১১ই ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং হৃদয় ও মনজুড়ে রাহাত মাহমুদের নাটক ‘মনজুড়ে’

হৃদয় ও মনজুড়ে রাহাত মাহমুদের নাটক ‘মনজুড়ে’

0

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : কিশোর বয়সে সাগরের মা-বাবা দুর্ঘটনায় মারা গেলে আশ্রয় জােটে গ্রামে মামার বাড়ি। শহরের অবস্থাপন্ন পরিবারের ছেলে অতি আদর যত্নে বেড়ে ওঠা সাগর অকালে এতিম হয়ে বুঝতে পারে জীবনের খুব রুঢ় বাস্তবতা। এই বাস্তবতায় শহরের ছেলে সাগর বাবা মাকে হারিয়ে মামার বাড়িতে অনেক চেষ্টা করেই নিজকে প্রতিটি কাজে সফলতার সঙ্গে তোলে ধরতে চাইছে। কিন্তু গ্রামের সেই মামার স্নেহ ভালোবাসা পেলেও যেন পদে পদে মামীর রোষানলে দুমড়ে মুচড়ে অনেক দুর্বিষহ জীবন হয়ে উঠে তার। জীবনের একমাত্র স্বস্থির আশ্রয়স্হল তার মামাতো বোন কুসুমের সঙ্গ।

বয়স বাড়ার সাথে সাথেই তাদের অনেক ভালো লাগা, সেই ছোটবেলার স্মৃতির সঙ্গে বর্তমানে চলার পথেই জন্ম নেয় গভীর প্রেম পিরিতি ভালোবাসা। এ বিষয়টি কুসুমের মায়ের চোখে পড়লে সাগরকে সাবধান করে এবং কুসুমের বাবাকে জানায়। পরে সাগরকে বিভিন্ন কথার খাঁচা দেয় তাছাড়া অনেক আহতও করে। তবুও সাগর তার মামার সংসারে অনেক পরিশ্রমের বিভিন্ন কাজ হাসিমুখে করে যায় দিনের পর দিন।

আপরদিকে কুসুমের আজন্ম সাধ নায়িকা হওয়ার। সেই গ্রামে একদা অনেক বড় মাপের নামিদামি এক ডিরেক্টর শুটংয়ের টিম নিয়ে আসেন কুসুম জানতে পারে। কুসুম পরে তাদের কাছে আলাপ আলোচনা করে জানে দুই লক্ষ টাকা জোগাড় না হলে কখনো তার নায়িকা হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হবে না।

নায়িকা হওয়ার স্বপ্নে বিভোর কুসুম এক সময় ন্যায় নীতিকে ভুলে নিজের মায়ের গয়না চুরি করে তার ভালোবাসার প্রিয় মানুষ সাগরেকে দেয় এবং তাকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব করে। কুসুমের এমন জোরাজুরিতে সাগর রাজি হয়না বরং সে গয়না গুলো আলমারিতে রেখে দেওয়ার অনুরোধ করে। তবে সাগর তাকে আরও বলে, আমি দিনের পর দিন খুব গোপনে ছোট খােটা অনেক পরিশ্রম করে বেশ কিছু নগদ টাকা জমিয়েছি কুসুম! শুধু তোমার স্বপ্ন পূরণের কথা মাথায় রেখে। এমন ভালোবাসার কথা বলে শেষ করার মতো নয়, শেষ হবে নাটকে। পরিচালক রাহাত মাহমুদের চমৎকার এক নাটকে “মনজুড়ে”দেখতে পাবেন। হ্যাঁ নাটকের নামই তো ‘মনজুড়ে’। এমন এই নাটকটি যৌথভাবেই চিত্রনাট্য করেছেন জাফিরন সাদিয়া এবং তাইমুর মাহমুদ শমীক, এর পাশাপাশি বিনোদন পূর্ণ নাটকের মূল ভাবনায় রয়েছেন জাফিরন সাদিয়া। পরিচালক আরও বলেন, গাজীপুরের ভাদুম বাজারে কিছু দিন আগে‘মনজুড়ে’র শুটিং হয়েছে। পরিচালক রাহাত মাহমুদ বেলন জানালেন, আশির দশকে রাজ্জাক-কবরী যে ধারার সিনেমা জগতে শৈল্পীক অভিনয় দেখিয়ে ছিলেন, সেই সাদৃশ্য কল্পনায় এই ‘মনজুড়ে’ নাটকটি নির্মানের আপ্রান চেষ্টা করেছেন। নির্মানে অনেক সফলও হয়েছেন। নাটকের গল্প একেবারেই ক্লাসিক ও ফিল্মি গল্প। তাছাড়া নাটকে গ্রাম এবং শহরের সব কিছুই যেন ফিল্মি কায়দায় তুলে ধরার প্রয়াস রেখেছেন। তিনি নজরুল ইসলাম তোফাকে বলেন, কাজটি শুটিং স্পটে খুব বিনোদন দিয়েছে। তিনি আশাও করেছেন ভালো কাজ, ভালো কোন চ্যানেলে যাবে সবার হৃদয় ও মনজুড়েই এই নাটক “মনজুড়ে”।

নিউজবিডি৭১/আর/২৯ নভেম্বর ২০১৭

image_print
Share.

Comments are closed.