১৫ই অক্টোবর, ২০১৮ ইং কণ্ঠশিল্পী আসিফ কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন
Mountain View

কণ্ঠশিল্পী আসিফ কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন

0
image_pdfimage_print

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : গীতিকার, সুরকার ও গায়ক শফিক তুহিনের দায়ের করা তথ্যপ্রযুক্তি আইনের মামলায় গ্রেফতার হওয়া বাংলা গানের যুবরাজ খ্যাত জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

কারাসূত্রে জানা গেছে, কারাগারে আসিফকে সাধারণ সেলে রাখা হয়েছে। সেখানে তিনি উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগছেন। তবে তাকে কারা মেডিকেল থেকে প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে।

এদিকে আসিফের শারীরিক অবস্থার অবনতি নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন তার পরিবার ও স্বজনরা। আসিফের স্ত্রী সালমা আসিফ মিতু তার স্বামীর শারীরিক অবস্থা নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়ার কথা জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আসিফের অসুস্থতার চিকিৎসা সনদ আইনজীবীরা আদালতে উপস্থাপন করেছেন। নিয়মিত ওষুধ না খেলে তার উচ্চ রক্তচাপ অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়বে। এ অবস্থা আসিফকে নিয়ে আমি খুবই চিন্তিত।

গত সোমবার (৪ জুন) সন্ধ্যায় শফিক তুহিন আসিফের বিরুদ্ধে তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় তেজগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর দিন মঙ্গলবার দিবাগত-রাত দেড়টার দিকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি টিম আসিফের নিজ অফিস থেকে তাকে গ্রেফতার করে। পরে আদালতে তার ৫ দিনের রিমান্ড চায় সিআইডি।

এরপর বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম কেশব রায় চৌধুরী আসিফের জামিন ও রিমান্ড নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। এরপর থেকে তিনি কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।

মামলার বিষয়ে আসিফের স্ত্রী মিতু জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলেকে বলেন, শফিক তুহিনের অভিযোগ একেবারেই ঠিক নয়। এ ধরনের কোনো ঘটনাই ঘটেনি৷ আসিফ আগে থেকে কিছুই জানতেন না।

এদিকে গ্রেফতার হওয়ার পর আদালতে আসিফ বলেন, আমার বিরুদ্ধে যারা মামলা করেছেন, তারাই আমার আগে ফেসবুকে কমেন্ট (কটূক্তি) করেছে। তারাই আমার মানহানি করেছে। কিন্তু আমি তাদের বিরুদ্ধে মামলা করিনি। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তার কোনো ভিত্তি নেই। ফেসবুকে আমি কোনো হুমকি দিইনি। আমার ভক্তরা দিতে পারেন।

এদিকে কন্ঠশিল্পী আসিফ গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে তার অসংখ্য ভক্ত শুভাকাঙ্ক্ষী, সঙ্গীতশিল্পী,নাট্যনির্মাতা ও সাংবাদিকরা তার মুক্তির দাবি জানিয়ে আসছেন।

নিউজবিডি৭১/আর/ ৮ জুন , ২০১৮

Share.

Comments are closed.