২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং রাজস্বের টাকা কর্মকর্তাদের পকেটে (পর্ব-৩)
Mountain View

রাজস্বের টাকা কর্মকর্তাদের পকেটে (পর্ব-৩)

0
image_pdfimage_print

নিউজবিডি৭১ডটকম
আমিনুল ইসলাম: রেলওয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানা ওসি রবিউল আজমের প্রভাবে অবৈধ পণ্য রেলের মাধ্যমে দেশে আসছে। ঘুষ দিলে হচ্ছে পণ্য খালাস। ফলে রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

বাংলাদেশ রেলওয়ে পুলিশের ওসি রবিউল আজম এর নিজস্ব লোক মো: জাকির হোসেনের মাধ্যমে রেলপথে আসছে ভারতীয় পণ্য। রাজস্ব ছাড়াই ঘুষের বিনিময়ে ঢাকা-কলকাতা মৈত্রী এক্সপ্রেস হয়ে সেসব পণ্য খালাস করছে জাকির বাহিনী।

ক্যান্টনমেন্ট রেল পথে ভারতী পোশাক কসমেটিক্স, যেমন শাড়ি, থ্রি পিস, লেহেঙ্গা, শেরয়ানী, ১পিস সহ প্রায় দু’শত পণ্য প্রবেশ করছে কোন রূপ শুল্ক না দিয়ে।

রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে পণ্য আমদানিতে দালাল সিন্ডিকেট দের সাথে সখ্যতা বজায় রাখার কাজে রেলওয়ে ওসি মো: রবিউল আজম তার নিজস্ব লোক মো: জাকির ঘুষ আদায়ে ব্যস্ত সময় পার করছে।

প্রতিবার যাতায়াতের জন্য জাকির প্রতিটি ব্যবসায়ীদের নিকট হতে নিয়ে থাকে মোটা অংকের টাকা। যা বাটোয়ারা হয় ষ্টেশন মাষ্টার হতে শুরু করে কাস্টম কর্মকর্তা, রেলওয়ে পুলিশ, থানা পুলিশ, ডিবি, সহ অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মধ্যে ।

দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা বৃদ্ধিতে পণ্য আমদানিতে রাজস্ব ফাকির মাত্রা বাড়ার পাশাপাশি বাড়ছে অবৈধ পণ্য আমদানি যা পোশাক খাতে চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখলেও রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

নিয়মিত ভাবে প্রতিবার যাতায়াত করে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট তার লাগেজে করে করে বহন করে থাকে ৬০-৭০পিস শাড়ি ও ৮০-৯০পিস ১পিস। আবার কেউ কেউ ১০০থেকে ১৫০পিস শাড়ি বহন করে থাকে।

বড় ব্যবসায়ীদের মধ্যে জাকির, ফারুক, অভিজিত, মোশাররফ, আশফাক, আলাল রেলওয়ে পুলিশের সাথে আঁতাত করে ট্রেনে অতিরিক্ত মালামাল বহন করে যা রাজস্ব বিহীন ভাবে দেশে প্রবেশ করে। এসব পণ্য চেকিং ছাড়াই ট্রেনের বগিতে করে পুলিশই সহায়তায় এনে থাকে তারা।

ঢাকা কলকাতা এক্সপ্রেস সপ্তাহে আট বার যাওয়া আসা করে থাকে এবং প্রতিটি ট্রেনে প্রায় এক তৃতীয়াংশ বহনকারী যাত্রী যাতায়াত করে থাকে। যারা প্রতিটি ট্রেনে গড়ে ৪০থকে ৫০ হাজার অবৈধ ভাবে মালামাল আনতে সক্ষম।

আর এধরনের পণ্য আমদানিতে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে পণ্য খালাস হলেও ঘুষের অংশ চলে যাচ্ছে সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীর পকেটে।

নিউজবিডি৭১/আর/২০ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮

Share.

Comments are closed.