দেড়শ’র আগেই সাত উইকেট হারাল জিম্বাবুয়ে

ডেস্ক রিপোর্ট 
নিউজবিডি৭১ডটকম 
ঢাকাবাংলাদেশের দেওয়া ২৭২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ঝড়ো শুরু করে জিম্বাবুয়ে। কোন উইকেট না হারিয়ে তুলে ফেলে ৪৮ রান। এরপর ১৫ রানের ব্যবধানে তিন উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। গুছিয়ে ওঠার আগেই একশ’ রানের মাথায় সফরকারীদের পঞ্চম উইকেট পড়ে যায়। তারপর ৪৫ রানের  জুটি গড়ে হারায় ষষ্ট উইকেট। সর্বশেষ খবর পর্যন্ত জিম্বাবুয়ে ৩৬.৩ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৪৮ রান তুলেছে।

জিম্বাবুয়ে ওপেনার জহুয়া শুরুতে ২৪ বলে ৩৫ রান তুলে ফেলেন। চারটি চারের পাশাপাশি দুটি ছক্কা মারেন তিনি। এরপর বল হাতে নিয়ে নিজের প্রথম ওভারেই জহুয়াকে বোল্ড করেন মুস্তাফিজ। ৪৮ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর ৫৯ রানে তিনে নামা ট্রেলরকে বোল্ড করেন নাজমুল অপু। এরপর ওপেনার ও জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক মাসাকাদজা রান আউটে কাটা পড়েন।

দেখে শুনে খেলা সিকান্দার রাজা ৭ রানে অপুর বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন। দলের রান একশ’ হতেই মেহেদি মিরাজ বোল্ড করেন আরভিনকে। এরপর ক্রিজে আসেন শেন উইলিয়াম ও পিটার মুর। তারা দু’জন গড়েন ৪৫ রানের জুটি। কিন্তু তা আরও ভয়ঙ্কর হওয়ার আগেই পিটার মুর মেহেদি মিরাজের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে ফেরেন। তারপর ক্রিজে আসেন ডোনাল্ড ট্রিপানো। তিনি কাটা পড়েন রান আউটে।

এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ২৭১ রান তোলে বাংলাদেশ। দলের হয়ে ইমরুল কায়েস খেলেন ১৪৪ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস। তার ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস এবং সাইফউদ্দিনের প্রথম ফিফটিতে ওই রান তোলে বাংলাদেশ। তার আগে অবশ্য ১৩৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। সেখান থেকে ১২৭ রানের জুটি গড়ে দলকে ভালো সংগ্রহ এনে দেন ইমরুল এবং সাইফউদ্দিন।

বাংলাদেশ একাদশ: লিটন দাস, ইমরুল কায়েস, ফজলে রাব্বি, মুশফিকুর রহিম, মোহাম্মদ মিঠুন, মাহমুদুল্লাহ, সাইফউদ্দিন, মেহেদি মিরাজ, মাশরাফি মর্তুজা (অধি.), মুস্তাফিজুর রহমান, নাজমুল ইসলাম অপু।

জিম্বাবুয়ে একাদশ: হ্যামিলটন মাসাকাদজা (অধি.), ক্যাপহাস জহুয়া, ক্রেগ আরভিন, ব্রেন্ডন টেলর, শেন উইলিয়ামস, সিকান্ডার রাজা, পিটার মুর, কাইল জারভিস, ব্রেন্ডন মাভুত, ডোনাল্ড ট্রিপানো, টেন্ডি সাতারা।

নিউজবিডি৭১/বিসি/অক্টোবর ২১, ২০১৮




জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে দিল সৌম্যরা

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : সাভারে বিকেএসপিতে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে সৌম্য-এবাদতের ঝলকে জিম্বাবুয়েকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে বিসিবি একাদশ। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে মাসাকাদজার সেঞ্চুরিতে ১৭৮ রান করে সফরকারীরা। ১৯ রানে ৫ উইকেট নেন এবাদত। জবাবে সৌম্যর হার না মানা সেঞ্চুরিতে ২ উইকেট হারিয়েই জয় তুলে নেয় বিসিবি একাদশ।

সকালে বিসিবি একাদশের বোলারদের তোপের মুখে পড়ে মাসাকাদজা বাহিনী। ৭ রান তুলতেই ক্রেইগ এরভিনকে জাকিরের ক্যাচে পরিণত করে পেসার এবাদত হোসেন। এরপর মাসাকাদজার সঙ্গে হাল ধরতে আসেন অভিজ্ঞ টেলর। তবে সাইফুদ্দিন-এবাদতের তোপে ফিরে যান টেলর-উইলিয়ামস। দাঁড়াতে পারেন নি সিকান্দার রাজাও। মাত্র ৯ রান করেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন তিনি। তবে, এক প্রান্ত আগলে রেখে লিস্ট এ ক্যারিয়ারের ১০ম সেঞ্চুরি তুলে নেন অধিনায়ক হ্যামিল্টন মাসাকাদজা। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন চিগুম্বুরা। ৪৭ রান করে সাইফুদ্দিনের ২য় শিকারে পরিণত হন তিনি। এরপর টিকতে পারেন নি মাসাকাদজাও। ১৭৮ রানেই থামে জিম্বাবুয়ে।

জবাব দিতে নেমে বেশ দেখেশুনে ব্যাট চালাতে থাকেন বিসিবি একাদশের ওপেনার মিজানুর রহমান এবং ফজলে রাব্বি। তবে ১১ রানেই ভাঙ্গে জুটি। রান আউটের খাঁড়ায় কাটা পরেন মিজান। রাব্বি-সৌম্য মিলে ৫০ রানের কোটা পার করেন বিসিবি একাদশের। এরপরই সিকান্দার রাজার বলে ব্যক্তিগত ১৩ রানে আউট হন রাব্বি। ক্রিজে আসেন মোসাদ্দেক সৈকত। এরপর বিকেএসপির ৪ নম্বর মাঠে স্ট্রোকের ফুলঝুরি ছোটান সৌম্য। তুলে নেন ক্যারিয়ারের ৪র্থ সেঞ্চুরি। সহজ জয় পায় বিসিবি একাদশ।

স্কোর: জিম্বাবুয়ে ১৭৮/১০ (৪৫.২) মাসাকাদজা ১০২, চিগুম্বুরা ৪৭; এবাদত ১৯/৫, সাইফুদ্দীন ৩২/৩।
বাংলাদেশ ১৮১/২ (৩৯) সৌম্য ১০২*, মোসাদ্দেক ৩৩*; রাজা ২১/১।

ফলাফল: বাংলাদেশ ৮ উইকেটে জয়ী।

নিউজবিডি৭১/বিসিপি/১৯ অক্টোবর, ২০১৮




শেষ মুহূর্তের গোলে ইতালির নাটকীয় জয়

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : ছন্দ খুঁজে ফেরা ইতালি অবশেষে জয়ের দেখা পেয়েছে। উয়েফা নেশন্স লিগে শেষ মুহূর্তের গোলে পোল্যান্ডকে হারিয়েছে চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।

পোল্যান্ডের মাঠে রোববার রাতে নেশন্স লিগের ম্যাচটি ১-০ গোলে জেতে রবের্তো মানচিনির দল।

প্রতিযোগিতায় ইতালির এটি প্রথম জয়। গত মাসে ইতালির মাঠে দুদলের মধ্যে প্রথম লেগ ১-১ গোলে ড্র হয়েছিল। আর নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে পর্তুগালের মাঠে ১-০ গোলে হেরেছিল মানচিনির শিষ্যরা।

ম্যাচের শুরুটা দুর্দান্ত হতে পারতো ইতালির। তবে প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে চেলসি মিডফিল্ডার জর্জিনিয়োর বাঁকানো শট পোস্টে লাগে। ৩০তম মিনিটে আবারও ভাগ্যের ফেরে গোলবঞ্চিত হয় তারা। ফিওরেন্তিনা ফরোয়ার্ড ফেদেরিকো চিয়েজার শট পোস্টে বাধা পায়।

৭৩তম মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সহজ সুযোগ নষ্ট করেন রবের্ত লেভানদফস্কি। মিডফিল্ডার কামিল গ্রোশিটস্কির শট ইতালি গোলরক্ষক জানলুইজি দোন্নারুমা ঠেকানোর পর ফিরতি বল পেয়ে কাছ থেকে বায়ার্ন মিউনিখ ফরোয়ার্ডের ভলি ক্রসবারের একটু উপর দিয়ে চলে যায়।

অবশেষে যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে কর্নার থেকে উড়ে আসা বল গোলমুখে পেয়ে জালে ঠেলে দেন ফিওরেন্তিনার ডিফেন্ডার ক্রিস্তিয়ান বিরাগি। জাতীয় দলের হয়ে এটাই তার প্রথম গোল। সব মিলিয়ে পাঁচ ম্যাচ পর জয়ের দেখা পেল চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।

রাশিয়া বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব উতড়াতে না পারা ইতালির শেষ ১৩ ম্যাচে এটি মাত্র তৃতীয় জয়। আগের জয় দুটি তারা পেয়েছিল আলবেনিয়া ও সৌদি আরবের বিপক্ষে।

তিন ম্যাচে একটি করে জয় ও ড্রয়ে ‘এ’ লিগের গ্রুপ-৩ এর দ্বিতীয় স্থানে আছে ইতালি। আর এই হারের পর ১ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় থাকা পোল্যান্ডের ‘বি’ লিগে অবনমনও নিশ্চিত হয়ে গেছে।

দুই ম্যাচের দুটিতেই জিতে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে পর্তুগাল।

নিউজবিডি৭১/আ/অক্টোবর ১৫, ২০১৮




নভেম্বরে মাঠে ফেরার আশা সাকিবের

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : তাকে নিয়ে শঙ্কা ছিল অনেক। সেই সঙ্গে ডালপালা মেলছিল অনেক গুঞ্জনও। সংক্রমণ হওয়া আঙুলের ব্যাপারে মতামত জানতে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার পর থেকেই সেসব গুঞ্জনের শুরু, যার বেশিরভাগই ছিল তার মাঠে ফেরার সম্ভাব্য সময় নিয়ে। গতকাল অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে ফেরা সাকিব আল হাসান নিজেও নিশ্চিতভাবে বলতে পারলেন না মাঠে ফিরতে তার কত সময় লাগবে। তবে জানালেন, আগের চেয়ে অনেক ভালো অবস্থায় রয়েছে আক্রান্ত আঙুল। পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সামনের মাসেই মাঠে ফেরার সম্ভাবনার কথাও শোনালেন।

চোট পেয়েছিলেন গত জানুয়ারিতে দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় সিরিজে। এরপর সেই চোট নিয়েই খেলে গেছেন। তবে সমস্যা প্রকট হয় সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপ খেলতে গিয়ে। টুর্নামেন্টের মাঝপথেই ফিরে এসেছিলেন দেশে। ফেরার পরই আঙুলে সংক্রমণ দেখা দেয়। ঢাকার এক হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর আঙুল থেকে বের করা হয় প্রায় ৭০ মি.লি. পুজ।

সংক্রমণ না কমলে অস্ত্রোপচার করা যাবে না আর দ্রুত অস্ত্রোপচার না হলে আঙুলের অবস্থা হতে পারে আরও খারাপ-এমন বাস্তবতার সামনে দাঁড়িয়ে গত ৫ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়েন সাকিব। সে সময় তার চোখেমুখে ঘাবড়ে যাওয়ার ছাপ ছিল বেশ স্পষ্ট। তবে অস্ট্রেলিয়া থেকে ফেরা সাকিব অনেকটাই হাসিখুশি। কারণ, ডাক্তারদের দেওয়া কিছু সুসংবাদ।

বিমানবন্দরে সংবাদমাধ্যমকে সাকিব বলেন, আগের চেয়ে অনেকটাই কমে গেছে ব্যথা। পুনর্বাসনের মাধ্যমে হাতে পুরোপুরি শক্তি ফিরে পেলে নামতে পারবেন মাঠে, ‘হাতে এখন ব্যথাটা নেই। আগের চেয়ে অনেক ভালো অনুভব করছি। এই মুহূর্তে সংক্রমণটাও নিয়ন্ত্রণে আছে। তবে প্রতি সপ্তাহে রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে দেখতে হবে, এটা বেড়েছে কি-না। এখন দেখার ব্যাপার হচ্ছে, হাতের শক্তি কত তাড়াতাড়ি ফিরে আসে। পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাড়াতাড়ি শক্তি ফেরানো সম্ভব। সেটা হলে, সামনের মাসেও মাঠে ফিরতে পারি।’

তবে এই ফেরার ব্যাপারটা নিয়ে যে কিছুটা অনিশ্চয়তা থেকে যাচ্ছে, সেটাও জানাতে ভুললেন না দেশসেরা এই অলরাউন্ডার, ‘এটা আসলে এমন একটা সমস্যা, যেটা ঠিক হওয়ার জন্য কোনো বাঁধাধরা সময় নেই। এক মাস পরও খেলতে পারি, আবার ছয় মাসও লাগতে পারে। আমি হয়তো আশা করছি, এক মাস পরই পারব। কিন্তু ব্যাপারটা যেহেতু হাতে শক্তি ফিরে আসার, সে ক্ষেত্রে এক মাসের চেয়ে বেশি সময়ও লাগতে পারে।’

তবে যে অস্ত্রোপচার নিশ্চিত করার জন্য এতকিছু, সেটা নিয়ে রয়ে গেছে কিছুটা অনিশ্চয়তা। সাকিব বললেন, ‘যেহেতু এখন ব্যথা নেই, তাই মনে হচ্ছে অস্ত্রোপচার ছাড়াই খেলতে পারব। এটা নিয়েই এখন চিন্তা করা হচ্ছে, অস্ত্রোপচার ছাড়াই কীভাবে খেলা যায়। কিন্তু পুনর্বাসনের পর যদি আবারও ব্যথা অনুভব করি, তাহলে অস্ত্রোপচার করাতেই হবে। কিন্তু সেটা ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে করা যাবে না। কারণ, সংক্রমণ যদি হাড়ের ভেতর অব্দি পৌঁছায়, তাহলে সেটা সারার সম্ভাবনা নেই। কারণ হাড়ের ভেতর যেহেতু রক্ত নেই, আর সেখানে যেহেতু অ্যান্টিবায়োটিক পৌঁছায় না, তাই অপেক্ষা করতে হবে। সংক্রমণ ওই পর্যন্ত গেছে কি-না, সেটা নিশ্চিত হওয়ার জন্যই আসলে ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে অস্ত্রোপচার করা হবে না।’

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজে সাকিবের না খেলাটা নিশ্চিত হয়েছিল আগেই। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজেও তাকে পাওয়া নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা। দলের সেরা খেলোয়াড় বলেই তাকে ছাড়া দল গঠনে বেশ বেগ পেতে হয় নির্বাচকদের। তবে সাকিব নিজের এই অনুপস্থিতিকে দেখছেন নতুন ক্রিকেটারদের জন্য একটা সুযোগ হিসেবে।

মনে করিয়ে দিলেন, তাকে ছাড়াই গত মাসে দল এশিয়া কাপের ফাইনালে উঠেছে, ‘আমাকে ছাড়াই দল এশিয়া কাপের ফাইনালে খেলেছে। তামিমও তো ছিল না। আমাদেরকে ছাড়া যদি এশিয়া কাপের ফাইনালে খেলতে পারে দল, তাহলে জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে কেন ভালো করতে পারবে না? দু-একজন খেলোয়াড় মাঝে মাঝে ফিট থাকবে না, এটা খেলাধুলার অংশ। সবাই তো সবসময় খেলতে পারবে না। তবে এর ভালো দিক হচ্ছে, নতুন কয়েকজন খেলোয়াড় সুযোগ পায়। আশা করি, দলের নতুন খেলোয়াড়রা সেই সুযোগ কাজে লাগাবে এবং ভালো করবে।’

নিউজবিডি৭১/আ/অক্টোবর ১৫, ২০১৮




ক্রিকেটারদের জন্য আসছে মনোবিদ

নিউজবিডি৭১ডটকম 
ঢাকাটানা কয়েকটি সিরিজে অবিশ্বাস্য ব্যর্থতার পর এবং কিছু ক্রিকেটারের অপরাধমূলক কার্যক্রমের জন্য একজন মনোবিদের কথা উঠছিল অনেকদিন ধরেই। অবশেষে সেই মনোবিদ নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। মনোবিদ আলী আজহার খান আসন্ন জিম্বাবুয়ে সিরিজ শুরুর আগেই জাতীয় দলের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন। তিনি এর আগেও বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সঙ্গে কাজ করেছেন।

আজ রবিবার মিরপুর শের-ই-বাংলায় সংবাদমাধ্যমের কাছে বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান আকরাম খান বলেন, ‘মনোবিদ যোগ দিচ্ছে বাংলাদেশ দলের জন্য। কথা চুড়ান্ত হয়ে গেছে। সিরিজ চলার সময় বাংলাদেশ দলকে ৬-৭ দিন সময় দেবেন। ১৭ তারিখের দিকে আসবেন আলী আজহার। যেহেতু উনি বাঙালি, বোঝাপড়ার ব্যাপারে এটা আমাদের ক্রিকেটারদের জন্য ভাল হবে। উনি খুব ব্যস্ত ছিলেন, অনেক অনুরোধ করে তার সময় নিয়েছি। তিনি ১৭-১৮ তারিখ থেকে ক্রিকেটারদের সাথে থাকবেন এবং ওদের সাথে সেশন করবেন।’

গত বছরের শেষ থেকেই বেশ কয়েকটি সিরিজে অদ্ভুতভাবে চাপের মুহূর্তে ভেঙে পড়েছিল বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। ফাইনালে গিয়ে আবারও জিততে পারেনি এশিয়া কাপের শিরোপা। তাছাড়া মাঠের বাইরে অনেক ক্রিকেটারের অনিয়ন্ত্রিত জীবন, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সমস্যা, অভিযোগ-মামলা লেগেই ছিল। গত ৩০ অগাস্ট বিসিবি সভা শেষে মনোবিদ আনার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছিলেন বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান। এশিয়া কাপের ফাইনাল শেষে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাও বলেছিলেন, মনোবিদে উপকৃত হতে পারে দল।

আলী আজহার খান ছাড়াও চন্দিকা হাথুরুসিংহের আমলে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের সঙ্গে কাজ করেছেন অস্ট্রেলিয়ান মনোবিদ ফিল জোন্সি। এর আগে ২০১১ বিশ্বকাপের আগে দলের সঙ্গে কাজ করেছিলেন ভারতীয় মনোবিদ সৌমেন্দ্র সাহা। কানাডা প্রবাসী সেই মনোবিদ নিয়োগ দেওয়া নিয়ে আকরাম খান আরও বলেন, ‘কয়েকজন ক্রিকেটার আমাকে বলেছে উনার কথা। আবার এসে সেশন করাক। যদি কাজে লাগে, অবশ্যই ভবিষ্যতে আবার উনার কাছ থেকে সময় নেব আমরা।’

নিউজবিডি৭১/বিসি/অক্টোবর ১৫, ২০১৮




ফ্রান্সের রক্ষা এমবাপেতে, স্পেন-পর্তুগালের জয়

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে রুখে দিয়ে রীতিমত হৈচৈ ফেলে দিয়েছিল আইসল্যান্ড। ইউরোপিয়ান ফুটবলে তাদের উত্থানটা যে হঠাত করেই নয় এবার সেটির নমুনা পেল ফ্রান্সও। বৃহস্পতিবার রাতে শেষ সময়ের পেনাল্টি গোলে হার এড়িয়ে ২-২ ব্যবধানে ড্র নিয়ে ফিরেছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তাদের হোঁচটের রাতে বড় জয় পেয়েছে পর্তুগাল ও স্পেন।

আইসল্যান্ডের মাঠে ৩০ মিনিটেই পিছিয়ে পড়ে ফ্রান্স। শুরুর দাপট অবশ্য ছিল অতিথিদেরই। কিন্তু বিরকির বিয়ারনাসনের গোলের পরই তাল হারায় দিদিয়ের দেশমের শিষ্যরা।

শক্তিশালী প্রতিপক্ষের এলোমেলো খেলার সুযোগে ব্যবধান দ্বিগুণ করে আইসল্যান্ড। ৫৮ মিনিটে কর্নার থেকে আসা বল হেডে ফ্রান্সের জালে জড়ান আরনাসন।

দুই গোলের ব্যবধানটা ৮৫ মিনিট পর্যন্ত ধরে রেখেছিল আইসল্যান্ড। হার যখন চোখ রাঙাচ্ছিল ফ্রান্সকে, তখনই একটি গোল শোধ করে ফ্রেঞ্চদের পথে ফেরান কাইলিয়ান এমবাপে।

আর নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে নিজেদের ডি-বক্সে সিগরাডসনের হাতে বল লাগলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। সেখান থেকে স্পটকিকে ফ্রান্সকে জয়ের মতো এক ড্র এনে দেন গ্রিজম্যানের বদলি নামা এমবাপে।

ফ্রান্সের হোঁচটের রাতে গ্যারেথ বেলবিহীন ওয়েলসের মাঠ থেকে ৪-১ গোলের বড় জয় নিয়ে ফিরেছে স্পেন। কার্ডিফ সিটির মাঠে ৮ ও ১৯ মিনিটে জোড়া গোল করেন বার্সা থেকে ব্রাত্য হয়ে দারুণভাবে জ্বলে ওঠা ফরোয়ার্ড পাকো আলকাসার। বাকি দুই গোল অধিনায়ক সার্জিও রামোস ও মার্ক বার্ত্রার। ওয়েলসের হয়ে সান্ত্বনার গোলটি স্যাম ভোকসের।

যৌন কেলেঙ্কারিতে জর্জরিত হয়ে জাতীয় দলে ডাক পাননি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তাকে ছাড়াই পোল্যান্ডের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও উয়েফা নেশন্স কাপে ২-৩ গোলের জয় নিয়ে ফিরেছে পর্তুগাল। একটি করে গোল করেছেন আন্দ্রে সিলভা ও বের্নাদো সিলভা। অন্যটি পোলিশদের নিজেদের জালে নিজেরা জড়ানো গোল।

নিউজবিডি৭১/এম কে/অক্টোবর ১২, ২০১৮




‘নমিনেশন তো শেখ হাসিনা দেবেন না’

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : ১ মিনিট ২ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, বক্তৃতায় তিনি বলছেন, নমিনেশন তো শেখ হাসিনা দেবেন না। নমিনেশন দেবেন তারা। এই বক্তব্য নিয়ে দলের ভেতরে-বাইরে সমালোচনার ঝড় বইছে।

আওয়ামী লীগের ‘নমিনেশন তো শেখ হাসিনা দেবে না- নমিনেশন দেব আমরা’। এমন দাম্ভিকতা দেখালেন চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মোর্তুজা।

গত রোববার জেলার ডামুড্যা উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে স্থানীয় এমপি আলী আজগর টগরের এক নির্বাচনী জনসভায় বক্তৃতাকালে তিনি এমন দাম্ভিকতা দেখান। তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘একজন পরীক্ষিত মানুষ। আমরা ওই কোথায় থেকে উড়ে মেরে জুটে এসে এখানে বলছে নমিনেশন পাব। তোমাদের ভোট দিবা। আমরা কি তাই দিব? কি বলেন? (এ সময় উপস্থিত লোকজন না বলেন)।

আমার কথা হলো- নমিনেশন তো শেখ হাসিনা দেবে না। নমিনেশন তো আমাদের কথা মতো। আমি আছি, দামুড্যা সভাপতি ঝন্টু মিয়া আছে। ওনার সাথে ওনার পুরো কমিটি আছে। আমার সাথে আমার জীবননগরের পুরো কমিটি আছে।

নমিনেশন তো শেখ হাসিনা দেবে না। নমিনেশন দেব আমরা। আমরা যখন সই করব, নমিনেশন পাবে হাজী আজগর আলী টগর। আছেন সকল চেয়ারম্যানগণ। মেম্বারগণ, মহিলা লীগ নেত্রী, কৃষক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ।’

আওয়ামী লীগ নেতার এই বক্তব্যের সমালোচনা করে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোহাইমেন হাসান জোয়ার্দ্দার অনিক ফেসবুকে লিখেছেন ‘ঝড়ের গতিতে শেয়ার হোক………….ধিক্কার জানাই জীবননগর উপজেলা আওয়ামী লীগের তথাকথিত সভাপতি, চরম জনবিচ্ছিন্ন নেতা গোলাম মোর্তুজা সাহেবকে।

১৯৯১ সালে জাসদ থেকে যোগ দেওয়া বর্তমান জীবননগর উপজেলা আওয়ামী লীগের অযোগ্য নামমাত্র সভাপতি গোলাম মোর্তুজার দুঃসাহস দেখুন, তিনি চুয়াডাঙ্গা-২ এর বর্তমান এমপি আলী আজগরের গত ৬/১০/১৮ ইং তারিখে কার্পাসডাঙ্গায় বিএনপি-জামায়াতের জনসভায় বলতেছেন নমিনেশন তো শেখ হাসিনা দেবেন না নমিনেশন দেব আমি (মোর্তুজা) আর দামুড্যা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ঝন্টু।

নমিনেশন দেওয়ার মালিক আমি আর ঝন্টু। আমরা দুইজন সই করলে মনোনয়ন পাবেন আলী আজগর টগর। শেখ হাসিনা মনোনয়ন দেবেন না, দেব আমরা। এই সকল বাম সংগঠনের লোকের এত দুঃসাহস হয় কি করে যে দেশরত্মকে তুচ্ছ করে?

তাহলে কি এই গোলাম মোর্তুজা দেশরত্ম শেখ হাসিনার চেয়ে ক্ষমতাধর? আমি চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাদের স্যারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, অবিলম্বে এই গোলাম মোর্তুজাকে দল থেকে বহিষ্কারের দাবি জানাই।

যে লোক নেত্রীকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করতে পারে তার আওয়ামী লীগে থাকার কোনো অধিকার নাই। অতি দ্রুত তাকে দলীয় সকল কর্মকাণ্ড থেকে বহিষ্কার না করলে চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রলীগ বৃহত্তর কর্মসূচি প্রদান করতে বাধ্য হবে। জয় হোক দেশরত্ম শেখ হাসিনার।’

নিউজবিডি৭১/আ/অক্টোবর ১১, ২০১৮




বিশ্বকাপ সংশয়ে সাকিব

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : সাকিব আল হাসান বরাবরই অন্যরকম। যেনো কিছুই হয়নি। এই যে এতবড় হাতের ইনজুরিতে পড়েছেন তাও যেন কপালে নেই একটুকুও ভাঁজ। বরং জানুয়ারিতে বিপিএল দিয়েই ২২ গজে ফিরতে আত্মবিশ্বাসী বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। কিন্তু হাতের ইনজুরিটা তা কতটুকু হতে দিবে সেটাই এখন সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ আসন্ন বিশ্বকাপ-২০১৯ খেলতে পারবেন কিনা তা নিয়ে এখনই সংশয় দেখা দিয়েছে।

আঙুলের ইনজুরির কারণে আগামী বিশ্বকাপে খেলতে নাও পারেন তিনি। একটি ইংরেজি দৈনিককে দেয়া সাক্ষাতকারে এমন আশঙ্কার কথাই জানিয়েছেন সাকিব।

এ ব্যাপারে সাকিব বলেন, ‘হাতে এই মুহূর্তে ইনফেকশন, তাই ছয় মাসের মধ্যে অপারেশন করানো যাবে না। কেননা অপারেশন করানোর পরে যদি হাতের অবস্থা আরও খারাপ হয়, এই আশঙ্কায় ডাক্তাররাও এর আগে অপারেশন করাতে চাইছে না। অর্থাৎ ইনফেকশন পুরোপুরি যাওয়ার জন্য আমাদের আরও অপেক্ষা করতে হবে। আগামী দুই মাস ওষুধ চলবে, এরপরে আরও দুইমাস দেখতে হবে হাতের ক্ষত ঠিক হয় কিনা। আমাকে ম্যাচ খেলেও দেখতে হবে ইনফেকশন বাড়ে কিনা।’

সাকিব বলেন, ‘তারপরে যখন নিশ্চিত হওয়া যাবে যে ইনফেকশন আর বাড়ছে না, তখন অপারেশনের দিকে যেতে হবে। এতে ছয় মাস থেকে এক বছর সময় লাগতে পারে। ডাক্তার বলেছে ছয় মাস থেকে এক বছর লাগার সম্ভাবনা বেশি।’

নিউজবিডি৭১/আ/অক্টোবর ০৯, ২০১




ব্যালন ডি’অরের সংক্ষিপ্ত তালিকায় স্থান পেলেন যারা

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : ব্যালন ডি’অর-২০১৮’র জন্য ৩০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করেছে ফ্রান্স ফুটবল। অনুমিতভাবেই তাতে ঠাঁই পেয়েছেন লিওনেল মেসি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো, নেইমার ও মোহামেদ সালাহ। জায়গা পেয়েছেন ২০১৮ ফিফা দ্য বেস্ট অ্যাওয়ার্ডজয়ী লুকা মডরিচও।

ফুটবলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পুরস্কার ব্যালন ডি’অর। ১৯৫৬ সাল থেকে তা দিয়ে আসছে ফরাসি ফুটবল পত্রিকা ফ্রান্স ফুটবল। আগে এটি European Footballer of the Year বা ‘ইউরোপীয় বর্ষসেরা ফুটবলার’ নামে পরিচিত ছিল। বার্ষিক ভিত্তিতে বিগত এক বছরের খেলার মানের ওপর নির্ভর করে এ পুরস্কার দেয়া হয়।

পুরস্কারটি পেতে হলে খেলোয়াড়কে অবশ্যই উয়েফা অনুমোদিত কোনো ক্লাবে খেলতে হবে। ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত কেবল ইউরোপীয় জাতিভুক্ত খেলোয়াড়রাই ব্যালন ডি’অর পেতেন। এ পুরস্কারের জন্য ভোট দেন ইউরোপের ফুটবল সাংবাদিকরা।

৩০ জনের তালিকায় স্থান পেলেন যারা-

সার্জিও আগুয়েরো, অ্যালিসন বেকার, গ্যারেথ বেল, করিম বেনজেমা, এডিনসন কাভানি, থিবো কুর্তোয়া, ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো, কেভিন ডি ব্রুইনা, রবার্তো ফিরমিনো, ডিয়েগো গডিন, আঁতোয়া গ্রিজম্যান, এডেন হ্যাজার্ড, ইসকো, হ্যারি কেন, এনগোলা কন্তে, হুগো লরিস, মারিও মানজুকিচ, সাদিও মানে, মার্সেলো, কিলিয়ান এমবাপ্পে, লিওনেল মেসি, লুকা মডরিচ, নেইমার, ইয়ান ওবালাক, পল পগবা, ইভান রাকিটিচ, সার্জিও রামোস, মোহামেদ সালাহ, লুইস সুয়ারেজ ও রাফায়েল ভারানে।

নিউজবিডি৭১/আ/অক্টোবর ০৯, ২০১৮




‘স্বপ্নপূরণের অপেক্ষায় স্বপ্নারা’

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : ভুটানের সৌন্দর্য ঘেরা থিম্পু শহরের চাংলিমিথায় স্টেডিয়ামে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের ফুটবলের দুঃসহ স্মৃতি। ২০১৬ সালের ১০ অক্টোবর মামুনুল ইসলামরা নির্বাসনে গিয়েছিলেন ভুটানের কাছে এই মাঠেই হেরে। গত ১৮ আগস্ট চাংলিমিথাংয়ে বেদনার আরেকটি কাব্য রচিত হয়। অনূর্ধ্ব-১৫ নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারতের কাছে ১-০ গোলে হেরে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন মারিয়া মান্ডা-মনিকা চাকমারা। আজ সেই মাঠেই স্বপ্নপূরণের দিন সিরাত জাহান স্বপ্নাদের। অনূর্ধ্ব-১৮ নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম শিরোপা জয়ে বাধা হিমালয়ের দেশ নেপাল। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায়।

ফাইনালে ভারত নেই বলে স্বস্তির হাওয়া বইছে বাংলাদেশ শিবিরে। প্রতিপক্ষ নেপালকে গ্রুপ পর্বে হারিয়েছিল ২-১ গোলে। কিন্তু যে দলটি ভারতকে হারাতে পেরেছে, বাংলাদেশকেও মাটিতে নামানোর সামর্থ্য তাদের আছে। অবশ্য বয়সভিত্তিক আসরে কখনোই গোলাম রব্বানী ছোটনের দলকে হারাতে পারেনি নেপাল। ২০১০ সালে কক্সবাজারে সিনিয়র সাফের সেমিফাইনালে হিমালয় কন্যাদের কাছে হেরেছিল সাবিনারা। সেটা এখন অতীত।

যেমন অতীত গত আগস্টে ভারতের কাছে ফাইনালে হারটাও। কোচ ছোটন নতুন কিছুর স্বপ্ন দেখছেন। গতকাল ভুটান থেকে টেলিফোনে সমকালকে বাংলাদেশ কোচ বলেন, ‘ভারতের কাছে ওই হারের কোনো প্রভাবই ফেলবে না। কোনো চাপ নেই। কারণ আগস্টের ফাইনাল এখন অতীত। সেগুলো কারোর মাথায় নেই। আমাদের ফোকাস একমাত্র অনূর্ধ্ব-১৮ আসরের ফাইনাল নিয়েই। এই ফাইনালটা জিততে চাই আমরা।’

শুধু নেপাল বলেই নয়, শিরোপার স্বপ্নটা আরও বড় হয়েছে স্বপ্না ফিরছেন বলে। পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের ১৭ গোলের ৭টিই করেছিলেন রংপুরের এ মেয়ে। নেপালের জালেও একবার বল পাঠিয়েছিলেন। গ্রুপ সেরা হওয়ার লড়াইয়ের ম্যাচেই চোটে পড়েছিলেন ৮ গোল করা এ ফরোয়ার্ড। যে ইনজুরি তাকে খেলতে দেয়নি ভুটানের বিপক্ষে সেমিফাইনালে।

কয়েকদিন বিশ্রামে থাকায় চোটও সেরে গেছে। আজ শুরুর একাদশ থেকেই মাঠে নামবেন স্বপ্না। তাকে পেয়ে আরও উজ্জীবিত বাংলাদেশ। সবাই খুবই আত্মবিশ্বাসী। কেবল স্বপ্না নন, ভুটানের বিপক্ষে গোল করা সানজিদা, শামসুন্নাহারদের ওপরও আস্থা আছে ছোটনের, ‘সেমির ম্যাচে স্বপ্নাকে ইচ্ছা করেই খেলাইনি ফাইনালের জন্য চাঙ্গা রাখব বলে। ওর ইনজুরি বলতে গেলে প্রায় সেরেই গেছে। আশা করি সে ফাইনালে খেলবে। এখন দলের ২৩ খেলোয়াড়ের সবাই সুস্থ আছে। স্বপ্না দলের প্রধান ফরোয়ার্ড। তাকে পাওয়ায় দল আরও আত্মবিশ্বাসী। স্বপ্না থাকায় শিরোপা জিততে আরও প্রত্যয়ী মেয়েরা।’

স্বপ্না যেমন একাদশে ফিরছেন, তেমনি করে ফাইনালে দু-একটি পরিবর্তনের ইঙ্গিত বাংলাদেশ কোচের। আগের লড়াইয়ে নেপালকে হারিয়েছে। তাদের সম্পর্কে ধারণাও আছে। এত কিছুর পরও ফাইনালে আত্মতুষ্টিতে ভুগছে না ১৮ না পেরোনো মেয়েরা।

বরং হিমালয়ের দেশকে সমীহ করেই নামছে ছোটনের দল, ‘ভারতকে হারিয়ে নেপাল ফাইনালে উঠেছে। সেই ম্যাচটি আমি দেখেছি। এমন নয় যে, ভারত হেরে অঘটনের শিকার হয়েছে। বরং নেপালই চমৎকার খেলেছে এবং যোগ্য দল হিসেবেই ফাইনালে উঠেছে। এখন তারাই আমাদের ফাইনালের প্রতিপক্ষ। যদিও গ্রুপ পর্বে আমরা নেপালকে হারিয়েছিলাম, তাই বলে ফাইনালে তারা আমাদের চেনা বা সহজ প্রতিপক্ষ বলে আমরা খুশি হয়েছি, এমনটা মোটেও বলব না। আমাদের কাছে সব দলই সমান শক্তিশালী এবং সমীহজাগানিয়া। গ্রুপ পর্বে এবং ফাইনালের খেলা দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। ফাইনাল হবে ফাইনালের মতো।’

ছোটনের দাবি, গ্রুপের লড়াইয়ে নেপাল নেতিবাচক ফুটবল খেলেছে। যার কারণেই ইনজুরিতে পড়েছিলেন স্বপ্না। আজকের ফাইনালেও তারা এমন কৌশলে খেলতে পারে বলে ধারণা বাংলাদেশ কোচের। কীভাবে নেপালকে হারাতে হবে, সেটা ভালো করে জানা আছে তার, ‘তারা নেগেটিভ ফুটবল খেলেছিল। ফাইনালেও তারা এমনটা করতে পারে। তাই বলে আমরা ভীত নই। আসলে আমরা নিজেদের নিয়েই ভাবছি। ওরা ওদের মতো খেলবে, আমরা খেলব আমাদের মতো। আমরা টুর্নামেন্টজুড়ে যেভাবে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছি এবং প্রাধান্য বিস্তার করে খেলেছি, সেই স্বাভাবিক খেলাটাই ফাইনালেও খেলতে চাই।’

নিউজবিডি৭১/আ/অক্টোবর ০৭, ২০১৮




আলাভেসের মাঠে রিয়াল মাদ্রিদের হার!

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : গোল করতে যেন ভুলে গেছেন রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড়রা। আক্রমণে তাদের ব্যর্থতার মাশুল দিতে হচ্ছে স্পেনের সফলতম দলটিকে। বাজে সময়ের মধ্য দিয়ে যাওয়া হুলেন লোপেতেগির দল এবার হেরে গেছে আলাভেসের কাছে।

লা লিগায় শনিবারের ম্যাচটি ১-০ গোলে জিতে আলাভেস। ম্যাচের শেষ সময়ে জয়সূচক গোলটি করেন মানু গার্সিয়া। ২০০০ সালের পর প্রথমবারের মতো রিয়ালের বিপক্ষে জিতল আলাভেস।

সব ধরনের প্রতিযোগিতায় এনিয়ে টানা চার ম্যাচে জয়শূন্য থাকলো রিয়াল। এই ম্যাচগুলোয় গোল করতেও ব্যর্থ লোপেতেগির শিষ্যরা।

লিগে সেভিয়ার মাঠে ৩-০ গোলে হেরে রিয়ালের দুঃসময়ের শুরু। পরে দলটি ঘরের মাঠে গোলশূন্য ড্র করে আতলেতিকো মাদ্রিদের সঙ্গে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে সিএসকেএ মস্কোর কাছে ১-০ গোলে হেরে যায় ইউরোপের সফলতম দলটি।

প্রতিপক্ষের মাঠে শুরুটা ভালো ছিল রিয়ালের। চোট কাটিয়ে ফেরা গ্যারেথ বেলের উপস্থিতিতে উজ্জীবিত আক্রমণ ভাগ কাঁপিয়ে দিয়েছিল স্বাগতিকদের রক্ষণকে। শুরুর আক্রমণের ঝাপটা সামলে ধীরে ধীরে নিজেদের গুছিয়ে নেয় আলাভেস।

প্রথমার্ধের বাকি সময়টায় রিয়ালকে বেশ চাপে রাখে দলটি। কিন্তু থিবো কোর্তোয়াকে ফাঁকি দিয়ে জালের দেখা পায়নি তারা।

দ্বিতীয়ার্ধে ৫৫তম মিনিটে আচমকা দূরপাল্লার শটে কোর্তোয়ার পরীক্ষা নেন রুবেন দুরাতে। ৭৬তম মিনিটে রিয়াল গোলরক্ষককে একা পেয়েও কোনাকুনি শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি জনি।

প্রতিপক্ষের রক্ষণে গিয়ে খেই হারানো রিয়াল দূরপাল্লার শটে ঠিকানা খোঁজার চেষ্টা করে। তবে বেল, লুকা মদ্রিচদের শট লক্ষ্যে থেকেছে কমই। খুব একটা পরীক্ষায় পড়তে হয়নি আলাভেসের গোলরক্ষককে।

২০০১ সালের পর এই প্রথম আলাভাসের জালে বল পাঠাতে ব্যর্থ হল রিয়াল।

ম্যাচ গড়াচ্ছিল ড্রয়ের দিকে। দ্বিতীয়ার্ধের বদলি গার্সিয়া যোগ করা সময়ের শেষ মুহূর্তে গড়ে দেন ব্যবধান। কর্নার থেকে রুবেন সোবরিনোর হেড কোর্তোয়া এক হাতে ফেরানোর চেষ্টা করলে পেয়ে যান গার্সিয়া। তার হেড সের্হিও রামোসকে এড়িয়ে জালে জড়ায়।

সেই গোল শোধের কোনো সময় ছিল না রিয়ালের। গোলের বাঁশির পরপরই ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজান রেফারি।

৮ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে আছে রিয়াল। সমান পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে উঠে এসেছে আলাভেস। এক ম্যাচ কম খেলা বার্সেলোনা গোল পার্থক্যে এগিয়ে রয়েছে শীর্ষে।

নিউজবিডি৭১/আ/অক্টোবর ০৭, ২০১৮




শেষ ম্যাচেও হার সালমাদের

নিউজবিডি৭১ডটকম 
ঢাকা : সিরিজ হার নিশ্চিত হয়েছে আগের দিনই। শনিবার পাকিস্তান নারী দলের বিপক্ষে চার ম্যাচের টি২০ সিরিজের শেষ ম্যাচ বাংলাদেশ নারী দলের জন্য ছিল সান্ত্বনার জয় পাওয়ার একটা সুযোগ। কিন্তু আরও একটি ব্যাটিং ব্যর্থতায় সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারল না সালমা খাতুনের দল।

বাংলাদেশ দলের দেওয়া সহজ লক্ষ্যে ব্যাট করে সাত উইকেটের বড় জয় পেয়েছে পাকিস্তান, সিরিজ জিতে নিয়েছে ৩-০ ব্যবধানে। বৃষ্টির কারণে প্রথম ম্যাচটি পরিত্যক্ত হয়েছিল। কক্সবাজারের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শনিবার টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ।

এদিনও দলকে ভালো শুরু এনে দিতে পারেনি টপঅর্ডার ব্যাটসম্যানরা। দলীয় ৩২ রানের মধ্যেই প্রথম পাঁচ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। সেখান থেকে বাংলাদেশের স্কোরকে আরও খানিকদূর টেনে নিয়ে যাওয়ায় রুমানা আহমেদের ২৪ ও ফাহিমা খাতুনের ১৪ রানের ইনিংস বড় ভূমিকা রাখে। এই দু’জন ছাড়া বাংলাদেশ দলের আর কোনো ব্যাটসম্যানই ছুঁতে পারেননি দুই অঙ্ক।

২০ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ তোলে ৭৭ রান। পাকিস্তানের হয়ে নাতালিয়ার তিন উইকেটের পাশাপাশি সানা মির ও ডায়ানা বেগ দুটি করে উইকেট পান। রান তাড়ায় ব্যাট করতে নেমে চতুর্থ ওভারে ওপেনার আয়েশা জাফরকে হারায় পাকিস্তান, তাকে ফেরান বাংলাদেশ অধিনায়ক সালমা খাতুন।

এরপর নাহিদা খানের সঙ্গে ৩৪ এবং মুনিবা আলির সঙ্গে ২৭ রানের দুটি জুটি গড়ে পাকিস্তানকে জয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যান অধিনায়ক জাভেরিয়া খান। ৩৬ রান করে জাভেরিয়া আউট হওয়ার পর দলকে জয় এনে দেন ১৮ রানে অপরাজিত থাকা মুনিবা। সালমা খাতুনের পাশাপাশি একটি করে উইকেট পেয়েছেন রুমানা ও খাদিজা তুল কুবরা।

নিউজবিডি৭১/বিসি/অক্টোবর ০৬, ২০১৮