ট্রাম্প মিশরের প্রেসিডেন্ট সিসিকে খুনি বলেছেন!

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসিকে নিয়ে মস্করা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তিনি তাকে একজন ‘ফাকিং’ কিলার হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। ‘ফিয়ার: ট্রাম্প ইন দ্য হোয়াইট হাউজ’ বইয়ে এমন মন্তব্য করেছেন ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারি উদঘাটনকারী বিখ্যাত সেই সাংবাদিক বব উডওয়ার্ড। তার ওই অনুসন্ধানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের বিদায় ঘন্টা বেজে যায়। তিনি পদ ছাড়তে বাধ্য হন। সেই বব উডওয়ার্ড এবার বই লিখেছেন ট্রাম্পকে নিয়ে। ওই বইটি সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে।

তা উদ্ধৃত করে অনলাইন আল জাজিরা লিখেছে, মিশরের রাজধানী কায়রোতে আটক ছিলেন মিশরিয় বংশোদ্ভূত মার্কিনি আয়া হিজাজি।

তার মুক্তি নিশ্চিত হওয়ার পর আল সিসিকে নিয়ে ওই মন্তব্য করেছিলেন ট্রাম্প। বইটিতে উডওয়ার্ড দাবি করেছেন, আয়া হিজাজিকে মুক্তির বিষয়ে মিশরের প্রেসিডেন্ট আল সিসির সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে ট্রাম্প আলোচনা করছিলেন তখনকার হোয়াইট হাউজের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা জন দাউদের সঙ্গে। বলা হয়েছে, ওই সময় দাউদকে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘মনে রাখুন আমি কার সঙ্গে আলোচনা করছি। ওই ব্যক্তিটি হলো একটি ‘ফাকিং’ কিলার। আমি এটা শেষ করে এনেছি। সে আপনাকে ফোনে পেলে ঘামিয়ে ছাড়বে।

২০১৭ সালের এপ্রিলে হিজাজিকে জেল থেকে মুক্তি দেয়া হয়। মানব পাচারের অভিযোগে প্রায় তিন বছর বন্দি থাকার পর তিনি মুক্তি পান। তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগকে মানবাধিকার বিষয়ক গ্রুপগুলো বোগাস বা বানোয়াট বলে প্রত্যাখ্যান করে। এর কয়েক সপ্তাহ আগে হোয়াইট হাউসে আবদেল ফাত্তাহ আল সিসিকে আমন্ত্রণ জানান ট্রাম্প, এ কাজটি সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা কখনো করেন নি।

আল সিসিকে ট্রাম্প একজন ফ্যান্টাস্টিক গাই বলে আখ্যায়িত করেন । এর এক বছরের কম সময় পরে আল সিসি মিশরের নির্বাচনে শতকরা ৯৭ ভাগ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। এরপর ফোন করে তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান ট্রাম্প। ব্যাপক প্রচারণা পাওয়ার পর মঙ্গলবার প্রকাশিত হয়েছে উডওয়ার্ডের ওই বইটি। এতে ওভাল অফিসের ভিতরের উচ্চ মাত্রার জীবনযাপন নিয়ে সমালোচনামুলক তথ্য রয়েছে। তুলে ধরা হয়েছে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত চরিত্র।

বলা হয়েছে তার চরিত্র ভয়াবহভাবে ত্রুটিপূর্ণ। এতে আরো বলা হয়েছে গত এপ্রিলে রাসায়নিক হামলার পর সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদকে হত্যা করতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প। ওই বইয়ে বলা হয়েছে, একবার ট্রাম্প বলেছিলেন- চলো আমরা তাকে হত্যা করি। শুরু করা হোক। চল তাদের অনেককে হত্যা করি।

বইটি প্রকাশের প্রাক্কালে ট্রাম্প টুইটারে উডওয়ার্ডের বইয়ের নিন্দা জানিয়েছেন। বলেছেন, এটা একটি ফিকশন বই।

নিউজবিডি৭১/আ/সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮




আরও ১৪ কলেজ সরকারি হলো!

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : দেশের আরও ১৪টি বেসরকারি কলেজকে সরকারি করা হয়েছে।

আজ বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি কলেজ-৬ অধিশাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘সরকারিকৃত কলেজ শিক্ষক ও কর্মচারী আত্তীকরণ বিধিমালা-২০১৮’-এর আলোকে ১৪টি কলেজ ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখ হতে সরকারি করা হলো।

নতুন করে সরকারি করা কলেজগুলো হচ্ছে— ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সালথা কলেজ, নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার তেলিগাতী ডিগ্রি কলেজ, ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার ঈশ্বরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ, নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার সৈকত ডিগ্রি কলেজ, রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার রাজস্থলী কলেজ, সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ডিগ্রি কলেজ, রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার সরদহ মহাবিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার চৌহালী ডিগ্রি কলেজ, যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার শহীদ সিরাজুদ্দীন হোসেন মহাবিদ্যালয়, খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার এম এ মজিদ ডিগ্রি কলেজ, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা কলেজ, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব আইডিয়াল কলেজ, কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার ভেড়ামারা মহিলা কলেজ ও গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ কলেজ।

নিউজবিডি৭১/আ/সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮




চ্যাম্পিয়নস লিগে রোনালদোই কোচ!

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : পর্তুগিজ যুবরাজ ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো পরপর তিনবার রিয়ালের হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছেন। জুভেন্টাসে আসার পর ইতালির ক্লাবও চ্যাম্পিয়নস লিগের বড় শক্তিতে পরিণত হয়েছে বলে মত অনেকের। এবার ইতালির সাবেক তারকা অ্যালেক্সসান্দ্রো দেল পিরো বললেন, চ্যাম্পিয়নস লিগে রোনালদো কোচের থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

রিয়াল মাদ্রিদের কোচ থাকা অবস্থায় দারুণ সাফল্য পেয়েছেন জিনেদিন জিদান। দলের সাফল্যর জন্য কৃতিত্ব তারই পাওয়া উচিত। বিশেষ করে দলের কৌশল সাজানোর কাজটা দুর্দান্ত করেছেন ফ্রান্স তারকা জিদান। দেল পিরো অবশ্য রিয়ালের তৎকালীন কোচের অবদান ছোট করছেন না। তবে চ্যাম্পিয়নস লিগে রিয়ালের সাফল্যের মূলে রোনালদো ছিলেন বলে মত তার।

তিনি বলেন, ‘যদিও সবসময়ই শিরোপা জেতার ক্ষেত্রে খেলোয়াড়দের চেয়ে কোচের প্রজ্ঞার পরিচয় বেশি মেলে। কোচদেরই কৃতিত্ব পাওয়া উচিত। তবে আমার মনে হয় না, চ্যাম্পিয়নস লিগে রোনালদোর চেয়েও কোন কোচের ভূমিকা বেশি। আমি মনে করে, সবার প্রত্যাশার উর্ধ্বে গিয়ে রিয়ালের সঙ্গে জিদান অসাধারণ কাজ করেছেন।’

দেল পিরো জুভদের হয়ে ১৯৯৬ চ্যাম্পিয়নস লিগে অংশ নেন। সাবেক এই তারকা মনে করেন, সিআরসেভেন আসায় এবার চ্যাম্পিয়নস লিগে জুভেন্টাস ফেবারিট দলের একটি। তবে রিয়াল সবার ওপরে, ‘চ্যাম্পিয়নস লিগের ফেবারিটের তালিকায় রিয়াল মাদ্রিদ প্রথম সারিতে। যদিও তাদের সঙ্গে এবার রোনালদো নেই। তবুও তারা টপ ফেবারিট। এরপর আছে জুভেন্টাস, পিএসজি এবং ম্যানসিটি। তৃতীয় সারিতে আছে বার্সেলোনা, বায়ার্ন মিউনিখ এবং লিভারপুল।’

এছাড়া দেল পিরো জানান, তিনি চান ইতালির চার ক্লাবের মধ্যে তিনটি চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোয় উঠুক। এর মধ্যে যে কোন তিনটি দল নক আউট পর্ব উৎরে যাক। একটি দল ইউরোপা লিগ জিতুক এটাও চান তিনি। তবে ইতালির ক্লাবগুলোর মধ্যে নাপোলি সবচেয়ে কঠিন গ্রুপে পড়েছে বলে মনে করেন পিরো। গত মৌসুমে রোমা চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনাল খেলেছে। এবারও তারা দারুণ কিছু করবে বলে মত সাবেক এই ইতালিয়ান তারকার।

নিউজবিডি৭১/আ/সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮




ফাইনালে মালদ্বীপ নেপালকে হারিয়ে

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : মালদ্বীপ কোচ পিটার সের্গাটের চাকরি নিয়ে টানাটানি পড়ে গিয়েছিল। মালদ্বীপের সংবাদ মাধ্যমে সাফ ফুটবলই তার শেষ বলে লেখা ছাপাও হয়েছে। এমনকি নেপালের বিপক্ষে ম্যাচের আগেও তাকে সংবাদ সম্মেলনে দেখা যাবে না বলে লিখে দেয় কেউ কেউ।

সের্গাট শুধু বলেছিলেন, যা হওয়ার সাফের পর হবে। এখনও তো দলকে সমর্থন করুন। নেপালের বিপক্ষে ৩-০ গোলে জিতে সাফের ফাইনালে চলে গেছে মালদ্বীপ। কোচ অন্তত বুঝিয়ে দিয়েছেন, এখনই শেষ দেখে নেওয়ার কিছু নেই।

বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত সাফ ফুটবলে বুধবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ফাইনালে যাওয়ার লড়াইয়ে মুখোমুখি হয় নেপাল এবং মালদ্বীপ। বাংলাদেশকে বিদায় করে সেমিতে ওঠে নেপাল। গ্রুপ পর্বের ম্যাচের ফলাফল বিশ্নেষণে বেশ এগিয়ে ছিল নেপাল। মালদ্বীপকে হারিয়ে প্রথমবার সাফের ফাইনালে উঠতে আত্মবিশ্বাসী ছিল তারা। কিন্তু ময়দানি লড়াইয়ে মালদ্বীপ দেখিয়ে দিয়েছে তারাই এগিয়ে।

নেপালের জন্য অবশ্য প্রেরণা ছিল ঢাকার মাঠ। ২০১৬ সালে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের শিরোপা জিতেছিল তারা। আর মালদ্বীপের বিপক্ষে সর্বশেষ দুটি সেমিফাইনালেও জয়ের হাসি হাসে হিমালয়ের দেশটি। ২০১৬ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত এসএ গেমসের সেমিফাইনালে নেপাল জিতেছিল ৪-৩ গোলে। দুই বছর আগে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে দ্বীপদেশকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল বিমল গাত্রিরা।

গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচের দুটিতে জেতে নেপাল। পাকিস্তানের কাছে শেষ মুহূর্তে ভাগ্যের কাছে হেরে যায় তারা। দাপট দেখিয়ে খেলে স্বাগতিক বাংলাদেশকে বিদায় করে শেষ চারে ওঠে। তার আগের ম্যাচে ভুটানকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দেয় বিমল গাত্রিরা। বিপরীতে মাত্র এক পয়েন্ট নিয়ে টসভাগ্যে শ্রীলংকাকে বিদায় করে সেমিতে ওঠে মালদ্বীপ। পরিসংখ্যান ও র‌্যাংকিংয়ে মালদ্বীপ অবশ্য এগিয়ে ছিল। তারই প্রতিফলন তারা দেখোলো মাঠে।

ম্যাচের শুরুতে ৯ মিনিটের মাথায় আকরাম আবদুল ঘানি গোল করে দলকে প্রথম লিড এনে দেন। এরপর শেষের দিকে আর দুই গোল করে ৩-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করে মালদ্বীপ। ম্যাচে অবশ্য নেপাল বেশি গোলের মুখে আক্রমণ করেছে। তারা ১৬টি শট নিয়েছে। অন্যদিকে মালদ্বীপ গোলের মুখে শট নিয়েছি ১৪টি।

নেপাল পায়ে বল রেখেছে ৬৭ শতাংশ। মালদ্বীপের পায়ে বল ছিল ৩৩ ভাগ। ম্যাচে নেপালের ছয়টি ফাউলের বিপরীতে মালদ্বীপ ফাউল করেছে ১৬টি। কিন্তু ফাইনালে মালদ্বীপই গেছে।

নিউজবিডি৭১/আ/সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮




দিয়া মির্জাকে প্রকাশ্যে অপমান করলেন কারিনা

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : দিয়া মির্জাকে অপমান করলেন করিনা কাপুর খান। তাও আবার প্রকাশ্যে। সম্প্রতি ভারতের লক্ষ্ণৌতে একটি অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন কারিনা কাপুর, দিয়া মির্জা এবং নম্রতা শিরোদকার। সেই অনুষ্ঠানের নিয়ম অনুযায়ী অভিনেত্রীদের সালওয়ার কামিজ এবং তেরঙা দোপাট্টা নিয়ে জাহির হওয়ার কথা ছিল।

জানা গেছে, লক্ষ্ণৌর শেই অনুষ্ঠানের নিয়ম অনুযায়ী দিয়া এবং নম্রতা নিজেদের সাজিয়ে তোলেন। কারিনা ছিলেন তাদের চেয়ে ব্যতিক্রমী। সেই অনুষ্ঠানের জন্য তিনি লেহেঙ্গার সঙ্গে ভারি গয়না পরে হাজির হয়েছিলেন।

কারিনার পোশাক দেখে দিয়া এবং নম্রতা অবাক হয়ে যান। কারিনা যাতে পোশাক পাল্টে ফেলেন, সেই কথা বলতেই চেঁচিয়ে ওঠেন তিনি। কারিনা প্রশ্ন তোলেন, ‘কে তুমি আমায় জ্ঞান দেওয়ার’? সেই ঘটনার পরপরই চুপ করে যান দিয়া মির্জা এবং নম্রতা শিরোদকার।

শুধু তাই নয়, কারিনার কাছে অপমানিত হয়ে নিজেকে মেকআপ রুমে বেশ কিছুক্ষণের জন্য বন্ধও করে রাখেন দিয়া। এরপর তার মেকআপ রুমের দরজায় কেউ আঘাত করতে শুরু করেন। শব্দ শুনে দরজা খুলতেই অনুষ্ঠানের এক কর্মকর্তা তার জানতে চান, অনুষ্ঠানে হাজির হওয়ার জন্য দিয়া কি তৈরি? কারিনা জানতে চাইছেন।

এরপর দিয়া মির্জার সঙ্গে একই মঞ্চে হাজির হন কারিনা কাপুর। এবং এমন ব্যবহার করেন যে কিছুই যেন হয়নি। এসবের পর পরই দিয়া বলেন, কারিনা মিষ্টি মেয়ে এবং ভাল অভিনেত্রী। কিন্তু রেগে গেলে করিনার জ্ঞান থাকে না বলেও মন্তব্য করেন দিয়া মির্জা।

নিউজবিডি৭১/আ/সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮




খালেদার অনুপস্থিতির বিষয়ে শুনানি আগামীকাল

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার বিচারে পুরাতন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত আদালতে হাজির হননি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। কারা কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে আদালতে কাস্টরি ওয়ারেন্ট পাঠিয়েছে। এ বিষয়ে শুনানির জন্য আগামীকাল সময় নির্ধারণ করেছেন আদালত।

রাজধানীর নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত অস্থায়ী ঢাকার ৫ নং বিশেষ জজ ড. মো: আখতারুজ্জামান আদালতে আজ বুধবার জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় যুক্তি উপস্থাপনের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু অসুস্থতার কারণে হাজির হননি খালেদা জিয়া।

খালেদা জিয়ার পক্ষে আজ শুনানি করেন তার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া। তিনি আদালতকে বলেন, বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ হওয়ায় আদালতে হাজির হননি। এর আগেও তিনি তার অসুস্থতার কথা আদালতকে জানিয়েছেন।

তাছাড়া এ আদালত আইন ও সংবিধান অনুযায়ী হয়নি উল্লেখ করে সানাউল্লাহ মিয়া আদালতকে জানান, এ ব্যাপারে প্রধান বিচারপতির কাছে একটি আবেদন করা হয়েছে। আবেদনে প্রধান বিচারপতির অনুমোদন ছাড়া এ আদালত বসানোর বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। প্রধান বিচারপতি এ বিষয়ে এখনো কিছু বলেননি।

অপরদিকে দুদকের পক্ষে পিপি মোশাররফ হোসেন কাজল আদালতকে বলেন, খালেদা জিয়া আজ এ আদালতে উপস্থিত হতে চাননি। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী তাই তাকে হাজিরের ব্যাপারে জোরজবরদস্তি করা হয়নি। তাই আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেয়ার জন্য তিনি আদালতে আবেদন করেন।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতির বিষয়ে শুনানির জন্য আগামীকাল দিন ধার্য করেন।

আজ এ মামলার অপর দুই আসামি জিয়াউল ইসলাম মুন্নার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আমিনুল ইসলাম এবং মনিরুল ইসলাম খানের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন আখতারুজ্জামান। এ আইনজীবীরাও শুনানিতে এ আদালত আইন ও সংবিধান অনুযায়ী হয়নি বলে উল্লেখ করেন।

ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় করাগারে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বিরুদ্ধে দুদকের করা জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় আজ বুধবার দ্বিতীয় দিনের মতো শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর পুরোনো কেন্দ্রীয় করাগারে স্থাপিত এই আদালতে অসুস্থ খালেদা জিয়াকে হুইল চেয়ারে করে আনা হয়। ওই দিন শুনানি শেষে ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো: আখতারুজ্জামানের আদালত ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার পরবর্তী যুক্তি উপস্থাপনের শুনানির তারিখ ধার্য করেন।

প্রসঙ্গত, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও আর্থিক জরিমানা করা হয়। রায় ঘোষণার পরপরই খালেদা জিয়াকে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই আছেন।

নিউজবিডি৭১/আ/সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮




‘আগামী এক মাসের মধ্যে নৌকা ভাসিয়ে দেওয়া হবে’

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : আগামী এক মাসের মধ্যে দেশে প্রবল আন্দোলন গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ বলেছেন, এই আন্দোলনে নৌকা (আওয়ামী লীগে নির্বাচনী প্রতীক) ভাসিয়ে দেওয়া হবে।

কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে আজ বুধবার সকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন চত্বরে প্রতীকী অনশনে তিনি এ কথা বলেন।

মওদুদ বলেন, ‘আর বেশি সময় নেই’ এই এক মাসের মধ্যে এমন আন্দোলনের ব্যবস্থা করতে হবে যার মাধ্যমে এই সরকারের নৌকা পানিতে ভেসে যাবে। সেই আন্দোলনের প্রস্তুতি নিন।’

মওদুদ আহমদ মনে করেন, খালেদা জিয়াকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মুক্ত করা সম্ভব না। আর এ কারণে রাজপথে আন্দোলনের কথা বলেন তিনি। তিনি জানান, আর সে আন্দোলনের জন্যই আসছে নতুন কর্মসূচি।

বিএনপির এই কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, ‘সরকার চায় না আমাদের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মুক্তি পাক। তাই তারা আদালতকে ব্যবহার করে তার মুক্তি বিলম্ব করছে। যে আদালতে খালেদার বিচার হচ্ছে তা অসাংবিধানিক। তাই আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তার মুক্তি আর সম্ভব নয় বলে আমি মনে করি। তার মুক্তির একটাই পথ সেটা রাজপথ।’

এ সময় অন্যদের মধ্যে স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, আহমেদ আযম খান, উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, আব্দুস সালাম, ফজলুল হক মিলন, শিরিন সুলতানাসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, আজ সকাল ১০টায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে এই কর্মসূচি শুরু হয়ে চলে বেলা ১২টা পর্যন্ত। ঢাকা ছাড়াও সারা দেশে একই কর্মসূচি পালন করছে দলটি।

নিউজবিডি৭১/আ/সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮




সকলকে হেলমেট পরতে হবে, শুধু পুলিশকে দিয়ে হবে না : ওবায়দুল কাদের

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পুলিশ সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে যত কঠোর পদক্ষেপই নিচ্ছে না কেন; তা রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা মানছে না।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, রাস্তায় দাঁপিয়ে বেড়ানো আলেকজেন্ডাররা কারা? পুলিশ কেন তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিচ্ছে না? ঢাকা, সাভারসহ সারাদেশে একই চিত্র। এটা কোনোভাবেই হতে দেওয়া যায় না।

ঢাকা পরিবহণ সমন্বয় কর্তৃপক্ষের পরিচালনা পর্ষদের ১১তম সভায় সভাপতিত্ব হিসেবে সেতুমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, পুলিশ পলিটিক্যাল কাউকে কিছু বলে না, এটা কেমন কথা! ঝাঁকে ঝাঁকে আলেকজান্ডার দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। ঢাকার নেতাদের সতর্ক করে রাখছি- এ বিষয়ে আপনারা নজর না দিলে অচিরেই কর্মী হারাবেন।

সড়ক দুর্ঘটনা সম্পর্কে সতর্ক করে কাদের বলেন, শরীর মেরামত করা গেলেও মাথা মেরামত করা যায় না। সকলকে হেলমেট পরতে হবে, শুধু পুলিশকে দিয়ে হবে না। এ বিষয়ে রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের বিশেষ করে জনপ্রতিনিধিদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। না হলে এটা সফল করা যাবে না।

‘পুলিশ যে উদ্যোগ নিয়েছে আমি তার সাধুবাদ জানাই। এটা দৃশ্যমান, শহরের সকলেই হেলমেট ব্যবহার করছেন। তবে পুলিশকে বলব একটি দিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে, মোটর সাইকেলে বাচ্চাদের উঠানো হলে যেন তাদের মাথায়ও অভিভাবকরা হেলমেট পরান এ বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।’

মহাসড়কের দুর্ঘটনারোধে লেগুনা, ইজিবাইক এবং সিএনজি যেন মহাসড়কে না চলতে পারে সে বিষয়ে আরো কঠোর হওয়ার নির্দেশনা দেন মন্ত্রী।

ঢাকা জোনের হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজিকে নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, এখানে বসে শুধু সিদ্ধান্ত নিলেই হবে না, সেটার বাস্তবায়ন করতে হবে। আমাদের কাজগুলো যদি উপকারভোগীদের কাছে না পৌঁছায়, তাহলে আমাদের এখানে বসার কি? ম্যানম্যান-প্যানপ্যান করলে হবে না।

জনবল সংকট থাকলে প্রয়োজন হাইওয়ে পুলিশকে জেলা পুলিশের সহযোগিতা নেওয়ার পরামর্শ দেন ওবায়দুল কাদের।

আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর রোববার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সড়ক পরিবহণ আইন-২০১৮ উত্থাপন করা হবে বলেও সাংবাদিকদের জানান ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, রোববার আমি আইনটি সংসদে উত্থাপন করব। এরপর আইনটি স্ট্যান্ডিং কমিটির কাছে পাঠানো হবে। স্ট্যান্ডিং কমিটি যদি তাদের কাজ দ্রুত শেষ করতে পারে, তাহলে এ অধিবেশনে আর তা সম্ভব না হলে অক্টোবরের মাঝামাঝি সময় এ সরকারের মেয়াদের শেষে সংক্ষিপ্ত অধিবেশনে আইনটি পাস করা হবে।

নিউজবিডি৭১/আ/সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮




চিকিৎসা শিক্ষার মান এগিয়ে নিতে কোনো আপোষ করা হবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, অন্যান্যবারের মতো এবারও এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা কঠোর ও নিছিদ্র নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হবে। চিকিৎসা শিক্ষার মান এগিয়ে নিতে কোনো আপোষ করা হবে না। প্রকৃত মেধাবীরাই মেডিকেল কলেজগুলোতে ভর্তির সুযোগ পাবে। এলক্ষ্যে এখন থেকে পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত সর্বোচ্চ কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা বিভাগকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

আজ সচিবালয়ে আসন্ন এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে বৈঠকে সভাপতিত্বকালে তিনি একথা বলেন। আগামী ৫ অক্টোবর দেশের ১৯ কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেন, ১ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের সকল মেডিকেল ভর্তি কোচিং সেন্টার বন্ধ হলেও পরীক্ষার দিন পর্যন্ত কোচিং সেন্টারগুলোর সংলগ্ন এলাকায় নজরদারি বাড়াতে হবে যাতে সেগুলোকে কেন্দ্র করে কোনো অপতৎপরতার সুযোগ না থাকে। তিনি জানান, প্রশ্নপত্র তৈরি, ছাপানো, বিতরণসহ সকল পর্যায়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে ডিজিটাল ট্র্যাকিং এর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে যেন কোনোভাবেই এই প্রক্রিয়াগুলোর মধ্যে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সুযোগ না হয়। তাই গত কয়েক বছরের মতো এবারও প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনো প্রশ্নই আসবে না। তারপরও পরীক্ষা কেন্দ্র করে ভূয়া প্রশ্নপত্র বাণিজ্য বা গুজব প্রতিরোধে সকলকে তৎপর থাকতে হবে। বিশেষ করে ভূয়া অনলাইন পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের উপর তীক্ষ্ম মনিটরিং জোরদার করতে হবে।

পরীক্ষার দিন সকাল সাড়ে নয়টার পর পরীক্ষা কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় অন্যান্যের মাঝে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব জিএম সালেহ উদ্দিন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হাসান, বিএমডিসি’র পরিচালক অধ্যাপক ডা. সহিদুল্লা, ওভারসাইট কমিটির সদস্য কলামিস্ট সাংবাদিক সৈয়দ আবুল মকসুদ, যুগান্তরের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সাইফুল আলম, প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক আবদুল কাইয়ুম, গাজী মিডিয়ার চীফ এডিটর ইশতিয়াক রেজাসহ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, আইন শৃংখলা বাহিনী ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজবিডি৭১/আ/সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮




মিষ্টি কুমড়ার ভেষজ গুণ জেনে নিন

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রতিদিনই কোনো না কোনো সবজি খাওয়া দরকার। সব সবজিতেই ভিন্ন রকম ভিটামিন ও মিনারেলের সমন্বয় থাকে। তবে সবজির মধ্যে কুমড়া অন্যতম পুষ্টিদায়ক খাবার। সুস্বাস্থ্যের জন্য সপ্তাহে কমপক্ষে দুই থেকে তিন দিন মিষ্টি কুমড়া খাওয়া উচিত।

মিষ্টি কুমড়ায় রয়েছে ভিটামিন এ, বি-কমপ্লেক্স, সি এবং ই। এছাড়া রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, আয়রন, জিঙ্ক, ফসফরাস, কপার, ক্যারটিনয়েড এবং অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমূহের সমন্বয়। এই সবজিতে রয়েছে বিটা-ক্যারোটিন, যা দেহের ক্যান্সার প্রতিরোধক কোষ গঠন করে থাকে।

তাছাড়াও মিষ্টি কুমড়ার বিচি ঘুমের জন্য উত্তম বটিকা। এবং এই বিচি খেলে হার্টও ভালো থাকে।

চলুন মিষ্টি কুমড়ার পুষ্টি উপাদান ও গুণাগুণ সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক-

হজম ও অতিরিক্ত ওজন কমাতে

খাদ্য হজমে বেশ কার্যকরী ভূমিকা রাখে মিষ্টি কুমড়ায় বিদ্যমান উচ্চ ফাইবার। ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণ ও পরিপাক নালীর খাদ্য সঠিক উপায়ে সরবরাহের কাজে মিষ্টি কুমড়ার কোন তুলনা হয়না। উচ্চ ফাইবারযুক্ত ও ক্যালোরি কম থাকায় শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে সহায়তা করে মিষ্টি কুমড়া।

রোগ প্রতিরোধ

নিয়মিত মিষ্ট কুমড়া খাওয়ার ফলে শরীরের রোগ ব্যাধির সংক্রমণ কমে। এছাড়াও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এতে রয়েছে ভিটামিন এ,সি এবং ই, ক্যারটিনয়েড, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম। যা কিনা শরীরের মধ্যে রোগ প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করতে ভূমিকা রাখে।

গর্ভস্থ সন্তানের জন্য

গর্ভবতী মায়েদের রক্তস্বল্পতা রোধ করে অকাল প্রসবের সম্ভাবনা দূর করতে মিষ্টি কুমড়ার কার্যকরীতার কোন তুলনা হয় না। কুমড়া ও কুমড়ার বীজ গর্ভবতী মায়েদের আগত সন্তানের সুস্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে মিষ্টি কুমড়া নির্দ্বিধায় খাওয়া যেতে পারে।

চোখের যত্নে

মাত্র এক কাপ পরিমাণ রান্না করা মিষ্টি কুমড়া অন্যান্য খাবারের তুলনায় ১০০ গুণ বেশি হিসেবে চোখের সুস্বাস্থ্য রক্ষায় কাজ করে। মিষ্টি কুমড়ায় বিদ্যমান বিটা-ক্যারোটিন ও আলফা-ক্যারোটিনের মত ক্যারটিনয়েড সমূহ চোখের মধ্যে ছানি পড়া রোধ করে। সঙ্গে রক্ষা করে চোখের রেটিনা কোষ। সেজন্য চোখকে সচল ও স্বুস্থ্য রাখতে দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় রাখুন মিষ্টি কুমড়া।

নিউজবিডি৭১/আ/সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮




যে উপকার পেতে কাঁচা কলা খাবেন!

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : কলা পুষ্টিকর খাদ্য। এতে রয়েছে নানা রকম স্বাস্থ্য উপকারিতা। তবে সবজি হিসেবে কাঁচা কলার পুষ্টিমানও অনেক। পেট খারাপ হলে কাঁচা কলা খেলে দ্রুতই উপশম পাওয়া যায়। পাশাপাশি কিছু জটিল রোগের চিকিৎসাতেও কাঁচা কলা ব্যবহার করা হয়। কাঁচা কলায় রয়েছে ভিটামিন বি ও ভিটামিন সি। এতে থাকা কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার, পটাশিয়াম শরীরে নানাবিদ উপকার করে।

জেনে নেওয়া যাক নিয়মিত কাঁচা কলা খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিত।

রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বৃদ্ধি: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত একটি করে কাঁচা কলা খাওয়া শুরু করলে দেহের ভেতর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যার প্রভাবে শরীরে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানের মাত্রা যেমন কমে যায়, তেমনি রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়: খাবারে উপস্থিত পুষ্টিকর উপাদানগুলি যাতে ঠিক মতো শরীরের কাজে লাগতে পারে, সেদিকে খেয়াল রাখে কাঁচা কলায় উপস্থিত বেশ কিছু উপাদান। ফলে নিয়মিত এই ফলটি খেলে অনায়াসেই পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়। আর এমনটা হওয়া মাত্র শরীরের কর্মক্ষমতা যে বৃদ্ধি পায়, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

নানাবিধ পেটের রোগের প্রকোপ কমায়: কাঁচা কলায় রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার, যা শরীরে প্রবেশ করা মাত্র হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি ডাইজেস্টিভ ট্র্যাকের কর্মক্ষমতা বাড়াতে এবং বাওয়েল মুভমেন্টের উন্নতি ঘটাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই শুধু পেট খারাপ নয়, যারা প্রায়শই গ্যাস-অম্বলের সমস্যায় ভুগে থাকেন, তারা কাঁচা কলাকে কাজে লাগাতে পারেন।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ: কাঁচা কলা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ার কোনও সম্ভাবনাই থাকে না। বরং সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে এই ফলটি। তাই তো ডায়াবেটিক এর রোগীরা নিশ্চিন্তে কাঁচা কলা খেতে পারেন।

ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ: গবেষণায় দেখা গেছে কাঁচা কলায় উপস্থিত পটাশিয়াম, শরীরে প্রবেশ করার পর ব্লাড ভেসেলের কর্মক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। সেই সঙ্গে শিরা-উপশিরার ভেতরে তৈরি হওয়া প্রেসারকেও কমিয়ে ফেলে। ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না।

ওজন নিয়ন্ত্রণ: কাঁচা কলায় উপস্থিত রেজিস্টেন্স স্টার্চ হজম হতে সময় নেয়। ফলে বহুক্ষণ ক্ষুধা পায় না। আর ক্ষুধা না পেলে খাবার খাওয়ার পরিমাণও কমতে শুরু করে। ফলে শরীরে ক্যালরির প্রবেশ ঘটে কম। আর এমনটা দীর্ঘ দিন ধরে যখন হতে থাকে, তখন ওজন কমতে সময় লাগে না।

পটাশিয়ামের চাহিদা মেটে: এক কাপ কাঁচা কলায় প্রায় ৫৩১ এম জি পটাসিয়াম থাকে, যা পেশির গঠনে উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি নার্ভ এবং কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে।

শরীরে উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পায়: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত কাঁচা কলা খেলে শরীরে কিছু উপকারী ব্যাকটেরিয়া বাড়তে থাকে। এর ফলে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে।

নিউজবিডি৭১/আ/সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮




ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধে পেঁপের পাতা!

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর হঠাৎ করেই রাজধানী ঢাকাতে বেড়েছে ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ। হেমোরেজিক ডেঙ্গুতে আক্রান্তই সর্বাধিক। দ্বিতীয়বার ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তদের মধ্যে হেমোরেজিকের সংখ্যা বেশি। এটাতে মৃত্যুর ঝুঁকিও বেশি। প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য কোন ওষুধ না খাওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। তবে কেউ চাইলে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ঘরোয়া নিরাময়ের মাধ্যমেও করতে পারেন।

আমাদের পছন্দের একটি ফল হচ্ছে পেঁপে। এই ফলটি যেমন সুস্বাদু তেমনি একটি গুণের ফল। আমাদের শরীর-ত্বক সুস্থ সুন্দর রাখতে পেঁপের তুলনা হয় না। পেঁপে পাতারও রয়েছে অনেক গুণ। পেঁপে পাতার রসে কাইমোপ্যাপিন ও প্যাপাইন রয়েছে৷ যা রক্তের প্লেটলেটের সংখ্যা ও রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে৷ ফলে ডেঙ্গুর সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা বেড়ে যায়৷ পেঁপের পাতার রস পান করলে হজমশক্তি বাড়ে, শরীর দ্রুত প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করে নেয়। এছাড়া সব ধরনের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে৷ অনেকেই আমরা জানিনা পেঁপের পাতা ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাহায্য করে। আসুন তাহলে জেনে নেই যেভাবে পেঁপে পাতা ডেঙ্গু প্রতিরোধে কাজ করতে পারে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে যেভাবে খাবেন পেঁপে পাতা

পেঁপের পাতার রস করতে প্রথমে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে, পরিষ্কার পাটা বা হাম্বলদিস্তায় থেঁতো করে নিন। এবার রস ছেঁকে নিয়ে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। তৈরি হয়ে গেল পেঁপে পাতার জুস। ডেঙ্গু রোগীকে প্রতিদিন তিন বেলা তিন কাপ পরিমাণ পান করতে দিন। দেখবেন ডেঙ্গু জ্বর ভালো হয়ে গেছে। জ্বর যদি কিছুতেই নিয়ন্ত্রণে না আসে তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

নিউজবিডি৭১/আ/সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮