কমনওয়েলথের উচ্চপর্যায়ের গ্রুপে আরও প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কমনওয়েলথ সচিবালয় পরিচালনা পর্যালোচনায় উচ্চ পর্যায়ের গ্রুপে এশিয়ার দেশগুলো থেকে প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন। এতে বিভিন্ন অঞ্চলের সদস্য রাষ্ট্রকে অন্তর্ভুক্ত করে এই গ্রুপটিকে আরও প্রতিনিধিত্বশীল করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, কমনওয়েলথের কর্মকা- এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে সচিবালয়ের জ্ঞান ও বিশেষজ্ঞ দক্ষতাকে আমরা মূল্য দেই। আমরা মনে করি, সঠিক প্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মতামত নেয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্যই গ্রুপে কমনওয়েলথের বিভিন্ন অঞ্চলের সদস্য রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে এই রাষ্ট্রসংঘকে আরও প্রতিনিধিত্বশীল করতে হবে।

শেখ হাসিনা শুক্রবার লন্ডনে উইন্ডসর ক্যাসেলে সিএইচওজিএম রিট্রিটে কমনওয়েলথ নেতাদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে পারস্পরিক মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতা করতে চাই, যেখানে আমরা প্রতিবেশীদের সঙ্গে শান্তিতে পাশাপাশি বসবাস করতে পারব এবং আমরা জনগণের স্বার্থে গঠনমূলক-কৌশল প্রণয়নে কাজ করতে পারব।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহ্সানুল করিম জানান, দিনব্যাপী রিট্রিটে উচ্চ পর্যায়ের গ্রুপের সম্প্রসারণ, অর্থায়ন ও কমনওয়েলথ সচিবালয় গভর্নেন্স এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে রিট্রিট অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। কমনওয়েলথ রাষ্ট্রগুলোর সরকার প্রধানরা এতে উপস্থিত ছিলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বোর্ড অব গভর্নরের সঙ্গে উন্মুক্ত আলোচনার মাধ্যমে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনার জন্য একটি প্রক্রিয়া থাকা উচিত।

তিনি বলেন, যখন সিএফটিসি সংকুচিত হয়ে আসছে এবং অন্যান্য অর্থায়নের উৎস নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে, এমন সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, উদ্ভাবনী অর্থায়নসহ বিভিন্ন অর্থায়ন প্রক্রিয়া ও বিকল্পের দিকে মনোনিবেশ করা।

শেখ হাসিনা বলেন, উন্নয়ন কর্মসূচির অর্থায়নে বহুপক্ষীয় ব্যাংক থেকে স্বল্প সুদে বিনিয়োগ ঋণের জন্য রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টির আওতায় আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব চুক্তির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা যেতে পারে।

নিউজবিডি৭১/আ/২১ এপ্রিল, ২০১৮




নদীবন্দরকে ২ নম্বর নৌ-হুঁশিয়ারি সংকেত

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুমিল্লা এবং সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এসব এলাকার নদীবন্দরকে ২ নম্বর নৌ-হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক শনিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায়, রংপুর রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগের দু’এক জায়গায় বিজলী চমকানোর সাথে অস্থায়ী দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারাদেশে দিন ও রাতের তাপপাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আজ সকাল ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯১ শতাংশ।

ঢাকায় আজ সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬টা ২২ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ভোর ৫টা ৩২ মিনিটে।

আবহাওয়া চিত্রের সংক্ষিপ্তসারে বলা হয়, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশে অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

নিউজবিডি৭১/আ/২১ এপ্রিল, ২০১৮




আসামী ধরতে গিয়ে লাশ হলেন কনস্টেবল শাহীনুর

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : আসামীর সাথে পানিতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজের প্রায় ২০ ঘন্টা পর পুলিশ কনস্টেবল শাহীনুর রহমানের লাশ মানিকগঞ্জের কালীগঙ্গা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

বেলা দেড়টার দিকে কালীগঙ্গা নদীর মানিগঞ্জের জয়নগর এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস ও ঢাকার ডুবুরি দল।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে মানিকগঞ্জ পৌরসভার জয়নগর এলাকায় কালীগঙ্গা নদীতে তিনি নিখোঁজ হন। নিখোঁজ শাহীনুর রহমান সদর থানায় পুলিশ কনস্টেবল পদে কর্মরত।

তিনি গাজীপুর জেলার গোহাইল বাড়ি গ্রামের অহিদুর রহমানের ছেলে। মানিকগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স এর উপ-সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে গিলন্ড গ্রামের মাদক ব্যবসায়ী সালামকে ধরে থানায় নিয়ে যাবার সময় ওই মাদক ব্যবসায়ী রাস্তা থেকে দৌড়ে নদীতে ঝাপ দেয়।

পরে তাকে ধরার জন্য পুলিশ সদস্য শাহীনও নদীতে ঝাপ দেয়। মাদক ব্যবসায়ী সালাম নদী সাঁতরে পালিয়ে গেলেও নিখোঁজ হন পুলিশ কনস্টেবল শাহীন। পরে খবর পেয়ে মানিকগঞ্জ সার্ভিস ও ঢাকার ৫ ডুবুরি অভিযান চালায়। ২০ ঘন্টা অভিযান শেষে শুক্রবার বেলা দেড়টার দিকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত শাহীনুর রহমান দেড় বছর আগে মানিকগঞ্জ সদর থানায় যোগদান করেন।

নিউজবিডি৭১/আ/২১ এপ্রিল, ২০১৮




১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় শেখ হাসিনা

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : বিশ্ববিখ্যাত সাময়িকী টাইমের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ‘টাইম’বৃহস্পতিবার ২০১৮ সালে প্রভাবশালী ব্যাক্তিদের তালিকা প্রকাশ করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবে, উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উনও এ তালিকায় রয়েছেন।

চলতি বছর নিয়ে টাইম ১৫ বারের মতো বিশ্বের একশ প্রভাবশালীর তালিকা তৈরি করেছে। প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কার্যকলাপ, উদ্ভাবন ও সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘টাইম’ প্রত্যেক বছর একশ জনকে সবচেয়ে প্রভাবশালী হিসেবে বেছে নেয়।

এ তালিকার ব্যাপারে টাইমের সম্পাদক বলেছেন, ‘এই একশজন বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী নারী এবং পুরুষ। তবে তারা সবেচেয়ে ক্ষমতাবান নন। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ক্ষমতা হচ্ছে সুনির্দিষ্ট কিন্তু প্রভাব অত্যন্ত সুক্ষ্ম।’

টাইমের তালিকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রোফাইল লিখেছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক পরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলি।

মীনাক্ষী লিখেছেন, শেখ হাসিনার সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয়েছিল ১৯৯০ সালে; যখন তিনি বাংলাদেশে সামরিক শাসন অবসানের লক্ষ্যে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। আমাদের সর্বশেষ সাক্ষাৎ হয়েছিল ২০০৮ সালে।

নিউজবিডি৭১/আর/ ২০ এপ্রিল, ২০১৮




‘অপরাধীদের মাটি খুঁড়ে বের করে আনব’

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : ডাক টেলিযোগাযোগ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ইন্টারনেটে করা কোনো অপরাধের পর ওইসব তথ্য মুছে ফেললেও কেউ পার পাবে না। যতভাবেই লুকানোর চেষ্টা করুক না কেন, আমরা মাটি খুঁড়ে তাদের বের করে আনব। আমাদের এখন সেসব প্রযুক্তি রয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে ‘ডিজিটাল নিরাপত্তায় মেয়েদের সচেতনতা’শীর্ষক এক সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সন্তান বিপথগামী হয় বাবা মায়ের যত্নের অভাবে, পারিপার্শ্বিকতার কারণে। ইন্টারনেটে ঢুকে গেমস খেললে ছেলেমেয়েরা নষ্ট হয়ে যাবে, আমি এটা মনে করি না। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় লাইব্রেরি হচ্ছে ইন্টারনেট। এই ইন্টারনেট থেকে তাদের সরিয়ে রেখে আমরা তাদের কী শেখাব?

মোস্তাফা জব্বার বলেন, প্রযুক্তির ভালো দিকের পাশাপাশি অনেক খারাপ দিকও রয়েছে। আজকে মেয়ে শিশুরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রবেশ করতে না করতেই সে হয়রানির শিকার হচ্ছে, তাকে নিয়ে কেউ বাজে মন্তব্য করছে, ছবি বিকৃত করছে বা ভিডিও করে নানাভাবে প্রচার করছে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মোস্তাফা জব্বার বলেন, ভার্চুয়াল জগতে তোমরা নিজেদের মোটেও অসহায় মনে করবে না। সরকার এসব অপরাধের প্রতিকার করবে। সরকার তোমাদের পাশে রয়েছে। এসময় শিক্ষার্থীদের ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশের আগে নিজেদের নিরাপত্তা বিষয়ে ভালোভাবে জেনে-বুঝে নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

ডিজিটাল নিরাপত্তায় মেয়েদের সচেতনতা’ শীর্ষক কর্মশালাটি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ভার্চুয়াল জগতে প্রতি মুহূর্তে যখন সাইবার অ্যাটাকের হুমকি রয়েছে, তখন আমরা সবার আগে মেয়েদের ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতে চাই। তারা নিজেরা সতর্ক হবে, পাশাপাশি তারা পরিবার ও আশপাশের অনেককে সচেতন করে তুলবে।

আইসিটি অধিদপ্তরের ইলেকট্রনিক স্বাক্ষর সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রক (সিসিএ) কার্যালয়ের উদ্যোগে এই সচেতনামূলক কার্যক্রমটি পরে দেশের ১০০টি স্কুলের ২৫ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে পরিচালিত হবে।

নিউজবিডি৭১/আ/১৯ এপ্রিল, ২০১৮




প্রেমের টানে বাংলাদেশে ছুটে এসেছেন যত বিদেশি নারী!

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : ভাষা-সংস্কৃতি, ধর্ম-বর্ণসহ নানা সংস্কার ও ভেদাভেদ ভুলে শুধু প্রেমের টানে বাংলাদেশে ছুটে আসছেন বিদেশি তরুণীরা। শুধু তরুণ-তরুণীই নয়, বয়স্ক নারীও প্রিয়জনের জন্য ঘর ছেড়েছেন। হাজার হাজার কিলোমিটার দূর থেকে উড়ে এসেছেন বাংলাদেশের গ্রামে গঞ্জে।

সর্বশেষ প্রেমের টানে হাজারো মাইল পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে এসেছেন শ্যারুন খান। যুক্তরাষ্ট্রের এই নারী ৬ এপ্রিল ঢাকায় আসেন। ফরিদপুরের ছেলে আশরাফ উদ্দিনের কাছে এসেছেন তিনি।

আশরাফ ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের ঝাউখোলা গ্রামের মো. আলাউদ্দিন মাতুব্বরের ছেলে। ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্স শেষ বর্ষের ছাত্র আশরাফ পড়াশোনা করেন ঢাকার কবি নজরুল ইসলাম কলেজে। এক ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সবার বড় তিনি। আশরাফের বাবা পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের গাড়িচালক। পরিবারটি থাকে ফরিদপুরের নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটের স্টাফ কোয়ার্টারে।

শ্যারুন খান আমেরিকান মুসলিম। তিনি নিউইয়র্কে একটি ব্যাংকে কাজ করছেন। তাঁর বাবা সলেমান খান ও মা এলিজা খান। দুই বোনের মধ্যে শ্যারুন বড়। আশরাফ উদ্দিন (২৬) বলেন, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে এক বছর আগে শ্যারুনের (৪০) সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। ছয় মাস ধরে চলছিল মন দেওয়া-নেওয়া। এরপরই বিয়ের সিদ্ধান্ত। ১০ এপ্রিল তাঁরা বিয়ে করেছেন।

শ্যারুন ভাঙা ভাঙা বাংলায় বলেন, ‘আশরাফ খুব যত্ন করে, খোঁজখবর নেয়। আমেরিকায় সবাই খুব ব্যস্ত। কেউ কারও খবর নেয় না। কিন্তু আশরাফ প্রায় প্রতিটি মুহূর্তে আমার খোঁজখবর নিত। এতে আমি আপ্লুত। আমার মনে হয়েছে প্রেম বা বিয়ে যাই হোক না কেন—সম্পর্কের মূল ভিত্তি হচ্ছে কেয়ারিং।’ বাংলাদেশে এসে খুব ভালো লাগছে বলে জানিয়েছেন শ্যারুন খান। তিনি বলেন, ২১ এপ্রিল তিনি যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাবেন। ছয় মাসের মধ্যে আশরাফও আমেরিকা যেতে পারবে বলে জানান শ্যারুন।

এর মাস দুয়েক আগে প্রেমের টানে বাংলাদেশে ছুটে এসেছেন এক থাই-কন্যা। বিয়ে করেছেন ভালোবাসার মানুষটিকে। কয়েকদিন আগে নাটোরের আদালতে বিয়ের কাজটি সম্পন্ন করেন তাঁরা। এই দম্পতি হলেন থাইল্যান্ডের সুপুত্তো ওরফে ওম ওরফে সুফিয়া খাতুন এবং বাংলাদেশের অনিক খান।

বিয়ের পর আদালত চত্বরে বসে সুপুত্তো বলেছেন, ‘থাইল্যান্ডের সমাজে বহু বিবাহ একটা রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমি এটা পছন্দ করি না। তাই বিয়ে করছিলাম না। হঠাৎ করে ফেসবুকে বাংলাদেশের অনিকের সঙ্গে পরিচয় হয়। ওর সরলতা আমাকে মুগ্ধ করে। ধীরে ধীরে ওর প্রতি আমার আস্থা জন্মেছে। আমি ওকে ভালোবেসে ফেলেছি। ওকে আপন করে নেওয়ার জন্য বারবার এ দেশে ছুটে এসেছি। এবার সে স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। বিয়ে করে আমি এখন দারুণ সুখী।’

স্ত্রীকে নিয়ে অনিক বলেন, ‘ও আমার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমি ওর সঙ্গে সারা জীবন থাকতে চাই।’ অনিকের বাবা আজাদ হোসেন বলেন, ‘মেয়েটি খুব ভালো। আমাদের আপন করে নিয়েছে। আমরা গরিব, শিক্ষিতও না। কিন্তু এ নিয়ে ওর কোনো কষ্ট নেই।’

শুধু থাই কন্যা নয়, গেল জানুয়ারি মাসেই ব্রাজিল, কানাডা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তিন নারী প্রেমের টানে উড়ে এসে বিয়ে করেছেন হবিগঞ্জ, ঝিনাইদহ ও মাগুরার তিন তরুণকে। অনেকের বয়সের বিস্তর ব্যবধান থাকলেও তা বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি।

গত ৩ এপ্রিল ফেসবুকে প্রেমের সূত্র ধরে সুদূর ব্রাজিল থেকে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার জামালপুর গ্রামের বলাই ঘোষের ছেলে সঞ্জয় ঘোষের (২৮) কাছে ছুটে এসেছেন জেইসা ওলিভেরিয়া সিলভা (২৯)। তারা বিয়ের সিদ্ধান্তও নিতে যাচ্ছেন।

জেইসার কথা, এদেশ তার খুবই ভালো লেগেছে। এ দেশের মানুষ খুবই সৎ। তাই সঞ্জয় যদি তাকে জীবনসঙ্গী করতে চায় তাহলে আপত্তি নেই। এর আগে গেল বছরের ডিসেম্বর মাসে ব্রাজিলীয়ান নারী সেওমা ভিজেহা (৪৭) প্রেমের টানে সাত সমুদ্র পাড়ি দিয়ে ছুটে আসেন হবিগঞ্জে নবীগঞ্জের ছেলে কলেজছাত্র আবদুর রকিবের (২২) কাছে। চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ রকিবকে বিয়ে করেন সেওমা।

একই সময়ে (২ জানুয়ারি) এলিজাবেথ (২১) নামে এক মার্কিন তরুণী যুক্তরাষ্ট্র থেকে ছুটে আসেন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার রাখালগাছি গ্রামের পঞ্চানন্দ বিশ্বাসের ছেলে মিঠুন বিশ্বাসের (২২) কাছে। ফেসবুকে তাদের পরিচয় ও প্রেম। এর সূত্র ধরেই পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন মিঠুন ও এলিজাবেথ।

অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনার সুবাদে মাগুরার ছেলে কাজী মারুফুজ্জামান চন্দনের সঙ্গে প্রেম হয় অস্ট্রেলীয় নারী আসান ক্যাথরিনার। প্রেমের টানেই সুদূর অস্ট্রেলিয়া থেকে ক্যাথরিনা ছুটে আসেন চন্দনের মাগুরার বাড়িতে। এসে সংসার পাতেন। ক্যাথরিনা বলেন, ‘এদেশে এসে আমি খুব খুশি। ভাবতেও পারিনি এদেশের মানুষ আমাকে এতটা আপন করে নেবে।’

প্রেমের টানে গেল বছরের ৩০ মার্চ সপরিবারে অস্ট্রেলিয়া থেকে বরিশালে আসেন এমিলি রেবেকা পার নামের এক তরুণী। নগরীর বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সাবেক সাবেক কাউন্সিলর শফিকুল আলম গুলজারের ভাতিজা সাইদুল আলম রুমানকে বিয়ে করেন।

প্রেমের টানে বাংলাদেশে ছুটে এসেছেন মালয়েশিয়ান এক নারী। ইসহারি নামে মালয়েশিয়ান ওই নারী বাংলাদেশে এসে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার ফরিদপুর গ্রামের প্রেমিক জহুরুল ইসলামের বাড়িতে উঠেছেন। জহুরুল ওই নারীকে বন্ধু বলে দাবি করলেও ইসহারি জানান, জহুরুল তার স্বামী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলমডাঙ্গা উপজেলার ফরিদপুর গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে জহুরুল ইসলাম (২৫) চার বছর আগে মালয়েশিয়ায় যান। মাসখানেক আগে তিনি দেশে ফিরে আসেন। এরপর ২৭ মে তার বাড়িতে মালয়েশিয়া থেকে ছুটে আসেন চল্লিশোর্ধ্ব এক নারী।

প্রেমের টানে বাংলাদেশে এলেন ভিয়েতনামী তরুণী। প্রেমিক চাঁদপুরের যুবক আলমগীর। বয়স ৩৫। প্রেমিকা টিউ থিতু। বয়স ৩০। ভালোবেসে এরইমধ্যে সংসারও পেতেছেন তারা।

ভিয়েতনামী এই কন্যা বাংলাদেশি যুবক আলমগীরকে ভালোবেসে এদেশে সংসার পেতেছেন। ভালোবাসার সূচনা মালয়েশিয়ায় হলেও প্রেমিক যুগল এটিকে বাস্তবে রূপ দিতে ছুটে আসেন দেশের বাড়িতে। -জুমবাংলা

নিউজবিডি৭১/আ/১৯ এপ্রিল, ২০১৮




সংসদ নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটার করার পরিকল্পনা

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটার করার বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) আয়োজিত প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান ও ভোটাধিকার প্রয়োগ শীর্ষক এ সেমিনারে মূল প্রবন্ধে এ সুপারিশ করেন ইসির জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম।

এ বিষয়ে সাংবিধানিক সংস্থাটির জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ কয়েকটি সুপারিশ করে, প্রবাসে ভোট গ্রহণের সুবিধা-অসুবিধা বিস্তারিত পরীক্ষা নিরীক্ষাপূর্বক একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর প্রবাসে ভোট গ্রহণের বিষয় বিবেচনা করা। পাশাপাশি ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়নের পর এটিএম শামসুল হুদার কমিশন ২০০৮ সালে এবং কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ নেতৃত্বাধীন কমিশন ২০১৪ সালে দুই দফা প্রবাসীদের ভোটাধিকার দেওয়ার বিষয়ে উদ্যোগ নেয়। কিন্তু পরে আর তা বাস্তবায়িত হয়নি।

প্রবাসীদের ভোটার করতে নতুন করে উদ্যোগ নিয়েছে কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বাধীন বর্তমান কমিশন। তারই ধারাবাহিকতায় আজকের সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

সেমিনারে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম বলেন, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য নিবন্ধন প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে দূতাবাসে একটি কক্ষে লোকাল সার্ভার স্থাপন; প্রবাসীদের সংখ্যানুপাতে রেজিস্ট্রেশন টিম তৈরি করে কাজ এগিয়ে নেওয়া এবং নিবন্ধন কাজের জন্য যন্ত্রপাতি ও দক্ষ আইটি কর্মকর্তা নিয়োগে করতে হবে।

সাইদুল ইসলাম আরও বলেন, প্রবাসে ভোটগ্রহণে প্রধান চ্যালেঞ্জ হচ্ছে- বিপুলসংখ্যক ভোটকেন্দ্র স্থাপন ও ব্যয়, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা, সংহিসতা ঠেকানো, পোস্টাল ব্যালটের স্বচ্ছতা ও গোপনীয়তা রক্ষা করা।

এ বিষয়ে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম কয়েকটি সুপারিশ তুলে ধরেন। তা হলো- প্রবাসেই প্রবাসীদের ভোটদানের ব্যবস্থা। প্রাথমিকভাবে পোস্টাল ব্যালেটের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা। সচেতনতা বৃদ্ধিসহ আইনি কাঠামো তৈরি।

নিউজবিডি৭১/আ/১৯ এপ্রিল, ২০১৮




আন্তঃকমনওয়েলথ বাণিজ্য প্রসারে শেখ হাসিনার ৭-দফা প্রস্তাব

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার এখানে আন্ত-কমনওয়েলথ ব্যবসা, বিনিয়োগ ও উদ্ভাবনার উন্নয়নের জন্য ৭ দফা প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন। তিনি বাণিজ্য প্রশাসন আরো উন্মুক্ত ও স্বচ্ছ করে তুলতে কমনওয়েলথ দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানান।

‘কমনওয়েলথ’স রোল ইন প্রমোটিং ট্রেড, ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন’ শীর্ষক এক বৈঠকে তিনি ওই প্রস্তাব উত্থাপন করে এ আহবান জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা অবশ্যই বাণিজ্য প্রশাসন উন্মুক্ত, আইন ভিত্তিক, স্বচ্ছ, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং ন্যায্যতা নিশ্চিত করবো। তিনি বলেন, আন্তঃকমনওয়েলথ বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং উদ্ভাবনার লক্ষ্যে দেশগুলোকে অবশ্যই অভিন্ন সুযোগ-সুবিধা জোরদার করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী এ লক্ষ্যে ৭ দফা প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এগুলো হলো :
১. সদস্য রাষ্ট্রগুলোর শিল্প সম্ভাবনা ও উৎপাদনশীলতার খাত ভিত্তিক সমীক্ষা প্রয়োজন।
২. ছড়িয়ে থাকা বিনিয়োগ সম্ভাবনাসহ অভিন্ন বিনিয়োগ নীতি, নির্দেশনা ও কৌশল গ্রহণ।
৩. বাণিজ্য সহায়ক সুযোগ-সুবিধার উন্নয়ন এবং পিটিএ ও এফটিএ’র অশুল্ক বাধা কমিয়ে আনা।
৪. সেবা বাণিজ্যের জন্য উদারশাসন এবং স্বতন্ত্র পেশার সেবা সুবিধার জন্য খোলাবাজার চালু।
৫. প্রকৃত ব্যবসায়ীদের জন্য সহজ যাতায়াত এবং সরকারি ও বেসরকারি ক্যাটাগরিতে নির্দিষ্ট লোকদের জন্য ভিসা সহজীকরণ।
৬. অবকাঠামো এবং যোগাযোগ প্রকল্প গ্রহণ।
৭. এসএমই এবং ব্লু ইকোনমি খাতসহ উৎকৃষ্ট কেন্দ্র এবং প্রতিষ্ঠানের সহায়তা এবং উন্নয়ন, আরএন্ডডি, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য তহবিল গঠন।

কমনওয়েলথ ভুক্ত দেশগুলোর জনসংখ্যার ৬০ শতাংশের বয়স ৩০ বছরের নিচে, তাদেরকে বৃহত্তম সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আন্তঃকমনওয়েলথ বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং উদ্ভাবনা শক্তির পরিচালনায় কমনওয়েলথকে অবশ্যই এই বিপুল মেধাবীদের কাজে লাগাতে হবে।

তিনি বলেন, এ জন্য আমাদের অবশ্যই প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যসমূহ অর্জন করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব বাণিজ্যে টানা পোড়েন, বহুপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় হুমকি এবং অর্থবাজারে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়ায় কমনওয়েলথ কিভাবে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উদ্ভাবনার উন্নয়নে ইতিবাচক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে সেটি এখন অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

শেখ হাসিনা উল্লেখ করেন যে, বর্তমানে আন্তঃকমনওয়েলথ বাণিজ্যের অনুমিত পরিমাণ ৬০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সামান্য বেশি।

তিনি বলেন, বিশ্বের জিডিপিতে কমনওয়েলথভুক্ত ৫৩টি দেশের অবদান ১৬ শতাংশ, অন্যদিকে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ২৮টি দেশের এই অবদান ১৯ শতাংশ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৩ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে কমনওয়েলথ দেশগুলোর সম্মিলিত জিডিপি’র হার ৪ দশমিক ১ শতাংশ, এই তুলনায় ইইউ’র জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ১ দশমিক ৮ শতাংশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রবৃদ্ধির হার ২ দশমিক ৬ শতাংশ।

তিনি বলেন, আরো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কমনওয়েলথ দেশগুলোর জনসংখ্যা ২শ’ কোটির বেশি, যা ইইউ’র ৪ গুণ। এই হিসেব থেকে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর ব্যবসা ও বিনিয়োগের বিপুল সম্ভাবনা বোঝা যায়।

শেখ হাসিনা বলেন, তিনি এটি দেখে খুশী যে গতবছর প্রথমবারের মতো কমনওয়েলথ বাণিজ্য মন্ত্রীদের বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল।

এ সময়ে মন্ত্রীরা অভিন্ন সংস্কৃতিকে ‘কমনওয়েলথ ফ্যাক্টর’ হিসেবে আলোচনা করেন যা কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে নেই এমন দেশের তুলনায় কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর ব্যবসা-বাণিজ্যকে ২০ শতাংশ সাশ্রয়ী করেছে।

নিউজবিডি৭১/আ/১৯ এপ্রিল, ২০১৮




এশীয় অঞ্চলের ভবিষ্যতের মূল চাবিকাঠি শান্তি ও স্থিতিশীলতা : প্রধানমন্ত্রী

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এশিয়ার ভবিষ্যতের প্রধান চাবিকাঠি হচ্ছে শান্তি ও স্থিতিশীলতা। তিনি এ অঞ্চলের অধিকতর উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য এশিয়াকে আরো শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল অঞ্চলে পরিণত করতে সেতুবন্ধন ও যোগাযোগ গড়ে তুলতে এশীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের সীমান্তের মধ্যকার সমৃদ্ধি ও সমতা প্রবৃদ্ধি বয়ে আনবে এবং সম্মিলিত বিকাশের মাধ্যমে আমরা শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল অঞ্চল গড়ে তুলতে পারি’।

যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র ও কমনওয়েলথ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হুগো সুইরি অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা দেন এবং এর সঞ্চালক ছিলেন স্টান্ডার্ড চার্টাড ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার সিইও জেরিন দারুওয়ালা।

তিনি বলেন, এশিয়ার দেশগুলোকে প্রবৃদ্ধিতে কেবল অভ্যন্তরীণ নয় বরং এশিয়ার অঞ্চলব্যাপী আরো অন্তর্ভুক্তিমূলক হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিপুল জনশক্তি, সবচেয়ে বড় বাজার এবং প্রচুর প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর এই এশিয়ার আয়ত্তে ছিল বিগত দিনের বিশ্ব এবং আগামী বিশ্বও তাকিয়ে আছে এশিয়ার দিকে।

তিনি বলেন, গর্বের বিষয় হচ্ছে যে, এশিয়ার মানুষ সহিষ্ণু, কঠোর পরিশ্রমী, সামর্থবান, প্রতিভাবান ও আশাবাদী।

শেখ হাসিনা বলেন, বিগত ৭০ বছরে এশিয়া অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। অনেক অর্থনীতিবিদ ও বিজ্ঞজন এশিয়ার এই সাফল্যকে বিম্ময়কর হিসেবে অভিহিত করেছেন।

তিনি এ কথাও বলেন যে, সত্যিকার এশিয়ার চেতনার দৃষ্টিভঙ্গির সাথে এ অঞ্চলের দেশগুলোকে সচেতন থাকতে হবে। কারণ, বিশ্ব এখন দ্রুত বদলাচ্ছে। ডিজিটাল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মানুষকে নিকটতর করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন সমৃদ্ধির পাশাপাশি বৈষম্যও সৃষ্টি করছে। এ প্রসঙ্গে তিনি এ অঞ্চলের স্থিতিশীলতার হুমকি হিসেবে সন্ত্রাসবাদ, সংঘাত, আর্থিক অভিঘাত ও অন্যান্য চ্যালেঞ্জের সঙ্গে এ অঞ্চলের অগ্রযাত্রার পথে আরো অনেক বাধা-বিপত্তি রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় শেখ হাসিনা এশিয়ার প্রতিভা বিকাশে তরুণ, নারী ও সর্বোপরি নাগরিকদের ওপর আরো বিনিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, ডিজিটাল, গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি চালিত আগামীদিনের এশিয়ার জন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে।

নিউজবিডি৭১/আ/১৯ এপ্রিল, ২০১৮




নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের দাবি অযৌক্তিক : ওবায়দুল কাদের

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের দাবি অযৌক্তিক। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিলো তখন কোন নির্বাচনেই সেনা মোতায়েন করেনি।

বুধবার সকালে রাজধানীর হাতিরঝিলে মোবাইল কোর্টের কার্যক্রম পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যখন আপনারা (বিএনপি) ক্ষমতায় ছিলেন, তখন কি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সেনা মোতায়েন হয়েছে? জাতীয় কোন নির্বাচনে সেনা মোতায়েন হয়েছে? এখন কেনো নিজেদের অবস্থা খারাপ দেখে এসব আবোল তাবোল বকছেন।’

তিনি বলেন, আমি এসব প্রশ্নের জবাব দিতে চাই না। এই প্রশ্নের জবাব দিবে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন সংক্রান্ত সব দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের, তাদের সহায়তা করতে সরকার প্রস্তুত রয়েছে।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, দুই বাসের রেষারেষিতে কলেজ ছাত্র রাজীব হোসেনের হাত বিচ্ছিন্ন হওয়া এবং পরে তার মৃত্যুর জন্য সড়ক ব্যবস্থাপনা দায়ী নয়। পরিবহন অব্যবস্থাপনার জন্য দুর্ঘটনাটি হয়েছে। চালকদের অসচেতনতা ও রেষারেষির কারণেই এটি হয়েছে। সুতরাং চালকদের আরো সচেতন হতে হবে।

নিউজবিডি৭১/আ/১৯ এপ্রিল, ২০১৮




নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের দাবি অযৌক্তিক : ওবায়দুল কাদের

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের দাবি অযৌক্তিক। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিলো তখন কোন নির্বাচনেই সেনা মোতায়েন করেনি।

আজ বুধবার সকালে রাজধানীর হাতিরঝিলে মোবাইল কোর্টের কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যখন আপনারা (বিএনপি) ক্ষমতায় ছিলেন, তখন কি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সেনা মোতায়েন হয়েছে? জাতীয় কোন নির্বাচনে সেনা মোতায়েন হয়েছে? এখন কেনো নিজেদের অবস্থা খারাপ দেখে এসব আবোল তাবোল বকছেন।’

তিনি বলেন, আমি এসব প্রশ্নের জবাব দিতে চাই না। এই প্রশ্নের জবাব দিবে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন সংক্রান্ত সব দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের, তাদের সহায়তা করতে সরকার প্রস্তুত রয়েছে।

নিউজবিডি৭১/আ/১৮ এপ্রিল, ২০১৮




রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ, টেকসই ও আশু সমাধান চায় বাংলাদেশ

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গা সংকটের আশু সমাধান চেয়ে বলেছেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে সাম্প্রতিক সময়ে নির্যাতনের মাধ্যমে বিতাড়িত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পুরো চাপ বাংলাদেশ একাই সামলাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার বিকেলে এখানে ওভারসিজ ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট (ওডিআই)-এ ‘বাংলাদেশ’স ডেভেলপমেন্ট স্টোরি : পলিসিজ, প্রগ্রেসেজ এন্ড প্রসপেক্টস’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তৃতা উপস্থাপনকালে বলেন, ‘বাংলাদেশ এ সংকটের শান্তিপূর্ণ, টেকসই ও আশু সমাধান চায়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ানমারের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রাখাইন রাজ্যে দেশটির সেনাবাহিনী দমন অভিযান শুরু করার পর বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর লোকদের সংখ্যা এখন ১১ লাখ। বাংলাদেশ মানবিক বিবেচনায় তাদের আশ্রয় দিয়েছে।’

শেখ হাসিনা সরেজমিনে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করে রোহিঙ্গাদের দুর্দশা নিজ চোখে দেখেছেন উল্লেখ করে বলেন, অনেক বিশ্ব নেতা কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের অস্থায়ী আশ্রয় শিবির পরিদর্শন করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের সাফল্যের মানে এই নয় যে, আমাদের সামনে কোন চ্যালেঞ্জ নেই। …বাংলাদেশের ভেতর ১০ লক্ষাধিক দেশান্তরী মিয়ানমার নাগরিকের অভিবাসনের পাশাপাশি আমরা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব, সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস উগ্রবাদ মোকাবেলায় লড়াই করছি।’

সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষ স্থানচ্যুত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের এই গ্রহ, আমাদের জীববৈচিত্র্য এবং আমাদের জলবায়ু সুরক্ষিত করা বিশ্ব সম্প্রদায়ের অভিন্ন দায়িত্ব।

সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। তাঁর দল ২০০৯ সালে যখন ক্ষমতায় আসে, তখন রাজনৈতিক অস্থিরতা, জঙ্গিবাদের উত্থান, প্রাকৃতিক দুযোর্গ, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দাসহ অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক নানা সংকট মোকাবেলা করতে হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার ৬ষ্ঠ পঞ্চম বার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করছে। এতে পল্লীর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে এবং পল্লী এলাকায় কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে এসএমই’র জন্য তহবিল সংগ্রহ করছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, খাদ্য উৎপাদনে দেশকে স্বাবলম্বী করতে কৃষি সেক্টরে বিশেষ দৃষ্টি দিয়েছি এবং খাদ্য শষ্য, মৎস্য, পোল্ট্রি ও শাকসবজি উৎপাদনে বিশেষ ইনসেন্টিভ দেয়া হচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রফতানিকারক দেশ। আমাদের পোশাক কারখানাগুলোকে নিরাপদ করতে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ৬৭ টি লীড সনদধারী তৈরি পোশাক কারখানা রয়েছে। ৭টি পরিবেশ বান্ধব কারখানা ও বস্ত্র কারখানা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী পররাষ্ট্র নীতির উল্লেখ করে বলেন, তার সরকার ব্যাবসা বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং কূটনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে সকল দেশের সঙ্গে বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারে সবোর্চ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

নিউজবিডি৭১/আ/১৮ এপ্রিল, ২০১৮