আমি জেলে কেন? বলেছেন খালেদা জিয়া

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তাঁর আইনজীবীদের কাছে জানতে চেয়েছেন, তিনি জেলে কেন?

নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বৃহস্পতিবার বিকেলে কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বের হয়ে সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন তাঁর আইনজীবী মাহবুব উদ্দিন খোকন।

খোকন বলেন, ‘খালেদা জিয়া বারবার জানতে চেয়াছেন, তিনি জেলে কেন? আমি কোনো কাগজে স্বাক্ষর করিনি, কোনো অনুমোদন দিইনি, কোনো চেক সই করিনি। আমি জেলে কেন?’ তিনি বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসনের কথার ব্যাখ্যা আমরা দিয়েছি।’

তিনি বলেন, তাঁরা (আইনজীবীরা) ১ ঘণ্টা ৫ মিনিট খালেদা জিয়ার সঙ্গে আলাপ করেছেন।

আরেক আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘আমরা ম্যাডামের সঙ্গে আইনগত বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ–আলোচনা করেছি। বুধবার রাজনৈতিক নেতারা আলোচনা করেছেন। আমরা দীর্ঘ এক মাস আইনজীবী হিসেবে তাঁর সঙ্গে কোনো আলাপ করতে পারিনি। আমরা অনুমতি নিয়ে দেখা করেছি। আপিল আবেদন থেকে শুরু করে, জামিনের বিষয়ে আলাপ–আলোচনা করেছি। ম্যাডাম জানতে চেয়েছেন যে জামিন আবেদনের কী হলো? সে বিষয়ে তাঁকে আমরা বলেছি।’

ন্যায়বিচার পেতে উচ্চ আদালতের ওপর খালেদা জিয়া আস্থাশীল বলেও জানান এই আইনজীবী। তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি, আগামী রবিবার আদালত জামিনের আদেশ দেবেন। দেশের মানুষ নিম্ন আদালতের ওপর আস্থাশীল না হলেও উচ্চ আদালতের ওপর আস্থাশীল। তেমনি ম্যাডামও উচ্চ আদালতের ওপর আস্থাশীল।

এর আগে আইনজীবীদের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বিকেল সাড়ে চারটার দিকে কারাগারে প্রবেশ করেন। অন্য তিন আইনজীবী হলেন এ জে মোহাম্মদ আলী, আবদুর রেজাক খান ও সানাউল্লাহ মিয়া।

নিউজবিডি৭১/আর/৮ মার্চ ২০১৮




দুই আর্জেন্টাইনের গোলে কোয়ার্টারে জুভেন্টাস

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : আর্জেন্টাইন তারকা পাওলো দিবালাকে ছাড়াই স্কোয়াড ঘোষনা করেছিল জুভেন্টাস কোচ আলেগ্রি। এরপর ইনজুড়িতে পড়ে টটেনহামের বিপক্ষে খেলাই অনিশ্চিত হয়ে যায় গনজালো হিগুইনের। কিন্তু শেষ মুহুর্তে এই দুই তারকাকেই দলে নিয়ে ইংল্যান্ডে আসে জুভেন্টাস। আর কাকতালীয় ভাবে এই দুই আর্জেন্টাইন তারকার গোলেই জয় পায় জুভেন্টাস। সেই জয় আবার তাদের নিয়ে যায় চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে।

প্রথম লেগে নিজেদের মাটিতে ২-২ গোলে ড্র করেছিল জুভেন্টাস। তাই পরের রাউন্ডে যেতে হলে জয়ের কোন বিকল্প ছিলনা ইতালিয়ান দলটির সামনে। অন্যদিকে কোনরকমে ১-১ গোল কিংবা গোল শুন্য ড্র করলেই হত টটেনহামের। কিন্তু এমন সমীকরনের ম্যাচেও প্রথমার্ধের ৩৯ মিনিটের সময় হুয়াং মিন সনের গোলে এগিয়ে যায় টটেনহাম। আর এই গোলের পর অনেকেই টটেনহামকে কোয়ার্টার ফাইনালে ভাবতে শুরু করে দিয়েছিল। প্রথমার্ধটা টটেনহাম এগিয়ে থাকে ১-০ গোলেই।

এরপর দ্বিতীয়ার্ধের ৬৪ মিনিটে জুভেন্টাসকে সমতায় ফেরায় হিগুইন। সামি খেদিরার পাস থেকে গোলটি করেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। এই গোলের রেশ না কাটতেই তিন মিনিট পরই জুভেন্টাসকে এগিয়ে দেন পাওলো দিবালা। এই গোলে আবার অ্যাসিস্ট করেন হিগুইন।

শেষ পর্যন্ত দুই আর্জেন্টাইনের যুগলে পাওয়া ম্যাচের দ্বিতীয় গোলটিই হয়ে যায় ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারক। জিতে জুভেন্টাস উঠে যায় কোয়ার্টার ফাইনালে। আর হেরে গিয়ে শেষ ষোল থেকেই বিদায় নেয় চমক জাগানো টটেনহাম।

নিউজবিডি৭১/আর/৮ মার্চ ২০১৮




বিজিবি’র মহাপরিচালক আবুল হোসেনকে প্রত্যাহার

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক পদ থেকে আবুল হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাকে সেনাবাহিনীতে ফিরিয়ে নিয়ে চাকরি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে ন্যস্ত করে আদেশ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

বুধবার দিবাগত রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে আদেশ জারি করে। তবে বিজিবির নতুন ডিজি হিসেবে এখনও কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি নিয়ে আমাদের কাছে আদেশ জারির জন্য প্রস্তাব পাঠালে আমরা আদেশ জারি করি। কেন নিয়োগ কিংবা সরিয়ে নেওয়া হয় তা এখানে আমাদের জানার সুযোগ নেই।

উল্লেখ্য, রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় ২০১৬ সালের ২ নভেম্বর বিজিবির মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিলো আবুল হোসেনকে।

নিউজবিডি৭১/আর/৮ মার্চ ২০১৮




শরীরের এই অংশে তিল থাকলে জেনে নিন আপনার ভবিষ্যৎ কেমন হবে…

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : অধিকাংশ মানুষের শরীরের কোন না কোন অংশে তিল বা আঁচিল থাকেই । এটা আরেকটি ব্যাপার যে অধিকাংশ মানুষ এটিতে মনোযোগ দেয় না। কিন্তু সমুদ্রশাস্ত্রে মধ্যে বলা হয় যে প্রত্যেকটি তিলের কিছু না কিছু অর্থ আছে।

আপনার শৈশবকালে বহুবার আপনি এমন শুনেছেন যে ‘ওহ, তোমার এখানে তোল আছে। তুমি তাহলে খুব ভাগ্যবান অথবা যদি এখানে তিল থাকে, তবে অবশ্যই তোমার সাথে এইটা ঘটবে। ‘

যাইহোক, যত মুখ তত কথার ধারণাও এখানেও আছে। এই মুহূর্তে আমরা আপনার জন্য এই বিষয় সম্পর্কিত সব জিনিস নিয়ে এসেছি । কোন তিল কি সম্পর্কে বলে । শরীরের উপর তিল থাকার সুবিধা কি? আপনি এখানে কিছু এমন প্রশ্নের উত্তর পাবেন।

১. গালে তিল

সমুদ্রশাস্ত্র অনুযায়ী যাদের গালে তিল থাকে সেইসব ব্যক্তি পড়াশোনায় অত্যন্ত পটু হয় । অর্থাৎ এই ব্যক্তি যা ভাবে, তা পূরণ করেই ছাড়ে ।

২. চিবুকে তিল

চিবুকে তিল ওলা মানুষ খুব ভাগ্যবান হয় বলে মনে করা হয়। আপনার চিবুকে যদি তিল থাকে, তাহলে আপনি খুশি হন । বলা হয় যে যাদের চিবুকে তিল থাকে, তাদের ধনসম্পদ এবং খ্যাতি অর্জন করতে কঠোর পরিশ্রম করতে লাগে না।

৩. নাকে তিল

আপনার যদি নাকের উপর তিল আছে তাহলে আপনি অনেক ভ্রমণ করবেন । নাকের উপর তিল থাকা মানুষ প্রেমী ধরনের এবং উত্তেজক প্রকারের হয়।

৪. পেটে তিল

যাদের পেটে তিল আছে এমন ব্যক্তি খুব পেটুক ধরনের হয় । এই ধরনের মানুষ মিষ্টি খুব পছন্দ করেন। যদিও তিনি অন্যদের খাওয়ানোর ব্যপারে আগ্রহ দেখান না ।

৫. ঘাড়ে তিল

যদি আপনার ঘাড়ে তিল থাকে তবে আপনার জীবন সুখময় হবে।

৬. চোখের উপর তিল

যেসব লোকের চোখে তিল থাকে, তাদের আচরণ খুব ভাল হয় বলে মনে করা হয়।

৭. হাতের তালুতে তিল

যাদের হাতের তালুতে তিল থাকে তাদের জীবনে সাফল্য অর্জন করতে কেউ বিরত রাখতে পারে না। এইসব মানুষ খুব কঠোর পরিশ্রমী হয় ।

৮. কপালে তিল

কপালের মাঝখানে তিল হওয়ার মানে আপনার ভালবাসা বিশুদ্ধ। ডানদিকে তিল ব্যক্তিকে কোন বিষয়ের দক্ষতা দেখায়, আবার বামদিকে তিল তার ফালতু খরুচের একটি চিহ্ন।

৯. কানে তিল

কানে তিল হওয়া শুভ চিহ্ন। এটি ব্যক্তির দীর্ঘায়ু দেখায়।

১০. ঠোঁটে তিল

যে ব্যক্তির ঠোঁটে তিল হয় সে খুব পরিষ্কার মনের হয় । তিনি সবাইকে খুব ভালোবাসেন ।

১১. কাঁধে তিল

ডান কাঁধে একটি তিল থাকার মানে আপনি দৃঢ়ভাবে নির্ধারিত হন । বাম কাঁধের তিল আপনার মেজাজের একটি চিহ্ন।

১২. আঙ্গুলে তিল

একজন ব্যক্তি যার আঙ্গুলে তিল আছে, তারা দক্ষ, ব্যবহারকুশল এবং ন্যায়প্রিয় হয়ে থাকে । তর্জনীতে তিল হলে সে জ্ঞানী, ধনী হয় । মধ্যমাতে তিল হলে সুখী ও শান্তিপূর্ণ হয় । অনামিকাতে তিল হলে সফল ও শক্তিশালী হয় । কনিষ্ঠাতে তিল হলে দুঃখজনক ।

১৩. বুকে তিল

বুকের ডান দিকে তিল থাকা সুখ এবং সৌভাগ্যের একটি চিহ্ন। বামদিকে তিল দেখায় যে, এই অবস্থায় স্ত্রী তার স্বামীর সাথে সহযোগিতা করে না। যদি বুকের মাঝখানে তিল থাকে তবে এমন লোক সুখী হয়।

১৪. কোমরে তিল

কোমরে তিল একটি ভাল সংকেত হিসেবে বিবেচনা করা হয় না। এই ধরনের লোকেদের জীবনের সমস্যা বেশি হয় ।

১৫. পায়ে তিল

যাদের পায়ের মধ্যে তিল আছে, তাদের জীবন ঘূর্নমান হয় । তারা ভ্রমণ করতে ভালবাসে

নিউজবিডি৭১/আর/৮ মার্চ ২০১৮




বিল গেটসকে টপকে শীর্ষ ধনীর তালিকায় জেফ বেজোস

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : বিল গেটসকে হাটিয়ে ২০১৮ সালের শীর্ষ ধনীর তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে অনলাইন ভিত্তিক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আমাজন ডট কমের কর্ণধার জেফ বাজোস।

ফোর্বস ম্যাগাজিন এবার ৭২টি দেশের ২ হাজার ২০৮ জন বিলিয়নিয়ারের তালিকা প্রকাশ করেছে। এই ধনীদের সম্পদের পরিমাণ গত বছরের চেয়ে ১৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৯ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। গড়ে একজন ধনীর সম্পদের পরিমাণ ৪ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার। এবারো সবচেয়ে বেশি ধনকুবেরের বাস হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা ৫৮৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এর পর রয়েছে চীন ৩৭৩ জন।

বিশ্বের সেরা ধনী জেফ বাজোসের নাম আগে আসলেও এবার ফোর্বসের তালিকায় তা পাকাপোক্ত হলো। কারণ সাবেক শীর্ষ ধনী বিল গেটসের চেয়ে তার সম্পদ ব্যবধান বেড়েছে। বাজোসের সম্পদের পরিমাণ ১১২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। অন্যদিকে বিল গেটসের সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯০ বিলিয়ন ডলার। অর্থাত্ শীর্ষ ধনী দুইজনের সম্পদের ব্যবধান ২২ বিলিয়ন ডলার। ফোর্বস বলছে, ২০০১ সালের পর শীর্ষ পর্যায়ে সম্পদের এত ব্যবধান এটাই সবচেয়ে বেশি। তাই মনে করা হচ্ছে আমাজন ডট কমের কর্ণধার বাজোস এবার শীর্ষ আসনটি পাকাপোক্তা করতে সক্ষম হয়েছে।

একবছরের ব্যবধানে বাজোসের সম্পদ বেড়েছে ৩৯ বিলিয়ন ডলার। তবে বিল গেটস এবার দ্বিতীয় অবস্থানে গেলেও তার সম্পদ আগের চেয়ে ৪ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে। ২০১৮ সালের তালিকায় ওয়ারেন বাফেট ৮৪ বিলিয়ন ডলার নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। বার্নার্ড আরনল্ড ২০১২ সালের পর এই প্রথম কোনো ইউরোপীয় হিসেবে তালিকায় চতুর্থ স্থান দখল করেছে। তার সম্পদের পরিমাণ ৭৫ বিলিয়ন ডলার। ফোর্বস এবারের তালিকায় ভার্চুয়াল মুদ্রা ক্রিপ্টোকারেন্সির বিলিয়নিয়ারকে স্থান করে দিয়েছে। এবারের তালিকায় এরকম ২৫৯ নতুন ধনীর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

জেফ বেজোস
এক বছরের মাথায় ৪০০ মিলিয়ন ডলারের সম্পত্তি কমে যাওয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থান ৭৬৬ তম। তার পূর্ব অবস্থান ছিল ৫৪৪ তম। তালিকার ৫ম স্থানে আছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের কর্ণধার মার্ক জুকারবার্গ। এশিয়ার শীর্ষ ধনী চীনা ইন্টারনেট জায়ান্ট টেনসেন্টের সিইও মা হুটাং এর অবস্থান ১৭ তম।

নিউজবিডি৭১/আর/৮ মার্চ ২০১৮




শুক্রবার শুরু হচ্ছে বিবাহ মেলা!

নিউজবিডি৭১ডটকম
খুলনা : খুলনায় চার দিনব্যাপী ব্যতিক্রমধর্মী‘বিবাহ মেলা’অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ফটোগ্রাফি ও ইভেন ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান পার্পেল বার্ড এবং আর্টিজমের আয়োজন শুক্রবার থেকে তৃতীয় বারের মত এ মেলা শুরু হবে।

১১টায় খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ূন কবির বালু মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ‘বিবাহ মেলা’র আহ্বায়ক ও পারপেল বার্ড’র সিইও এস. এম. ইমরান হাসান।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, পার্পেল বার্ড এবং আর্টিজম দীর্ঘদিন ধরে ফটোগ্রাফি, সিনেম্যাটোগ্রাফি, এডিটিং, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, স্টেজ ডিজাইন, লাইটিং, ডিজেসহ বিভিন্ন সৃজনশীল কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

এই কাজে খুলনার একঝাঁক তরুণ ও উদ্যোমী কর্মী সারাদেশে কাজ করছে। তারই ধারাবাহিতকায় এ কাজকে সকলের সামনে তুলে ধরতে খুলনায় তৃতীয় বারের মতো ‘বিবাহ মেলা’আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ইমরান হাসান বলেন, এটি শুধু জীবিকা নির্বাহের অবলম্বনই নয়। এটা পেশা ও নেশা এবং মানুষের ভালবাসায় সিক্ত হওয়ার একটি মাধ্যমও বটে।

মেলা আয়োজনের উদ্দেশ্য তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, খুলনাবাসীকে বিবাহ সম্পর্কিত সকল উপকরণ একসঙ্গে একই স্থান থেকে উপহার দেয়া। একটি দম্পতির পবিত্র যাত্রার সূচনাকালে সকল প্রয়োজনীয় উপকরণের সহজ সন্ধান ও সমাধান দেয়া এবং বিবাহ অনুষ্ঠান আয়োজনকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রয়োজনীয়তা ও বিশ্বস্ততা সম্পর্কে অবহিত করার লক্ষে এ আয়োজন।

তিনি জানান, শুক্রবার বিকেল ৩ টায় নগরীর ক্যাসল সালাম হোটেলের গ্রান্ডবল হলে মেলার উদ্বোধন করবেন সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিজান।

মেলা প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে। মেলায় কোন প্রবেশ ফি থাকবে না’বলেন ইমরান হাসান।

তিনি জানান, ‘বিবাহ মেলা’ উপলক্ষে থাকছে- প্রথমবারের মত ফটোগ্রাফিতে ইমআই সুবিধা। যাতে করে ১০ হাজার টাকার উপরে সেবা গ্রহণ করে গ্রাহক ৩, ৬, ৯, ১২ মাসের সহজ কিস্তিতে টাকা পরিশোধ, মেলা চলাকালীন সময়ে ১৫ শতাংশ ডিসকাউন্ট, মেলা চলাকালীন বুকিং দিলে ১৫ শতাংশ ডিসকাউন্ট, মেলা উপলক্ষে স্টলগুলোতে বিভিন্ন অফার।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব ও আর্টিসমের সিইও তাহমিদ আহমেদ। পার্পেল বার্ডের পরিচালক সনেট ফয়সাল, পরিচালক নূর এ নেওয়াজ শুভ, আশফাকুর রহমান ফাহিম, কাজী শান্ত, সাজিদ আহমেদ, শুভ খান, পলাশ তাসনিম রহমান তুনান, আলাউদ্দিন ও ইসমাইল হোসেন লিটু উপস্থিত ছিলেন।

নিউজবিডি৭১/আর/৮ মার্চ ২০১৮




মাঝপথেই শেষ ৩০২ প্রকল্প!

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : পুরো টাকা খরচ না করেই সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে ৩০২টি উন্নয়ন প্রকল্প। ফলে প্রকল্পগুলো থেকে কাক্সিক্ষত ফল পাওয়া যাচ্ছে না। সরকারের বিপুল অর্থ ব্যয় হলেও মাঝপথে বন্ধ করে দেয়ায় প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় দৈন্যদশা ফুটে উঠছে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া অভিযোগ উঠেছে- সম্ভাব্যতা যাচাই ও সঠিক কর্মপরিকল্পনা না করেই প্রকল্প হাতে নেয়ায় এমনটি হচ্ছে। গত অর্থবছরের (২০১৬-১৭) বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি পর্যালোচনা করতে গিয়ে এসব প্রকল্পে অসঙ্গতি পেয়েছে বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)।

আইএমইডি সচিব মো. মফিজুল ইসলাম বুধবার বলেন, কোন প্রকল্পগুলোর পুরো অর্থ ব্যয় করা হয়নি তার সঠিক কোনো কারণ এ মুহূর্তে বলা সম্ভব নয়। একেকটা প্রকল্পের ক্ষেত্রে একেকরকম কারণ থাকতে পারে।

ঢাকায় নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন বলেন, এরকমভাবে পুরো অর্থ ব্যয় না করেই প্রকল্প সমাপ্ত ঘোষণার ঘটনা বিরল। বরং বারবার যেটি হয় প্রকল্পের ব্যয় ও মেয়াদ বাড়ে। যদি এ রকম হয়ে থাকে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়েছে সেগুলো তেমন কোনো কাজেই আসছে না। তাই প্রকল্পভিত্তিক সুনির্দিষ্ট কারণ খুঁজে দেখা উচিত। অনেক সময় নতুন প্রকল্প পাওয়ার জন্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো পুরনো প্রকল্প সমাপ্ত ঘোষণা করতে পারে। তাছাড়া পুরো কাজ শেষ না করলে প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্যই পূরণ হবে না।

আইএমইডির একাধিক কর্মকর্তা জানান, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এডিপিভুক্ত প্রকল্পগুলোর মোট প্রাক্কলিত ব্যয়ের বিপরীতে আর্থিক অগ্রগতি বিশ্লেষণ করতে গিয়ে এ অবস্থা দেখা গেছে। এ ক্ষেত্রে হয়তো প্রকল্পের মাঝপথে বাস্তবায়নের প্রয়োজন হয়নি। আবার দেখা যায় প্রাক্কলিত ব্যয় বেশি ধরা হয়েছে। কিংবা প্রকল্পের মাঝপথে জটিলতা দেখা দেয়ায় বাকিটা আর বাস্তবায়ন করা হয়নি। এ রকম নানা কারণ রয়েছে।

আইএমইডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত অর্থবছরের এডিপিতে মোট প্রকল্প ছিল ১ হাজার ৭১০টি। এর মধ্যে সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে ৩৪৬টি প্রকল্প ও চলমান রয়েছে অর্থাৎ চলতি অর্থবছরের এডিপিতে যোগ হয়েছে ১ হাজার ৩৬৪টি প্রকল্প। মোট প্রাক্কলিত ব্যয়ের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ অর্থব্যয় করে সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে ৭টি প্রকল্প। এছাড়া মোট প্রাক্কলিত ব্যয়ের ৫১ থেকে ৭৫ শতাংশ আর্থিক অগ্রগতি হওয়া ২৯৮টি প্রকল্পের মধ্যে গত অর্থবছরে ২৯টি প্রকল্প সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি প্রকল্প চলমান রয়েছে। ৭৬ থেকে ৮৯ শতাংশ আর্থিক অগ্রগতি সম্পন্ন ১৯৪টি প্রকল্পের মধ্যে গত অর্থবছরে সমাপ্ত ঘোষণা করা হয় ৭৪টি প্রকল্প। আর বাকি ১২০টি প্রকল্প সংশোধন করে মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এছাড়া ৯০ থেকে ৯৯ শতাংশ আর্থিক অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে ২৬৯টি প্রকল্পে। এর মধ্যে গত অর্থবছর সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে ১৯২টি প্রকল্প। অবশিষ্ট ৮৪টি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন। সব মিলিয়ে ৩০২টি প্রকল্প পুরো অর্থ ব্যয় না করে মাঝপথে শেষ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত অর্থবছরে এডিপিতে সমাপ্তির জন্য নির্ধারিত ছিল ৩১৫টি প্রকল্প। কিন্তু অর্থবছর শেষে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ৭২টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যায়নি। অর্থবছর শেষে অর্থাৎ ২০১৭ সালের জুনের মধ্যে শেষ করা হয় ২৩৪টি প্রকল্প। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে না থাকলেও ১০৩টি প্রকল্প ওই অর্থবছরে সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। ফলে মোট সমাপ্ত প্রকল্পের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৪৬টিতে। এগুলোর মধ্যে শতভাগ কাজ শেষ হয়েছে মাত্র ১৬৭টি প্রকল্পের। বাকি ১৭৯টি প্রকল্পের কিছু কাজ অসমাপ্ত থাকলেও নানা কারণে সেগুলোকে সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রতিবেদনটি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের এলপিজি ইসপোর্ট, ‘স্টোরেজ অ্যান্ড বোতলিং প্লান্ট অ্যাট মোংলা’ নামের প্রকল্পটি ২০১২ সাল থেকে ২০১৬ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়নের কথা ছিল। এটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয় ২১০ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে প্রতিবেদনটি তৈরির সময় পর্যন্ত ব্যয় হয় মাত্র ১ কোটি ২৯ লাখ ৯২ হাজার টাকা। এ প্রকল্পের আর্থিক ও বাস্তব অগ্রগতি শূন্য দশমিক ৬২ শতাংশ। গত অর্থবছর প্রকল্পটি সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। এছাড়া চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ওয়াইডিং অব দ্য স্ট্রিট অ্যান্ড ফুটপাতস অব দ্য ডিফারেন্ট এরিয়াস অব চিটাগাং সিটি নামের প্রকল্পটি ২০১৩ থেকে ২০১৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য ছিল। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয় ২৯৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা। প্রতিবেদন তৈরি পর্যন্ত মোট ব্যয় হয় ৯৯ কোটি টাকা। প্রকল্পটির আর্থিক অগ্রগতি দাঁড়ায় ৩৩ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং বাস্তব অগ্রগতি ৩৩ দশমিক ৮২ শতাংশ। এ অবস্থায় সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নার্সিং এডুকেশন অ্যান্ড সার্ভিস নামের প্রকল্পটি ২০১১ থেকে ২০১৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বাস্তবায়নের কথা ছিল। এটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয় ৩৩৮ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত খরচ হয়েছিল ২২৮ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। প্রকল্পের আর্থিক অগ্রগতি দাঁড়ায় ৬৭ দশমিক ৪১ শতাংশ আর বাস্তব অগ্রগতি হয় ৮৯ শতাংশ। এ অবস্থায় গত অর্থবছর এটিও সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।

এছাড়া লক্ষ্য পূরণ না করেই সমাপ্ত ঘোষিত উল্লেখযোগ্য কয়েকটি প্রকল্প হচ্ছে, পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমের পরিকল্পনা ও তদারকি প্রকল্প, জাতীয় পুষ্টি সেবা (এনএনএস), নারী অধিকার আইনের প্রচার ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন, মিয়ানমারের নাগরিক জরিপ-২০১৫ প্রকল্প, মনিটরিং দ্য সিচ্যুয়েশন অব ভাইটাল স্টাটিসটিকস অব বাংলাদেশ, ইনভেসমেন্ট প্রমোশন অ্যান্ড ফাইন্যান্সিং ফ্যাসিলিটি (আইপিএফএফ), এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর অফিস বিল্ডিং নির্মাণ, নারী অধিকার সুরক্ষা ও বাস্তবায়ন, পাচার প্রতিরোধ ও তদারকি, ঔষধ প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা সংস্কার, খাতভিত্তিক কর্মসূচি ব্যবস্থাপনা, তদারকি ও মূল্যায়ন এবং মেঘনা নদীর ভাঙন থেকে শাহজীবাজার গ্যাসফিল্ড ও ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলা রক্ষা তৃতীয় পর্যায় প্রকল্প। যুগান্তর

নিউজবিডি৭১/আর/৮ মার্চ ২০১৮




স্ত্রীর অভিযোগে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের চুক্তি থেকেও বাদ পড়লেন শামি

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : এ যেন মড়ার উপরে খাঁড়ার ঘা। ভারতীয় ক্রিকেট দলের স্পিডস্টার মোহাম্মদ শামির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন তাঁর স্ত্রী হাসিন জাহান। অভিযোগ, শামির নাকি বেশ কয়েকটি বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে।

এমনকী, তাঁর বিরুদ্ধে বধূ নির্যাতনের অভিযোগও নিয়ে আসা হয়। এই খবর নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটমহল সরগরম ছিল। তবে বু্ধবার বিকেল গড়াতে না গড়াতেই আরও একটি ধাক্কা লাগল শামির ক্রিকেট ক্যারিয়ারে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের আর্থিক চুক্তিপত্র থেকে শামির নাম সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইনাডু ইন্ডিয়ার তথ্য মতে, চুক্তিপত্র অনুসারে গ্রেড B-তে ছিলেন শামি। কিন্তু, তাঁর বিরুদ্ধে বধূ নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে আসার পর তালিকা থেকে তাঁর নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

নতুন চুক্তিপত্র তালিকা অনুসারে A+ ক্যাটাগরিতে রয়েছেন বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, জসপ্রীত বুমরাহ, ভুবনেশ্বর কুমার এবং শিখর ধাওয়ান। এই ক্রিকেটাররা বছরে ৭ কোটি টাকা করে পাবেন। পাশাপাশি মহিলা ক্রিকেটারদের আর্থিক চুক্তিও ঘোষণা করা হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবছর টাকা অনেকটাই বেড়েছে।

ইতিপূর্বে মহম্মদ শামির স্ত্রী বলেছিলেন, “আমি যা অভিযোগ করেছি, তা একটি হিমশৈলের উপরিভাগ মাত্র। এর থেকেও ঘৃণ্য কাজ করেছে শামি। বহু মহিলার সঙ্গেই ওর সম্পর্ক রয়েছে।” স্বামীর ফোন ঘেঁটেই তিনি নাকি এই নোংরা কাণ্ডকারখানার কথা জানতে পারেন।

হাসিনের আরও অভিযোগ, “ওর পরিবারের প্রত্যেকেই আমার উপর যথেচ্ছ অত্যাচার করে। ওর মা এবং ভাই আমাকে নির্যাতন করে। রাত ২-৩টে পর্যন্ত এই নির্যাতন চলতে থাকে। ওরা তো আমাকে মেরেও ফেলতে চেয়েছিল। তবে আমি পরিবার এবং মেয়ের কথা ভেবে এতদিন চুপ করে ছিলাম। কিন্তু, বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের কথা জানতে পেরে আমি আর মাথা ঠিক রাখতে পারিনি। আমি আইনি পদক্ষেপ নেব।”

নিউজবিডি৭১/আর/৮ মার্চ ২০১৮




গাজীপুরে তুলার গোডাউনে অগুন

নিউজবিডি৭১ডটকম
গাজীপুর : গাজীপুর সদর উপজেলার বাঘেরবাজার এলাকার মোশারফ কম্পোজিট কারখানার তুলার গোডাউনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (৮ মার্চ)ভোর সাড়ে ৩টার দিকে এ অগুন লাগে।

গাজীপুর প্রতিনিধি : গাজীপুর সদর উপজেলার বাঘেরবাজার এলাকার মোশারফ কম্পোজিট কারখানার তুলার গোডাউনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (৮ মার্চ) ভোর সাড়ে ৩টার দিকে এ অগুন লাগে। খবর পেয়েজয়দেবপুর, টঙ্গী, শ্রীপুর ও ভালুকা ফায়ার স্টেশনের ৭টি ইউনিটের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। ওই গুদামে তুলা, যন্ত্রপাতি ও বিভিন্ন দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন নেভাতে বেগ পেতে হচ্ছে।

গাজীপুর ফায়ার সাভির্সের উপ-সহকারী পরিচালক আক্তারুজ্জামান লিটন ও ফায়ার স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, ভোর সাড়ে ৩টার দিকে মোশারফ কম্পোজিট কারখানার একটি একতলা ভবনে তুলার গোডাউনে আগুন লাগে। মুহূর্তে আগুন গোডাউনের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে গাজীপুরের শ্রীপুর, জয়দেবপুর, টঙ্গী ও ময়মনসিংহের ভালুকা ফায়ার স্টেশন থেকে সাতটি ইউনিটের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

এদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।

নিউজবিডি৭১/আর/৮ মার্চ ২০১৮




বৌদ্ধ-মুসলিম দাঙ্গা রুখতে শ্রীলঙ্কায় সোশাল মিডিয়া বন্ধ

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : শ্রীলঙ্কায় বৌদ্ধ-মুসলিম সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার রুখতে ১০ দিনের জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। নতুন করে এবার দাঙ্গা রুখতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। খবর- রয়টার্সের।

বুধবার (৭ মার্চ) সরকারের এক ঘোষণায় বলা হয়েছে, তিন দিন দেশজুড়ে ফেসবুক, ভাইবার ও হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ থাকবে।

এক বৌদ্ধ তরুণের মৃত্যুর জের ধরে শ্রীলঙ্কার মধ্যাঞ্চলীয় জেলা ক্যান্ডিতে রোববার থেকে বৌদ্ধ-মুসলিম দাঙ্গা ব্যাপক আকার ধারণ করেছে।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার ক্যান্ডিতে জরুরি অবস্থা জারি করা হলেও রাতভর মুসলমানদের কয়েকটি মসজিদ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা হয়।

মানবাধিকার সংস্থা সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস শ্রীলঙ্কার নির্বাহী পরিচালক রজিত কার্থি টেন্নাকুন বলেন, সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ চরম অদক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। যে কারণে দাঙ্গা ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়েছে।

সবশেষ দাঙ্গা রুখতে দেশটিতে সোশাল মিডিয়া বন্ধ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সাল থেকেই শ্রীলঙ্কায় বৌদ্ধ ও মুসলিমদের মধ্যে উত্তেজনা চলছে।

নিউজবিডি৭১/আর/৮ মার্চ ২০১৮




কার্যকর হচ্ছে রাইড শেয়ারিং নীতিমালা

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : উবার, পাঠাও, মুভসহ স্মার্টফোন অ্যাপভিত্তিক বিভিন্ন রাইড শেয়ারিং সার্ভিস নিয়ে করা নীতিমালা আজ থেকে কার্যকর হচ্ছে।

সম্প্রতি সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ থেকে ‘রাইড শেয়ারিং সার্ভিস নীতিমালা ২০১৭’ শীর্ষক এ নীতিমালা কার্যকরের তারিখ জানিয়ে একটি আদেশ জারি করা হয়।

আগে ১৫ জানুয়ারি মন্ত্রিসভায় রাইড শেয়ারিংয়ের খসড়া নীতিমালা অনুমোদন পায়। পরবর্তী সময়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশ করে সরকার। নীতিমালায় আটটি অনুচ্ছেদ এবং ১১টি শর্ত রয়েছে।

সিলিকন ভ্যালিভিত্তিক রাইড শেয়ারিং অ্যাপ উবার ২০১৬ সালের নভেম্বরে ঢাকায় কার্যক্রম শুরু করে। যদিও এর আগে থেকেই স্যাম নামে একটি মোটরবাইক শেয়ারিং অ্যাপ ঢাকায় কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। এরপর চালু হয় পাঠাও নামে আরো একটি রাইড শেয়ারিং অ্যাপ।

খুব দ্রুতই সাধারণ মানুষের মধ্যে রাইড শেয়ারিং অ্যাপগুলো ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। তবে এরই মধ্যে এ ধরনের সেবা নিয়ে নীতিমালা তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এ নীতিমালা অনুযায়ী রাইড শেয়ারিং অ্যাপের জন্য এবং এ ধরনের সেবা দেওয়ার জন্য মোটরগাড়ির মালিককেও বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) থেকে সনদ নিতে হবে।

নীতিমালায় আরো বলা হয়েছে, অ্যাপের মালিককে টিআইএনধারী হতে হবে এবং নিয়মিত ভ্যাট পরিশোধ করতে হবে। অ্যাপ কোনো কোম্পানির হলে লাগবে জয়েন্ট স্টকের রেজিস্ট্রেশন। নিজস্ব অফিসের পাশাপাশি ঢাকায় সেবা দেওয়ার জন্য লাগবে অন্তত ১০০টি গাড়ি। চট্টগ্রামের ক্ষেত্রে ৫০টি এবং অন্যান্য জেলা শহরের ক্ষেত্রে থাকতে হবে ২০টি। যেসব গাড়ি এ ধরনের প্ল্যাটফর্মে ব্যবহার করা হবে, সেগুলো বিআরটিএ থেকে ট্যাক্স এবং রুট পারমিট হালনাগাদ করা থাকতে হবে।

নীতিমালা অনুসারে, সেবা দেওয়ার জন্য মালিক এবং চালকের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি সম্পন্ন করতে হবে। সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, মালিক এবং চালকের বিস্তারিত তথ্য থাকতে হবে বিআরটিএর ওয়েবসাইটে।

এ রাইড শেয়ারিং অ্যাপের মাধ্যমে সেবা দেওয়ার জন্য তালিকাভুক্তির আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে এক লাখ টাকা এবং অন্যান্য ফি জমা দিতে হবে। এ তালিকাভুক্তির মেয়াদ হবে তিন বছর। পরবর্তী সময়ে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে যা নবায়ন করা যাবে।

রাইড শেয়ারিং অ্যাপ ব্যবহারকারীরা যেকোনো বিষয়ে মালিক এবং চালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে পারবেন বিআরটিএ বরাবর। যেকোনো শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে তালিকাভুক্তি বাতিলসহ প্রচলিত আইনে মামলা করার বিধানও থাকছে এ নীতিমালায়।

রাইড শেয়ারিং নীতিমালায় ভাড়ার বিষয়ে বলা হয়েছে, অ্যাপভিত্তিক এ ধরনের পরিবহন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ২০১০ সালের ট্যাক্সিক্যাব সার্ভিস নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে। নীতিমালায় এসি গাড়ির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ভাড়া ধরা হয়েছে ৬০ টাকা। এছাড়া প্রতি মিনিটের ওয়েটিং চার্জ ধরা হয়েছে ৩ টাকা থেকে ৩ টাকা ৭৫ পয়সা। তাছাড়া পরবর্তী সময়ে প্রতি কিলোমিটার দূরত্বের জন্য গুনতে হবে ১২ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত।

নিউজবিডি৭১/আর/৮ মার্চ ২০১৮




দিবসের চেয়ে চেতনার লালন জরুরি

সাবিনা পুঁথিঃ অফিসের গাড়িতে বিজয় স্মরণী পার হচ্ছি। আমাদের সামনে এক গাড়ি মোটামুটি একটু ধীরে এগোয় আর রাস্তার পাশে যে মেয়েদেরই দেখে গাড়ি থেকে বোতল দিয়ে পানি ছিটিয়ে দেয়। শুরুতে খেয়াল করিনি। পরে দেখি শুধু মেয়েদের গা ভিজিয়ে দিচ্ছিল তারা। এমনকি রাস্তার পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়া কয়েকজন তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদেরও। মেয়েরা কেউ কেউ চিল্লালেও সাথে থাকা বয়ফ্রেন্ড বেচারাদের কিছু করার নেই। গাড়িটিকে ফলো করা শুরু করলাম। তিন জন খুবই ইয়াং। পেছনের সিটে বসা ছেলেটাই বোতল হাতে সবাইকে ভিজিয়ে দিচ্ছিল। সাথে মজা করছিল চালক ছেলেটিও। তারা নোংরা ভাষায় ইভটিজিংও করছিল। তবে সামনে বসা কিশোর খুব চুপচাপ, যেন সে পছন্দ করছে না, তবে বাধাও দেয়নি। আমাদের ক্যামেরায় তখন তাদের ধরার চেষ্টা করছিলাম। আমরা সিগনালে সামনে আটকে থাকায় সেখান থেকে ফলো করছি ।

চন্দ্রিমা উদ্যানের পাশ হয়ে বিজয় স্মরণি দিয়ে জাহাঙ্গীর গেটের দিকে যাওয়ার পথে পুরো রাস্তা জুড়েই এই কান্ড করতে করতে তারা আসে। তবে আমরা তাদের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করছিলাম। অন্য ওয়ে দিয়ে তাদের সামনে পথ আটকানোর চেষ্টায় আমরা ব্যর্থ হলাম।

কারণ ক্যামেরা দেখে গাড়ির গতি বাড়ায় এদিকে আমরা খানিক দূর থেকেই জাহাঙ্গীর গেটে অবস্থান কারী নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মনোযোগ টানার চেষ্টা করি যাতে তাদের থামিয়ে দেয়। দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে ট্রাফিকের কাছে পৌছানোর আগেই গাড়িটি বেরিয়ে যায়। পরে শুনতে পাই সেটি কোন মন্ত্রীর সোনার ছেলের কান্ড! তো সেই সোনার বিরুদ্ধে একটা লিখিত অভিযোগ দেয়া ছাড়া ওই মুহুর্তে আর কিছু করার ছিলো না।

গতকাল সোনার শুয়োর ছেলেরা জয় বাংলা উচ্চারণ করেছে। ঐতিহাসিক মুক্তির ভাষণের দিনে জয়বাংলা উচ্চরণ দিয়েই মেয়েদের সাথে যে সম্মানহীন আচরণ করেছে তা কি ৮ মার্চের প্রলেপ দিয়ে ঢাকা সম্ভব? অদিতি বৈরাগী কিংবা অনুপমারা এখন লিখছে বলে হয়তো কিছু কিছু সত্য বেরিয়ে আসছে। কিন্তু যারা বলছে না বা বলার সুযোগ পাচ্ছে না বা এই শুয়োর সোনার ছেলেদের দেশেই যাদের থেকে যেতে হবে আজীবন, প্রজন্ম ধরে, তারা কি করবে?

ইয়াংবাংলার কনসার্টে ছিলাম গতকাল। ভেবেছিলাম আর্মি স্টেডিয়ামে বরাবরেই মতোই অনুষ্ঠানে স্নিগ্ধতা থাকবে। কিন্তু তার কোন বালাই দেখিনি। মাঠের মাঝখানে একটি জায়গা আলাদাভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে ভিভিআইপিদের জন্য। পুরো মাঠ জুড়ে সোনার ছেলেদের যে উন্মাদনা তা যদি সুস্থধারার হতো তবে তাতে আপত্তি ছিলো না। কিন্তু ১ ঘন্টা সময়ে যে অভিজ্ঞতায় ফিরলাম তাতে মনে হয়েছে অতিদির মতো অনেক ঘটনায় লুকিয়ে গেছে। কারণ " এত্তোগুলো ছেলেদের মাঝে এমন করে কনসার্ট দেখতে যাওয়ার দরকার কি" এমন প্রশ্নের উত্তর তারা দিতে চায়নি। যাহোক আমার পেছনে সিকিউরিটি এসএসএফ, তবে সাদা পোশাকে কেউ ছিলো কি না বলতে পারি না। তবে তারা ভিআইপিদের পাহারায় নিযুক্ত। এমন ঘটনার জন্য আমার সিক্স সেন্স আগেই সতর্ক ছিলো। হঠাৎ পেছন থেকে কেউ একজন ঝামেলা বাধানোর চেষ্টা করলো। আর সোজা তারে চড় লাগাতে হলো। আমার সাহস ছিলো।

কারণ আমার হাতে আমার কাজের পরিচয় ছিলো। কিন্তু ঐ মুহুর্তে একটা মেয়ের জন্য যে কোন ঘটনায় ঘটতে পারতো যদি তারা সংখ্যায় বেশি না হয়। এতোটা ভিড়ের মধ্যে কেউ লাঞ্ছিত হলেও দেখার কেউ নেই। কারণ পেছনে ভিআইপি নিরাপত্তা জরুরি। আমজনতা কে মরলো, কে বাঁচলো তা তো জনপ্রতিনিধিদের বিনোদনের সময় দেখার সুযোগ নেই। তাদের নিরাপত্তা আগে। খুব স্বাভাবিক, ভিআইপিদের পেছনে ছুটতে হয় বলেই তো সাধারণের কয়েকশর ভাগে একজনকে নিয়ে কাড়াকাড়ি।

যাহোক চেতনার দশা নিরাপত্তায় মুড়ালেও তা কাজে আসবে না। আর এসব দিবস টিবসকেও ফালতু মনে হবে। দেখা যাবে নারী দিবসের ব্যানারের আড়ালেই নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। তাই নিদিষ্ট দিবস নয় সারাবছর সারাজীবন প্রজন্মের পর প্রজন্মে চেতনার লালন করা জরুরি। ধরুন ওই কনসার্টটিতে ৫০% মেয়ে ৫০ % ছেলে তখন কি পরিস্থিতি ভিন্ন হতো না? কাজেই ২ উপায়ে এমন সমস্যা মোকাবিলা করা যেতে পারে। ১. মেয়েদেরই বের হয়ে আসতে হবে আত্নবিশ্বাসের সাথে।

২. নিজের নিরাপত্তায় নিজের চিন্তার উপর নির্ভর করতে হবে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সবসময় সৎ সাহস থাকতে হবে।

না হলে ফালতু এসব দিবসে ঠোঁটে লিপিস্টিক মাইরা সঙ সেজে কয়েক মিনিটের জন্য রাস্তায় দাঁড়িয়ে আবার পূর্বের অবস্থানে ফিরে যেতে হবে। আর অতি উৎসাহী ভীতুদের মতো অন্য নারীর বিরুদ্ধে আরেক নারীর কাছে নিন্দা করতেই সময় চলে যাবে।
লেখকঃ গণমাধ্যমকরমী।

আর/৮ মার্চ ২০১৮