১৬ই আগস্ট, ২০১৮ ইং ১০ দিন পেরিয়ে গেলেও ময়না ধর্ষনের কোন ব্যবস্থা নেইনি পুলিশ
Mountain View

১০ দিন পেরিয়ে গেলেও ময়না ধর্ষনের কোন ব্যবস্থা নেইনি পুলিশ

0
image_pdfimage_print

নিউজবিডি৭১ডটকম
আমিনুল ইসলাম : রাজধানীর দক্ষিণখান চালাবন্দ এলাকায় ময়না(ছদ্দনাম) কিশোরগঞ্জের পিরোজপুর থানার স্থায়ী বাসিন্দা চাকরি পাওয়ার আশায় ঢাকায় আসে ।পরিচয় হয় কবিরাজ রফিকুলের সাথে । সেই সরলতার সুযোগ নিয়ে কবিরাজ তার বন্ধু শাকিলকে লেলিয়ে দেয় ময়নার পেছনে।

আনসারে চাকরি দেয়ার কথা বলে শাকিল ময়নার সাথে এক ধরনের সম্পর্ক গড়ে তোলে। সুযোগ বুঝে ময়নার বাসায় গিয়ে শাকিল ময়নার সর্বস্য লুট করে।

ঘটনাটি ঘটেছে রাজধানীর দক্ষিণখান চালাবন্দ এলাকার জমির উদ্দিন রোডের জয়নাল আবেদীনের বাড়িতে শুক্রবার সকাল ৯টা ও শনিবার একই সময়।

প্রতারক শাকিল ময়নাকে বিয়ের প্রলোভন দেখায় কিন্তু উদ্দেশ্য হাসিল হলে শাকিল ময়নার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।

ময়না নিউজবিডি৭১কে জানায়, আমি চাকরির কথা বলেছিলাম কবিরাজ রফিককে কিন্তু সে শাকিলের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়।

শাকিল জানত আমার কোন সার্টিফিকেট নাই কিন্তু নকল সার্টিফিকেট তৈরী করে আমাকে চাকরি দেয়ার কথা বলে আমি রাজি হইনা । শাকিল একধরনের জোর পুর্বক আমাকে চাকরি দেবে বলে। আমি শাকিলকে জানায়, ভুয়া সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি করবো না । শাকিল আমাকে বার বার ফোন করতে থাকে । কু-প্রস্তাব দিতে থাকে । আমি রাজি হই না । আমার বাসা চিনতে পেরে সুযোগ বুঝে আমার বাসায় আমার রুমে ঢুকে আমার মুখ চেপে ধরে এবং গামছা দিয়ে হাত পা বেধে আমার মুখ চেপে ধরে আমাকে নস্ট করে। হাত পা বাধা অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। আমি হাত পায়ের বাধন খুলতে খুলতে তখন সে পালিয়ে যায় । বাসায় সেই মুহুর্তে তেমন কেহ না থাকায় শাকিলকে কেউ দেখতে পায় না। পরে আমি শাকিলকে ফোন দিলে শাকিল জানায়, সে আমাকে বিয়ে করবে, কিন্তু কাজির কাছে নিয়ে গিয়ে বলে কাবিন ছাড়া বিয়ে হবে, শুধু কলমা পড়বে । আমি রাজি হইনা বিধায় আমাকে কাজির সামনে একটি চড় মারে।

ময়না কাজির নিকট অনুরোধ করলে একপর্যায় কাজিও বিয়েতে আপত্তি জানায়।
পরে শাকিল বাসায় ফিরে যায় । পরদিন আবার বিয়ে করবে বলে আমার বাসায় ঢুকে আমাকে আবার জোর করে নস্ট করে এবং একই ভাবে আমাকে ফেলে চলে যায়।

ময়না বিচারের আসায় দক্ষিণখান থানায় ২/০১/২০১৮ তারিখ একটি লিখিত অভিযোগ করলে শাকিল তার মোবাইল ফোন দিয়ে বিভিন্ন সময় ভয় ভিতি দেখাতে থাকে।

শাকিল সম্পর্কে জানা যায়, শাকিল গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর থানা কমান্ডার যে কারনে আইন তার পকেটে । তাই ময়নার মত অসহায় মেয়েদের বিচার সুধুই স্বপ্ন।

ময়নার পরিবার জানায় আমরা গরিব মানুষ। লোকে জানা জানি হলে আমার আরো দুবোনের সংসার ভেঙ্গে যাবে।

শাকিল জানান, মেযেটির সাথে আমার কোন শারীরিক সম্পর্ক হযনি । কাজি অফিসে নিয়েছিলাম বিয়ে করার জন্য।

কাজি অব্দুর রহমান জানান, আমার কাছে তারা এসেছিল কিন্তু শাকিল সম্পর্কে জানি বিধায় বিয়ে পড়ায়নি। তবে আমার সামনে শাকিল আহম্মেদ মেয়েটিকে হুমকি দিয়েছিল।

কবিরাজ রফিক জানান, আমি শাকিলের স্ত্রীর চিকিৎসা করেছি । শাকিল আনসার কমান্ডার তাই ময়নার সাথে যোগাযোগ করাই।

এ ব্যাপারে দক্ষিনখান থানার ওসি তপন চন্দ্র সাহা জানান,অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। কিন্তু ঘটনার ১০দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো কোন ব্যবস্থা নেইনি পুলিশ।

নিউজবিডি৭১/আর/ ১০ জানুয়ারি ২০১৮

Share.

Comments are closed.