পারেন এই বুঝি আমাজানের মানুষ খেগো গাছ। কিন্তু তা না। এটি তার নিজেস্ব রুপ বৈচিত্র হারিয়েছেন অন্যকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য। আশ্রয় দিতে গিয়ে এখন নিজের জীবনে সংকট ডেকে এনেছেন আশ্রয়দাতা।

পাখির এ বাসাটির ওজন ২ হাজার পাউন্ডেরও বেশি। আরো আশ্চর্য হবেন জেনে যে, এ বাসাটি প্রায় ১০০ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হয়। বাসার উত্তরাধিকার বংশ পরম্পরায় পেয়ে থাকে।

মোটা ঘাস, পাখির পালক, বাতাসে ভেসে আসা তুলা, খড়কুটো আর গাছের ডাল দিয়ে নিজেদের বাসা তৈরি করে সোস্যায়েবল ওয়েভার। তবে সমস্যা একটা আছে, বাসার কিছু না হলেও ধীরে ধীরে মারা যায় আশ্রয়দাতা গাছটি। এমনকি বাসার ভারে অনেক সময় ভেঙেও পড়ে।

এবার বলা যাক পাখিটি সম্পর্কে। এর নাম সোস্যায়েবল ওয়েভার। যা আমাদের দেশের বাবুই পাখির মতোই। এ পাখির বাস দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে। এই অঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা যেমন প্রচণ্ড বেশি, রাতে তার উল্টো। তাদের এ বাসাই অতিরিক্ত গরম এবং ঠাণ্ডা থেকে সোস্যায়েবল ওয়েভারকে রক্ষা করে।

একটি বাসায় একশর উপরে ছোট ছোট ঘর থাকে। এর মধ্যে বাসার মাঝখানে থাকা ঘরগুলো বেশি উষ্ণ। যা রাতের হিমশীতল আবহওয়া থেকে রক্ষা করে। আর বাইরের ঘরগুলো তুলনামূলকভাবে একটু ঠাণ্ডা। দিনের ঝাঁঝালো গরম থেকে রক্ষা পেতে সে ঘরগুলোতে আশ্রয় নেয় তারা

নিউজবিডি৭১/আ/জুলাই ৯ ,২০১৮

Share.

Comments are closed.