১৭ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং পচাগম আটকের পরও ব্যাবস্থা নেয়নি কাষ্টমস ; জীবাণূ ছড়িয়ে পড়ার আশংকা
Mountain View

পচাগম আটকের পরও ব্যাবস্থা নেয়নি কাষ্টমস ; জীবাণূ ছড়িয়ে পড়ার আশংকা

0
image_pdfimage_print

নিউজবিডি৭১ডটকম
কামরুজ্জামান টুটুল, পঞ্চগড় : বাংলাবান্ধা স্থল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে আমদানী করার সময় ১৯০ মেট্রিকটন পচা গম আটকের দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো কোন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি কাষ্টমস কতৃপক্ষ । এ ব্যাপারে বাংলাবান্ধা স্থল বন্দরের কাষ্টমস কতৃপক্ষ বলছেন উপরের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন তারা।

বাংলাবান্ধা স্থল বন্দরের উদ্ভিত সংগনিরোধ কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে,এবছরের ১৭ জানুয়ারি তারিখে নীলফামারী জেলার মেসার্স ইমতিয়াজ ট্রেডার্স ভারত থেকে ১৯০.১০ মেট্রিক টন গম আমদানী করে। এসময় উদ্ভিত সংগ নিরোধ কেন্দ্র গমগুলোতে নানা রকম ক্ষতি কারক জীবানু রয়েছে বলে আশংকা করে। কয়েকদিনের মধ্যে তা পরীক্ষা করার জন্য গমের সেম্পল ঢাকায় কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তরের পরীক্ষাগারে প্রেরণ করে।

কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিত সংঘনিরোধ উইং গমগুলোকে পচা এবং ৫ টি ক্ষতিকারক জীবাণু আক্রান্ত বলে জানানোর পর বাংলাবান্ধা স্থল বন্দরের উদ্ভিত সংগনিরোধ কেন্দ্র গমগুলো ফেরত দেয়ার জন্য আমদানিকারক ও সংশ্লিষ্ট সিএন্ডএফ এজেন্টকে চিঠি দেয়।এরপর কাষ্টমস কতৃপক্ষ গমগুলোকে আটক দেখালেও আমদানীকারক বা সংশ্লিষ্ট সিএন্ড এফ এজেন্টের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। গমগুলো ফেরত দেয়ারও উদ্যোগ নেয়া হয়নি। আটককৃত গমগুলো এখনো ওয়্যার হাউজে থাকার কারণে জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার আশংকা করছেন অনেকে। এতে ঐ স্থল বন্দরের সাথে সংশ্লিষ্ট আমদানি ও রপ্তানিকারকদের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে ।

নাম গোপন রাখার শর্তে এক আমদানী কারক বলেন, উপরে লবিং চলছে । গমগুলো ছাড়িয়ে নেয়ার চেষ্টা চলছে । হয়তো ছেড়ে দেবে। অন্যদিকে আমদানী কারক মেসার্স ইমতিয়াজ ট্রেডার্স এর পক্ষে সিএন্ড এফ এজেন্ট ও সিএন্ড এফ এসোসিয়েশনের সভাপতি নাহিরুল ইসলাম গণমাধ্যম কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন কোন নিউজ করতে পারবেন না । কোন নিউজ হবেনা। অনুসন্ধানে জানা যায় নাহিরুল ইসলাম এর আগে ২০১৬ সালে হাবিব ইন্টারন্যাশনাল এর প্রোপাইটার হিসেবে কাজ করতেন। এসময় ভূয়া এলসির মাধ্যমে ১১ কোটি টাকার ভারতীয় কটন তুলা আমদানী করার সময় ধরা পরে। পরে তার লাইসেন্স বাতিল করা হয় । মামলাও চলমান রয়েছে। বর্তমানে তিনি সেতু ইন্টারন্যাশনাল নামে আরেকটি সিএন্ডএফ লাইসেন্স ব্যবহার করে এই বন্দরে কাজ করছেন।

এ ব্যাপারে বাংলাবান্ধা স্থল বন্দরের রাজস্ব কর্মকর্তা জাকির হোসেন তাহের (কাজল) নিউজবিডি৭১কে জানান, বিষয়টি উপড়ে জানানো হয়েছে। নির্দেশনা পেলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজবিডি৭১/আর/২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮

Share.

Comments are closed.