২১শে নভেম্বর, ২০১৭ ইং সেলফি জ্বরে আক্রান্ত গোটা দুনিয়া

সেলফি জ্বরে আক্রান্ত গোটা দুনিয়া

0

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : সেলফি জ্বরে আক্রান্ত গোটা দুনিয়া। আর এই সেলফি নিয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনাও কম নয়। প্রায় রোজই জন্ম নিচ্ছে কোনো না কোনো ঘটনা। এমনকি সেলফি তুলতে গিয়ে মুত্যুও হচ্ছে। ভাই তার ছোট বোনকে কবরে রেখে তুলছে সেলফি, ছেলে তার জন্মদাতা বাবার লাশ কাঁধে নিয়েও ইদানিং তোলা হচ্ছে সেলফি। দাদার মৃত্যুর পর মন খারাপ হওয়ার পরিবর্তে একগাল হেসে লাশের সঙ্গে তোলা হচ্ছে সেলফি। ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে যে কত কি চোখে পড়ে!

কিছুদিন আগে এক ছেলে নিজের বাবার লাশ কাঁধে নিয়ে কবরের দিকে যাচ্ছেন। সেই ছবি ফেসবুকে আপলোড দিয়েছেন লাশ কাঁধে রেখেই। আর সেই ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন- ‘আমি এবং আমার কাঁধে বাবার লাশ, কবরের দিকে যাচ্ছি। সবাই দোয়া করবেন।’গত রমজানেই দেখা গেল তারাবির নামাজে সেজদারত এক মেয়ের সেলফি। আপনিই ভাবুন কতটা সেলফি রোগে আক্রান্ত হলে বা অসুস্থ হলে এমন কাজ করা যায়!

কিছুদিন আগেই এক ছেলে তার মায়ের জন্য খোড়া কবরের পাশে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলছে! হাসিমুখ। তার বন্ধুরা তখন কবর খুঁড়ছিলেন। তারাও তখন শোক ভুলে ক্যামেরার ফ্রেমে হাসি মুখে পোজ দিয়েছেন।

হজ্ব করতে গিয়ে কাবা ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলে আপলোড দিয়েছেন এক ব্যক্তি। আর ক্যাপশনে লিখেছেন- ‘it’s imagine, I’m LOL’

নাতি তার দাদার লাশের সাথে নিচ্ছে সেলফি এবং ক্যাপশনে লিখছেন আমার দাদা এই মাত্র পরকালে চলে গেলেন! লাশের পাশে বসে কি সুন্দর করে হাসি মুখে সেলফি নিচ্ছেন!

সম্প্রতি ফেসবুকে এক ব্যক্তি ফেসবুকে তার মৃত বোনের কবর দেয়ার সময় তোলা সেলফি পোস্ট করে অনেক সমালোচনার মুখে পড়েছেন। কবর দেয়া অবস্থা সবার সাথে সেলফি তুলে ফেসবুকে আপলোড দিয়ে আবার দোয়া চেয়েছেন নিজের বোনের জন্য।গেল বছরের শেষদিকে মৃত ব্যক্তির সাথে সেলফি তুলে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করে তিন কিশোর। ছবিতে দেখা যায়, মৃত নানা শুয়ে আছেন হাসপাতালের ট্রলিতে, তাকে ঘিরেই তার তিন নাতি সেলফি তুলছেন। সেই ছবি তারা আপলোড করে ফেসবুকে। ছবির ক্যাপশনে তারা লিখেছে, ‘যাকে নিয়ে এত মজা করতাম, যাকে ঘিরে ছিল আমাদের হাসিখুশি, যার সাথে কথা না বলে থাকতাম না; সে হল আমার নানা। তিনি আর নেই। চলে গেছেন না ফেরার দেশে। আমরা তোমায় ভুলবো না। Miss u
so much Nana bhai.’  (সংগৃহীত)

নিউজবিডি৭১/এস আই/ ২০ আগস্ট , ২০১৭

image_print
Share.

Comments are closed.