২৮শে মে, ২০১৮ ইং স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক আদালত পর্যন্ত যাক আমি চাই না : অপু
Mountain View

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক আদালত পর্যন্ত যাক আমি চাই না : অপু

0
image_pdfimage_print

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : বাংলাদেশের জনপ্রিয় তারকা শাকিব খানের সঙ্গে ডিভোর্সের বিষয়ে সুস্থ সমাধানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ আশা করেছেন শাকিবের স্ত্রী অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস। বৃহস্পতিবার এক অনলাইন সংবাদমাধ্যমের কাছে তিনি এ কথা জানান।

অপু বিশ্বাস বলেন, ‘না আমি মামলাবাজ না। আর স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক আদালত পর্যন্ত যাক এটা আমি চাই না। তাতে বরং সম্পর্কের আরও অবনতি হবে। আমি চাই আমাদের সম্পর্কের ভেতর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হস্তক্ষেপ করুক। কারণ তিনি একজন মমতাময়ী মা। তিনি অবশ্যই আমার জয়ের কথা ভাববেন। এবং একটা সুস্থ সমাধান দেবেন।’

আপনাদের পারিবারিক ঝামেলায় কেন প্রধানমন্ত্রী আসবেন, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমাদের ঝামেলাটা আর পারিবারিক নেই। এটা রাষ্ট্রীয় হয়ে গেছে। … চায়ের দোকানে, পাবলিক বাসে আমাদের নিয়ে আলোচনা হয়। মানুষ একজন তারকার কাছ থেকে অনুপ্রাণিত হয়। তাই ভাঙনের অনুপ্রেরণা আমি দিতে চাই না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আর আজকে আমি অপু বিশ্বাস বাংলাদেশে একটা পরিচিত মুখ । আমার সাথে আমার ঘরে অবিচার হচ্ছে, তাহলে অন্য সাধারণ নারীরা, যারা অপু বিশ্বাস না, তাদের কী অবস্থা হচ্ছে ভাবুন একবার। এজন্যই আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাই।’

শাকিব খান তার স্ত্রী অপু বিশ্বাসকে তালাকনামা পাঠিয়েছেন গত ২৯ নভেম্বর। তবে সেই তালাকনামার খবরটি গণমাধ্যমে আসে গত সোমবার।

জানা গেছে, তালাকনামায় শাকিব খান দুটি কারণ দেখিয়েছেন। প্রথম অভিযোগ, অপু তাদের সন্তানকে কাজের লোকের কাছে রেখে কথিত বয়ফ্রেন্ডকে নিয়ে ভারতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। আর দ্বিতীয় অভিযোগ, অপু তার কোনো নির্দেশ মেনে চলেন না। তাই তিনি বিবাহবিচ্ছেদ চান।

শাকিব-অপুর বিয়ে হয় ২০০৮ সালের ১৮ এপ্রিল। কিন্তু ৯ বছর বিয়ের খবর গোপন রাখেন তারা। এর মধ্যেই গত বছর ২৭ সেপ্টেম্বর তাদের ঘরে আবরাম নামে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। অপু বিশ্বাস গোপনে আগলে রেখেছিলেন শাকিব খানের ঔরসজাত সন্তানকে। তবে চলতি বছরের ১০ এপ্রিল একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে ছয় মাস বয়সী ছেলে আব্রামকে সঙ্গে নিয়ে হাজির হন অপু। এরপর দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যর সৃষ্টি হয় বিষয়টি নিয়ে।

নিউজবিডি৭১/আর/৭ ডিসেম্বর , ২০১৭

Share.

Comments are closed.