ওয়ার্ড-ইউনিয়ন আ. লীগ নেতাদের সঙ্গে বসবেন প্রধানমন্ত্রী

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এবার ওয়ার্ড, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে বর্ধিত সভায় বসবেন দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সভায় ওয়ার্ড, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও মেম্বাররাও থাকবেন। গণভবনে অনুষ্ঠিতব্য এ সভায় জাতীয় নির্বাচনের আগে ৮টি বিভাগের নেতাদের নিয়ে দুই দফায় মতবিবিময় করার কথা রয়েছে। প্রথম দফায় ৪ বিভাগ, দ্বিতীয় দফায় ৪ বিভাগের নেতাদের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। দলের একাধিক শীর্ষ নেতা এ তথ্য জানিয়েছেন।

আওয়ামী লীগের একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, নির্বাচনকে উপলক্ষ করেই তৃণমূল নেতাদের সুসংগঠিত করা, নির্বাচনি প্রস্তুতি নিতে শেখ হাসিনা নির্দেশনা দেবেন। তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে চান শেখ হাসিনা। তাই বর্ধিত সভার আয়োজন। সংগঠনকে গতিশীল করা, দ্বন্দ্ব-কোন্দল নিরসন করাসহ আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার ব্যাপারে সরাসরি নির্দেশনা জানাতে এবার ওয়ার্ড, ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাদের ঢাকায় ডেকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। একই উদ্দেশ্যে গত ২৩ জুন জেলা, থানা, মহানগর ও পৌরসভার নেতাদের ঢাকায় ডেকে বর্ধিত সভা করে নির্দেশনা দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি।

দলের নীতি-নির্ধারণী নেতারা জানান, ওই বর্ধিত সভায় রাজনৈতিক সুফল এসেছে। ফলে একেবারে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে বর্ধিত সভা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবউল আলম হানিফ বলেন, ‘দলের নেতাকর্মীদের গতিশীল করা ও আগামী সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নেতাকর্মীদের দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য দিতে আবারও বর্ধিত সভার আয়োজন।’ তিনি বলেন, এই বর্ধিত সভার সম্ভাব্য তারিখ ৭ এবং ১৪ জুলাই। প্রথম দফায় ৪ বিভাগের সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় বাকি ৪ বিভাগের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন দলীয় প্রধান।’

দলের অপর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বলেন, ‘ওয়ার্ড, ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাদের নিয়ে বর্ধিত সভা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা।’ তিনি বলেন, ‘সংগঠনকে গতিশীল করতে ও আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি কিভাবে নিতে হবে তৃণমূলের নেতাদের সে নির্দেশনা দিতেই এ আয়োজন।’

জানতে চাইলে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী আরও দু’টি বর্ধিত সভা আয়োজনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘সংগঠনকে গতিশীল করা তৃণমূল নেতাদের উদ্বুদ্ধ করতে এই বর্ধিত সভার উদ্দেশ্য।’

নিউজবিডি৭১/আর/ ২৪ জুন , ২০১৮




জাতীয় নির্বাচন নিয়ে সংলাপের কোন প্রয়োজন নেই : খাদ্যমন্ত্রী

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন যথাসময়েই অবাধ,সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচন নিয়ে সংলাপের কোন প্রয়োজন নেই। ইচ্ছে হলে কোন দল এই নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবে, আর ইচ্ছে না হলে করবেনা । এটা সেই রাজনৈতিক দলের বিষয়।

রোববার কেরাণীগঞ্জের রোহিতপুর ইউনিয়নের সাহাপুর মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্যের কার্যক্রম পরিচালনা সমন্বয় কমিটির রোহিতপুর শাখা আয়োজিত ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কামরুল ইসলাম একথা বলেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চাই। তবে সংসদে যাদের অবস্থান নেই তাদের নির্বাচনকালীন সরকারের দায়িত্বে আসারও কোন সুযোগ নেই। সেকারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই থাকবেন নির্বাচনকালীন সরকার প্রধান। কাজেই নির্বাচন নিয়ে সংলাপের কোন প্রয়োজন নেই।’

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে পারবেন কি পারবেন না সেটা আদালতের বিষয়। সেখানে আমাদের কোন হাত নেই। আমরা আদালতের সিদ্ধান্তই মেনে নেব।’

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে কামরুল ইসলাম বলেন,আন্দোলনের হুমকী দিয়ে কোন লাভ নেই। আন্দোলনের নামে আবার যদি আগের মত জ্বালাও-পোড়াও কিংবা আগুন সন্ত্রাসের মত কোন পথ বিএনপি বেছে নেয় তবে জনগণকে সাথে নিয়ে তাদের কঠিন জবাব দেয়া হবে।
তিনি বলেন, আইনের চোখে সবাই সমান।এ নিয়ে আন্দোলন করে কোন লাভ হবে না।তবে নির্বাচন বানচালের যে কোন ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় আমাদের সবাইকে সজাগ ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।ঐক্যই আমাদের বিজয়কে তরান্বিত করবে।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, এ সরকারের আমলে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। অতীতের কোন সরকার এত উন্নয়নমূলক কাজ করে নাই। তিনি বলেন, এসরকারের আমলে দেশের উৎপাদন বেড়েছে। মানুষের আয় রোজগার বেড়েছে। গড় আয়ু বেড়েছে। আর কমেছে মাতৃ-মৃত্যুর হার। যে কারণে বিশ্বের ১০জন নেতার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একজন।

স্থানীয় প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা নূরুল হুদা মাষ্টারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ঢাকা জেলা যুবলীগ সভাপতি শফিউল আযম খান বারকুর, আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ইউসুফ আলী চৌধুরী সেলিম, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সিদ্দিক, রোহিতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আলী, সাবেক চেয়ারম্যান মো.সলিম উল্লাহ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

নিউজবিডি৭১/আ/২৪ জুন ,২০১৮




জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফ অসুস্থ!

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম গত শুক্রবার দলের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না। এমনকি আগের দিন বৃহস্পতিবার গণভবনে আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভার বৈঠকেও অংশ নেননি।

কারণ হিসেবে ঘনিষ্ঠ একজন বলছেন, তিনি টানা অসুস্থ থাকার কারণেই এসব কার্যক্রমে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তবে অন্যজন বলছেন, তিনি সামান্য অসুস্থ ছিলেন তবে এখন সুস্থ।

খোঁজ নিয়ে দলের ঘনিষ্ঠ একজনের কাছ থেকে জানা গেছে, তিনি শারীরিকভাবে খুবই অসুস্থ। চলাফেরা করতেও তার সমস্যা হচ্ছে। ইদানীং অনেককে চিনতেও পারছেন না।

তিনি বলেন, গেলো বছরের ২৩ অক্টোবর লন্ডনের একটি হাসপাতালে স্ত্রী শিলা ইসলামের মৃত্যুতে অনেকটাই ভেঙে পড়েন আওয়ামী লীগের এই সাবেক সাধারণ সম্পাদক। এরপর পরই শারীরিকভাবে নানা অসুস্থতা চেপে বসে।

ময়মনসিংহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও সৈয়দ আশরাফের ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা নাজিম উদ্দিন আহমেদ বলেন, ঈদের দিন সৈয়দ আশরাফের সরকারি বাসভবনে গিয়েছিলেন। তবে তিনি (সৈয়দ আশরাফ) তাকে চিনতে পারেননি।

বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নাজিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকেও সৈয়দ আশরাফের চিকিৎসার ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলা হয়েছে। কিন্তু এ পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনও ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

নাজিম উদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, সৈয়দ আশরাফের অবস্থা অনেকটা কবি নজরুলের মতো হয়েছে। কেউ গেলে তিনি দীর্ঘ সময় চেয়ে থাকেন। চিনতে সময় নেন, কথা সেভাবে বলেন না।

তবে জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ব্যক্তিগত সহকারী একেএম সাজ্জাদ হোসেন শাহীন জানান, অসুস্থতার খবরটি পুরোপুরি সত্য নয়। তিনি কিছুদিন আগে সামান্য অসুস্থ ছিলেন। চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে সুস্থ আছেন। বাসাতেই অবস্থান করছেন। আমি আজকেও তার সঙ্গে দেখা করেছি এবং কথাও বলেছি। তিনি সবাইকে চিনতে পারছেন এবং কথা বলতে পারছেন। এখন কোনও সমস্যা নেই।

নিউজবিডি৭১/আ/২৪ জুন ,২০১৮




জনপ্রিয়তা দেখে মনোনয়ন দেওয়া হবে, দুর্নীতিবাজদের নয় : প্রধানমন্ত্রী

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : দুর্নীতিবাজরা নয় নিজ এলাকায় যার জনপ্রিয়তা আছে তাকেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, ‘যেসব এমপি টাকা নিয়ে কাজ করেন, দুর্নীতি করেন, তারা নমিনেশন পাবেন না। নমিনেশন দেওয়া হবে এলাকায় যার জনপ্রিয়তা আছে তাকেই।’

শনিবার আওয়ামী লীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে গণভবনে দলের বিশেষ বর্ধিত সভায় এসব কথা বলেন দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

কেউ দলের বিরুদ্ধে কথা বললে তার মনোনয়ন পাওয়ার কোনও সুযোগ নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভোটের রাজনীতি করতে হলে উন্নয়নের কথা জনগনের সামনে তুলে ধরতে হবে।’

দুঃসময়ে দলের হাল ধরে রাখা কর্মীরা যাতে অবহেলিত না হয় সেদিকে নজর রাখা হবে বলেও জানান আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘নির্বাচনের স্বার্থে মহাজোট করেছে আওয়ামী লীগ। কিন্তু দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি লীগের।’

আওয়ামী লীগ যাকে মনোনয়ন দিবে তার হয়ে সবাইকে কাজ করতে নেতাকর্মীদের নির্দেশও দেন প্রধানমন্ত্রী।

এছাড়া আওয়ামী লীগে সুযোগ সন্ধানীদের প্রতি নজর রাখার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের সজাগ থাকতে বলেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি স্বাধীনতা বিরোধীরা যাতে ভোট না পায় সে ব্যাপারে সজাগ থাকারও নির্দেশ দেন তিনি।

বাঙালির যা কিছু অর্জন সবই আওয়ামী লীগের শাসনামলে এসেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল বাংলাদেশকে স্বাধীন করার জন্য। সব ধর্মের মানুষের দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এই দল।’

‘৭৫ এর পর এদেশের ক্ষমতা ছিল ক্যান্টনমেন্টে বন্দী। রাজনীতি জনগণের কল্যাণে না হলে তা দিয়ে জনগণের জন্য কিছু করা যায় না। ক্ষমতা নিজেদের ভোগ দখলের জন্য না।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সবসময় কাজ করেছে জনগণের জন্য। রাজনীতি সঠিক হলে এবং দেশের কল্যাণে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করলে দেশের উন্নয়ন হয় এটি প্রমাণ করেছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ কথা দিলে কথা রাখে।’

বিএনপির রাজনীতির সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দূর্নীতিবাজদের দলে রাখার জন্য দলের গঠনতন্ত্র পরিবর্তন করে বিএনপি নিজেদের দূর্নীতিবাজ দল হিসেবে প্রমান করেছে।’

এসময় আওয়ামী লীগ সরকার যুগের সাথে তাল মিলিয়ে অর্থনৈতিক নীতিমালাকে সময় উপযোগী করেছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

নিউজবিডি৭১/আ/২৩ জুন ,২০১৮




অক্টোবরের শেষের দিকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকাঃ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে অক্টোবরের শেষের দিকে, বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। টাঙ্গাইলের বাসাইল পৌরসভা নির্বাচন উপলক্ষে শনিবার (২৩ জুন) দুপুরে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বাসাইল পৌরসভা একটি ছোট পৌরসভা হলেও নির্বাচন কমিশন প্রত্যেকটি নির্বাচনকে গুরুত্ব দিয়ে থাকে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে বাসাইল পৌরসভাসহ সিটি নির্বাচনগুলো সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য করার লক্ষে বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করা হয়েছে। আশা করছি আগামী ৩০ জুনের নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে। ইতোমধ্যে সকল প্রকার প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।’

বাসাইল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক খান মো. নুরুল আমীন। সভায় বক্তব্য দেন, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোখলেছুর রহমান, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, র‌্যাব-১২এর সিপিসি-৩ কমান্ডার মেজর রবিউল ইসলাম, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা তাজুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামছুন নাহার স্বপ্না, বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিচুর রহমান প্রমুখ।

উলেখ্য, বাসাইল পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে ৩ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৭ জন ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১৪ জন প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। পৌরসভার ১০টি কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ১৬ হাজার ৪০০। এর মধ্যে নারী ভোটার ৮ হাজার ৪৭৫ জন এবং পুরুষ ভোটার ৭ হাজার ৯২৫জন। ২০১৩ সালে এই পৌরসভায় প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

নিউজবিডি৭১/আ/২৩ জুন ,২০১৮




৭০ বছরে পদার্পণ করল আওয়ামী লীগ

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : ২৩ জুন শনিবার। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ১৯৪৯ সালে পুরনো ঢাকার ঐতিহ্যবাহী রোজ গার্ডেনে প্রতিষ্ঠিত মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দানকারী দলটি ৭০ বছরে পদার্পণ করল ।

১৯৪৯ সালের এদিনে প্রতিষ্ঠিত এ দলটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধসহ প্রতিটি গণতান্ত্রিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে এদেশের গণমানুষের সংগঠনে পরিণত হয়।
এ বিশেষ দিনটির সঙ্গে এবার যোগ হতে চলেছে একটি নতুন মাত্রা। আজ উদ্বোধন হবে দলটির ১০তলা সুরম্য নিজস্ব কার্যালয়ের। নবনির্মিত এই কার্যালয় ভবন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সকাল ৯ টায় ধানমন্ডিস্থ বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন, সকাল ১০টায় ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং সংগঠনের নবনির্মিত কার্যালয় ভবন উদ্বোধন।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলির সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘আওয়ামী লীগ শুধু দেশের পুরনো ও সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দলই নয়, এটি হচ্ছে গণতন্ত্র ও অসাম্প্রদায়িক ভাবাদর্শের মূলধারাও। প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত নানা আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ আমাদের সমাজ-রাজনীতির এ ধারাকে নিরবচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে নিচ্ছে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দেশের অন্যতম পুরনো, অসাম্প্রদায়িক, সর্ববৃহৎ ও বাঙালির জাতীয় মুক্তির সংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দল। আর অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের গড়ার কাজ প্রথম শুরু করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।’

জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এ দলটিকে দেশের অন্যতম প্রাচীন সংগঠন হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, ‘ভাষা, স্বাধীকার, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা অর্জনে মহোত্তম গৌরবে অভিষিক্ত আওয়ামী লীগের সাত দশকের অভিযাত্রায় শান্তি, সমৃদ্ধি ও দিন বদলের লক্ষ্যে অবিচল বাঙালি জাতির মুক্তির দিশারি।’

ইতিহাসবিদ, লেখক ও লোক সাহিত্যিক শামসুজ্জামান খান এই দলকে মূল্যায়ন করে বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ ‘পাকিস্তান’ নামের অবৈজ্ঞানিক এবং ভৌগোলিক ও নৃতাত্ত্বিকভাবে এক উদ্ভট রাষ্ট্রের পূর্ব বাংলার বাঙালি জনগোষ্ঠী ও অন্যান্য ক্ষুদ্র জাতিসত্তাকে অবজ্ঞায়, অবহেলায় ও ঔপনিবেশিক কায়দায় শোষণ-পীড়ন-দমন ও ‘দাবিয়ে রাখা’র বিরুদ্ধে লাগাতার প্রতিবাদ, প্রতিরোধ এবং গণসংগ্রামের মধ্যদিয়ে গড়ে ওঠা বিপুল জনপ্রিয় একটি রাজনৈতিক দল। এই দলের নেতা-কর্মীদের ত্যাগ-তিতিক্ষা ও অঙ্গীকারদীপ্ত সংগ্রামী ভূমিকা ইতিহাসবিদিত।’

বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. বিনায়ক সেন বলেন, ‘এ দলটির সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিকে সফলতার নতুন পথ দেখিয়েছেন, দেশের টাকায় পদ্মাসেতু নির্মাণ শুরু করার সুবাদে বাংলাদেশের মর্যাদা আন্তর্জাতিকভাবে সৃষ্টি করেছে এবং আমরা মর্যাদাশীল জাতিতে রূপান্তরিত হয়েছি।’

পুরনো ঢাকার ঐতিহ্যবাহী রোজ গার্ডেনে আওয়ামী মুসলিম লীগ নামে এই দলের আত্মপ্রকাশ ঘটলেও পরে শুধু আওয়ামী লীগ নাম নিয়ে অসাম্প্রদায়িক সংগঠন হিসেবে বিকাশ লাভ করে।
প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এ দেশে পাকিস্তানি সামরিক শাসন, জুলুম, অত্যাচার-নির্যাতন ও শোষণের বিরুদ্ধে সকল আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে এ দলটি।

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, আইয়ুবের সামরিক শাসন-বিরোধী আন্দোলন, ১৯৬৪ সালের দাঙ্গার পর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন ও ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের পথ বেয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের ২৪ বছরের আপোষহীন সংগ্রাম-লড়াই এবং ১৯৭১ সালের নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধ তথা সশস্ত্র জনযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

ওই বছরের ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের মধ্যদিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় বাঙালির হাজার বছরের লালিত স্বপ্নের ফসল স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।

পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার ব্যর্থ চেষ্টা হলেও দীর্ঘ একুশ বছর লড়াই সংগ্রামের মাধ্যমে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে দলটির প্রধান শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জয়ী হয়ে ২৩ জুন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফিরে আসে। ২০০১ এবং ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারির পর আর এক দফা বিপর্যয় কাটিয়ে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনে তিন-চতুর্থাংশ আসনে বিজয়ী হয়ে আবারো রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পায় এই দলটি। পরবর্তীতে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির সাধারন নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে টানা দুই মেয়াদে সরকার পরিচালনা করছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতিতে দলের গৌরবোজ্জ্বল ৬৯ বছর পূর্তিতে গৃহিত কর্মসূচি পালনের জন্য আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সব জেলা, উপজেলাসহ সকল স্তরের নেতা-কর্মী, সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

নিউজবিডি৭১/আ/২৩ জুন ,২০১৮




‘দলের ইমেজ ড্যামেজ করবেন না’ : সেতুমন্ত্রী

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নিজেদের মধ্যে অসুস্থ প্রতিযোগিতা করে দলের ইমেজ ড্যামেজ করবেন না, দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করবেন না।

শনিবার আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের উদ্দেশে তিনি একথা বলেন।বেলা ১১টায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে এ সভা শুরু হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এসময় তিনি বলেন, প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা থাকলে অবশ্যই হবেন। আপনাদের এসিআর জমা আছে। দলীয় সভাপতির হাতে ছয় মাস পরপর এসিআর আসছে। শিগগিরই আরেকটি জরিপ রিপোর্ট আসবে। দল হোক বা জোট হোক আমরা জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য ও উইনেবল প্রার্থী মনোনয়ন দেবো।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতাকে বাঁচাতে হলে আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে হবে। বাংলাদেশ এখন আর ভিখারির দেশ নয়, মর্যাদার দেশ। ডিসেম্বরে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ আরেকটি বিজয় ছিনিয়ে আনবে। ঐক্যবদ্ধ অওয়ামী লীগকে কেউ ঠেকাতে পারবে না।

সভায় আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটি, প্রেসিডিয়াম, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও দফতর সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজবিডি৭১/আ/২৩ জুন ,২০১৮




প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করলেন আওয়ামী লীগের নিজস্ব ভবন

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : অবশেষে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নিজস্ব স্থায়ী কার্যালয় পেল মহান স্বাধীনতা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেয়া উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। শনিবার সকালে দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে এই নতুন ভবনের উদ্বোধন করেন।

সকাল সাড়ে ৯টার কিছু পরে নতুন কার্যালয়ের সামনে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে এসে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। এরপর মঞ্চে উঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে অনুষ্ঠানের শুরু করেন তিনি। এরপরই সবাই মিলে জাতীয় সঙ্গীতে সুর মেলান।

ওই সময় তার পাশে ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

জাতীয় সঙ্গীতের পর শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে স্থায়ী দলীয় কার্যালয় ভবনের উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা। এরপর আওয়ামী লীগ, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং দেশ ও জাতির জন্য দোয়া করে মোনাজাত করা হয়।

মোনাজাত শেষে ভবন প্রাঙ্গণে নিজ হাতে বকুল ফুলের চারা রোপন করেনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর নতুন কার্যালয় দেখতে সবার সঙ্গে ভেতরে চলে যান তিনি।

দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন রাজধানীর ২৩, বঙ্গবন্ধু এভিনিউর নতুন এই দশতলা ভবন এখন থেকে আওয়ামী লীগের স্থায়ী ঠিকানা। ৮ কাঠা জায়গার ওপর ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত হয়েছে বিশ্বমানের দলীয় কার্যালয়টি। পুরো ভবনই ওয়াইফাই জোনের আওতাধীন বলে জানানো হয়েছে।

দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের জন্য ভবনটিতে সুপরিসর কক্ষ রয়েছে। দলের সভাপতির কক্ষের সঙ্গে রয়েছে বিশ্রামাগার ও নামাজের জায়গা। থাকছে ডিজিটাল লাইব্রেরি, ভিআইপি লাউঞ্জ, সাংবাদিক লাউঞ্জ, ডরমিটরি ও ক্যান্টিন। দু’পাশ কাঁচ দিয়ে ঘেরা।

এছাড়াও দু’টি স্বতন্ত্র কার পার্কিং, একাধিক লিফট, সিঁড়ি, অগ্নি-প্রতিরোধ ব্যবস্থা রয়েছে।

ভবনটির ছয় বা সাত তলা পর্যন্ত ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, কৃষকলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা লীগসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অফিস থাকবে।

আওয়ামী লীগের পুরনো অফিস ২৩, বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের চারতলা ভবনটি লিজ গ্রহণ প্রক্রিয়া শেষ হয় ২০১১ সালে। এরপর দলটি নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। পরে ২০১৬ সালের ৬ এপ্রিল নতুন কার্যালয়ের নতুন ভবনের নকশা অনুমোদন দেন দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা।

২০১৬ সালের ১৭ জুলাই শুরু হয় পুরনো স্থাপনা ভাঙার কাজ। এরপরগত বছরের ২৩ জুন রাজধানীর গুলিস্তানের ২৩, বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের ১০ তলা আধুনিক কার্যালয়টির নির্মাণ কাজের উদ্বোধন হয়।

কার্যালয়ের সামনে স্টিলের বড় অক্ষরে লেখা রয়েছে, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’। এর পাশেই দলীয় প্রতীক নৌকা। সবার ওপরে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল রয়েছে। এরপর রয়েছে মুক্তিযুদ্ধ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের ম্যুরাল।

নিউজবিডি৭১/আ/২৩ জুন ,২০১৮




নির্বাচনে আ. লীগের অবস্থান ভালো, আশা করি জয়ী হবে : এরশাদ

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অবস্থান ভালো। আশা করি তারা জয়ী হবে। কমিশন বারবার বলছে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। তবে নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাবে না। আশা করছি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে।

শুক্রবার দুপুরে রংপুর সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সারাদেশে চলমান মাদকবিরোধী অভিযান প্রসঙ্গে জাপা চেয়ারম্যান বলেন, রাজপ্রাসাদ সব খালি, রাজারা নেই। কারা মাদক ব্যবসা করে সেটা সবাই জানে, কিন্তু তারা এখানে নেই। এখন চুনোপুঁটিদের মারা হচ্ছে।

এ সময় সরকারের সহযোগী হয়েও তাদের বিরুদ্ধে কেন কথা বলেন? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে এরশাদ বলেন, আমরা তো বিরোধী দলের। সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলাই তো আমাদের কাজ। তবে যে অভিযান শুরু হয়েছে তা সফল হোক, আমরা তাই চাই। মাদক দমন করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, মাদক আমাদের সমাজকে ধ্বংস করে দিয়েছে। তাই অভিযানে কিছু লোক যদি মারাও যায়, সেটা গ্রহণ করা উচিত সকলের। তবে বিনা বিচারের মৃত্যু আমি সমর্থন করি না।

আলাপকালে সাংবাদিকরা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এরশাদ বলেন, হাসপাতাল নির্ধারণ করে দেয়া ঠিক না। যেহেতু খালেদা জিয়ার স্বামী সেনাবাহিনীতে ছিলেন। খালেদা জিয়া সেনা পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে সিএমএইচ-এ বা পিজিতেও যেতে পারেন। আমিও ৬ বছর জেলে ছিলাম। হাসপাতাল তো দূরের কথা, চিকিৎসকের মুখ পর্যন্ত দেখতে দেয়া হয়নি আমাকে। ওরা চেয়েছিল আমি যেন মরে যাই। আল্লাহ আমাকে রক্ষা করেছেন।

এ সময় জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমদ বাবলু ও মেজর (অব) খালেদ আখতার, রংপুর মহানগর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এসএম ইয়াসির, জেলা জাপার সাধারণ সম্পাদক ফকরুজ্জামান জাহাঙ্গীর, যুগ্ম সম্পাদক হাজী আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাফিউল ইসলাম শাফি, সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সি আব্দদুল বারী, শামিম সিদ্দিকী, প্রচার সম্পাদক মমিনুল ইসলাম রিপন ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ঢাকা থেকে বিমানযোগে সৈয়দপুরে অবতরণ করেন এরশাদ। পরে সড়ক পথে রংপুর সার্কিট হাউসে এসে পৌঁছালে দলীয় নেতাকর্মীরা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

নিউজবিডি৭১/আর/ ২২ জুন , ২০১৮




আমরা চাই না কোনও নির্বাচন মাগুরা মার্কা হোক : প্রধানমন্ত্রী

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : আওয়ামী লীগের পার্লামেন্টারি বোর্ড ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনি বোর্ডের যৌথ সভাআওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচনে জিততে গিয়ে যেন কোনও রকম বদনাম না হয়। বিএনপির মাগুরা মার্কা ভোট যেন না হয়, সেদিকে সবাইকে দৃষ্টি দিতে হবে। এটা আওয়ামী লীগ নয়, সব দলের জন্যই এটা প্রযোজ্য।’

শুক্রবার (২২ জুন) বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করার পর প্রার্থীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে দলের স্থানীয় সরকার নির্বাচন বোর্ডের সভায় রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন, সিলেট সিটির সাবেক মেয়র বদরউদ্দিন আহমদ কামরান এবং বরিশাল সিটি করপোরেশনে দলের কেন্দ্রীয় নেতা আবুল হাসনাত আবদুল্লাহর ছেলে সাদিক আবদুল্লাহকে দলের মনোনয়ন দেওয়া হয়।

এ সময় নির্বাচনে হারজিত থাকতে পারে মন্তব্য করে সরকার প্রধান বলেন,‘এবারের ফুটবল খেলায় দেখতে পাচ্ছেন, যারা জেতার কথা তারা জিতছে না, গোলই দিতে পারে না। এটা রাজনীতিতেও হতে পারে। নির্বাচনগুলোতে হারলেই যে আমাদের সিট চলে যাবে, বা ক্ষমতা হারাবো সেটা নয়। তেমনি হারলে ইজ্জত চলে যাবে সেটাও না। আমাদের জিততে গিয়ে যেন কোনও রকম বদনাম না হয়। বিএনপির মাগুরা মার্কা ভোট যেন না হয়, সেদিকে সবাইকে দৃষ্টি দিতে হবে। এটা আওয়ামী লীগ নয়, সব দলের জন্যই এটা প্রযোজ্য।’

শেখ হাসিনা বলেন,‘আমরা নির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ করে দিয়ে নির্বাচন পদ্ধতিতে শৃঙ্খলা এনেছি। আমরা চাই না কোনও নির্বাচন মাগুরা মার্কা হোক। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির মতো হোক। নির্বাচন ঠেকাতে তারা ২০১৪ সালে মানুষ পুড়িয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুড়িয়েছে। ২০১৫ সালে তারা আন্দোলনের নামে মানুষ হত্যা করেছে। আন্দোলনের নামে মানুষ খুন করে তারা সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করে গেছে। আমরা চাই না সেই পরিবেশ আর থাকুক। আমরা বাংলাদেশকে শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।’

নিউজবিডি৭১/আর/ ২২ জুন , ২০১৮




৮৩ শতাংশ দর্শক বিটিভি দেখেন : সংসদে তথ্যমন্ত্রী

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন দেশের টেলিভিশন দর্শকের ৮৩ শতাংশ বিটিভি (বাংলাদেশ টেলিভিশন) দেখেন।

বৃহস্পতিবার (২১ জুন) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে মৌলভীবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মতিনের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান, বেসরকারি টেলিভিশন চালু হওয়ায় বিটিভির জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ার কোনও কারণ নেই মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এখনও বিটিভি দর্শকদের কাছে সব থেকে সমাদৃত চ্যানেল। অন্য যেকোনও সময়ের চেয়ে বিটিভি এখন জনমুখী ও দর্শকনন্দিত অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে যাচ্ছে। পুরনো অনেক অনুষ্ঠান বাদ দিয়ে সময়োপযোগী অনেকগুলো অনুষ্ঠান প্রচার করছে। এতে করে দর্শকদের জনপ্রিয়তা পূর্বের থেকে আরও বেড়েছে।

ডিসেম্বরের মধ্যে শতভাগ গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছাবে কিনা, সরকারি দলের এমপি মুহিবুর রহমান মানিকের প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে ৯০ শতাংশ গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে শতভাগ গ্রামে বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা যায়।

সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য সফুরা বেগমের প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ বলেন, ‘বর্তমানে বিদ্যুৎ বিতরণ লাইনের পরিমাণ ৪ লাখ ৫০ হাজার কিলোমিটার, সঞ্চালন লাইনের পরিমাণ ১১ হাজার ৬০ কিলোমিটার, গ্রিড উপকেন্দ্রের ক্ষমতা ৩৫ হাজার ৪০ এমভিএ।’

প্রতিমাসে ৩ লাখ নতুন গ্রাহক সংযুক্তের মাধ্যমে আগামী অর্থবছরে শতভাগ বিদ্যুতায়নের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে বলে প্রতিমন্ত্রী জানান।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠকে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

নিউজবিডি৭১/আ/২১ জুন ,২০১৮




একনেকে ১৮ হাজার কোটি টাকার ১৫ প্রকল্প অনুমোদন

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ১৫টি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ১৮ হাজার ৩৭২ কোটি ২৪ লাখ টাকা।

এর মধ্যে পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পে ভূমি অধিগ্রহণের জন্য একটি নতুন প্রকল্পও রয়েছে। এর জন্য এক হাজার ৪০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে।

বৃহস্পতিবার শেরেবাংলা নগর এনইসি সম্মেলনকক্ষে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেকসভায় প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেয়া হয়।

একনেক সভাশেষে প্রকল্পগুলো নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা সচিব জিয়াউল ইসলাম, সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. শামসুল আলম প্রমুখ।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, আজকের সভায় ১৫টি (নতুন ও সংশোধিত) প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ১৮ হাজার ৩৭২ কোটি ২৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন করা হবে ১১ হাজার ২২৪ কোটি ৮২ লাখ টাকা, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ব্যয় করা হবে ৫৮৮ কোটি ৪৬ লাখ টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য ছয় হাজার ৫৫৪ কোটি ৯৬ লাখ টাকা।

জানা গেছে, প্রকল্পগুলোর মধ্যে পদ্মা সেতু নির্মাণে বিলম্ব হওয়ায় নদীর গতিপথ পরিবর্তন এবং ডুবোচর জেগে ওঠায় এক হাজার ১৬২ দশমকি ৬৭ হেক্টর ভূমি অধিগ্রহণের জন্য এক হাজার ৪০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে।

নিউজবিডি৭১/আ/২১ জুন ,২০১৮