৫৯৯ টাকায় তিন সেট থ্রি-পিস

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা :
ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে একাধিক প্রতিষ্ঠান মাত্র ৫৯৯ টাকায় তিন সেট থ্রি-পিস বিক্রি করছ। পাশাপাশি বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ৯৯৯ টাকার প্যাকেজেও দিচ্ছে তিন সেট থ্রি-পিস। আছে এক হাজার টাকায় দুই সেট থ্রি-পিস কেনার অফারও। দেশি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বিদেশিদের নামে নেয়া প্যাভিলিয়নেও এ অফার দেয়া হচ্ছে।

স্টলের মো. কামাল নামে এক বিক্রয় কর্মী বলেন, আমরা গোল্ডেন অফারের আওতায় ক্রেতাদের ৫৯৯ টাকায় তিন সেট থ্রি-পিস দিচ্ছি। এটা ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে একধরনের ব্যবসায়িক কৌশল। অফারের বাইরে আমারা আলাদা আলাদাভাবে থ্রি-পিস বিক্রি করছি।

তিনি বলেন, ৫৯৯ টাকায় তিন সেট থ্রি-পিস দেয়া হলেও মেলার প্রথম চার দিনে একটি প্যাকেজও বিক্রি হয়নি। ক্রেতা-দর্শনার্থীরা এসে প্যাকেজের আওতায় থাকা থ্রি-পিস দেখে ঘুরে চলে যাচ্ছেন। আমরা আসলে এই প্যাকেজ নিয়ে এসেছি ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে, তারা না কিনলেও সাইনবোর্ডে লেখা দেখে স্টলের ভিতরে আসছেন।

বিক্রয় পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মেলা কেবলই শুরু হলো, এখনও এক সপ্তাহ যায়নি। এখন ক্রেতা-দর্শনার্থীরা ঘুরে ঘুরে পণ্য দেখছেন। আশা করছি আগামী সপ্তাহ থেকে বিক্রি শুরু হবে। আমাদের কাছে বিভিন্ন মানের থ্রি-পিস আছে। ক্রেতারা ১ হাজার ৩০০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে ভালো মানের থ্রি-পিস কিনতে পারবেন।

স্টলটিতে থ্রি-পিস দেখতে আসা রাইসা নামের একজন বলেন, ৫৯৯ টাকায় তিন সেট থ্রি-পিস পাকেজের আওতায় যে সব থ্রি-পিস বিক্রি করা হচ্ছে তা খুবই নিম্নমানের। এসব থ্রি-পিস আসলে পরার উপযোগী না। তবে কেউ কেউ বাসায় ব্যবহারে জন্য হয় তো এগুলো কিনে নিয়ে যাবেন।

মিরপুরে এই বাসিন্দা বলেন, প্যাকেজের থ্রি-পিসগুলো নিম্নমানের হলেও স্টলটিতে ভালোমানেরও কিছু থ্রি-পিস আছে। আমার বেশ কয়েকটি পছন্দ হয়েছে, তবে আজ একটিও কিনিনি। আজ দেখে যাচ্ছি, আরেক দিন এসে কিনব।

বাহারি পোশাকের পসরা সাজানো হয়েছে মেলার আরেকটি প্যাভিলিয়ন মাই গ্যালারিতে। সেখানে এক সেট থ্রি-পিস ৬৫০ টাকা এবং দুই সেট ১ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন দামের থ্রি-পিস।

প্রতিষ্ঠানটিতে বিক্রয় কর্মীর দায়িত্ব পালন করা মো. রফিক নামের একজন বলেন, তাদের থ্রি-পিস থাইল্যান্ড থেকে আনা হয়েছে; মান খুবই ভালো। অফারের আওতায় যেগুলো বিক্রি করা হচ্ছে সেগুলো একটু নিম্নমানের। সাধারণত বাসায় ব্যবহারের জন্য ক্রেতারা এগুলো কিনবেন। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে অফার দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, মেলায় এখনও বিক্রি সেভাবে জমে ওঠেনি। এখন যারা আসছেন তাদের বেশিরভাগই বিভিন্ন স্টল ঘুরে ঘুরে দেখে যাচ্ছেন। আশা করছি মেলা ১০ দিন পার হলে বিক্রি জমবে। ক্রেতারা আমাদের এখান থেকে দেড় থেকে পাঁচ হাজার টাকা দামের থ্রি-পিস কিনতে পারবেন।

নিউজবিডি৭১/এম কে/ জানুয়ারি ১৪, ২০১৯




বাংলাদেশ হোন্ডার উৎপাদন শুরু

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : বিশ্বনন্দিত মোটরসাইকেল কোম্পানি হোন্ডা এবং বাংলাদেশ শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন স্টিল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশনের (বিএসইসি) যৌথ মালিকানায় বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেডের কারখানা উদ্বোধন করা হয়েছে।

এর মধ্য দিয়ে ২০১৭ সালের ৫ নভেম্বর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাত্র ১ বছরের মধ্যে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে যেতে সক্ষম হলো। রোববার শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ার চর বাউশিয়ার আব্দুল মোমেন ইকোনমি জোনে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইন্টার-পার্লামেন্ট ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট সাবের হোসেন চৌধুরী এমপি, বাংলাদেশ ইকোনমি জোনের নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী, বাংলাদেশ স্টিল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানি রাষ্ট্রদূত হিরোয়াসু ইজুমি।

উদ্বোধনকালে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন, ‘এটি জাপান ও বাংলাদেশের বিনিয়োগের একটি সফল দৃষ্টান্ত। গতকাল থেকে এতে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু হয়েছে।

এটি বাংলাদেশের জন্য একটি স্মরণীয় দিন। দীর্ঘ ৫ বছরের প্রচেষ্টায় হোন্ড ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল সংযোজন থেকে নিজস্ব ফ্যাক্টরিতে উৎপাদন শুরু হলো। আমার বিশ্বাস এর মাধ্যমে জাপান বাংলাদেশর দ্বি-পাক্ষিক বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।’

তিনি বলেন, ‘২০২১ সালের মধ্যে শিল্পসমৃদ্ধ মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণ সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার।

এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় তৃণমূল পর্যায়ে জ্ঞানভিত্তিক ও সবুজ শিল্পায়ন প্রসারে জোরদার করা হচ্ছে। এসজিডি লক্ষ্য অর্জনে আমরা টেকসই ও পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। বিশেষ করে পরিবেশবান্ধব আধুনিক শিল্প কারখানা গড়ে তুলতে দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন নীতি সহায়তা দিয়ে যাচ্ছি।’

শিল্পমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সরাসরি কিংবা যৌথ বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে।

এসব অর্থনৈতিক অঞ্চলে ইতোমধ্যে উন্নত দেশের উদ্যোক্তারা বিনিয়োগে এগিয়ে এসেছে। বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল আব্দুল মোনেম ইকোনমি জোনে গড়ে ওঠা আজকের এ মোটরসাইকেট ম্যানুফ্যাকচারিং কারখানাও বিদেশি বিনিয়োগের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রণোদনায় আকৃষ্ট হয়ে বাংলাদেশ হোন্ড লিমিটেড ২০১২ সালে এ দেশে বিনিয়োগে এগিয়ে আসে। সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী কারখানাটি নিজস্ব জায়গায় সংযোজন থেকে ম্যানুফ্যাকচারিং কার্যক্রম শুরু করেছে। দেশের জনগণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে সাশ্রয়ী মূল্যে বিশ্বমানের মোটরসাইকেল উৎপাদন আমাদের সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।’

মুন্সীগঞ্জে ২৫ একর জমিতে ২৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে যৌথভাবে এ কারখানা গড়ে তোলে হোন্ডা এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ স্টিল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন। হোন্ডার ৭০ ভাগ ও ৩০ ভাগ বিনিয়োগ করেছে বাংলাদেশ স্টিল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন। ১৪ হাজার আয়তনে এ ফ্যাক্টরিতে বছরে ১ লাখ মোটরসাইকেল উৎপাদনের ক্ষমতা রয়েছে। বাজারের প্রবণতা বুঝে এ ফ্যাক্টরিতে ২০২১ সালের মধ্যে ২ লাখ মোটরসাইকেল উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।

নতুন এ ফ্যাক্টরি চালু হওয়ায় যেমন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে, তেমনি এখানকার কর্মীরাও আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে জানতে ও কাজ করতে পারবে। বর্তমানে ৩৯০ জন জনবল নিয়ে কাজ শুরু করলেও বাজার সম্প্রসারণের সঙ্গে সঙ্গে জনবল বাড়ারও ব্যবস্থা নেবে কোম্পানিটি।

নিউজবিডি৭১/বিসি/নভেম্বর ১২, ২০১৮




তিন মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ৩২ হাজার কোটি টাকা

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : রফতানি আয়ে প্রবৃদ্ধি থাকলেও বেড়েছে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) সামগ্রিক বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৩৮৫ কোটি ২০ লাখ ডলার যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩২ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণসহ বড় বড় প্রকল্পের কাজ চলছে। এসব প্রকল্পের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম জোগান দিতেই আমদানি করতে হচ্ছে। রফতানি যে হারে বেড়েছে, আমদানি বেড়েছে তার প্রায় দেড়গুণ। ফলে রেমিট্যান্সের কিছুটা ইতিবাচক পরিস্থিতি সত্ত্বেও বহির্বিশ্বের সঙ্গে লেনদেনে বাংলাদেশের অবস্থার অবনতি হচ্ছে। বাড়ছে বাণিজ্য ঘাটতি। যার কারণে ডলারের চাপ বেড়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের করা হালনাগাদ প্রতিবেদনে তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮-১৯ অর্থবছরের তৃতীয় মাস শেষে ইপিজেডসহ রফতানি খাতে বাংলাদেশ আয় করেছে ৯৭৪ কোটি ৭০ লাখ ডলার। এর বিপরীতে আমদানি বাবদ ব্যয় করেছে এক হাজার ৩৫৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার। সেই হিসাবে সেপ্টেম্বর শেষে দেশে বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়ায় ৩৮৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার যা বাংলাদেশি মুদ্রায় (বিনিময় হার ৮৪ টাকা দরে) ৩২ হাজার ৩৫৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা ছাড়িয়েছে। যা গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের একই সময় ছিল ৩৬৫ কোটি ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, বহির্বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের চলতি হিসাব (-) ঋণাত্মক রয়েছে। তবে গত বছরের তুলনায় এ (-) ঋণাত্মক কমেছে। অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে চলতি হিসাবে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১৩৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৮১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। তবে এক মাসের ব্যবধানে চলতি হিসাব ঋণাত্মক বেড়েছে। অর্থবছরের প্রথম দ্বিতীয় আগস্টে শেষে ঘাটতি ছিল ৫ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত থাকার অর্থ হলো নিয়মিত লেনদেনে দেশকে কোনো ঋণ করতে হচ্ছে না। আর ঘাটতি থাকলে সরকারকে ঋণ নিয়ে তা পূরণ করতে হয়। সেই হিসাবে উন্নয়নশীল দেশের চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত থাকা ভালো।

এদিকে আলোচিত সময়ে সেবাখাতে বেতন-ভাতা বাবদ বিদেশিদের পরিশোধ করেছে ২৩৯ কোটি ৭০ লাখ ডলার। আর বাংলাদেশ এ খাতে আয় করেছে ১৫৯ কোটি ২০ লাখ ডলার। এ হিসাবে সেবায় বাণিজ্যে দেশে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৮০ কোটি ডলার। যা গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের একই সময়ে ছিল (ঘাটতি) ১০৫ কোটি ডলার। প্রথম তিন মাসে প্রবাসীদের আয় রেমিট্যান্স এসেছে ৩৮০ কোটি ৭০ লাখ ডলার, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩৩১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪ দশমিক ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, আলোচিত সময়ে দেশে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) এসেছে ৭২ কোটি ডলার, যা গত অর্থবছরের চেয়ে ৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ বেশি। এদিকে এফডিআই বাড়লেও দেশের শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ ব্যাপক হারে কমেছে। অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে শেয়ারবাজারে মাত্র ২ কোটি ৯০ লাখ ডলারের বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে। যা তার আগের অর্থবছরে ছিল ১৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার।

এদিকে দীর্ঘদিন স্থিতিশীল থাকার পর অক্টোবরে টাকার বিপরীতে ডলারের দাম বাড়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। অক্টোবরের আন্তঃব্যাংক ডলারের দামে বেড়েছে ৮ পয়সা। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এখন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি করছে ৮৩ টাকা ৮৫ পয়সা দরে।

নিউজবিডি৭১/বিসি/নভেম্বর ১২, ২০১৮




অর্ধেক ভাড়ায় রিজেন্ট এয়ারওয়েজে ভ্রমণের সুযোগ

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : ৮ম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ৬টি আন্তর্জাতিক এবং ৪টি অভ্যন্তরীণ রুটে টিকেট মূল্যের অর্ধেক ছাড় দিয়েছে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় এয়ারলাইন্স রিজেন্ট এয়ারওয়েজ। সব শ্রেণির মানুষ বিশেষ করে মধ্যবিত্তদের বেড়ানো সহজ ও সাশ্রয়ী করতে গত ৬ বছর ধরে বর্ষপূর্তিতে মূল্যছাড়ের এই বিশেষ অফার দিয়ে আসছে বেসরকারি এই বিমান সংস্থাটি।

ছাড়ের পর সকল ট্যাক্সসহ ঢাকা থেকে কলকাতা (যাওয়া-আসা) টিকিটের দাম পড়বে ৯,৪৯৯ টাকা, ঢাকা-ব্যাংকক ১৪,৯৯৯ টাকা, ঢাকা-সিঙ্গাপুর ১৮,৯৯৯ টাকা, ঢাকা-কুয়ালালামপুর ১৯,৯৯৯ টাকা, ঢাকা-মাসকাট ২৪,৪৯৯টাকা এবং ঢাকা-দোহা ২৫,৯৯৯ টাকা। অভ্যন্তরীণ রুটে (যাওয়া-আসা) টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম ৪,২৯৯ টাকা, ঢাকা-কক্সবাজার ৬,২৯৯ টাকা, ঢাকা-সৈয়দপুর ৪,২৯৯ টাকা ও ঢাকা-যশোর ৪,১৯৯ টাকা। অন্যদিকে চট্টগ্রাম থেকে কলকাতা যাওয়া-আসার খরচ পড়বে ৯,৪৯৯ টাকা, চট্টগ্রাম-ব্যাংকক ১৭,৯৯৯ টাকা, চট্টগ্রাম-মাসকাট ২৪,৪৯৯, চট্টগ্রাম-দোহা ২৫,৯৯৯ এবং চট্টগ্রাম-ঢাকা ৪,২৯৯ টাকা।

এ বিষয়ে রিজেন্ট এয়ারওয়েজের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (সিসিও) হানিফ জাকারিয়া বলেন, দেশে-বিদেশে বেড়ানো সাশ্রয়ী হওয়ায় প্রতিবছর রিজেন্টের এই আকর্ষণীয় অফারের অপেক্ষায় থাকে সব শ্রেণির মানুষ। যার মাধ্যমে গত ৬ বছরে বিপুল সংখ্যার ভ্রমণপিপাসু উপকৃত হয়েছেন।

একমাত্র রিজেন্টই ২০১৩ সাল থেকে এ ধরনের বিশেষ অফার দিয়ে আসছে বলে দাবি করেন তিনি।

হানিফ জাকারিয়া আরও জানান, রিজেন্টের দেশব্যাপী সেলস সেন্টার ও ট্রাভেল এজেন্ট থেকে আগামী ১০ ডিসেম্বর ২০১৮ এর মধ্যে সাশ্রয়ী মূল্যের এই টিকেট কেনা যাবে। ভ্রমণ করতে পারবে ১১ নভেম্বর থেকে আগামী বছরের (২০১৯) ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত যাত্রীর পছন্দ মতো সময়ে।

এ ছাড়া বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড গ্রাহকরা ইএমআই সুবিধায় সুদবিহীন (শূন্য %) সহজ কিস্তিতে এই টিকেট কিনতে পারবেন।

নিউজবিডি৭১/এম/নভেম্বর ১১, ২০১৮




এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক ৬১ কোটি ডলার সহায়তা দিচ্ছে

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) প্রাথমিক শিক্ষা ও প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবায় ৬১ কোটি ডলার সহায়তা দিচ্ছে। একটি সরকারি প্রকল্প ও অন্য একটি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারি প্রকল্পের (পিপিপি) জন্য এই সহায়তা দেওয়া হবে।

সূত্র জানিয়েছে, ম্যানিলাভিত্তিক উন্নয়ন সংস্থা এডিবি বাংলাদেশের চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য ৫০ কোটি ডলার সহায়তা দেবে। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মান সম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করা।

সংস্থাটি বাংলাদেশে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারি প্রকল্পের আওতায় শহরে প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়নে ১১ কোটি ডলার সহায়তা দেবে।

আজ বৃহস্পতিবার এ বিষয় অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) ও এডিবির মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে। ইআরডি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। ইআরডির সিনিয়র সচিব কাজী শফিকুল আজম এবং বাংলাদেশে এডিবির আবাসিক প্রধান মনমোহন প্রকাশ এই চুক্তিতে সই করবেন।

চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি-৪) আওতায় এডিবি সরকারকে দেশের প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে সহায়তা করবে। এই প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আরও ভবন নির্মাণের মাধ্যমে ক্লাস রুম সংকট কমানো, নতুন শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত কমিয়ে আনা। এর ফলে ডাবল শিফটের পরিবর্তে একক শিফটেই সব শিক্ষার্থির শিক্ষা নিশ্চিত করা যাবে।

এছাড়াও এই প্রকল্পের লক্ষ্য-উদ্দেশ্যের মধ্যে রয়েছে শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া, পরীক্ষা ও মূল্যায়ন পদ্ধতির পরিবর্তন, শিক্ষাদান প্রক্রিয়ায় আরও বেশী করে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার।

নিউজবিডি৭১/বিসি/অক্টোবর ২৮, ২০১৮




গাঞ্জাপ্রেনিউর: কানাডায় গাঁজা ব্যবসায়ীদের উত্থান

নিউজবিডি৭১ডটকম 
ঢাকাকানাডায় কখনো গাঁজা বৈধ হবে – এটাই একসময় বহু কানাডিয়ানের জন্য একটা ছিল ‘গাঁজাখুরি’ চিন্তা।

কিন্তু এখন আর তা নয়। আর কয়েকদিনের মধ্যেই – আসছে ১৭ই অক্টোবর – কানাডায় ‘আনন্দের জন্য গাঁজা সেবন’ বৈধ হয়ে যাচ্ছে।

কানাডাই হতে যাচ্ছে প্রথম জি-সেভেন দেশ যারা গাঁজা বৈধ করছে। এবং সাথে সাথেই যেটা ঘটতে যাচ্ছে তা হলো: গাঁজা উৎপাদন এবং বিক্রি এক বিরাট শিল্প হয়ে উঠতে যাচ্ছে।

যারা এই গাঁজা উৎপাদক-বিক্রেতা হতে যাচ্ছেন তাদের ইতিমধ্যেই নাম দেয়া হয়েছে ‘গাঞ্জাপ্রেনিউর’ – ইংরেজি এন্ট্রেপ্রেনিউর বা উদ্যোক্তা শব্দটির সাথে গাঁজা জুড়ে দিয়ে।

এদের একজন হচ্ছেন বিনয় টোলিয়া – তিনি এর আগে একটি হেজ ফান্ড বা বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান চালাতেন। তিনি এখন গাঁজা ব্যবসা শুরুর জন্য নতুন কোম্পানি করেছেন ‘ফ্লোআর’ নাম দিয়ে।

তার সাথে যোগ দিয়েছেন টম ফ্লো নামে আরেক ব্যবসায়ী। তারা ইতিমধ্যে গাঁজা চাষের জন্য ৮৪ হাজার বর্গফুটের এক বিশাল ফার্ম করেছেন। সেখানে অত্যন্ত আধুনিক উপায়ে তাপমাত্রা, আর্দ্রতা এবং বাতাসের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা হয় – যার পরিবেশ অনেকটা ফার্মাসিউটিক্যাল ল্যাবরেটরির মতো।

এখানে থাকবেন বিজ্ঞানী ও গবেষক – যারা গাছের জাত, এবং সেবনকারীদের দেহে এর প্রতিক্রিয়া নিয়ে কাজ করবেন।

ফ্লোআর বলছে, এখানে বিপুল পরিমাণে উচ্চমানের গাঁজা উৎপাদিত হবে।

পৃথিবীর বেশ কিছু দেশে এখন বিনোদনমূলক গাঁজা সেবন বৈধ করা হচ্ছে।পৃথিবীর বেশ কিছু দেশে এখন বিনোদনমূলক গাঁজা সেবন বৈধ করা হচ্ছে।

আরেক জনের নাম কেলি কোল্টার তিনি একটা গাঁজার ফার্ম করছেন – যা হবে ছোট আকারের। তিনি ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় এ জন্য দু’একর জমি লিজ নিয়েছেন।

“আমার ফার্ম হবে ছোট – অনেকটা ইতালির ছোট আঙুরের ক্ষেতের মতো। শীতের সময় আমরা বিশ্রাম নেবো”- বলছিলেন মিজ কোল্টার।

তার ফার্মের ব্যবসায় আবার কাজ করবেন শুধু নারীরা।

কেলি কোল্টারকেলি কোল্টার

শন রোবি নামে আরেক ব্যবসায়ী আবার ‘গাঁজা-পর্যটনের’ ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছেন।

তিনি একটি ওয়েবসাইট খুলেছেন যেখানে বিভিন্ন দেশে ১০০টি ছোট হোটেলের তালিকা আছে। সেখানে লোকে গিয়ে শুধু গাঁজা সেবনই নয়, গাঁজাসেবীদের ইয়োগা ক্লাস, প্রশিক্ষণ এবং আরো নানারকম উপভোগ্য ব্যবস্থা থাকবে।

নিউজবিডি৭১/বিসি/অক্টোবর ১৫, ২০১৮




মোবাইল ব্যাংকিংয়ে অর্থপাচারের ঝুঁকি বাড়ছে

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : মোবাইল ব্যাংকিংয়ের বেনামি লেনদেনে অর্থপাচারের ঝুঁকি বাড়ছে বলে মনে করছেন ৬৭ শতাংশ ব্যাংকার। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট- বিআইবিএমের গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। অর্থপাচার রোধে দেশের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা। এক্ষেত্রে দক্ষ জনবল বাড়ানোর পাশাপাশি নজরদারি বাড়ানোর পরামর্শ বিশ্লেষকদের।

আগে আর্থিক লেনদেন হতো শুধুমাত্র প্রচলিত ব্যাংকিং পদ্ধতিতে। কিন্ত গত কয়েক বছরে সে জায়গা দখল করে নিয়েছে এটিএম কার্ড, ই-ওয়ালেট, মোবাইল ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম।

কিন্ত আধুনিক এসব পদ্ধতিতে টাকা লেনদেন দ্রুত করা গেলেও ঝুঁকি বাড়ছে। বিআইবিএমের গবেষণা বলছে, বেনামি লেনদেন, সঠিক এজেন্ট নির্বাচন না করা, অসচেতনতা সহ বিভিন্ন কারনে বাড়ছে অর্থ পাচারের ঝুঁকি। আর মোবাইল ব্যাংকিংয়ে সবচেয়ে বেশি অনিয়ম পাওয়া গেছে বিআইবিএমের গবেষণায়।

প্রযুক্তির উন্নয়নের সুযোগ নিয়ে এ ধরনের অনিয়মে জড়িয়ে পড়ছে অনেকে। তবে রাজস্ব কর্মকর্তারা মনে করেন, প্রযুক্তিকে বাদ দিয়ে নয়, বরং এর দুর্বলতা চিহ্ণিত করে তা সমাধান করতে হবে।

অর্থপাচারের ঝুঁকি মোকাবেলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পাশাপাশি সব সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাকে একসাথে কাজ করার তাগিদ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের।

গ্রাহক লেনদেনের সব তথ্য অনলাইনে সংরক্ষন করা গেলে, অর্থপাচারের ঝুঁকি অনেকটা কমে আসবে বলেও মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজবিডি৭১/আ/অক্টোবর ১০, ২০১৮




জলবায়ু ও অর্থনীতির সমন্বয় করে দুই অর্থনীতিবিদের নোবেল জয়

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : অর্থনীতিতে এ বছর নোবেল পুরস্কার জিতেছেন উইলিয়াম ডি নর্ডহাউস এবং পল এম রোমার। জলবায়ু অর্থনীতির জন্য নর্ডহাউস এবং এন্ডোজেনাস গ্রোথ থিওরির জন্য রোমারকে এ পুরস্কার দেয়া হচ্ছে।

জলবায়ু পরিবর্তনকে দীর্ঘমেয়াদী ম্যাক্রোইকোনমিক বিশ্লেষণের সঙ্গে যুক্ত করার সম্মাননা হিসেবে এবার অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন উইলিয়াম নর্ডহাউস। তিনি গবেষণায় দেখিয়েছেন, গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমনের ফলে সৃষ্ট জলবায়ুগত সমস্যার সবচেয়ে সুবিধাজনক সমাধান হলো পৃথিবীর সব দেশের ওপর সুশৃঙ্খলভাবে কার্বন ট্যাক্স বসানোর বৈশ্বিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা।

অন্যদিকে পল রোমার নোবেল পেয়েছেন প্রাযুক্তিক উদ্ভাবনকে দীর্ঘমেয়াদী ম্যাক্রোইকোনমিক বিশ্লেষণে সংযোজনের সফলতার বিনিময়ে। বর্তমানে যা এন্ডোজেনাস গ্রোথ থিওরি হিসেবে পরিচিত, তার ভিত্তিই রোমারের গবেষণা। তার এই তত্ত্বের সূত্র ধরে অসংখ্য নতুন নতুন গবেষণা পরিচালনা সম্ভব হয়েছে যা দীর্ঘস্থায়ী স্বচ্ছলতা আনতে সক্ষম এমন নতুন নতুন কলাকৌশল বের করে আনতে সহায়তা করছে।

নিউজবিডি৭১/আ/অক্টোবর ০৯, ২০১৮




৫ বছর পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের জন্য চ্যালেঞ্জিং: অর্থমন্ত্রী

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, আগামী পাঁচ বছর পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের জন্য চ্যালেঞ্জিং। তবে বাজারকে স্থিতিশীল করতে সরকারের পক্ষ থেকে যেসব উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, সেগুলো অব্যাহত থাকলে বিনিয়োগকারীরা সুবিধা পাবেন। আর এতে ব্যর্থ হলে ফের ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে।

আজ রোববার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের পুঁজিবাজারে সিংহভাগ হচ্ছে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী। এদের অনেকেরই বিচার-বিশ্লেষণ করে বিনিয়োগের ক্ষমতা নেই। ফলে তারা অনেক সময় ক্ষতির সম্মুখীন হন। তাই বিনিয়োগের শিক্ষাই তাদের সুরক্ষা দিতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার নিরবচ্ছিন্নভাবে ১০ বছর ক্ষমতায় থাকায় ব্যক্তিগত ও সরকারি বিনিয়োগ বেড়ে ৩০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

অর্থমন্ত্রীর মতে, বিনিয়োগের ফলেই অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়। তাই দেশ ও দেশের মানুষের সমৃদ্ধির জন্য বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন। শেখ হাসিনার সরকার আরও পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকলে দেশ অর্থনৈতিকভাবে আরও সমৃদ্ধি লাভ করবে।

তিনি বলেন, কোনো বিনিয়োগকারী কোথায়, কখন, কীভাবে, কী পরিমাণে বিনিয়োগ করবেন, সে সিদ্ধান্ত তার নিজের। বিনিয়োগ সংশ্লিষ্ট ঝুঁকি না বুঝে সঠিক বিনিয়োগ সিদ্ধান্তে ব্যর্থতার কারণে কোনো বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা থেকে সুরক্ষার ব্যবস্থা করা নিয়ন্ত্রক সংস্থা বা সরকারের পক্ষে সম্ভব নয়।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগকারী যদি তার আর্থিক অবস্থার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত গ্রহণে ব্যর্থ হন, তবে তার বিনিয়োগ ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। তাই আইনকানুন প্রণয়নের পাশাপাশি যথাযথ নজরদারির মাধ্যমে পুঁজিবাজারে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা উচিত।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, বিএসইসির চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন প্রমুখ।

নিউজবিডি৭১/আ/অক্টোবর ০৭, ২০১৮




৭ লাখ কৃষক পাবেন ৮০ কোটি টাকার বীজ-সার

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : ১১টি ফসলের উৎপাদন বাড়াতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য ৭৯ কোটি ৯৯ লাখ ৮২ হাজার ৪৯৫ টাকার প্রণোদনা ঘোষণা দিয়েছে সরকার। রোববার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। তিনি জানান, ৬ লাখ ৯০ হাজার ৯৭০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে এই প্রণোদনা দেওয়া হবে।

চলতি মৌসুমে গম, ভুট্টা, সরিষা, চীনাবাদাম, ফেলন, খেসারি, বিটি বেগুন, বোরো, শীতকালীন মুগ এবং পরবর্তী খরিপ-১ মৌসুমে গ্রীষ্মকালীন মুগ ও গ্রীষ্মকালীন তিল উৎপাদনের জন্য প্রণোদনা দেওয়া হবে। এর আওতায় প্রতিটি কৃষক পরিবার সর্বোচ্চ এক বিঘা জমির জন্য বিনামূল্যে বীজ ও সার পাবে।

কৃষিমন্ত্রী আরও জানান, ৬৫ হাজার ৭০০ জন কৃষক গম বীজ, দুই লাখ ২১ হাজার ৫০০ জন ভুট্টা বীজ, দুই লাখ ১০ হাজার ২০০ জন সরিষা, ১০ হাজার ১০০ জন চিনাবাদাম, ১৮ হাজার জন গ্রীষ্মকালীন তিল, ৪৮ হাজার ৪০০ জন গ্রীষ্মকালীন মুগ, ২৪ হাজার ৩০০ জন শীতকালীন মুগ, ১৩ হাজার ৬০০ জন খেসারী, পাঁচ হাজার ৪০০ জন ফেলন, দুই হাজার ৭০ জন বিটি বেগুন ও ৭১ হাজার ৭০০ জন কৃষক বোরো বীজ পাবেন।

এক বিঘা জমিতে চাষাবাদের জন্য প্রত্যেক কৃষককে ২০ কেজি গম, পাঁচ কেজি ধান, দুই কেজি ভুট্টা, এক কেজি সরিষা, ১০ কেজি চীনাবাদাম, এক কেজি গ্রীষ্মকালীন তিল, পাঁচ কেজি গ্রীষ্মকালীন মুগ, আট কেজি খেসারী, সাত কেজি ফেলন ও ২০ গ্রাম বিটি বেগুনের বীজ দেওয়া হবে।

এছাড়া ধান, গম, ভুট্টা, গ্রীষ্মকালীন তিল, সরিষা ও বিটি বেগুন চাষে প্রত্যেক কৃষক পাবেন ২০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি করে এমওপি সার। আর চীনাবাদাম, গ্রীষ্মকালীন মুগ, শীতকালীন মুগ, খেসারী, মাষকলাই ও ফেলন চাষে প্রত্যেক কৃষক ১০ কেজি করে ডিএপি ও পাঁচ কেজি করে এমওপি সার পাবেন।

মতিয়া চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে কৃষকের নিজস্ব অ্যাকাউন্টে প্রণোদনার অর্থ পাঠিয়ে দেওয়া হবে। প্রণোদনা বিতরণে অনিয়ম হলে তা আপনারা তা তুলে ধরবেন, আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেব। প্রণোদনার অর্থ কৃষি মন্ত্রণালয়ের বাজেট থেকে বরাদ্দ দেওয়া হবে। এজন্য সরকারের অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের প্রয়োজন হবে না।

সংবাদ সম্মেলনে কৃষি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. নাসিরুজ্জামান ছাড়াও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজবিডি৭১/আ/অক্টোবর ০৭, ২০১৮




এক বোতল হুইস্কির দাম সোয়া ৮ কোটি টাকা!

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : এটি ছিল বিশ্বের অন্যতম সেরা স্বাদের বিরল একটি হুইস্কির বোতল। আর এটিই ছিল এই বিপুল দামের কারণ। চলতি বছরের মে মাসে এই একই সংস্থার একটি হুইস্কির বোতল বিক্রি হয় প্রায় ৭ কোটি ৯০ লাখ টাকায়। তাকেও ছাপিয়ে গেল এটি। বিক্রি হল প্রায় আট কোটি ১৫ লাখ টাকায়।

হুইস্কির নাম শুনলে অনেককেরই মন একটু অন্য রকম হতে পারে। তবে যখন এক বোতল হুইস্কির দাম সোয়া ৮ কোটি টাকা তখন সেটা অবাক হওয়ারই বিষয়। এমনই অবাক করা বিষয় ঘটেছে স্কটল্যান্ডের এডিনবার্গে। সেখানে নিলামে এই বিপুল দামেই বিক্রি হয়েছে বিরল হুইস্কির এই বোতল।

তবে এই বোতলটি কে কিনেছেন, তা জানানো হয়নি। তবে রিচার্ড হার্ভে নামে এক হুইস্কি বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, এশিয়ার এক ব্যক্তি নিলামে কিনেছেন এটি। ১৯২৬ সালে প্রথম এই হুইস্কি তৈরি হয়। তারপর ম্যাককালান ডিস্টেলারিতে এটি রাখা ছিল কাস্কেই। বোতলে ভরা হয় ১৯৮৬ সালে।

মোট ২৪টি বোতলে ভরা হয়েছিল এটি। এর মধ্যে ১২টিতে পপ আর্টিস্ট পিটার ব্লেক ও ১২টিতে ভালেরিও আদেমি লেবেল লাগানো হয়েছিল। সেই ভালেরিও আদেমির বয়স এখন ৮৩ বছর। ছবি ও কমিক আর্ট তার সবচেয়ে পছন্দের। এক ব্যবসায়ী ম্যাককালান ডিস্টেলারি থেকে বোতলগুলো সরাসরি কেনেন। ওই মালিকই বিক্রি করেছিলেন এগুলো।

নিউজবিডি৭১/আ/অক্টোবর ০৬, ২০১৮




নিউ রেনেসাঁ পুরস্কার পেলেন ড. ইউনূস

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : ‘নুওভো রিনাসসিমেনতো’ বা ‘নিউ রেনেসাঁ পুরস্কার’ পেলেন নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

ইতালীয় বৌদ্ধ স্কুল সোকা গাকাই মিলানে অনুষ্ঠিত সোকা গাকাই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ড. ইউনূসকে ‘নুওভো রিনাসসিমেনতো’ বা ‘নিউ রেনেসাঁ পুরস্কার’-এ ভূষিত করে।

ইউনূস সেন্টার থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞতিতে বুধবার এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞতিতে বলা হয়, সামাজিক ব্যবসা ও ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে মানবতাবাদী দর্শনে তার অসাধারণ অবদানের জন্য এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

ইতালীয় বৌদ্ধ স্কুল সোকা গাকাই’র মতে, প্রফেসর ইউনূস দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে, মানুষ একটি অনন্য সত্ত্বা যা নিছক মুনাফার চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান। দারিদ্র বিমোচন ও টেকসই অর্থনীতির মাধ্যমে মানব জাতির উন্নততর ভবিষ্যৎ নির্মাণের জন্য তিনি নিরন্তর সংগ্রাম করে যাচ্ছেন।

অনুষ্ঠান শেষ হয় প্রফেসর ইউনূসের সাম্প্রতিক গ্রন্থ ‘এ ওয়ার্ল্ড অব থ্রি জিরোস’-কে কেন্দ্র করে সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে।

নিউজবিডি৭১/আ/অক্টোবর ০৪, ২০১৮