১৮ই জানুয়ারি, ২০১৮ ইং ছাত্র জীবন থেকে বঙ্গবন্ধুকে অনুসরন করে সমাজের সেবা করেছি
Mountain View

ছাত্র জীবন থেকে বঙ্গবন্ধুকে অনুসরন করে সমাজের সেবা করেছি

0

নিউজবিডি৭১ডটকম
আমিনুল ইসলাম : বঙ্গবন্ধুকে অনুসরন করে ছাত্রজীবন থেকে আওয়ামীলীগে যোগদানের মধ্যদিয়ে বিভিন্ন সমাজ সেবা মুলক কাজে অংশগ্রহন ছিল আমার মুল লক্ষ্য, নিউজবিডি৭১ এর একান্ত সাক্ষাতকারে জানালেন দক্ষিণখান থানার চালাবন্দ বাসি মো: আমিনুল ইসলাম (আমিন)।

জন্ম ১৯৬৯ সালে। পিতা- হাজি কফিল উদ্দিন। দক্ষিণখান থানাধীন জন্ম সূত্রে সেখানকার স্থানিয় বাসিন্দা কিন্তু কখনো অন্যায় ভাবে কাউকে আঘাত করিনি । যতটুকু সম্ভব নিজেকে ভাল কাজের মধ্য সম্পৃক্ত রাখার চেষ্ঠা করেছি।

১৯৮৬ সালে বৃহত্তর উত্তরা থানার ছাত্রলীগের সদস্য হয়ে ছাত্র রাজনীতিতে অংশ গ্রহন করি । ১৯৯০ সালে এরশাদ সরকার পতনের আন্দলনে সক্রিয় ভুমিকা পালন করি।

১৯৯১ সালে চালাবন্দ মৌশাইর ইউনিট আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত হই। ২০০১ সালে চালাবন্দ ইউনিট আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হই।

বর্তমান দক্ষিণখান থানা আওয়ামীলীগে সম্পৃক্ত হয়ে এলাকার সমাজ সেবা মুলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি।

নিজের ব্যক্তিগত উদ্দেগে চালাবন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছি। বর্তমান চালাবন্দ অদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়টির জন্য যে জায়গা বরাদ্দ করা হয়েছে তা আমার বাবা স্কুলের জন্য দান করেছিলেন।
যে কারনে হাজি কফিল উদ্দিন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় নামে বিদ্যালয়টির নাম করন করা হয়েছে। সেখানে আমাকে প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রাখা হয়েছে।

এতিম , অনাথ ও ছিন্নমুল শিশুদের কথা চিন্তা করে বর্তমান সরকারের উদ্দেগে প্রতিটি থানায় একটি করে যে স্কুল প্রতিষ্ঠার প্রজেক্ট করার কথা সরকার চিন্তা করেছেন তার ধারাবহিকতায় এমপি মহোদয় এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন এর মাধ্যমে দক্ষিণখানের স্কুলটি চালাবন্দে প্রতিষ্ঠা করি । যেখানে বর্তমানে তিন শতের অধিক ছাত্র-ছাত্রি পড়াশুনা করার সুযোগ পেয়েছে। স্কুলটিতে প্রথম শ্রেনী থেকে শুরু করে পঞ্চম শ্রেনী পর্যন্ত চালু করা হয়েছে । ২০১৬ সালে ৫০ জন ছাত্র-ছাত্রী দিয়ে যাত্রা শুরু হয়।

শিশুকল্যান স্কুলটির জন্য পাচ জন শিক্ষক রয়েছেন। সরকারি বই ব্যতিত খাতা কলমের যোগান স্কুল কমিটির মাধ্যমে দেয়া হয়ে থাকে । যে কারনে স্কুলে প্রতি মাসে ১৫-১৬ হাজার টাকা খরচ নিজে বহন করি।

চালাবন্দ এলাকাটি জনবহুল ও নিম্ন আয়ের মানুষের, যে কারনে অসহায় পরিবারের এতিম ও ছিন্নমুল শিশুদের শিক্ষার লাভের কথা ভেবে চালাবনে স্কুলটি পতিষ্ঠা করা হয়। আমি চাই পথশিশু আগামীতে দেশের বোঝা না হয়ে এদেশের ভবিষ্যত সম্পদে পরিনত হোক। এবং প্রতিটি মহল্লায় ব্যক্তিগত উদ্দেগে এধরনের স্কুল সমাজের প্রতিটি ঘরে শিক্ষার আলো পৌছে দেয়া সম্ভব।

সর্বশেষ প্রশ্নের জবাবে তিনি নিউজ বিডি৭১ কে জানান, দলিও সমর্থন পেলে কাউন্সিলর নির্বাচন করতে চাই এবং সবার নিকট তিনি দোয়া কামনা করেন।

নিউজবিডি৭১/আর/ ১১ জানুয়ারি ২০১৮

image_print
Share.

Comments are closed.