ডেন্টিস্ট ছাড়াই যেভাবে বাড়িতে বসেই দূর করবেন দাঁতের পাথর

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : দূরকরুন দাঁতের পাথর – দাঁতে ব্যথা! পাথর জমে হলুদ আবরণ পরে গেছে দাঁতে। অনেকেই ভুগে থাকেন এই সমস্যাটিতে। দেখা যায়, তাদরে দাঁতে কমবেশি হলুদ বা বাদামি খনিজ পদার্থের আবরণ। ডাক্তারি ভাষায় যাকে টার্টার বলা হয়। তবে সাধারণ মানুষ একে দাঁতের পাথর হিসেবে জেনে থাকেন। মূলত নিয়মিত দাঁত পরিষ্কার না করলেই এই টার্টার বাড়তে থাকে। যা দাঁতের ‘পিরিওডোনটাইটিস’ নামক রোগেরও কারণ।

পিরিওডোনটাইটিস কী: ‘পিরিওডোনটাইটিস’ হলে দাঁতের মাড়ির টিস্যুতে প্রদাহ হয়। ফলে মাড়ি সংকোচিত হয়ে অকালে দাঁত পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এ সমস্যা এড়াতে প্রয়োজন নিয়মিত দাঁতে জমা টার্টার পরিষ্কার করা। টার্টার দূর করার প্রথম সমাধান হলো ডেন্টিস্ট। তবে আপনি চাইলে বাড়িতে বসেও এ সমস্যার সমাধান করতে পারেন।

টার্টার পরিষ্কার করতে যা লাগবে: বেকিং সোডা ডেন্টাল পিক * লবণ * হাইড্রোজেন পেরোক্সাইড * পানি * টুথব্রাশ * কাপ * অ্যান্টিসেপটিক মাউথ ওয়াশ।

টার্টার দূর করতে সবচেয়ে সহজলভ্য ও কার্যকরী উপাদান হচ্ছে বেকিং সোডা। আসুন এবার জেনে নিই টার্টার দূর করার পদ্ধতি।

প্রথম ধাপ: কাপে এক টেবিল চামচ বেকিং সোডার সঙ্গে ১/২ চা চামচ লবণ মেশান। এবার গরম পানিতে টুথব্রাশ ভিজিয়ে বেকিং সোডা ও লবণের মিশ্রণ দিয়ে পাঁচ মিনিট ধরে দাঁত ব্রাশ করুন। সবশেষে কুলকুচি করে নিন।

দ্বিতীয় ধাপ: এক কাপ হাইড্রোজেন পেরোক্সাইডের সঙ্গে ১/২ কাপ হালকা গরম পানি মেশান। এই পানি মুখে নিয়ে এক মিনিট রাখুন। এরপর ১/২ কাপ পানি দিয়ে কুলকুচি করে ফেলুন।

তৃতীয় ধাপ: ডেন্টাল পিক দিয়ে দাঁতের হলুদ টার্টার ধীরে ধীরে ঘষে তুলুন। মাড়ির ক্ষতি এড়াতে ডেন্টাল পিক ব্যবহারের সময় সাবধানতা অবলম্বন করুন।

চতুর্থ ধাপ: অ্যান্টিসেপটিক মাউথ ওয়াশ দিয়ে কুলকুচি করুন।

নিউজবিডি৭১/আ/২৩ মে ,২০১৮




ইফতারিতে রাখুন ‘মহৌষধ’ ‘পুদিনা পাতা

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : শুরু হয়েছে পবিত্র মাহে রমজান। সারাদিন রোজা রেখে ইফতারিতে পুষ্টিকর খাবার খুবই জরুরি। তাই ইফতারির মেন্যুতে রাখতে পারেন ‘মহৌষধ’ হিসেবে খ্যাত পুদিনা পাতা।

পৃথিবীতে এমন অনেক ধরনের উদ্ভিদ আছে যেগুলোতে প্রচুর ঔষধি গুণ রয়েছে। পুদিনা পাতা তার মধ্যে অন্যতম। সাধারণ আগাছা ধরনের এই গাছটির কাণ্ড ও পাতা বেশ নরম। ছোট গুল্ম জাতীয় এই গাছের পাতা ডিম্বাকার, পাতার কিনারা খাঁজকাটা ও সুগন্ধীযুক্ত হয়। পুদিনা পাতার মূল, পাতা, কান্ডসহ সমগ্র গাছই ওষুধিগুনে পরিপূর্ণ। আসুন জেনে নেই এর বিভিন্ন ধরণের ওষুধি গুণাগুণ সম্পর্কে।

বাড়িতেই বানাবেন নাকি ইফতারের খাবার? দেখে নিন আটটি ইফতার রেসিপি

১. পেট ফাঁপায়: সহজ কথায় পেটে বাতাস জমে যাওয়া। এ অবস্থা সৃষ্টি হলে নানা রোগ হতে পারে। বদ হজমের ফলে পেটে বাতাস জমে এবং পেট ফাঁপে। এ ক্ষেত্রে পুদিনার শরবত উপরিউক্ত পদ্ধতিতে সারাদিন ২-৩ বার করে কয়দিন খেলে পেটে বাতাস জমা বন্ধ হবে। খাদ্যে রুচিও ফিরে আসবে।

২. শিশুদের অতিসারে: পাতলা দাস্ত, সেই সঙ্গে পেট মোচড় দিয়ে ব্যথা, কোনো কোনো ক্ষেত্রে অল্প আম সংযুক্ত দাস্ত, সেসঙ্গে পেট ফাঁপা, হিক্কা বমি বমি ভাব, প্রস্রাবও সরলি হচ্ছে না, শিশু কিছুই খেতে চাচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে পুদিনা পাতার রস ৮/১০ ফোঁটা অল্প একটু চিনি ও লবণ সহযোগে এক ঘণ্টা অন্তর কয়েকবার খাওয়াতে হবে। কখন কিভাবে কতবার খাওয়াতে হবে সেটা নির্ভর করবে রোগীর সুস্থতার ক্রমের দিকে লক্ষ্য রেখে। বয়স আনুপাতে মাত্রাটা ঠিক করে নিতে হবে।

রমজানে বদহজম প্রতিরোধ করবে যে ফল ও পানীয়গুলো !!

৩. অরুচিতে: রোগে ভোগার পর, পেটে বাতাস জমে ও কোষ্ঠ বদ্ধতায় অরুচি আসে। একই রকম খাদ্য দীর্ঘদিন খেলে অরুচি আসে। এসব ক্ষেত্রে পুদিনার শরবত (পুদিনার রস ২ চা চামচ, সামান্য লবণ, কাগজী লেবুর রস ৮/১০ ফোঁটা, হাল্কা গরম পানি পোয়া খানিক একত্রে মিশিয়ে) সকাল বিকাল দিনে দুই বার ৫/৭ দিন খেলে অরুচি চলে যায়। পুদিনা পাতা বেটে পানিতে গুলে শরবত করা যায়। সে ক্ষেত্রে কাঁচা পাতা ৮/১০ গ্রাম নিতে হবে।

৪. মূত্রাল্পতায়: অনেক রোগে প্রস্রাব কম হয়। কিন্তু যে ক্ষেত্রে ঠাণ্ডা গরমের ফলে সাময়িকভাবে অল্প অল্প প্রস্রাব হতে থাকে কোনো কোনো সময় দাহ হতে থাকে, সে ক্ষেত্রে পুদিনা পাতা ৮/১০ গ্রাম বেটে তাতে সামান্য লবণ ও কাগজি লেবুর রস ঠাণ্ডা পানি মিশিয়ে শরবত করে দিনে ২/৩ বার খেতে হবে। অন্য কোনো রোগে মূত্রাল্পতা হলে সে ক্ষেত্রে এটা ব্যবহার করা যাবে কিনা সেটা নির্ভর করবে রোগের ধরনের ওপর এবং চিকিৎসকের বিচার ধারার ওপর।

মাহে রমজানে ডায়াবেটিক রোগীর জন্য দুটি আদর্শ খাদ্য তালিকা !!

৫. এন্টিক্যান্সার: পুদিনায় আছে মনোটারপিন নামক উপাদান। যা স্তন, লিভার এবং প্যানক্রিয়াসের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। নিয়মিত খেলে ফুসফুস, কোলন এবং ত্বকের ক্যান্সার থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

৬. বমিতে: পিত্তে শ্লেষ্মার জ্বর, অম্লপিত্ত, আমাশয়, অজীর্ণ, উদরশূল প্রভৃতিতে বমি হতে পারে। আবার রোদে ঘোরাফিরা করে ঠাণ্ডা পানি খেলে, খালি পেটে থেকে পরিশ্রম করলে বমি হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে পুদিনার শরবতের সঙ্গে এক চা চামচ তেঁতুল মাড় ও চিনি মিশিয়ে ২/৩ বার করে কয়দিন খেতে হবে।

৭. ঘাম নিয়ন্ত্রণে: যাদের শরীরে বেশি ঘাম হয় তারা পুদিনা পাতা ও গোলাপের পাপড়ি একসঙ্গে মিশিয়ে পানিতে ফুটিয়ে নিন। ঠাণ্ডা হলে সেই পানির সঙ্গে পাতিলেবুর রস মিশিয়ে ছেঁকে নিয়ে বোতলে করে ফ্রিজে রেখে দিন। গোসলের পর সারা শরীরে লাগান।

৮. অ্যাজমা: পুদিনায় রোজমেরিক এসিড নামের এক ধরনের উপাদান থাকে। এটি প্রাকপ্রদাহী পদার্থ তৈরিতে বাধা দেয়। ফলে অ্যাজমা হয় না। এছাড়াও এ ঔষধি প্রোস্টসাইক্লিন তৈরিতে বাধা দেয়। তাতে শাসনালী পরিষ্কার থাকে

নিউজবিডি৭১/আ/২৩ মে ,২০১৮




যে সূরা পাঠ করলে আল্লাহ্ তায়ালা মনের বাসনা পূর্ণ করেন

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : যখন তোমরা আল্লাহর নিকট চাও তখন আমার প্রতি দরূদ পাঠ কর।

আবু সোলায়মান দারানী বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে কোন প্রার্থনা করতে চায়, তার উচিত, প্রথম দরূদ পাঠ করা এবং দরূদ দ্বারা দোয়া শেষ করা কেননা, আল্লাহ উভয় দরূদ কবুল করেন।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : যখন তোমরা আল্লাহর নিকট চাও তখন আমার প্রতি দরূদ পাঠ কর। আল্লাহর শান এরূপ নয় যে, কেউ তার কাছে দুইটি জিনিস চাইলে একটি পূর্ণ করবেন এবং অপরটি করবেন না।

সূরা এখলাছ তিনবার পাঠ করে আল্লাহ্’র দরবারে দোয়া করলে আল্লাহ্ নেক আশা পূর্ন করেন।

যে ব্যক্তি দৈনিক এশার নামাজ পর এই পাক নামটি ইয়া জাহিরু ১০০ বার পাঠ করে তার মনের সকল নেক বাসনা পূর্ণ হয়। সূত্র:প্রতিদিনের আমলের কিতাব ।

নিউজবিডি৭১/আ/২৩ মে ,২০১৮




রোজা রাখা অবস্থায় টুথপেস্ট ব্যবহার করতে পারবেন কি!

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : রোজা রাখা অবস্থায়- রোজা রাখা অবস্থায় মেশওয়াক দিয়ে দাঁত মাজা সুন্নত। কেননা মেশওয়াক ব্যবহারের ফলে দাতে আলাদা করে কোন সুগন্ধ লেগে থাকে না। যা টুথপেস্ট ব্যবহারের ফলে লেগে থাকে।

এমনকি যদি নিমের কাঁচা ডালের মিসওয়াক করা হয় এবং তার তিক্ততার স্বাদ মুখে অনুভূত হয়, তবুও মাকরুহ হবে না।

কিন্তু রোজা অবস্থায় টুথপেস্ট ও টুথ পাউডারের অবস্থা এ থেকে ভিন্ন। এগুলো ব্যবহার করলে মুখে এক ধরনের স্বাদ অনুভব হয়। তাই টুথপেস্ট ও টুথ পাউডারকে মিসওয়াকের সঙ্গে তুলনা করা যাবে না।

মিসওয়াকের সুন্নত আদায় করার জন্য এগুলোর প্রয়োজনও হয় না তবে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া এইগুলো ব্যবহার করা জায়েজ না। তাতেই মাকরুহ হয়ে যাবে রোজা।

নিউজবিডি৭১/আ/২৩ মে ,২০১৮




প্রচন্ড গরমে ইফতারির সময় পানির পিপাসায় পানির খোঁজ করতে থাকে এক গর্ভবতী মহিলা ..কিন্তু কোথাও পানি পেলেন না..অতঃপর তিনি

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : গর্ভবতী মহিলা প্রচন্ড গরমে- এক গর্ভবতী মহিলা প্রচন্ড গরমে পানির পিপাসায় পানির খোঁজ করতে থাকে..কিন্তু কোথাও পানি পেলেন না..অতপর তিনি ক্লান্ত হয়ে একটি গাছের নিচে আশ্রয় নিলেন..তিনি

হঠাৎ দেখতে পেলেন যে গাছটির নিচে তিনি বসেছিলেন সে গাছটি থেকে একফোটা একফোটা করে পানি পরতেছে..তিনি খুব দ্রুত একটি ছোট কাপের মতো পাত্র নিলেন এবং পানি সংগ্রহ করতে লাগলেন..যখন কাপের অর্ধেক পানি ভর্তি হয়..ঠিক তখনই

একটি পাখি এসে কাপটি ফেলে দিলেন..এমন করে তিন বার মহিলাটি অর্ধেক করে পানি ভরলো এবং পাখিটি তিনবার ই ফেলে দিলো..মহিলাটি পাখিটির ওপর ভীষন রাগ করলো

এবং একটি পাথর দিয়ে পাখিটি কে আঘাত করলো এবং সেখানেই পাখিটি মারা গেলো..কিছুক্ষন পর মহিলাটি দেখতে পেলো ঐ গাছের ওপর থেকে একটি সাপ নেমে আসতেছে…তখন মহিলাটি

বুঝতে পারলো যে পানি তিনি সংগ্রহ করছিলো তা পানি ছিলোনা…তা বিষ ছিলো..পরে মহিলাটি পাখিটির জন্য খুব আফসোস করলো..এবং নিজের ভুল বুঝতে পারলো..

আমরা যখনই কোনো বিপদে থাকি আল্লাহু তা’য়ালা আমাদের রক্ষা করার জন্য সর্বদা আমাদের পাশে থাকেন,,আমাদের মঙ্গল করার জন্য…এখানে পাখিটি মাত্র ওছিলা ছিলো

ঐগর্ভবতী মহিলাটির জীবন রক্ষা করার জন্য…সকল মুসলিম ভাই বোনদের উদ্দেশ্য করে বলছি..যে আল্লাহ্ আমাদের জন্য এতো কিছুকরে ঐ আল্লাহ্’র প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো আমাদের একান্তই উচিত..সকল

কাজে ধৈর্য ধরতে হবে এবং আল্লাহর প্রতি সকলঅবস্থায় শুকরিয়া করতে হবে…
আল্লাহ যেন আমাদের সর্বদা সহিহ আমল করার তৌফিক দেন………..
আমিন!!!

নিউজবিডি৭১/আ/২৩ মে ,২০১৮




জেনে নিন রোজা না রাখার অনুমতি যাদের আছে

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : রমজান মাসের রোজা ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য ‘ফরজ’ করা হয়েছে। দৈনন্দিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ যেমন ফরজ, তেমনি সিয়াম সাধনার মাধ্যমে নির্ধারিত রোজা রাখাও ফরজ। ইচ্ছা করে ফরজ আদায় না করা কবিরা গুনাহ (মহাপাপ)। ইসলামী শরিয়ত মতে ‘তওবা’ ছাড়া আল্লাহ পাকের দরবারে এই পাপের কোনো ক্ষমা নেই।

অনেকেই ইচ্ছা করে রোজা রাখেন না। আবার কেউ কেউ ইফতারের আগেই ভেঙ্গে ফেলেন। যারা মাহে রমজান পাওয়ার পরও রোজা রাখেন না এবং এই মাসকে সন্মানিত করেন না, তাদের জন্য দূর্ভাগ্যের আর কিছু নাই। এমন লোক কতবড় ক্ষতির মধ্যে রয়েছেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। শুধু তাই নয়, শরিয়তের অনুমতি ছাড়া বিনা কারণে একটি রোজা ভঙ্গ করার সুযোগ নেই।

তবে রমজানে রোজা না রাখার অনুমতিও আছে। নিচে সে বিষয়ে তুলে ধরা হল

১. মুসাফিরের জন্য সফর অবস্থায় রোজা না রাখারও সুযোগ রয়েছে। তবে বেশি কষ্ট না হলে রোজা রাখাই উত্তম। আর অস্বাভাবিক কষ্ট হলে রোজা রাখা মাকরুহ। এ অবস্থায় রোজা না রেখে পরে কাজা করে নেবে। (রদ্দুল মুহতার ২/৪২১; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ৩/৪০৩)

২. সফর অবস্থায় নিয়ত করে রোজা রাখা শুরু করলে তা ভাঙা জায়েজ নয়। কেউ ভেঙে ফেললে গুনাহগার হবে। তবে কাফফারা দিতে হবে না। শুধু কাজা করবে। (রদ্দুল মুহতার ২/৪৩১)

৩. যে ব্যক্তি মুকিম অবস্থায় সাহরি খেয়ে সফর শুরু করেছে তার জন্য সফরের অজুহাতে রোজা ভাঙা জায়েজ নয়। ভাঙলে গুনাহগার হবে এবং শুধু কাজা ওয়াজিব হবে। (ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/২০৬)

৪. মুসাফির সফরের কারণে রোজা রাখেনি, কিন্তু দিন শেষ হওয়ার আগেই মুকিম হয়ে গেছে। সেদিনের অবশিষ্ট সময় রমজানের মর্যাদা রক্ষার্থে পানাহার থেকে বিরত থাকবে। আর পরে এ রোজার কাজা করে নেবে। (মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা ৬/২২১, হাদিস: ৯৪৩৬-৯৪৩৮)

৫. রমজানের দিনে হায়েজ-নেফাস থেকে পবিত্র হলে অবশিষ্ট দিন রমজানের মর্যাদা রক্ষার্থে পানাহার থেকে বিরত থাকা আবশ্যক। তবে ওই ওজরে ছুটে যাওয়া রোজাগুলোর সঙ্গে এ দিনের রোজারও কাজা করবে। (মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা ৬/২২১, হাদিস: ৯৪৩২; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ৩/৪২৮)

অসুস্থ ব্যক্তি

রোজার কারণে যে রোগ বৃদ্ধি পায় কিংবা আরোগ্য লাভে বিলম্ব হওয়ার প্রবল আশঙ্কা থাকে, সে রোগে রোজা ভঙ্গ করা জায়েজ। উল্লেখ্য, ওই আশঙ্কা বাস্তবসম্মত হওয়া যদি একেবারেই সুস্পষ্ট হয় তবে তো কথা নেই, নতুবা একজন অভিজ্ঞ দ্বীনদার চিকিত্সকের মতামতের প্রয়োজন হবে। (আলমুহিতুল বুরহানি ৩/৩৫৯; আদদুররুল মুখতার ২/৪২২)

গর্ভবতী

রোজা রাখার কারণে গর্ভবতী মহিলার নিজের কিংবা সন্তানের প্রাণহানি বা মারাত্মক স্বাস্থ্যহানির প্রবল আশঙ্কা হলে তার জন্য রোজা ভঙ্গ করা জায়েজ। পরে এ রোজা কাজা করে নেবে। (আলমুহিতুল বুরহানি ৩/৩৫৯)

দুগ্ধ দানকারিনী

দুগ্ধ দানকারিনী মা রোজা রাখলে যদি সন্তান দুধ না পায় আর ওই সন্তান অন্য কোনো খাবারেও অভ্যস্ত না হয়; ফলে দুধ না পাওয়ার কারণে সন্তানের মৃত্যুর বা মারাত্মক স্বাস্থ্যহানির আশঙ্কা হয় তাহলে তিনি রোজা ভাঙতে পারবেন এবং পরে কাজা করে নেবেন। (রদ্দুল মুহতার ২/৪২২)

হাদিস শরীফে ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহ তায়ালা মুসাফিরের জন্য রোজার হুকুম শিথিল করেছেন এবং আংশিক নামাজ কমিয়ে দিয়েছেন। আর গর্ভবতী ও দুগ্ধ দানকারিনীর জন্যও রোজার হুকুম শিথিল করেছেন। (জামে তিরমিযি ১/১৫২, হাদিস: ৭১৫)

দুর্বল বৃদ্ধ ব্যক্তি

বার্ধক্যের কারণে রোজা রাখতে সক্ষম না হলে রোজা রাখবে না। এরূপ ব্যক্তির জন্য রোজার পরিবর্তে ফিদয়া দেয়ার নির্দেশ এসেছে। (ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/২০৭)

নিউজবিডি৭১/আ/২৩ মে ,২০১৮




“প্রিয় নবীকে স্বপ্নে দেখার আমল”

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আমাকে স্বপ্নে দেখল, সে আমাকেই দেখল। কেননা বিতাড়িত শয়তান আমার রূপ ধরতে পারে না। আর যে ব্যক্তি আমার ওপর মিথ্যাচার করল, সে তার দোজখের আসন গ্রহণ করল।’ –সহিহ বোখারি : ১১০

অন্য আরেক হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, ‘যে আমাকে স্বপ্নে দেখল, শিগগিরই সে আমাকে জাগরণে দেখবে অথবা সে যেন আমাকে জাগরণেই দেখল। আর শয়তান আমার রূপ ধরতে পারে না।’ –সহিহ মুসলিম : ২২৬৬

ইসলামের ইতিহাসে দেখা যায় যে, অনেক সাহাবি, তাবেঈ ও বুজুর্গরা নবী করিম (সা.) কে স্বপ্নে দেখেছেন। ইসলামের বিধান হলো, নবী করিম (সা.) কে স্বপ্নে দেখা বাস্তবে দেখার মতো। কেননা, শয়তান কখনও নবীজির অাকৃতি ধারণ করতে পারে না।

এখন আমাদের জানা দরকার, নবী করিম (সা.) কেমন ছিলেন তিনি। কোন আকৃতিতে তাকে স্বপ্নে দেখা যাবে। শামায়েলে তিরমিজির বর্ণনায় নবী করিম (সা.)-এর আকার-আকৃতির বর্ণনা দেওয়া হয়েছে এভাবে—

তিনি ছিলেন মানানসই দীর্ঘদেহি। তার গায়ের রঙ দুধে-আলতায় মিশ্রিত গোলাপের মতো। গোলগাল হালকা-পাতলা চেহারা। ঘন দাড়ি। মুখগহবর প্রশস্ত। ঘাড় যেন রৌপ্যপাত্রে রক্তঢালা। কেশরাশি সামান্য কোঁকড়ানো-বাবরি। মেদহীন সুঠাম দেহ। হাত-পায়ের আঙুলগুলো শক্তিশালী ও মজবুত।

বাহু, কাঁধ ও বুকের ওপরে পশমবিশিষ্ট। অতিরিক্ত পশমমুক্ত শরীর। বুকে নাভি পর্যন্ত পশমের দীর্ঘ রেখা। দুই কাঁধের মাঝখানে মোহরে নবুওয়ত। মাথা ও অস্থিবন্ধনীগুলো কিছুটা বড়সড়। প্রশস্ত ললাট। চক্ষুগোলক ডাগর ডাগর। চোখের মণি কুচকুচে কালো। পাপড়ি লম্বাটে। ভ্রুযুগল অমিলিত প্রশস্ত ঘন।

ভ্রুদ্বয়ের মাঝখানে প্রস্ফুটিত একটা রগ, যা রাগের সময় স্ফীত হতো। উন্নত চকচকে নাসিকা। দাঁতগুলো বিযুক্ত রুপার গাথুনি। এক কথায় তার অপূর্ব রূপমাধুর্য বর্ণনাতীত। যে কেউ তাকে প্রথম দর্শনে হতভম্ব হয়ে পড়ত। সে একথা বলতে বাধ্য- জীবনে এমন সুন্দর মানুষ দ্বিতীয়জন দেখিনি।’

নবী করিম (সা.) কে স্বপ্নে দেখতে হবে ঈমান অবস্থায়। পূর্ণ ইসলাম পরিপালনকারী ও সুন্নতের অনুসারীরাই কেবল তাকে দেখতে পাবেন। এ ছাড়া কেউ নবী করিম (সা.) কে দেখার দাবী করলে সেটা মিথ্যা দাবী হবে।

মনে রাখতে হবে, যে যাকে ভালোবাসে, তার সঙ্গ লাভে নিজেকে ধন্য মনে করে। তার চালচলন, ভাবভঙ্গি ও বচনাচার অনুকরণ করে। সে নবী করিম (সা.) কে স্বপ্নে দেখে। সবসময় তার সাক্ষাতের প্রতীক্ষায় থাকে। এভাবেই যুগে যুগে হাজারো নবীপ্রেমিক নবী করিম (সা.) কে স্বপ্নে দেখেছেন।

তাকে স্বপ্নে দেখেছিলেন- ইমাম আবু হানিফা, আবদুর রহমান জামি, জালালুদ্দীন রুমি, শেখ সাদি, সাদুদ্দীন তাফতাজানি। হজরত শাহ ওলিউল্লাহ দেহলভি, আবদুল আজিজ, শায়খ জাকারিয়াসহ অসংখ্য নবীপ্রেমিক (রহ.)। বর্ণিত আছে, ইমাম মালেক (রহ.) অধিকাংশ রাতেই নবী করিম (সা.) কে স্বপ্নে দেখতেন।

নবী করিম (সা.) কে স্বপ্নে দেখতে হলে করণীয় হলো- সত্যিকারের নবী প্রেমে মাতোয়ারা হওয়া, তার সুন্নতসমূহ পালনের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি পেতে উদ্গ্রীব হওয়া। তাহলেই কেবল নবী করিম (সা.) কে স্বপ্নে দেখা সম্ভব।

কোনো কোনো আলেম বলেছেন, নবী করিম (সা.) কে স্বপ্নে দেখতে হলে, বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা। অজুসহকারে পবিত্র হয়ে বিছানায় শয়ন করা। শেষ রাতে উঠে তওবা করা।

তবে সর্বাগ্রে যেটা মনে রাখা দরকার সেটা হলো- ফরজ ইবাদদ তার হকসহ পরিপূর্ণভাবে পালন করেই তবে নফল ইবাদতে মনোনিবেশ করা।

নিউজবিডি৭১/আ/২৩ মে ,২০১৮




কম সময় কী করে হয়ে উঠবেন লাবণ্যময়

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : জেনে নিন অল্প সময়ে নিজেকে লাবণ্যময় করে তোলার কয়েকটি সিক্রেট –

১. প্রচুর পরিমান পানি খান ৷ এতে শরীরে টক্সিন বেরিয়ে যায় ৷

২. বাড়িতে থেকে বেরনোর সময় সানস্ক্রিন লাগানো মাস্ট ৷ যদি অনেকক্ষণ রোদে থাকতে হয় তাহলে বেশি SPF -এর সানস্ক্রিন ব্যবহার করুণ ৷

৩. বেশি করে ফল ও সবজি খান ৷ কোল্ড ড্রিঙ্কসের বদলে ডাবের পানি খান ৷

৪. সারাদিন কাজকর্ম করে ফিরে ত্বকের যত্ন নিতে আমরা অনেকেই ভুলে যায় ৷ কিন্তু জানেন কী এতেই ত্বকের সবচেয়ে বেশি খতি হয় ৷ সারাদিনের ধুলো ময়লা পরিষ্কার করা খুব জরুরি ৷ তাই ক্লিন্সিং, টোনিং ও ময়শ্চারাইশিং করতে একদম ভুলবেন না ৷

৫. যেদিন আপনার ছুটি থাকবে সেদিন বাড়িতেই বানিয়ে নিন একটি ফেস প্যাক ৷ বেসন. দুধ, দই, হলুদ গুঁড়ো, শশার রস দিয়ে বানিয়ে নিন একটি প্যাক ৷ মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে নিন ৷ সম্ভব হলে সপ্তাহে দু’দিন এই প্যাক লাগান ৷ তাহলেই ফল পাবেন ৷

৬. যাদের তৈলাক্ত ত্বক তারা মুলতানি মাটির প্যাক লাগান ৷

৭. সব থেকে জরুরি সঠিক পরিমাণ ঘুম ৷ দিনে ৭ ঘণ্টা ঘুম শরীরে পক্ষে খুব দরকারি ৷

৮. ফাস্ট ফুড এড়িয়ে চলায় ভালো ৷

৯. কফির বদলে গ্রিন টি খান ৷

নিউজবিডি৭১/আ/২৩ মে ,২০১৮




বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা ক্রিকেটারদের তালিকায় আছেন বাংলাদেশী ক্রিকেটারও

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : পেস বলারদের উচ্চতা ধরা হয় হিসেবে। কেননা উচ্চতার মাধ্যমেই বলের পেস বেশি করে পান পেসাররা। আজকের প্রতিবেদনে দেখবো বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা ক্রিকেটারদেরকেঃ

মোহাম্মদ ইরফান : পাকিস্তানি এই বোলার খেলার দিক দিয়ে কোনো রেকর্ড করতে পারেননি কিন্তু এই রেকর্ডটা নিজের কাছে রেখে দিয়েছেন।বেশী না,মাত্র ৭ ফুট ১ ইঞ্চি উচ্চতা নিয়ে ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বাধিক উচ্চতার ক্রিকেটারের রেকর্ডটা দখল করেছেন।২০১০ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেকের পরেই রেকর্ডটা তার হয়ে যায়।

বিলি স্ট্যানলেক : বর্তমান সময়ে টি টুয়েন্টি ক্রিকেটে পরিচিত এক মুখ অজি এই গতি তারকা।৬ ফুট ৮ ইঞ্চি এই অজি বোলার দেশের হয়ে ২০১৪ অ-১৯ বিশ্বকাপ খেলেছেন।শেফিল্ড শিল্ডে কুইন্সল্যান্ডের হয়ে খেলা ২০৪ সে:মি: উচ্চতার এই পেসার দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন ৮ টি টুয়েন্টি আর ২ ওডিআইতে।

জোয়েল গার্নার :টেস্ট ইতিহাসের অন্যতম সেরা বোলাদের মাঝে তিনি একজন।তাকে বলা হতো বার্বাডোজের বিগ বার্ড। ৬ ফুট ৮ ইঞ্চি উচ্চতা নিয়ে ২০১০ সাল পর্যন্ত উচ্চতার এই রেকর্ডটি তার দখলেই ছিলো। শুধু উচ্চতা নয় বল হাতে ছিলেন দাপুটে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ টানা ১৫ বছর কোনো টেস্ট সিরিজ হারেনি। যার মূল কারণ ছিলো তাদের পেস এট্যাক, আর সেই বোলিং এট্যাকের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ২০৩ সে:মি: উচ্চতার এই দীর্ঘদেহী বোলার।

৬ ফুট ৬ ইঞ্চি: টনি গ্রেইগ,কোর্টলি ওয়ালশ, জ্যাকব ওরাম।
৬ ফুট ৫ ইঞ্চি: শাহাদাত হোসেন রাজীব,মর্নে মরকেল,স্টুয়ার্ড ব্রড।

বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটারদের মধ্যে শাহাদাতের পরেই স্থান আছে মাশরাফির। ৬ ফুট ৩ ইঞ্চি তিনি। এরপরেই আছেন তাসকিন আহমেদ। ৬ ফুত ২ ইঞ্চি তিনি।

নিউজবিডি৭১/আ/২৩ মে ,২০১৮




বেসিক ব্যাংকের সব তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : বেসিক ব্যাংকের সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা ঋণ কেলেঙ্কারির ৫৬ মামলার সব তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ৩০ মে তদন্তের সব নথি নিয়ে তাদের আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার এসব মামলার কয়েকজন আসামির জামিন শুনানিতে তদন্ত শেষ করতে না পারার বিষয়টি নজরে এলে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান।

পরে দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের বলেন, বেসিক ব্যাংকের সাবেক ডিএমডি ফজলুস সোবহান, সাবেক ডিজিএম শিপার আহমেদসহ কয়েকজনের জামিন শুনানি ছিল এদিন।

তিনি বলেন, শুনানিতে আদালতের কাছে প্রতিভাত হয় যে তদন্ত আড়াই বছরেও শেষ হয়নি। অথচ দুদক আইনে আছে- ১৮০ দিনে তদন্ত শেষ করতে হবে।

এ কারণে আদালত ওই ৫৬ মামলার তদন্ত তদারক কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনসহ সব মামলার তদন্ত কর্মকর্তাদের হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছে বলে জানান এ আইনজীবী।

২০০৯ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত বেসিক ব্যাংকের গুলশান, দিলকুশা ও শান্তিনগর শাখা থেকে মোট সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা ঋণ অনিয়মের মাধ্যমে বিতরণের অভিযোগ ওঠার পর তদন্তে নামে দুদক।

নিউজবিডি৭১/আ/২৩ মে ,২০১৮




চাকরির সুযোগ ব্র্যাকে

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ব্র্যাক। ‘সিনিয়র রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট’পদে এই নিয়োগ দেওয়া হবে।

যোগ্যতা
যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি, ডেভোলপমেন্ট স্টাডিজ,অ্যাগ্রিকালচার ইকোনোমিক্স, বাণিজ্য বা পরিসংখ্যানে স্নাতকোত্তর পাস করা প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। তবে সিজিপিত্র ৩.৫০ থাকতে হবে। এ ছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব বিভাগেই প্রথম শ্রেণি থাকতে হবে। বয়স অনূর্ধ্ব ৩৫ বছর।

আবেদন প্রক্রিয়া
আগ্রহী প্রার্থীরা বিডিজবসের মাধ্যমে অনলাইনে অথবা মেইলে(resume@brac.net) পদের নাম উল্লেখ করে পাঠাতে পারবেন।

আবেদনের সময়সীমা
আগামী ১ জুন ২০১৮ তারিখ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

বিস্তারিত জানতে বিজ্ঞপ্তিটি দেখুন

নিউজবিডি৭১/আ/২৩ মে ,২০১৮




‘বিপন্ন রোহিঙ্গারা স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা পাচ্ছে ’

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বলেছেন, মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণকারী রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় প্রদানে সরকারের সকল পদক্ষেপের প্রতি স্থানীয় জনগণ সর্বাত্মক সমর্থন দিচ্ছে। খবর বাসস’র

জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল এবং ইউএনএফপিএ’র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর নাতালিয়া ক্যানেম সকালে প্রধানমন্ত্রীর তেজগাওস্থ কার্যালয়ে তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী ইউএনএফপিএ কর্মকর্তাকে জানান, তাঁর সরকার বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মানবিক দৃষ্টিকোন থেকে আশ্রয় প্রদান করেছে। কারণ, বাংলাদেশের জনগণেরও এ ধরণের শরণার্থী হবার মত অভিজ্ঞতা রয়েছে।

‘এবং বাংলাদেশের স্থানীয় জনগণ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য তাদের সবরকম সহযোহিতার হাতকে প্রসারিত করেছে’, বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, বৈঠকে তাঁরা বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয় বিশেষ করে নারী উন্নয়ন এবং মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণকারী রোহিঙ্গাদের বিষয়ে আলোচনা করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, সরকার যদিও তাদের অবস্থানকে স্বস্তিদায়ক করতে প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে তথাপি রোহিঙ্গারা আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে খুবই অমানবিকভাবে অবস্থান করছে।

তিনি বলেন, প্রতিদিন অন্তত ৬০টি শিশুর সেখানে জন্ম হচ্ছে এবং বর্ষার কারণে তাদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিগগিরই প্রায় এক লাখ শরণার্থীকে ভাসানচরে স্থানান্তরিত করা হবে যেখানে তারা বসবাসের জন্য আরেকটু ভালো পরিবেশ পাবেন।

নাতালিয়া রোহিঙ্গাদের আশ্রয় প্রদান করায় এবং নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের অসামান্য সাফল্যের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূমিকার প্রশংসা করেন।

তিনি এ সময় জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার বাংলাদেশকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্থ করেন।

প্রেস সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সময় তার সরকারের অগ্রাধিকার তৃণমূল থেকে উন্নয়ন বলেও উল্লেখ করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকার খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা এবং শিক্ষাকে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত নিয়ে যেতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, তাঁর সরকার জাতির পিতার পদাংক অনুসরণ করেই পথ চলছে, জাতির পিতাই স্বাধীনতার পরে নারীদের জাতীয় উন্নয়নের মূল ধারায় সম্পৃক্ত করার পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।

দেশের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) ও পল্লী উন্নয়নের দিকে লক্ষ্য রেখেই নির্ধারিত হয়, যোগ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী এবং মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান এসময় উপস্থিত ছিলেন।

নিউজবিডি৭১/আ/২৩ মে ,২০১৮