বিরোধী দলীয় নেতাকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদের শুভেচ্ছা

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার দুপুরে পৃথক ঈদ কার্ড পাঠিয়ে তাদের শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে বিরোধী দলীয় নেতার সহকারী একান্ত সচিব এ. কে. এম. আব্দুর রহিম ভূঞা এবং জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের সহকারী একান্ত সচিব মো. মনজুরুল ইসলামের কাছে ঈদের শুভেচ্ছা কার্ড পৌঁছে দেন প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল কর্মকর্তা এস. এম. খুরশিদ-উল-আলম।

নিউজবিডি৭১/আ/আগস্ট ১৬ ,২০১৮




১/১১-এর ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি : ওবায়দুল কাদের

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : দেশে এখন ওয়ান-ইলেভেনের (১/১১) ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ওয়ান-ইলেভেনে যারা দেশকে ডিপলিটিসাইজ (বিরাজনীতিকরণ) করতে চেয়েছিল, তাদের সহযোগী ছিল মিডিয়ার একটি অংশ। যারা (মিডিয়ার ওই অংশ) উসকানি দিয়ে (প্রধানমন্ত্রী) শেখ হাসিনার সরকারকে হটানোর চক্রান্ত করছে।

বঙ্গবন্ধুর শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার দুপুরে ইডেন মহিলা কলেজ মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সারা বাংলা যখন শোকে, তখন ভুয়া জন্মদিবস পালনের মাধ্যমে পাপের নোংরা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বিএনপি। তারাই অগণতান্ত্রিকভাবে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে একটি বৈধ সরকারকে হটানোর চক্রান্ত করছে। এদেরকে চিনে রাখতে হবে। তাদের সম্পর্কে জানতে হবে।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ইতিহাসের বর্বরতম রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বঙ্গবন্ধুকে হত্যা। যে হত্যাকাণ্ডে বেগম মুজিব, শিশু রাসেল থেকে শুরু করে অন্তঃস্বত্তা নারী- কেউ রেহায় পায়নি।

ইডেন মহিলা কলেজ শাখা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক তাসলিমা অাক্তারের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন কলেজের অধ্যক্ষ শামসুন নাহার, আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা, আওয়ামী লীগের সদস্য মেরিনা জাহান, পারভীন জামান কল্পনা, মারুফা অাক্তার পপি প্রমুখ।

নিউজবিডি৭১/আ/আগস্ট ১৬ ,২০১৮




কেমন আছেন সাবেক পরিবেশ ও বনমন্ত্রী তরিকুল ইসলাম?

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : বিগত চারদলীয় জোট সরকারের সময় তথ্য এবং পরিবেশ ও বনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা এম তরিকুল ইসলামের একটি ছবি দেখে হতবাক হয়ে গেছে সোশ্যাল মিডিয়া। বিএনপির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যের এমন ছবি কয়েকদিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। যা দেখে কেউ চিনতেই পারবে না। শক্তপোক্ত লোকটি অসুস্থ হয়ে কেমন অসহায় হয়ে গেছেন। চাহনিতে যেন উদাস। কেন এই হাল?

জানা গেছে নানা রোগে আক্রান্ত হয়েই একেবারে অসুস্থ হয়ে গেছেন বিএনপির এই গুরুত্বপূর্ণ নেতা। হৃদরোগ,ডায়াবেটিস, শ্বাসকষ্টসহ বার্ধ্যকজনিত নানা রোগে ভুগছেন দেশের বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ। প্রায় এক বছর যাবৎ নিয়মিত তার কিডনি ডায়ালাইসিস করাতে হচ্ছে। চিকিৎসকদের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্যে গত মার্চে সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হসপিটাল থেকে চিকিৎসা করানো হয়। কিন্তু অবস্থার পরিবর্তন নেই।

তরিকুল ইসলামের ছোট ছেলে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, সিঙ্গাপুরের একটা সিটিস্ক্যান করাতে হবে। সেটার রিপোর্ট পেলেই সিদ্ধান্ত হবে বাবাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হবে কি না। তাঁর চলাফেরা এখন অনেকটাই কঠিন বলে জানালেন তিনি।

এই অসুস্থতার খবর তার সংগঠনের নেতারা কতটা জানে? বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ বলেন, জানি তিনি অসুস্থ। আমরা নিয়মিত তাঁর খোঁজ খবর নিচ্ছি। এছাড়াও উচ্চ পর্যায়ের নেতারাও তরিকুলের খোঁজ নিচ্ছেন বলে জানালেন ছেলে অমিত

নিউজবিডি৭১/আ/আগস্ট ১৬ ,২০১৮




ছাত্রছাত্রীদের হয়রানি ও নির্যাতন করা হচ্ছে : বিএনপি

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনে জড়িত ছাত্রছাত্রীদের হয়রানি ও নির্যাতন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানী নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ অভিযোগ করেন।

বিএনপি নেতা বলেন, ‘চলমান অরাজনৈতিক শিশুকিশোরদের আন্দোলনকে পৈশাচিক কায়দায় দমন করতে তাদের আসামি করা হয়েছে। অবৈধ সরকার দেশের রাজনীতিকে প্রতিহিংসাপরায়ণ ও সংঘাতময় করে তুলেছে। আইনের যথেচ্ছ অপপ্রয়োগের দ্বারা সরকারবিরোধী দলকে নিশ্চিহ্ন করতে উন্মাদ হয়ে পড়েছে।’ তিনি শিশু-কিশোরদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও রিমান্ড প্রত্যাহার করে তাদের মুক্তির দাবি করেন।

রিজভী বলেন, ‘নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিশু-কিশোরদের চলমান আন্দোলনে সামাজিক গণমাধ্যমে উসকানি ও সহিংসতার মিথ্যা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন থানায় ৫১টি মামলায় প্রায় শখানেক ছাত্রছাত্রীকে আটক করা হয়েছে। অনেক ছাত্রছাত্রীকে ওই মামলাগুলোতে আসামি করা হয়েছে। এই কোমলমতি শিশু-কিশোরদের আন্দোলন বিশ্বের ইতিহাসে নজিরবিহীন। তারা মানুষের বিবেককে নাড়া দিয়েছে। সমাজের অগ্রগণ্য মানুষরাও বিস্মিত হয়েছে। তাঁরা যা পারেননি শিশু-কিশোররা চোখে আঙুল দিয়ে সেটা করে দেখিয়েছে।’

বিএনপিরর এ নেতা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, শিশু-কিশোররা পথ দেখিয়েছে। কিন্তু এখন আন্দোলনরত শিশু-কিশোররা যে পথ দেখছে তাতে তারা প্রতিদিনই শিহরিত হয়ে উঠছে। তাদের তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, রিমান্ডের হাড়-হিম করা অকথ্য নির্যাতন করা হচ্ছে, এরপর পাঠানো হচ্ছে জেলখানায়। মুখে যাই বলুক, সরকার শিশু-কিশোরদের সঙ্গে নিষ্ঠুর প্রতিশোধের খেলায় মেতে উঠেছে। অভিভাবকরা বাচ্চাদের জীবন নিয়ে শঙ্কিত, ভীত, শিহরিত।’

বিএনপি জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘এখন শুধু ছাত্ররাই নয়, ছাত্রীরাও রেহাই পাচ্ছে না আটক ও জুলুমের করালগ্রাস থেকে। গোয়েন্দা পুলিশ একটার পর একটা ছাত্রী আটকের লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হলের সামনে থেকে সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের তাসনিম ইমিকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। তাকে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে কয়েক ঘণ্টা নির্মম প্রহর গুনতে হয়। ইমির আটকের ১২ ঘণ্টা পর ইডেন কলেজের কোটা আন্দোলনের আরেক নেত্রী লুৎফুন্নাহার রুমাকে সিরাজগঞ্জে বেলকুচি থানার একটি গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পরে তাকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। এই জালিম সরকারের হাত থেকে বাঁচতে আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ছাত্রী ও সমর্থনকারী নারীরাও রেহাই পাচ্ছে না। এই সব ঘটনায় জাতির সম্ভ্রম ধুলায় লুটিয়ে গেলেও সরকারের চণ্ডমূর্তির কোনো পরিবর্তন হয়নি।’

বিএনপি নেতা বলেছেন, ‘সরকারের অন্যায় আর জুলুমের শিকার হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। দেশনেত্রী বেগম জিয়াকে সব অধিকার থেকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছে। এমননি অসুস্থ দেশনেত্রীকে সুচিকিৎসা না দিয়ে তাঁর জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া সরকারের চক্ষুশূল। তাই প্রতিহিংসার জ্বালা মিটাতেই অন্যায়ভাবে বানোয়াট অসত্য মামলা দিয়ে অন্যায়ভাবে সাজা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ এখন জুলুমের গ্যাস চেম্বারে পরিণত করা হয়েছে। দেশের সর্বত্র রক্ত ঝরছে।’

নিউজবিডি৭১/আ/আগস্ট ১৬ ,২০১৮




জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানাবেন ড. কামাল

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও ভোটাধিকার রক্ষায় জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানাবেন বিশিষ্ট আইনজীবী ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন।

আগামী ২২ সেপ্টেম্বর রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐক্য প্রক্রিয়ার ব্যানারে আহূত সমাবেশ থেকে এ আহ্বান জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।

কোনো কারণে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি না মিললে বিকল্প ভেন্যু হিসেবে জাতীয় প্রেসক্লাবের মিলনায়তনও ঠিক করে রাখা হবে এই সমাবেশের জন্য।

শাসক দল আওয়ামী লীগ, তাদের শরিক দলগুলো এবং জামায়াতে ইসলামী বাদে দেশে সক্রিয় ডান-বাম-প্রগতিশীল ঘরানার প্রায় সবক’টি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের এতে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হবে।

বুধবার ড. কামাল হোসেনের বেইলী রোডের বাসায় ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতাদের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

ঐক্য প্রক্রিয়ার সদস্য সচিব ফরোয়ার্ড পার্টির চেয়ারম্যান আবম মোস্তফা আমিন, সদস্য সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহেমদ ছাড়াও বৈঠকে গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু, কেন্দ্রীয় নেতা আওম শফিকউল্লাহ, জগলুল হায়দার আফ্রিক, মোস্তাক হোসেন প্রমুখ অংশ নেন।

বৈঠকে আগামী ২২ সেপ্টেম্বরের সমাবেশ সফল করা, সমাবেশ থেকে কী ঘোষণা দেয়া হবে, সমাবেশে কাদেরকে আমন্ত্রণ জানানো হবে- এ বিষয়গুলো চূড়ান্ত করাসহ দেশের সর্বশেষ রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন ঐক্য প্রক্রিয়া ও গণফোরাম নেতারা।

জানতে চাইলে এ প্রসঙ্গে ঐক্য প্রক্রিয়ার সদস্য সচিব আবম মোস্তফা আমিন বুধবার বলেন, দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। অথচ নির্বাচন না হলে গণতন্ত্র কখনোই প্রতিষ্ঠিত হবে না। তবে এটাও ঠিক, আমরা আরও একটি ৫ জানুয়ারির মতো প্রহসনের নির্বাচন দেখতে চাই না। দেশের মানুষও আর এ ধরনের নির্বাচন হোক তা চায় না।

তিনি বলেন, আগামী নির্বাচন হতে হবে অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ। অবশ্যই এই নির্বাচন হতে হবে সব দলের অংশগ্রহণে। এর আগে নির্বাচন কমিশনকে পুনর্গঠন করতে হবে। আর এসব দাবিতে আমরা একটি জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছি। ২২ সেপ্টেম্বরের সমাবেশ সেই উদ্যোগের প্রথম ধাপ। আশা করি সরকার আমাদের এই উদ্যোগে বাধা হবে না।

জনমত গড়তে সেপ্টেম্বরজুড়ে সভা সমাবেশ করবে যুক্তফ্রন্ট

এদিকে অগণতান্ত্রিক শক্তির বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলাসহ জনগণের সম্মিলিত শক্তিকে জোরদার করার লক্ষ্যে আগামী সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে গণসংযোগ, জনসভা ও সভা-সমাবেশ করবে যুক্তফ্রন্ট।

বুধবার জোটের চেয়ারম্যান ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ডা. এ.কিউ.এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর সভাপতিত্বে তার বারিধারার বাসভবন “মায়া-বি”তে অনুষ্ঠিত যুক্তফ্রন্টের এক অনির্ধারিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বৈঠকে বক্তব্য রাখেন- জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের জেএসডির সভাপতি আ.স.ম আবদুর রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বিকল্পধারার মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নান, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন ও বিকল্পধারার সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার ওমর ফারুক।

সূত্র জানায়, বৈঠকে যুক্তফ্রন্টের কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা শেষে ঈদুল আজহার পর থেকে পুরো সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সাংগঠনিক সভা-সমাবেশ, জনসভা ও গণসমাবেশ করার কর্মসূচি নেয়া হয়।

বৈঠক সূত্রে বলা হয়, যুক্তফ্রন্টের এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো জনমত গঠন এবং অগণতান্ত্রিক শক্তির বিরুদ্ধে জনগণের সম্মিলিত শক্তিকে জোরদার করা।

বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তে বলা হয়, যুক্তফ্রন্টের উদ্দেশ্য হলো, দেশের সব জনগণকে একতাবদ্ধ করা, অত্যাচার, স্বৈরাচার এবং গণতন্ত্রবিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে জাতীয় চেতনা সৃষ্টি, জনগণকে ভবিষ্যতে ইতিবাচক রাজনীতিতে উদ্বুদ্ধ করা এবং এই মতবাদ ও মর্মে যারাই বিশ্বাসী এই ধরনের সব রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের যুক্তফ্রন্টে স্বাগত জানানো।

বৈঠকের আরেক সিদ্ধান্তে বলা হয়, নিরাপদ সড়কের দাবিতে ছাত্র আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে সরকার যে নির্যাতন করেছে যুক্তফ্রন্ট তার জন্য তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

বৈঠকে ফ্রন্ট নেতারা বলেন, পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে, তাই ঈদের আনন্দ নিগৃহীত ছাত্ররা যাতে পিতা-মাতা ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে উপভোগ করতে পারে এই সুযোগ তাদের দিতে হবে। তারা ঈদের আগেই আটক ছাত্রদের মুক্তি দেয়ার আহ্বান জানান।

নিউজবিডি৭১/আ/আগস্ট ১৬ ,২০১৮




জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সকল অপশক্তিকে প্রতিহত করা হবে : ওবায়দুল কাদের

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সকল অপশক্তিকে প্রতিহত করা হবে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন: আজকের এই দিনে আমাদের শপথ হবে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে কোনো অপশক্তি, বিশেষ করে সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে পরাজিত করব, প্রতিহত করব।

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

কাদের বলেন: আমরা শঙ্কার মধ্যেই এগিয়ে যাই। মৃত্যুর মিছিলে দাঁড়িয়ে আমরা জীবনের জয়গান গাই, ধ্বংসস্তুপের উপর দাঁড়িয়ে আমরা সৃষ্টির পতাকা উড়াই-এটাই আওয়ামী লীগের ইতিহাস।

যোগ করেন: আজ বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনেই সীমিত থাকলে চলবে না। আমরা আজ বঙ্গবন্ধুর সততা, বঙ্গবন্ধুর সাহসের দৃষ্টান্ত যদি অনুসরণ করি তাহলেই বঙ্গবন্ধুর প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। বঙ্গবন্ধু আজ নেই তার কন্যা শেখ হাসিনা এখন বাঙালির মুক্তির সংগ্রামের আপোষহীন কাণ্ডারী বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সারা বাংলাদেশে নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ বলেও সাংবাদিকদের জানান তিনি।

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড পৃথিবীর অন্যতম নৃশংসতম হত্যাকাণ্ড মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সাংগঠনিক এ নেতা বলেন: পৃথিবীতে জুলিয়াস সিজার থেকে শুরু করে যত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে তার মধ্যে সবথেকে নৃশংসতম এবং বর্বরতা পৈচাশিক হত্যাকাণ্ড পঁচাত্তরের পনেরই আগস্ট, এই হত্যাকাণ্ড। অন্যান্য রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডে অবলা নারী ছিল না, অবুঝ শিশু ছিল না, অন্তঃসত্ত্বা নারী ছিল না। কিন্তু এখানে ছিল।

খালেদা জিয়ার মুক্তি না হলে বিএনপি নির্বাচনে আসবে না। বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় কাদের বলেন: লিগ্যাল ব্যাটেলে যান। এখানে আওয়ামী লীগের কোনো বিষয় নেই, সরকারের কোনো বিষয় নেই। এটা আইনি প্রক্রিয়া।

শিক্ষার্থীদের অরাজনৈতিক আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন: যৌক্তিক আন্দোলনের যৌক্তিক দাবি মেনে নেওয়ার মতো সৎ সাহস প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আছে।

নিউজবিডি৭১/এম কে/১৫ আগস্ট, ২০১৮




‘আওয়ামী লীগ ফের ক্ষমতায় এলে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনা হবে’

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : আগামীতে আওয়ামী লীগ ফের ক্ষমতায় এলে বিদেশে পালিয়ে থাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনিদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হবে। ইতোমধ্যে আমেরিকায় থাকা রাশেদ চৌধুরীকে ফেরানোর ব্যাপারে আমেরিকা সরকারের সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসু হয়েছে।বললেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় এক শোকসভা ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, কানাডায় থাকা নূর চৌধুরীকেও দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। তবে কানাডায় আইন আছে- যদি কোনো দেশে অন্যায়ের জন্য মৃত্যুদণ্ড সাজা থাকে তাহলে তাকে সে দেশে পাঠানো হয় না। কারণ কানাডা শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডকে সমর্থন করে না।

তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন হোক তা বিএনপি চায় না। শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল করেছেন সেটা বিএনপি চায় না। তারা চায় বাংলাদেশে পাকিস্তান হোক। দেশ পিছিয়ে যাক।

মন্ত্রী বলেন, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে ডিসেম্বরে যে নির্বাচন হবে তাতে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে আবার ক্ষমতায় আনতে হবে। তাই আপনারা নিজ এলাকার নৌকা মার্কার প্রার্থীকে ভোট দিয়ে জয়ী করুন।

আখাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শোক সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, আখাউড়া পৌরসভার মেয়র তাকজিল খলিফা, আখাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক আবুল কাশেম ভূঁইয়া প্রমুখ।

নিউজবিডি৭১/আ/আগস্ট ১৪ ,২০১৮




রাজধানীতে বিএনপির সমাবেশ ১ সেপ্টেম্বর!

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আগামী ১ সেপ্টেম্বর রাজধানীতে সমাবেশ করবে বলে জানিয়েছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ১ সেপ্টেম্বর আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলীয় কার্যালয়ের সামনে অথবা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি চাইবো। এ উপলক্ষে গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও ডিএমপি কমিশনারকে চিঠি দেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, মুনির হোসেনসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

রিজভী বলেন, ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে বুধবার সকাল ১১টায় নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এবং সন্ধ্যায় গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দোয়া মাহফিল হবে বলে জানান রিজভী।

এছাড়া দলের পূর্বঘোষণা অনুযায়ী সারাদেশে জেলা-উপজেলায় খালেদা জিয়ার দীর্ঘায়ু ও আশু রোগ মুক্তি কামনায় এই দোয়া মাহফিল হবে।

নিউজবিডি৭১/আ/আগস্ট ১৪ ,২০১৮




আমার চেয়ে কেউ বড় আওয়ামী লীগার হবেন না : ওবায়দুল কাদের

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : রাজনীতিবিদরা ঠিক হলে সব ঠিক হয়ে যাবে। এ জন্য সবার আগে রাজনীতিবিদদের ঠিক হতে হবে। রাজনীতিবিদরা ঠিক হলে পুলিশও ঠিক হবে। অনেকে বলেন, পুলিশ চাঁদাবাজি করে। আমরা রাজনীতিবিদরা কি চাঁদাবাজি করি না? রাজনীতিবিদরা চাঁদাবাজি না করলে পুলিশও চাঁদাবাজি করবে না।

বললেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সোমবার (১৩ আগস্ট) রাতে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত শোক দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমার চেয়ে কেউ বড় আওয়ামী লীগার হবেন না, প্লিজ। আপনাদের আওয়ামী লীগার হওয়ার দরকার নেই। এতদিন ধরে যেভাবে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ও অসহিংসার পক্ষে কাজ করেছেন সেটিই করে যাবেন। আপনাদের কাছে নিরপেক্ষতা আশা করি।

সেতুমন্ত্রী বলেন, কি করে দলীয় ক্যাডারদের স্কুল পোশাক পরিয়ে রাস্তায় নামানো হয়েছিল? তারা কি করে স্কুল ব্যাগে শিল, নুড়ি, চাপাতি নিয়েছিল? এটা কি সত্য নয়? এটা কি অস্বীকার করার মতো?

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, রাজধানীর জিনজিরা থেকে স্কুল পোশাক ও ভুয়া আইডি কার্ড বানিয়ে অনেককে আন্দোলনে নামানো হয়েছিল। যেভাবে ভুয়া আইডি কার্ড বানানো হয়েছে, দুদিন পর সংসদ সদস্যেরও ভুয়া কার্ড তৈরি হবে। আছাদ ( ডিএমপি কমিশনার) সাহেব এসব সিরিয়াসলি দেখেন। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন।

কাদের বলেন, যারা মুখ ঢেকে লাইভে বলে মেয়েদের ধর্ষণ করা হয়েছে, এরা কারা? এরা জাতির শত্রু। এদের চিনে রাখতে হবে। সড়কে শৃঙ্খলা আগে ছিল না, এখনও নেই।

প্রকৌশল ও শক্তি প্রয়োগের চেয়ে সবার সচেতনতা বেশি প্রয়োজন। মানসিকতা পরিবর্তন না হলে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরবে না। শুধু কি চালকরা বেপরোয়া, পথচারীরা বেপরোয়া নয়?

অনেককে দেখি কানে হেড ফোন লাগিয়ে রাস্তা পারাপার হন।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সংলাপের পথ বন্ধ করে দিয়েছেন মন্তব্য করে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, তার ছেলে কোকো যখন মারা গেল, তখন প্রধানমন্ত্রী তার বাড়ির গেটে গেছেন কিন্তু তিনি গেট খোলেননি। তাদের সঙ্গে কি করে সংলাপ করবো। তিনি তো তার ঘরের দরজা বন্ধ করে দিয়ে সংলাপের দরজা বন্ধ করে দিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাফর ইকবাল। তিনি বলেন বঙ্গবন্ধুকে অস্বীকার করা মানে বাংলাদেশকে অস্বীকার করা। এদেশে রাজনীতি করতে হলে বঙ্গবন্ধুকে স্বীকার করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিশ্বাস করতে হবে।

জাফর ইকবাল আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু শুধু কিছু সৈনিকদের হাতে মারা যাননি। এর পেছনে বড় বড় রাষ্ট্রের ষড়যন্ত্র রয়েছে। আমরা বিশাল ষড়যন্ত্রে শিকার হয়েছি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা যত বড় অপরাধ, তার চেয়ে বড় অপরাধ তাকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা।

কে বেশি অপরাধী; যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল তারা, নাকি যারা তাকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলতে চেয়েছিল? যিনি দেশটি উপহার দিয়েছিলেন, একটা সময় সেই দেশের টেলিভিশনে তাকে দেখানো হয়নি।

জাফর ইকবাল বলেন, ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা একটা সময় প্রশ্ন করতো স্বাধীনতার ঘোষক কে? এদেশের শিক্ষার্থীদের বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের ইতিহাস ভিন্নভাবে পড়ানো হতো। তারা এখন জেনে গেছে একটা ঘোষণা দিয়ে একটা দেশ স্বাধীন হয় না। এখন আর তারা এ প্রশ্নটা করে না, তারা এখন সঠিক ইতিহাস জানে।

নিউজবিডি৭১/আ/আগস্ট ১৪ ,২০১৮




আ.লীগের আয়-ব্যয় দুটোই বেড়েছে!

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : গত বছর (২০১৭) আওয়ামী লীগের আয় ও ব্যয় দুটোই বেড়েছে বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, ২০১৭ সালে দলটির আয় হয়েছে ২০ কোটি ২৪ লাখ ৯৬ হাজার ৪৩৬ টাকা এবং ব্যয় হয়েছে ১৩ কোটি ৬৩ লাখ ৪৮ হাজার ৩১৯ টাকা। ফলে বর্তমানে ক্ষমতাসীন এ দলটির তহবিলে উদ্বৃত্ত রয়েছে ৬ কোটি ৬১ লাখ ৪৮ হাজার ১১৭।

আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের কাছে মঙ্গলবার দুপুরে দলের বার্ষিক হিসাব জমা দিতে যান দফতর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন ও বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবদুর সবুর। এরপর দলের আয় ও ব্যয়ের খাতের ব্যাপারে আব্দুস সোবহান গোলাপ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আয়ের প্রধান উৎসের মধ্যে রয়েছে— দলের নতুন ভবন নির্মাণের অনুদান, দলের সদস্যদের কাছ থেকে পাওয়া বার্ষিক চাঁদা, ব্যাংকের টাকা থেকে লাভ ইত্যাদি। আর ব্যয়ের প্রধান খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে— দলের ভবন নির্মাণ, কর্মচারীদের বেতন-বোনাস, আপ্যায়ন, সভা-সেমিনার, ইউটিলিটি বিল ইত্যাদি।’

আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ জানান, নতুন ভবন নির্মাণে প্রায় ১০ কোটি টাকার মতো অনুদান পাওয়া গেছে এবং সমপরিমাণ অর্থ সেখানে তারা ব্যয় করেছে।

ইসি’র তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালে আওয়ামী লীগের আয় হয়েছিল ৪ কোটি ৮৪ লাখ ৩৪ হাজার ৯৭ টাকা এবং ব্যয় হয়েছে ৩ কোটি ১ লাখ ৮৪ হাজার ৭৯৯ টাকা। উদ্বৃত্ত রয়েছে ১ কোটি ৮২ লাখ ৪৯ হাজার ২৯৯ টাকা। ২০১৫ সালে দলটির আয় হয়েছিল ৭ কোটি ১১ লাখ ৬১ হাজার ৩৭৫ টাকা। ব্যয় হয়েছিল ৩ কোটি ৭২ লাখ ৮১ হাজার ৪৬৯ টাকা। অর্থাৎ সে সময় দলটি প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা উদ্বৃত্ত দেখিয়েছিল।

ইসিতে জমা দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে বিএনপির মোট আয় হয়েছে ৯ কোটি ৪৬ লাখ ২৪ হাজার ৯০২ টাকা। মোট ব্যয় হয়েছে ৪ কোটি ১৯ লাখ ৪১ হাজার ৯৫৪ টাকা। উদ্বৃত্ত হিসাবে ৫ কোটি ২৬ লাখ ৫২ হাজার ৯৪৮ টাকা হাতে বা ব্যাংকে রয়েছে।

এদিকে, এবার জাতীয় পার্টির (জাপা) আয় বেড়েছে। ২০১৭ সালে দলটি আয় করেছে ১ কোটি ৮ লাখ ৫৫ হাজার ২৪০ টাকা। এসময় দলটি ব্যয় করেছে ১ কোটি ৭ লাখ ১৭ হাজার ৩৬১ টাকা। একলাখ টাকারও বেশি উদ্বৃত্ত রয়েছে জাতীয় পার্টির।

২০০৮ সালে নিবন্ধন প্রথা চালুর পর গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ মেনে প্রতিবছর আর্থিক লেনদেনের হিসাব দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর। প্রতি বছরের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে পূর্ববর্তী বছরের হিসাব দেওয়ার বিধান রয়েছে। আওয়ামী লীগসহ সাতটি দল সময় মতো হিসাব দিতে না পারায় ইসিতে আবেদন করে ১৫ দিন সময় বাড়িয়ে নেয়।

প্রসঙ্গত, কোনও দল পরপর তিন বছর আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা না দিলে ইসি চাইলে তাদের নিবন্ধন বাতিল করতে পারে।

নিউজবিডি৭১/আ/আগস্ট ১৪ ,২০১৮




বিএনপির ‘বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট’ ঈদের পর!

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : ঈদুল আজহার পর আত্মপ্রকাশ করছে বিএনপির নতুন নির্বাচনী জোট। প্রাথমিকভাবে ‘বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট’ নামে এই জোটের নাম ঠিক করা হয়েছে।

সোমবার রাতে গুলশানের বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলটির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভায় এ বিষয়ে আলোচনা হয় বলে জানা গেছে। রাত পৌনে ৮টায় শুরু হয়ে ওই সভা চলে প্রায় রাত ১০টা পর্যন্ত।

সভার বিষয়ে গণমাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলা না হলেও দলীয় সূত্র জানায়, ক্ষমতার বাইরে থাকা বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল নিয়ে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গঠন এবং নির্দলীয় নির্বাচনকালীন সরকারের দাবিতে রাজপথে নামার পরিকল্পনারও বেশ অগ্রগতি হয়েছে। প্রাথমিকভাবে বিএনপির নতুন রাজনৈতিক জোটের নাম ঠিক করা হয়েছে ‘বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট’। পাশপাশি সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি, বর্তমান সঙ্কট নিরসনে ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে সংলাপ ও নির্বাচনের প্রস্তুতির বিষয়ে কর্মপরিকল্পনা কিছু খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে।

এছাড়াও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দলের তৃণমূল থেকে পাওয়া মতামতের ভিত্তিতে আগামী দিনের আন্দোলনের রূপরেখার একটি সার-সংক্ষেপ তৈরি করেছেন বিএনপির নীতিনির্ধারকরা। এতে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নিরপেক্ষ সরকারের দাবিতে রাজপথে জোরালো আন্দোলনের রোডম্যাপের খসড়া প্রস্তুত হয়েছে। ঈদের পর কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে আরেক দফা আলোচনা করে তা দলের হাইকমান্ডের কাছে উপস্থাপন করা হবে। হাইকমান্ডের অনুমোদন সাপেক্ষে বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে।

জানা গেছে, সভার আলোচনার বিষয়াদির কপি লন্ডনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হবে। রূপরেখার খসড়া নিয়ে কারাবন্দি দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে ঈদের আগেই দেখা করবেন সিনিয়র নেতারা। সেই লক্ষ্যে তার সঙ্গে দেখা করার অনুমতি চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আগে ভাগেই আবেদন করে রেখেছেন নেতারা। সেখানে দলীয় সকল সিদ্ধান্তের বিষয়ে খালেদা জিয়ার সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করবেন তারা।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে ওই সভায় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাহাবুবুর রহমান, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান অংশ নেন।

নিউজবিডি৭১/আ/আগস্ট ১৪ ,২০১৮




আসছে ১৫ আগস্ট হৃদয়বিদারক-মর্মস্পর্শী শোকের দিন

নিউজবিডি৭১ডটকম

ঢাকা: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩ তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস ১৫ আগস্ট। ১৯৭৫ সালের এ দিনে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শাহাদত বরণ করেন। এটি বাঙালি জাতির সবচেয়ে হৃদয়বিদারক-মর্মস্পর্শী শোকের দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনের কালরাত্রিতে ঘটেছিল ইতিহাসের সেই কলঙ্কজনক ঘটনা।

১৫ আগস্ট ১৯৭৫ বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক বেদনাবিধুর ও কলঙ্কজনক অধ্যায়। নৃশংস ওই ঘটনায় বাংলার  অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সেদিন তাঁর পরিবারের বাইশ সদস্যসহ নিহত হন। চক্রান্তকারী ঘাতকেরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে তাঁর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্নকে ধুলিসাৎ করতে চেয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের, আদর্শের মৃত্যু ঘটাতে চেয়েছিল। কিন্তু তারা তা পারেনি বরং এদেশের নতুন প্রজন্ম আজ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জ্বীবিত হয়েছে বলে বাংলাদেশ আজ একটি সুখী-সমৃদ্ধ, জ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক দেশ হিসাবে এগিয়ে চলেছে।

এরই মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যেম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। বর্তমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ ২০২১ সালে সমৃদ্ধ মধ্যেম আয়ের দেশে এবং ২০৪১ সালে উন্নত দেশে পরিণত হবে। এছাড়াও এসডিজি এর ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হবে। শোকাবহ এ দিনে আমি গভীর শ্রদ্ধা জানাই মহান স্বাধীনতার স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর পরিবারের শহীদ সদস্যদের স্মৃতির প্রতি। একই সাথে জাতীয় শোক দিবসে পরম করুণাময় আল্লাহর কাছে সে-দিনের সকল শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

জাতির পিতা অমর হোক। জয় বাংলা – জয় বঙ্গবন্ধু- মো. মনির হোসেন (মনির), সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ৪৯নং ওয়ার্ড্ আওয়ামী লীগ (কাওলা), দক্ষিণখান ইউনিয়ন।

নিউজবিডি৭১/এ এল/আগস্ট ১৪ ,২০১৮