“নূরজাহান বেগমের মৃত্যু জাতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি”

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকাঃ বাংলাদেশসহ উপমহাদেশে নারীদের প্রথম সাপ্তাহিক বেগম’র সম্পাদক নূরজাহান বেগমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এক শোক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, “নারী শিক্ষা ও নারী উন্নয়নে নূরজাহান বেগমের অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তার মৃত্যু জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।”

ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকালে মারা যান নূরজাহান বেগম। তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।

৭০ বছর প্রাচীন বেগম পত্রিকার শুরু থেকে এর সম্পাদনায় যুক্ত ছিলেন সওগাত সম্পাদক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের মেয়ে নূরজাহান বেগম। বাংলাদেশের নারী সাহিত্যিকদের অনেকের লেখালেখির হাতেখড়ি বেগমের মাধ্যমে।

আবদুল হামিদ বেগম সম্পাদকের শোক-সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

নিউজবিডি৭১/এ আর/মে ২৩, ২০১৬




সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ড ‘নজিরবিহীন হুমকি’, ‘উদ্বিগ্ন’ ইইউ!

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকাঃ বাংলাদেশে সাম্প্রতিক হত্যার ‘চক্র’ ভাঙার আহ্বান জানিয়ে সরকারের উদ্দেশ্যে ইউরোপীয় মিশনগুলোর প্রধানরা বলেছেন, এই ধরনের হামলা চলতে থাকলে তা ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, রোববার তাদের প্রতিনিধিরা পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ ‘উদ্বেগের’ কথা তুলে ধরেন।

এতে বলা হয়, ইউরোপীয় কূটনীতিকরা সাম্প্রতিক সময়ে ব্লগার, ধর্মীয় সংখ্যালঘু, মানবাধিকার কর্মী, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তা ও বিদেশিদের ওপর একের পর এক বর্বর হামলার বিষয়ে আলোকপাত করেন। এসব হামলা মানবাধিকার, বাক স্বাধীনতা ও বিশ্বাসের প্রতি ‘নজিরবিহীন হুমকি’ তৈরি করেছে বলে মন্তব্য করেন তারা।

বিবৃতিতে বলা হয়, “মুক্ত, সহনশীল এবং স্থিতিশীল ও সম্ভাবনাময় বাংলাদেশের যে ভাবমূর্তি বহিঃবিশ্বে রয়েছে এসব ঘটনায় তা ক্ষুণ্ন হতে পারে।”

গত বছর ফেব্রুয়ারিতে বইমেলা চলাকালে মুক্তমনা লেখক অভিজিৎ রায় খুন হওয়ার পর ধারাবাহিক হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন আরও কয়েকজন ব্লগার ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট। এর মধ্যে আক্রান্ত হয়েছেন প্রকাশক, খ্রিস্টান-বৌদ্ধ ধর্মগুরু, সমকামী অধিকারকর্মী, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও ভিন্ন মতের ইসলামী ভাবধারা অনুসারী।

এসব হামলার অনেকগুলোতে দায় স্বীকার করে আইএস ও আল-কায়েদার নামে বার্তা এলেও সরকার বলছে, অভ্যন্তরীণ জঙ্গিরাই এসব ঘটনা ঘটাচ্ছে।

এসব ঘটনায় জড়িতদের বিচারের আওতায় এনে এবং ‘ঝুঁকিতে’ থাকা সব নাগরিকের সুরক্ষা নিশ্চিত করে ‘সহিংসতার এই চক্র’ ভাঙার আহ্বান জানান ইউরোপীয় দূতরা। সহিংস চরমপন্থা দমনে বৃহত্তর কর্মসূচির পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন তারা।

জঙ্গিবাদ মোকাবেলায় সমন্বিত পদক্ষেপের অংশ হিসেবে গণতান্ত্রিক জবাবদিহি, বাক স্বাধীনতা, শক্তিশালী গণমাধ্যম, সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং সুশীল সমাজের ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্ব দেন ইউরোপীয় প্রতিনিধিরা। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব বাড়ানোর প্রস্তাব দেন তারা।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের দূতরা অপরাধের শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থানের কথাও মন্ত্রীর সামনে পুনর্ব্যক্ত করেন বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।

‘হত্যার পিছনে জামায়াত’
এদিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডের পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জনগণের নিরাপত্তায় বাংলাদেশ সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ ও তার অগ্রগতি সম্পর্কে ইউরোপীয় মিশনগুলোর প্রধানদের জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলী। এসব হত্যাকাণ্ডে জামায়াতে ইসলামী ও এর সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গোষ্ঠী জড়িত বলেও দাবি করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ‘ক্ষুণ্ন’ এবং সরকারকে সমস্যায় ফেলতে তারা এসব পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ঘটাচ্ছে। জামায়াতে ইসলামীর সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গোষ্ঠী যেমন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি), আনসার আল-ইসলাম, আনসারুল্লাহ বাংলা টিম, হরকাতুল-জিহাদ (হুজি), হিজবুত তাহরির এবং নতুন আবির্ভূত আল মুজাহিদ প্রভৃতি এসব হত্যাকাণ্ডে জড়িত।”

বিএনপি ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে’ তাদের সহযোগিতা করছে দাবি করে তিনি বলেন, ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে ইউরোপীয় পার্লামেন্টে পাস হওয়া প্রস্তাবে বিএনপিকে জামায়াত ছাড়ার যে আহ্বান জানানো হয় তাতে কর্ণপাত করেনি দলটি।

ইউরোপীয় প্রতিনিধিদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন ‘স্থিতিশীল ও শান্তিপূর্ণ’। সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস চরমপন্থার অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের সঙ্গে একযোগে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধের বিচার ও ১৯৭৪ সালের ত্রিপক্ষীয় চুক্তি নিয়ে মাহমুদ আলী বলেন, ওই চুক্তি ছিল শুধু ১৯৫ জন যুদ্ধবন্দিকে নিয়ে, যাদেরকে মানবতাবিরোধী অপরাধসহ জঘন্য অপরাধের জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

নিউজবিডি৭১/এ আর/মে ২৩, ২০১৬




যুদ্ধাপরাধের বিচারে তুরষ্কের প্রতিক্রিয়া, নিরব ভূমিকায় সরকার!

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকাঃ একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরু হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন সময় বিরূপ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তুরস্ক। সর্বশেষ জামায়াত নেতা ও একাত্তরের বদর বাহিনীর প্রধান মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসি কার্যকরের পর তা জোরালো হয়েছে। তবে দেশটির বিরুদ্ধে এ মুহূর্তে বাংলাদেশ সরকার কোনো রকম প্রতিক্রিয়া না জানানোর নীতিতে হাঁটছে।

আর এ কারণেই বিষয়টি নিয়ে যেকোনো ধরনের বিব্রতকর পরিস্থিতি এড়াতে সোমবার থেকে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে শুরু হতে যাওয়া বিশ্ব মানবিক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন না দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, দুই দিনের ওই শীর্ষ সম্মেলনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রীর পরিবর্তে পররাষ্ট্রসচিব মো. শহীদুল হক বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন।

ঢাকা ও তুরস্কের কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, নিজামীর ফাঁসির পর তুরস্ক একাধিকবার প্রতিবাদ জানালেও সরকার এ নিয়ে নীরব থাকাকে সমীচীন মনে করছে। বিষয়টি নিয়ে সরকার নতুন করে কারও সঙ্গে বিতর্কে জড়াতে চাইছে না। তা ছাড়া ঐতিহাসিকভাবে দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রীর ওই শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কিন্তু নিজামীর ফাঁসি কার্যকরের প্রতিবাদে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ও দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি এবং ঢাকায় দেশটির রাষ্ট্রদূত দেভরিম ওজতুর্ককে আঙ্কারায় ডেকে পাঠানোর পর স্পষ্ট হয়, নিজামীর বিষয়ে দেশটি জোরালো অবস্থান নিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী ইস্তাম্বুলের সম্মেলনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা মনে করেন, ওই শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের মন্ত্রীপর্যায়ের প্রতিনিধিত্ব থাকলে ভালো হতো। সে ক্ষেত্রে শীর্ষ সম্মেলনে কিংবা এর ফাঁকে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার নিয়ে এবং একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের পক্ষে কেউ অবস্থান নিলে সেখানে বাংলাদেশ সরকারের নীতিগত অবস্থান জোরালোভাবে তুলে ধরা সম্ভব হতো।

এদিকে নিজামীর ফাঁসির পর উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার পর এখনো আঙ্কারা থেকে ঢাকায় ফেরেননি তুর্কি রাষ্ট্রদূত দেভরিম ওজতুর্ক। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, ১১ মে সন্ধ্যায় ওই রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বরাবর এক কূটনৈতিক পত্র পাঠান।

তাতে জানান, ১২ মে থেকে তিনি ঢাকায় থাকবেন না। ওই পত্রে তাঁর অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত হিসেবে কে দায়িত্ব পালন করবেন, সেটিও উল্লেখ করা হয়। ওই পত্রটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হাতে আসে ১২ মে সকালে। সাধারণত কোনো রাষ্ট্রদূত ছুটিতে গেলে কর্মরত দেশের রাষ্ট্রাচার শাখায় অবহিত করার রীতি আছে।

সেই অনুযায়ী কূটনীতিকেরা কর্মস্থল থেকে অন্য কোথাও, বিশেষ করে তাঁর নিজ দেশে যাওয়ার কারণ উল্লেখ করার পাশাপাশি কবে ফিরবেন, সেটিও জানিয়ে যান। এবারের পত্রে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত কবে ঢাকায় ফিরবেন, সেটি উল্লেখ করেননি। এর আগে প্রতিবারই তিনি তা উল্লেখ করেছিলেন।

এর আগে জামায়াতের সাবেক আমির গোলাম আযমের বিচার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল তুরস্ক। তাঁর বিষয়টি নিয়ে দেন-দরবারের জন্য পরিচয় গোপন করে তুরস্কের একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করে। এ ছাড়া মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াত নেতা কাদের মোল্লার ফাঁসির পর দলটির অন্য নেতাদের ভাগ্যে কী ঘটতে যাচ্ছে, সেটি নিয়ে বেশ কৌতূহলী ছিলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান।

নিউজবিডি৭১/এ আর/মে ২৩, ২০১৬




`সেলিম ওসমানের অপরাধের দায়ভার জাতীয় পার্টিরও`

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকাঃ লজ্জা থাকলে সেলিম ওসমান সংসদ অধিবেশনে যোগ দেবেন না বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। রোববার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নারায়ণগঞ্জের পিয়ার সাত্তার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ নাসিম এসব কথা বলেন।

শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি মনে করি, সংসদ সদস্যের ক্ষমা চাওয়া উচিত। এ ধরনের ঘটনার মাধ্যমে তিনি সব সংসদ সদস্যকে অপমান করেছেন। শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনায় যে ধরনের প্রতিবাদ হয়েছে, তাঁদের এ প্রতিবাদের ভাষা বোঝা উচিত। আমি মনে করি, তাঁরা নৈতিকভাবে পরাজিত হয়েছেন। ওই সংসদ সদস্যের যদি লজ্জা থাকে, তাহলে তিনি অধিবেশনে যোগ দেবেন না।’

সেলিম ওসমানের অপরাধে জাতীয় পার্টির দায়ভার সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, তিনি জাতীয় পার্টির সাংসদ। জাতীয় পার্টিরও দায়িত্ব রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করার।

চিকিৎসাধীন শিক্ষককে হত্যার হুমকি প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যারা এ ধরনের ঘটনা ঘটায়, তারা মানবতার শত্রু। আমি শিক্ষকের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার কথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেছি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আমাদের অবস্থান কঠোর।’

নিউজবিডি৭১/এ আর/মে ২২, ২০১৬




প্রধান শিক্ষককে হেনস্থা, ধর্ম নিয়ে কটুক্তির প্রমাণ মেলেনি!

নিউজবিডি৭১ডটকম
নারায়ণগঞ্জ করেসপন্ডেন্টঃ শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তের বিরুদ্ধে ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তির যে অভিযোগ আনা হয়েছিল তার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বৈঠক শেষে কমিটির প্রধান ও শিল্পমন্ত্রী আমীর হোসেন আমু এ কথা জানান।

এর আগে শিক্ষা অধিদপ্তরের তদন্তেও শ্যামল কান্তি ভক্তের বিরুদ্ধে ইসলাম ধর্মের প্রতি কটূক্তির অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ মে ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তি এবং শিক্ষার্থীকে মারধর করার অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের কলাগাছিয়া ইউনিয়নের কল্যান্দির পিয়ার সাত্তার লতিফ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে গণপিটুনি দেয়ার পর কান ধরে উঠবস করানো হয়।

বিদ্যালয়েল ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্তের কথা বলা হলেও স্থানীয় সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানের উপস্থিতিতে এবং নির্দেশে এ শিক্ষককে হেনস্তা করা হয়।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, পানিসম্পদমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন প্রমুখ।

নিউজবিডি৭১/এ আর/মে ২২, ২০১৬




সন্ধ্যায় স্বামী-সন্তানের কবর জিয়ারত করবেন খালেদা জিয়া!

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকাঃ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত করবেন দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে রবিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীতে আরাফত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত করবেন খালেদা জিয়া। এরপর শেরে বাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করতে যাবেন তিনি।

বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

নিউজবিডি৭১/এ আর/মে ২২, ২০১৬




‘শিক্ষাখাতে ব্যয়- খরচ নয়, বিনিয়োগ’

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকাঃ শিক্ষার জন্য ব্যয়কে খরচ নয়, বিনিয়োগ বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শিক্ষায় খরচ সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ।

তিনি বলেন, পঁচাত্তরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর বাংলাদেশকে ভিক্ষুকের দেশে পরিণত করার ষড়যন্ত্র শুরু হয়। ২১ বছর পরে ক্ষমতায় এসে সেই ষড়যন্ত্র নির্মূল করে আমরা একটি উন্নত সমৃদ্ধ শিক্ষিত দেশ ও জাতি গড়ে তুলছি। জাতির পিতার সোনার বাংলা গড়ার এ সংগ্রামে আমাদের মূল বিনিয়োগ হচ্ছে শিক্ষা। তাইতো ২০০৮ সালে ফের ক্ষমতায় এসে নতুন শিক্ষীনীতি প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

প্রত্যেকটি উপজেলায় একটি করে সরকারি স্কুল ও একটি করে সরকারি কলেজ করারও ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী।

রোববার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ‘দেশব্যাপী সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ ২০১৬’ প্রতিযোগিতায় নির্বাচিত জাতীয় পর্যায়ের সেরা ১২ জন এবং ২০১৫ সালের নির্বাচিত সেরা ১২ জন মেধাবীর হাতে পুরস্কার তুলে দিতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে জাতির পিতা গড়ে তুলতে থাকেন নানামুখী কার্যক্রমে। তার কার্যক্রমের মধ্যে গুরুত্ব পেয়েছিল শিক্ষাখাত। তিনিই বলেছিলেন, ‘সুষ্ঠু সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য শিক্ষাখাতে পুঁজি বিনিয়োগের চাইতে উৎকৃষ্ট বিনিয়োগ আর কিছু হতে পারে না’। শিক্ষায় বিনিয়োগ যে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ, তাও আমাদের শিখিয়ে গেছেন বঙ্গবন্ধু।

বর্তমান সরকার বঙ্গবন্ধুর সেই কথাই মাথায় রেখে দেশের শিক্ষা উন্নয়নে কাজ করছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ২৪ বছরের আন্দোলন-সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত অর্জন স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। বাংলাদেশের মানুষ হতদরিদ্র ছিল, তাদের মুখে ভাত ছিল না, পরনে কাপড় ছিল না। নিজের অপরিসীম ত্যাগ দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ বাঙালি জাতিকে স্বাধীন-সার্বভৌম দেশ এনে দেন, তিনি জাতিকে এ দুঃসহ অবস্থা থেকে মুক্ত করেন।

বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, বারবার আঘাত এসেছে, আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাঙালি জাতি। তাই বঙ্গবন্ধুর সেই অমর বাণী, বাঙালি জাতিকে দাবায়ে রাখতে পারবে না- সেটিও সত্যে পরিণত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, স্বাধীনতার পর মাত্র তিন বছরে শুধু যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশই গড়ে তোলেননি জাতির পিতা, একটি সংবিধানও উপহার দিয়েছিলেন। সেই সংবিধানে শিক্ষাকে গুরুত্ব দেন তিনি। প্রাথমিক শিক্ষাকে অবৈতনিক ও জাতীয়করণ করেন।

দেশের শিক্ষার্থীদের মেধার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবচেয়ে বেশি মেধাবী আমাদের ছেলে-মেয়েরা। অন্য দেশের ছেলেমেয়েদের দুইয়ে দুইয়ে চার মেলাতে হাতে গুনতে হয়, আমাদের ছেলেমেয়েদের তা লাগে না। তাদের আলাদা ট্যালেন্ট আছে। তাদের সুযোগ করে দিতে হবে। সেটা হতে পারে শিক্ষার বিস্তারের মধ্য দিয়ে, প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করার মধ্য দিয়ে। আমাদের দেশের মেধাবীদের খুঁজে বের করা ও পুরস্কৃত করা একটি মহৎ উদ্যোগ।

শিক্ষাই মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি, বড় সম্পদ। এই সম্পদকে কেউ কেড়ে নিতে পারে না, এটা হারায় না। তাই মন দিয়ে পড়াশোনা করতে এবং দেশকে গড়ে তোলার কাজে আত্মনিয়োগ করতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা ভিক্ষুক জাতিতে পরিণত হতে চাই না। আমরা সুশিক্ষিত উন্নত জাতিতে পরিণত হতে চাই। বাঙালি জাতি বিশ্বে মাথা তুলে দাঁড়াবেই। আর এ কাজে আমাদের মূল শক্তি শিক্ষা ও আমাদের নতুন প্রজন্ম।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, জাতির পিতা সোনার বাংলা গড়তে সোনার মানুষ চেয়েছিলেন। আজকের প্রজন্মই ভবিষ্যতে নেতৃত্ব দেবে। এই শিক্ষার্থীরা সেই সোনার মানুষ, সেই সোনার টুকরা। তারাই সোনার বাংলা গড়ে তুলবে।

নিউজবিডি৭১/এ আর/মে ২২, ২০১৬




`শেখ মুজিব বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চাননি, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছেন`

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকাঃ বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন,সম্প্রতি সংঘটিত সংখ্যালঘু ও বিদেশিসহ সব হত্যাকাণ্ডে আওয়ামী লীগের লোকজন জড়িত। শুধু বিএনপি নেতাকর্মীদের হত্যাকাণ্ডে নয়, হিন্দু-বৌদ্ধ-মুসলিম-খ্রিস্টান এমনকি বিদেশিদের হত্যাকাণ্ডেও তারা জড়িত। তাদের হাতে কেউই নিরাপদ নয়। আওয়ামী লীগ সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা না দিয়ে উল্টো নিজেদের ধর্মনিরপেক্ষ হিসেবে জাহির করছে।

শনিবার গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বুদ্ধপূর্ণিমা উপলক্ষে বাংলাদেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সঙ্গে এ শুভেচ্ছা বিনিময় হয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ইঙ্গিত করে বিএনপির চেয়ারপারসন বলেন, তিনি সব সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চাননি। বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছেন, দেশ স্বাধীন করেছেন।

খালেদা জিয়া বলেন, বাংলাদেশটা আওয়ামী লীগের পৈতৃক সম্পত্তি হয়ে গেছে। অথচ মুক্তিযুদ্ধের সময় এরা স্বাধীনতার ঘোষণা করতে সাহস পায়নি। জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা করেছেন এবং যুদ্ধ করেছেন। তাকেই এখন তারা রাজাকার বলে। তিনি (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ইঙ্গিত করে)পাইপ টানতে টানতে পাকিস্তানে চলে যান। তারা সীমান্ত পাড়ি দিয়েছেন, যুদ্ধ করেননি। যুদ্ধ না করে কীভাবে মুক্তিযোদ্ধা দাবি করেন তারা-প্রশ্ন রাখেন বিএনপির চেয়ারপারসন।

খালেদা জিয়া দাবি করেন, আওয়ামী লীগ দেশটাকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়ে প্রয়োজনে নিরাপত্তার খাতিরে দেশ ছেড়ে চলে যাবে।

তিনি বলেন, সময় এসেছে সকলকে এক হওয়ার, সজাগ হওয়ার। ভেদাভেদ ভুলে যাওয়ার। বাংলাদেশে বর্তমানে অশান্ত পরিবেশ বিরাজ করছে। আমরা চাই শান্তি, ঐক্য ও প্রতিবেশীর সঙ্গে সুসম্পর্ক। কারণ, সমস্যার সমাধান মারামারিতে নয়, আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই করতে হয়।

খালেদা জিয়ার ভাষ্য, আওয়ামী লীগ মুখে ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বললেও বিশ্বাস করে না। যদি বিশ্বাস করতো, ভিন্ন ধর্মের মানুষকে তারা হত্যা করতো না। কিন্তু বিএনপি সকল ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী।

শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপির সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক দীপেন দেওয়ান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া প্রমুখ।

নিউজবিডি৭১/এ আর/মে ২২, ২০১৬




দেশে জঙ্গিদের উস্কে দেয়ার পরিকল্পনা করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকাঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, বিভিন্ন মহল বাংলাদেশে জঙ্গিদের উস্কে দিচ্ছে। এদের মধ্যে একটি দল তাদের মদদ দিচ্ছে।

শনিবার রাজারবাগ ডিএমপি ট্রেনিং সেন্টারে একটি কর্মশালার উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া বানচাল করতে নিষ্ক্রিয় জঙ্গিদের সক্রিয় করে দেশের বিভিন্ন স্থানে নাশকতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে। বিভিন্ন মহল জঙ্গিদের উস্কে দেয়ার পরিকল্পনা করছে। এর মধ্যে একটি দলও জঙ্গিদের মদদ দিচ্ছে। ভবিষ্যতে যাতে দেশে জঙ্গি মাথা চাড়া দিতে না পারে সে বিষয়ে পুলিশের বিশেষ এ ইউনিটকে প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা করা হয়েছে।

জঙ্গি নিয়ন্ত্রণে সদ্য গঠিত কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটি)। এই ইউনিটের সদস্যদের প্রশিক্ষণ দিতে সিঙ্গাপুরের ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর পলিটিকাল ভায়োলেন্স অ্যান্ড টেররিজম রিসার্চের (আইসিপিভিটিআর) সদস্যরা বাংলাদেশে এসেছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, জঙ্গিবাদের সমস্যা শুধু বাংলাদেশেই নয়, সারাবিশ্বে। সিটি ইউনিটে সক্ষমতা বাড়াতে আমরা কাজ করছি। এই ইউনিটকে শক্তিশালী করতে যত প্রকার প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা প্রয়োজন তার ব্যবস্থা করা হবে।

অনুষ্ঠানে র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ, ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া, সিটি ইউনিটের প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম, সিঙ্গাপুরের আইসিপিভিটিআর এর প্রধান ড. রোহান গুনারত্ন উপস্থিত ছিলেন।

নিউজবিডি৭১/এম আর/২১ মে ২০১৬




সাফল্যের ফিরিস্তি জনগণের কাছে তুলে ধরতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকাঃ বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের বিগত সাত বছরের সাফল্য তুলে ধরতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এখন তাদের গৃহিত বিভিন্ন সফল কার্যক্রমের ফিরিস্তি তৈরিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। মন্ত্রণালয়াধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে তথ্য-উপাত্ত পাঠানোর জন্য জোর তাগাদা দেয়া হচ্ছে।

সম্প্রতি সচিবালয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ঘুরে শীর্ষ কর্মকর্তাদের এ ব্যস্ততা চোখে পড়ে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক মন্ত্রণালয়ের সফল কার্যক্রম তথ্যপ্রচারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তারা সাফল্যগাঁথা তৈরি করে সচিবের কাছে পাঠাচ্ছেন। তিনি গ্রিন সিগন্যাল দিলে সেগুলো রেডিও, টিভি, প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে প্রচারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

pm২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে পরবর্তী পাঁচ বছর ও বর্তমান মেয়াদে দুই বছর সরকার পরিচালনা করছে আওয়ামী লীগ। এ সময় রাজধানীসহ সারাদেশে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালিত হলেও এ সকল কার্যক্রমের অগ্রগতির তথ্য প্রচারে বড় ধরনের উদ্যোগ নেয়া হয়নি। এ কারণেই সফল কার্যক্রমের ফিরিস্তি জনগণের কাছে তুলে ধরতে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক নুরুল আলম স্বাক্ষরিত ওই নির্দেশনামূলক চিঠি ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি জারি হলেও এখনো পর্যন্ত সবগুলো মন্ত্রণালয় তথ্য সংগ্রহের কাজ শেষ করতে পারেনি। ওই চিঠির শিরোনাম ছিল ‘সরকারের ৭ বছরের অগ্রগতির তথ্য প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ’।

নিউজবিডি৭১/এম আর/২১ মে ২০১৬




মমতার শপথ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা!

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকাঃ পশ্চিমবাংলার বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল বিজয়ের পর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দ্বিতীয় বারের মতো শপথ নিতে যাচ্ছেন তৃনমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা ব্যানার্জী। ২৭ মে কলকাতার ঐতিহাসিক রেড রোডে এ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

শপথ গ্রহণকে স্মরণীয় করতে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কলকাতার  গনমাধ্যম ‘এই সময়’র অনলাইনে এমন খবর প্রকাশিত হয়েছে।

জমকালো এ অনুষ্ঠানে  ইতোমধ্যে আমন্ত্রন জানানো হয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কংগ্রেস প্রধান সোনিয়া গান্ধী, সাধারন সম্পাদক রাহুল গান্ধী, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার, সাবেক মুখ্যমন্ত্রী  লালু প্রসাদ যাদব, উত্তর প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মুলায়ম সিং যাদব, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুন জেটলি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী রাজনাথ সিং।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিগ-বি অমিতাভ বচ্চন ও শাহরুখ খানের মতো ফিল্ম তারকারা সহ রাজনেতিক, বুদ্ধিজীবী, বিনোদন জগতসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন।

বিধানসভা নির্বাচনে পঞ্চাশ বছররে মধ্যে এই প্রথম রাজ্যে কোন দল একক গরষ্ঠিতা নিয়ে সরকার গড়তে চলেছে। মমতা ব্যার্নাজরি তৃণমূল কংগ্রস দ্বিতীয়বারেই এই সাফল্যের দেখা পেলেন।

নিউজবিডি৭১/টি আই/ মে ২১, ২০১৬




আজ বুদ্ধপূর্ণিমা: বৌদ্ধ সম্প্রদায়সহ দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকাঃ আজ বুদ্ধপূর্ণিমা। বাণীতে গৌতম বুদ্ধের জন্ম, বোধিলাভ এবং মহাপ্রয়াণের স্মৃতি বিজড়িত পবিত্র বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে দেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায়সহ দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে এই তিথিতে বৌদ্ধ ধর্মের প্রবর্তক গৌতমবুদ্ধ জন্মগ্রহণ করেছিলেন নেপালের লুম্বিনী কাননে।

এ রাতেই তিনি বোধিজ্ঞান লাভ করেছিলেন ভারতের বিহার রাজ্যের বুদ্ধগয়ায়। এছাড়া গৌতমবুদ্ধের মৃত্যুও হয়েছিল এ রাতেই। আর এ কারণেই এ তিথিকে বলা হয় ত্রিস্মৃতি বিজড়িত বুদ্ধপূর্ণিমা।

এছাড়া গৌতমবুদ্ধের জন্ম, মহাপ্রয়াণ ও বোধিলাভ বৈশাখী পূর্ণিমার দিনে হয়েছিল বলে এর অপর নাম বৈশাখী পূর্ণিমা। দিনভর বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা দিনটি পালন করে থাকেন।

বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের নেতা ভদন্ত বুদ্ধপ্রিয় মহাথের জানান, এবার বুদ্ধপূর্ণিমায় পৃথিবীর সব অশুভ শক্তির বিনাশ ও শুভ শক্তির উদয়ের জন্য তারা প্রার্থনা করবেন। এছাড়া মনের সব পাপ মোচনের জন্য বৌদ্ধভক্তদের ক্ষমা প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে উপাসনালয়গুলোতে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

বুদ্ধপূর্ণিমা উপলক্ষে শনিবার সরকারি ছুটির দিন। এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, প্রাচীনকাল থেকে বাংলার মাটি ও মানুষের সাথে বৌদ্ধদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সভ্যতা ও কৃষ্টি গভীরভাবে মিশে আছে। মহামতি গৌতম বুদ্ধের জন্ম, বুদ্ধত্ব লাভ ও মহাপরিনির্বাণ শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমার সাথে সম্পৃক্ত। তিনি (বুদ্ধ) ছিলেন মহামানব এবং জীবের মঙ্গল কামনায় সত্যসন্ধ। বুদ্ধের চেতনায় ছিল দুঃখ জয়ের মাধ্যমে জীবের মুক্তি কামনা। পৃথিবীকে সুখী ও শান্তিপূর্ণ করে গড়ে তোলার জন্য তিনি নিরন্তর প্রয়াস চালান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘অহিংস পরম ধর্ম’ বুদ্ধের এই অমিয় বাণী আজও সমাজের জন্য সমভাবে প্রযোজ্য। আজকের এই অশান্ত ও অসহিষ্ণু বিশ্বে মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধ ও সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় মহামতি বুদ্ধের জীবনাদর্শ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এই ঐতিহ্যের চর্চা ও বুদ্ধের মহান আদর্শকে ধারণ করে বৌদ্ধ সম্প্রদায় দেশের উন্নয়নে তাদের কর্মপ্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবেন। শুভ বুদ্ধপূর্ণিমা সবার জন্য অনাবিল শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে।

এছাড়া ‘বুদ্ধপূর্ণিমা সকলের জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক’- এ কামনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক এক বাণীতে আশা প্রকাশ করে বলেন, এ দেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায় গৌতম বুদ্ধের আদর্শ ধারণ করে জ্ঞান, মেধা, কর্মদক্ষতা ও কৃতিত্বে নিজেদেরকে আরো ঊর্ধ্বে তুলে ধরবেন। ‘মহামতি বুদ্ধের অহিংস, সাম্য ও মৈত্রীর বাণী এবং তার জীবনাদর্শ ধারণ ও লালন করে আমরা এদেশকে একটি মানবিক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বিশ্বসভায় প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হব।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আবহমান কাল থেকে এদেশে প্রত্যেক ধর্মের মানুষ মুক্ত পরিবেশে নিজ নিজ ধর্ম নির্বিঘ্নে প্রতিপালন করে আসছেন। আমরা বিশ্বাস করি, ‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’। হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে আমরা বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।’

এদিকে যথাযথ ধর্মীয় ভাবগম্ভীর পরিবেশে বৌদ্ধ সম্প্রদায় তাদের এ প্রধান ধর্মীয় উৎসব উদযাপনের লক্ষ্যে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশন রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে। বিশ্ব শান্তি কামনায় প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও সমবেত প্রার্থনা শেষে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া বিকেলে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি আয়োজিত বৌদ্ধ নাগরিকদের জন্য আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন তারা।

বুদ্ধপূর্ণিমা উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা বৌদ্ধ সম্প্রদায়কে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দও দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

নিউজবিডি৭১/এম আর/২১ মে ২০১৬