এস আলমের সয়াবিনসহ ৩৬টি পণ্য অকৃতকার্য ঘোষণা করেছে বিএসটিআই

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : ভেজালে সয়লাব-এসআলমসহ ৩৬ পণ্য। পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে বাজারে অবাধে ভোগ্য পণ্য বিক্রি হয়। বিক্রয় উপযোগী ভোগ্যপণ্য বাজারে তুলেছে বিভিন্ন কোম্পানি। এসব কোম্পানির বেশ কিছু পণ্যের নমুনা সংগ্রহ করে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। সংগ্রহকৃত ২৮৬ টি পণ্যের নমুনার মধ্যে ৩৬ টি পর্ণ অকৃতকার্য ঘোষণা করেছে বিএসটিআই।

এর অর্থ এগুলো ভেজাল পণ্য।এসব পণ্যের মধ্যে পণ্যের যথাযথ মান সংরক্ষণ করে তৈরি করা হয়নি বলে জানান বিএসটিআইয়ের পরিচালক প্রকৌশলী এস এম ইসহাক আলী। মঙ্গলবার (১৫ মে) সচিবালয়ে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে রমজানে ভোগ্য পণ্য মাননিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত প্রেসব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান। এসময় শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু উপস্থিত ছিলেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রকৌশলী এস এম ইসহাক আলী বলেন, দেশের অন্যতম তেল বিশেষ করে সয়াবিন তেল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এস আলম গ্রুপের পামঅয়েল সয়াবিনসহ তেল উৎপাদনকারী চারটি প্রতিষ্ঠান আমাদের পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। আমরা তাদেরকে নোটিশ দিয়েছি। এ পর্যন্ত নোটিশের জবাব পাইনি।

অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে, নারায়ণগঞ্জের শবনম ভেজিটেবল ওয়েল লিমিটেড, চট্রগ্রামের এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেড, এস আলম ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেড, ভিওটিটি অয়েল রিফাইনারিজ লিমিটেড, ভিওটিটি অয়েল রিফাইনারি লিমিটেড, বেফিশিং কর্পোরেশন লিমিটেড,

মারবিন ভেজিটেবলস অয়েল লিমিটেড, নারায়ণগঞ্জের তানভীর অয়েলস লিমিটেড, দীপা ফুড প্রডাক্টস লিমিটেড, বাংলাদেশ এডিবল অয়েলস লিমিটেড, সুফার অয়েল রিফাইনারি লিমিটেড, চট্রগ্রামের এম এম ভেজিটেবল অয়েল প্রোডাক্টস লিমিটেড, বাগেরহাটের শুন্সিং এডিবল অয়েল লিমিটেড।

খাদ্যদ্রব্যের মধ্যে নারায়ণগঞ্জের ড্যানিশ ফুড লিমিটেডের লাচ্ছা সেমাই, ঢাকায় অবস্থিত বগুড়া স্পেশাল কোং এর ঘি, গাজীপুরের ভাই ভাই ফুড প্রোডাক্ট এন্ড কোং এর অরিজিনাল বাঘাবাড়ি ঘি, আফতাব মিল্ক এন্ড মিল্ক প্রোডাক্ট লিঃ এর আফতাব মিল্ক, ঢাকায় অবস্থিত আর.এফ.এস এর এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ ঢাকা প্রাইম পাস্তরিত দুধ এবং আকিজ ফুড এন্ড বেভারেজ লিঃ এর ফার্ম ফ্রেশ মিল্ক।

বাকি ১১১টি নমুনা পরীক্ষাধীন রয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠানের নমুনা পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে সেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।এছাড়া ২১টি কারখানায় আকস্মিক অভিযান চালিয়ে সেসব কারখানায় উৎপাদিত পণ্যে মান ঠিক নাই বলে জানান ইসাহাক আলি।

কারখানাগুলো হচ্ছে- পুরানা পল্টনের রাজিব এন্টারপ্রাইজ, মতিঝিলের আলহেরা এন্টারপ্রাইজ, মিরপুরের ঢাকা ওয়াসা, মিরপুরের এন এম এন্টারপ্রাইজ, বাড্ডার এ ওয়ান ফুড অ্যান্ড বেভারেজ, তেজগাঁওয়ের সমকাল ক্যান্টি, তেজগাঁয়ের ভূমি রেজিস্ট্রি অফিস ক্যান্টিন,

গুলশান-১ এর লাইটিং প্যালেস, গুলশান-২ এর আল নূর রেস্তোরাঁ, বারিধারার মিতু-মুক্তা হোটেল, বাড্ডার নীল ফাস্ট ফুড অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট, গুলশানের মেজবান রেস্টুরেন্ট, শেরেবাংলা নগরের শিউলি হোটেল, তেজগাঁওয়ের বধুয়া হোটেল অ্যান্ড সুইটস, মালিবাগের ইউনিক ফাস্ট ফুড,তেজগাঁওয়ের অন্তর ড্রিংকিং ওয়াটার, তেজগাঁওয়ের ফেইথ ড্রিকিং ওয়াটার, দক্ষিণখানের এক্সিম ফুড অ্যান্ড বেভারেজ, মিরপুর-২ এর মাশাল্লা হেলথ ডেভেলপমেন্ট কোং, মর্নডিউ পিওর ড্রিংকিং ওয়াটার এবং রাজারবাগের নীল গিরি মার্কেটিং কোং।

নিউজবিডি৭১/আ/৩০ মে ,২০১৮