শনিবার খোলা থাকবে ব্যাংক

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : পোশাকশিল্পে কর্মরত কর্মচারীদের বেতন, বোনাস ও অন্যান্য ভাতা পরিশোধের সুবিধার্থে ঢাকাসহ কয়েকটি এলাকার তফসিলি ব্যাংকের শাখাগুলো আগামী শনিবার (১৮ আগস্ট) খোলা থাকবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আসন্ন ঈদুল আজহার পূর্বে পোশাকশিল্পে কর্মরত শ্রমিক, কর্মচারীদের বেতন ও অন্যান্য ভাতাদি পরিশোধের সুবিধার্থে এবং রপ্তানি বাণিজ্য সচল রাখার স্বার্থে ঢাকা মহানগরী, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে অবস্থিত তফসিলি ব্যাংকের শাখাসমূহ বা তৈরি পোশাকশিল্প সংশ্লিষ্ট শাখাসমূহ পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করণপূর্বক আগামী ১৮ আগস্ট, ২০১৮ তারিখ শনিবার পূর্ণ দিবস খোলা রাখার বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হলো।

নিউজবিডি৭১/আ/আগস্ট ১৬ ,২০১৮




চলতি অর্থবছরে ৩৫৮ কোটি ডলার পণ্য রপ্তানি

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : চলতি অর্থ বছরের প্রথম মাসে ৩৫৮ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬ দশমিক নয় চার শতাংশ বেশি। এবং ২০১৭ সালের জুলাই মাসের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ বেশি।

মঙ্গলবার (১৪ আগস্ট) বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো- ইপিবি’র পাঠানো তথ্যে রপ্তানির এই চিত্র উঠে আসে। গেল জুলাই মাসে তৈরি পোশাক শিল্পের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ২৮১ কোটি ডলার ধরা হলেও এ খাতের রপ্তানি আয় দাঁড়ায় প্রায় ৩২ কোটি ডলারে। একই সময়ে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি আয় হয়েছে প্রায় সাড়ে ৭ কোটি ডলারের; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২০ শতাংশ কম। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম রপ্তানি আয় হয়েছে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিতে।

তবে, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ১০ শতাংশ বেশি রপ্তানি আয় হয়েছে প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানিতে। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, কৃষিজাত পণ্য রপ্তানি, লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ৭০ শতাংশ বেশি হয়েছে। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি হিমায়িত মৎস্য রপ্তানিতে।

নিউজবিডি৭১/আ/আগস্ট ১৬ ,২০১৮




‘গতবছরের তুলনায় কমেছে গরু ও মহিষ’

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : কোরবানির জন্য গরু ও মহিষের সংখ্যা গতবছরের তুলনায় কমেছে। ২০১৮ সালে দেশে কোরবানিযোগ্য মোট গরু ও মহিষের সংখ্যা ৪৪ লাখ ৫৭ হাজার। আর ২০১৭ সালে এ সংখ্যা ছিল ৪৫ লাখ ২৯ হাজার। সেই হিসেবে চলতি বছর কোরবানির জন্য গরু ও মহিষের পরিমাণ কমেছে ৭২ হাজার। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এবার কোরবানির জন্য মোট প্রস্তুত করা পশুর পরিমাণ এক কোটি ১৫ লাখ ৮৮ হাজার। এর মধ্যে কোরবানিযোগ্য গরু ও মহিষের সংখ্যা ৪৪ লাখ ৫৭ হাজার। ছাগল ও ভেড়ার সংখ্যা ৭১ লাখ। এছাড়া কোরবানিযোগ্য উট ও দুম্বার সংখ্যা ৩১ হাজার।

২০১৭ সালের কোরবানিযোগ্য পশুর মোট পরিমাণ ছিল এক কোটি চার লাখ। এর মধ্যে গরু ও মহিষের সংখ্যা ছিল ৪৫ লাখ ২৯ হাজার। আর ছাগল ও ভেড়ার সংখ্যা ছিল ৫৮ লাখ ৯১ হাজার। এই হিসাবে দেখা যায়, ২০১৭ সালের তুলনায় ২০১৮ সালে কোরবানিযোগ্য গরু ও মহিষের সংখ্যা কমলেও মোট পশুর সংখ্যা বেড়েছে ১১ লাখ ৮৮ হাজার।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৮ সালে ৭২ হাজার গরু ও মহিষের সংখ্যা কমলেও বেড়েছে ছাগল ও ভেড়ার সংখ্যা। এর পরিমাণ ১২ লাখ ৯ হাজার। আর মাত্র কয়েক দিন পর ২২ আগস্ট কোরবানির ঈদ। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বসবে গবাদি পশুর হাট। নানা রকম পশু কিনতে ভিড় করবেন ক্রেতারা। তবে ঈদের বাজারে কোরবানির পশুর কোনও সংকট হবে না -এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কেননা খামারিরা কোরাবানির ঈদকে ঘিরে স্বপ্ন বুনছেন। সেভাবেই প্রস্তুত করেছেন কোরবানির পশুকে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের হিসাবে দেখা গেছে, সারা দেশের পাঁচ লাখের বেশি খামারি এবার কোরবানির পশুর জোগান দেবেন। কোরবানির জন্য এক কোটি ১৫ লাখ গবাদি পশু প্রস্তুত আছে। তাই ভারত বা মিয়ানমারের গরুর ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে না।

পশুর যোগানে এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ। প্রাণিসম্পদ অধিদফতর মনে করে, দেশের কোরবানির চাহিদা পূরণে পশুর জোগান দিতে বাইরের কোনও দেশের ওপর নির্ভর করতে হবে না।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে রাজধানীর গাবতলী পশুর হাটের ব্যবসায়ী কোরবান আলী জানান, গতবছরের তুলনায় গরু ও মহিষের সংখ্যা কমলে দেশে কোরবানির পশুর সংকট হতে পারে। বিশেষ করে গরু ও মহিষের। কারণ এখন দেশে বেশিরভাগ মানুষ গরু ও মহিষ কোরবানি দেয়। ছাগল ও ভেড়া কোরবানি দেওয়ার মানুষ প্রতি বছরই কম থাকে। এর ওপর ২০১৮ সাল হচ্ছে নির্বাচনি বছর। তাই রাজনীতিবিদরা এবার বেশি করে কোরবানি দেবেন, যা সব সময়ই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তাই গতবছরের তুলনায় এ বছর গরু ও মহিষের সংখ্যা কমলে আমাদের ভারত বা মিয়ানমারের গরুর ওপর নির্ভর করতে হতে পারে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ জানিয়েছেন, বাংলাদেশ এখন গবাদি পশু উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ। বেশ কয়েক বছর ধরে কোরবানির জন্য আমদানি করা পশুর ওপর নির্ভর করতে হয়নি। দেশে উৎপাদিত পশু দিয়েই কোরবানি হয়েছে। এবারও হবে। দুশ্চিন্তার কোনও কারণ নেই।

কোরবানির ঈদ উপলক্ষে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় চলছে হাটের প্রস্তুতি ও প্রচারণা। জমজমাট বিশাল পশুর হাটের আয়োজন করতে এখন ইজারাদাররা ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে বাজার জমবে কোরবানির আগে তিন থেকে চারদিন।

গত বছর কোরবানির জন্য প্রস্তুত ছিল এক কোটি চার লাখ ৫৪ হাজার পশু (গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়াসহ)। গত এক বছরে উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে ১০ লাখেরও বেশি। ধারণা করা হচ্ছে, এ বছর কোরবানি হতে পারে এক কোটির বেশি পশু। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের একটি সূত্র জানায়, দেশে পুষ্টি চাহিদা পূরণের জন্য খামারিরা গবাদি পশু পালনে উৎসাহিত হচ্ছে। এ অবস্থায় ভারত ও মিয়ানমার থেকে গরু আমদানির কোনও প্রয়োজন নেই। যদি গরু আমদানি করা হয় তাহলে আমাদের দেশের খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তারা পশু পালনে উৎসাহ হারিয়ে ফেলবেন। এতে দেশের কৃষি অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে জানিয়েছেন, ভারত ও মিয়ানমার থেকে গরু আমদানির প্রয়োজন হবে না। গত বছরের তুলনায় এ বছর ১০ লাখ পশু বেশি আছে। কোনও সংকট হবে না। তবে গরু-মহিষের সংখ্যা কমে যাওয়া প্রসঙ্গে তিনি কোনও মন্তব্য করেননি।

নিউজবিডি৭১/আ/আগস্ট ১৪ ,২০১৮




চালু হলো অভিন্ন কলরেট

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : মোবাইল ফোনের নতুন কলরেট নির্ধারণ করেছে সরকার। গতকাল সোমবার মধ্যরাতে এই কল রেট চালু হয়েছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, মোবাইল অপারেটরগুলো ৪৫ পয়সার নিচে কোনো কলরেট নির্ধারণ করতে পারবে না। এই কলরেট সর্বোচ্চ ২ টাকা পর্যন্ত হতে পারবে। এখন আর অফ নেট, অননেট থাকছে না। এরমধ্যে দেশের সব মোবাইল ফোন অপারেটরকে এই নির্দেশনা পাঠিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।

ডাক টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘সোমবার মধ্যরাত থেকেই এটার বাস্তবায়ন হবে। বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জহুরুল হক বলেন, এখন থেকে আর মোবাইল ফোনে কথা বলার ক্ষেত্রে অফ নেট ও অন নেট সুবিধা থাকছে না। কলরেটের নতুন সীমা সর্বনিম্ন ৪৫ পয়সা। আর সর্বোচ্চ সীমা ২ টাকা। তিনি জানান, সোমবার মধ্যরাত থেকে এটা কার্যকর করতে বলা হয়েছে। অপারেটররাও সম্মত হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ৪৫ পয়সা হলো নতুন কলরেটের ফ্লোর প্রাইস (ইউনিফায়েড ফ্লোর প্রাইস)। এই রেটের কমে কোনো মোবাইল নম্বরে কল করা যাবে না। তবে মোবাইল ফোন অপারেটররা তাদের পছন্দমতো রেট সাজিয়ে নতুন কলরেট গ্রাহকদের অফার করতে পারবে। কলরেটের সর্বোচ্চ সীমা হবে ২ টাকা, যা আগেও ছিল। কোনো অপারেটর গ্রাহকের কাছ থেকে প্রতি মিনিটের কলের জন্য ২ টাকার বেশি চার্জ নিতে পারবে না।

এতদিন ছিল বিটিআরসির নির্ধারণ করে দেওয়া সর্বনিম্ন অননেট চার্জ প্রতি মিনিট ২৫ পয়সা ও অফনেট ৬০ পয়সা। সর্বোচ্চ চার্জ প্রতি মিনিট ২ টাকা। মোবাইল ফোন অপারেটররা এই সীমার মধ্যে থেকে নিজেদের অপারেটরের চার্জ নির্ধারণ করেছে। ফলে একেক অপারেটরের চার্জ ছিল একেকরকম। এখন আর ভিন্ন হবে না।

অপারেটরদের দাবি, নতুন কলরেটে গ্রাহকের ফোন করার খরচ কমবে। কারণ এত দিন অননেট কলে সর্বনিম্ন মূল্য কাগজে-কলমে ২৫ পয়সা হলেও প্রকৃতপক্ষে এ ধরনের কলে গড়ে গ্রাহকের খরচ হতো ৪০ পয়সা। আর অফনেট অর্থাত্ অন্য অপারেটরে কল করার খরচ পড়ত ৯০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৪৫ পয়সা পর্যন্ত। একক কলরেট চালু হলে অননেট কলের খরচ ৫ পয়সা বাড়বে, কিন্তু অফনেট কলের খরচ কমবে ৪৫ থেকে ৫০ পয়সা। এতে গ্রাহকসংখ্যায় পিছিয়ে থাকা অপারেটরগুলোর গ্রাহকেরা অনেক বেশি লাভবান হবেন।

মোবাইল ফোন অপারেটরদের কাছে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে গ্রামীণফোন থেকে ৯০ শতাংশ কল হয় অননেটে, ১০ শতাংশ কল অফনেটে হয়। অন্যদিকে সরকারের মালিকানাধীন অপারেটর টেলিটকের ১০ শতাংশ কল অননেটে ও ৯০ শতাংশ কল অফনেটে হচ্ছে। রবি ও বাংলালিংকের অননেট-অফনেট কলের পরিমাণ ৭০ ও ৩০ শতাংশ।

এদিকে নম্বর না বদলিয়ে অপারেটর পরিবর্তন সেবা বা এমএনপি চালুর আগেই অভিন্ন কলরেট চালুর একটি জোর দাবি ছিল টেলিকম সেক্টর থেকে। এজন্য জুলাই মাসের শুরুতে কলরেট ৪০ পয়সা প্রস্তাব করে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে তা ৪৫ পয়সায় নির্ধারিত হয় যা সোমবার কার্যকরের নির্দেশ দেয় বিটিআরসি। গত ১ আগস্ট থেকে দেশে এমএনপি সেবা চালুর কথা থাকলেও কারিগরি প্রস্তুতির কারণে তা দুই মাস পেছানো হয়। নতুন তারিখ অনুযায়ী আগামী ১ অক্টোবর দেশে এমএনপি চালু হওয়ার কথা।

মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, যেভাবেই হোক আগামী ১ অক্টোবরই এমএনপি চালু করার ব্যাপারে সরকার বদ্ধপরিকর। প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টাও এ ব্যাপারে তাগাদা দিয়েছেন। ফলে কেউ এখন আর বিলম্ব করতে পারবে না।

নিউজবিডি৭১/আ/আগস্ট ১৪ ,২০১৮




পেঁয়াজের দাম এক লাফে কেজিপ্রতি ২৫ থেকে ৩০ টাকা বৃদ্ধি!

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে হঠাৎ পেঁয়াজের দাম এক লাফে কেজিপ্রতি ২৫ থেকে ৩০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এর জন্য খুচরা ব্যবসায়ীদের দুষছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

রোববার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে জানতে চেয়ে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে প্রশ্ন করা হলে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, ভারতে হঠাৎ বন্যার কারণে বাংলাদেশে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। ঈদের পরপরই এ দাম কমে যাবে।

ঠিক ওই দিনই রাজধানীর পেঁয়াজের সবচেয়ে বড় বাজার শ্যামপুরে অভিযানে নামে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। সেই টিমের প্রধান হিসেবে অংশ নেন রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। তার সাথে বিস্তারিত কথা হয় এ প্রতিবেদকের।

তিনি জানান, বিদেশ থেকে প্রতি কেজি পেঁয়াজ আমদানির পর ঢাকার বাজার পর্যন্ত আনতে খরচ হয় ২৬ থেকে ২৭ টাকা। কারণ বিদেশ থেকে আনা পেঁয়াজের প্রকৃত দামের সাথে যোগ হয় যানবাহন খরচ, শুল্ক এবং ডলার লেনদেন সংক্রান্ত খরচ। আপনারা জানেন, এর সাথে অফিস খরচও আছে তাদের।

সরকারি এ কর্মকর্তার পর্যবেক্ষণ মতে, ২৭ থেকে ২৮ টাকায় কেনা পেঁয়াজ খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে প্রতি কেজির উপর মাত্র ৫০ পয়সা লাভ হিসেবে বিক্রি করে দেয়া হয়। এখন সেই পেঁয়াজ বাজারে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করছে খুচরা ব্যবসায়ীরা। তাতে প্রতি কেজি বিদেশি পেঁয়াজের উপর ১০ থেকে ১৩ টাকা পর্যন্ত লাভ করছে এসব খুচরা ব্যবসায়ী।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাজার মনিটরিং ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা যুগ্ম সচিব কামরুজ্জামান বলেন, পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির ঘটনায় আমরা প্রথমে পাইকারি বাজারে অভিযান শুরু করি। কিন্তু সেখানে দেখতে পাই- পাইকারি বাজারে আগের থেকে দাম সেভাবে বাড়েনি।

আমরা তখন দেখতে পাই পেঁয়াজের দাম বেড়েছে খুচরা বাজারে। পাইকারি বাজারিদেরও একই অভিযোগ। তাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমরা খুচরা বাজারে অভিযানের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কাল থেকেই খুচরা বাজারে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অভিযান শুরু হবে।

এদিকে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে পেঁয়াজ আমদানিকারক মো: মোসলেম উদ্দিন বলেন, আমাদেরকে আগে পেঁয়াজ আমদানিতে কোটা পদ্ধতি অনুসরণ করতে হতো। অর্থাৎ একটি সীমান্ত পথ দিয়ে নির্দিষ্টসংখ্যক ট্রাক প্রতিদিন ঢুকতো। সেখানে আলাদা আলাদা করে পাথর, চাল, বিভিন্ন খাদ্যপণ্য বা পেঁয়াজ আমদানি করা হতো। হঠাৎ করে গত কয়েক দিন আগে ঘোষণা আসে এ কোটা পদ্ধতি আপাতত সমন্বয় করা হয়েছে।

সেখানে পর্যাপ্ত সংখ্যক পেঁয়াজের ট্রাক আনা যাবে। এরপর রোববারই দেশের বেনাপোল, সোনা মসজিদ ও মংলা স্থলবন্দর সীমান্ত এলাকা দিয়ে একসাথে প্রায় সাড়ে ছয়শ ট্র্রাক পেঁয়াজ ঢুকেছে। হঠাৎ একসাথে এতো পেঁয়াজ ঢোকার ফলে আমরা এখন প্রতি কেজি পেঁয়াজের উপর ৫ থেকে ৭ টাকা পর্যান্ত লোকসানের আশঙ্কা করছি।

এদিকে, রাজধানীর শ্যামবাজারে আড়তদার রফিক ট্রেডার্সের মালিক রফিকুল ইসলাম মল্লিক বলেন, পেঁয়াজের দাম আমাদের আড়তে খুব একটা বাড়েনি। এটা বাড়িয়েছে খুচরা ব্যবসায়ীরা। তাদের কাছে আমরা প্রতি কেজি পেঁয়াজ ২৪ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি করি। তারা কেন তা ৪০ টাকায় বিক্রি করবে এটা আমার বোধগম্য নয়।

তবে যেভাবে এখন কোটা ফ্রি পদ্ধতিতে সীমান্ত দিয়ে পেঁয়াজের ট্রাক বাংলাদেশে ঢুকছে তাতে আমদানিকারকরা বিপদে পড়ে যাবে। তারা বাধ্য হয়েই অনেক কম দামে পেঁয়াজ ছেড়ে দেবে। একসাথে প্রতিদিন কখনোই ৬০০ ট্রাক পেঁয়াজ আমাদের দেশে দরকার হবে না।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে পেঁয়াজের খুচরা বাজারে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বিদেশ থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা দরে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাজার মনিটরিং কমিটির প্রধান ফরিদ উদ্দিন আহম্মেদের ভাষ্য মতেও এসব পেঁয়াজ প্রতি কেজি পাইকারি ক্রয় করতে হয়েছে মাত্র ২৯ থেকে ৩০ টাকা দরে।

তার বক্তব্য, এখানে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির ক্ষেত্রে খুচরা ব্যবসায়ীদের ভূমিকাই বেশি।

রাজধানীর মিরপুর-৬ নম্বর কাঁচা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বিদেশ থেকে আমাদানি করা প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়। এ পেঁয়াজ তারা কত টাকায় ক্রয় করেছে, এমন প্রশ্নের জবাবে পেঁয়াজের খুচরা বিক্রেতা মো: তফাজ্জল হোসেন বলেন, আমরা কিনেছি ৩৪ থেকে ৩৬ টাকা পর্যন্ত। এখানে আপনারা হয়তো দেখছেন কেজি প্রতি আমরা ১০ টাকা বা তারও অধিক লাভ করছি।

কিন্তু কাঁচামালের ক্ষেত্রে সেটা হয় না। বিদেশ থেকে যেভাবে পেঁয়াজ আসে আমরা সেই একই বস্তাই ক্রয় করি। খুচরা বিক্রয় করতে গিয়ে অনেক সময় পচা পেঁয়াজ বের হয়, সেটা তো ঘাটতি হয়। ফলে পেঁয়াজের দাম গোড়ায় (পাইকারি পর্যায়ে) না কমলে আমাদের কিছু করার নেই।

তবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব কামরুন্নাহার দাবি করেন, খুচরা পর্যায়ে আমরা অভিযান পরিচালনা করব। আমার মনে হয় এ অভিযানের পর পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক হবে। এ স্বাভাবিক হতে কতদিন সময় লাগবে এমন প্রশ্নের জবাবে সরকারের এ কর্মকর্তা বলেন, দেখুন আগের মতো দিন আর নেই।

আমরা আগে দেখতাম কুরবানিতে ঈদের দিনেই সব মাংস রান্না করা হতো। কিন্তু এখন তা ফ্রিজে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। ফলে খুচরা ব্যবসায়ীদের মধ্যে পেঁয়াজের দাম বাড়ানোর যে প্রবণতা তৈরি হয়েছে, তা টিকবে না। এখন বর্ডার দিয়ে পর্যাপ্ত পেঁয়াজ ঢুকছে। আশা করি কম সময়ের মধ্যে পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক হবে।

নিউজবিডি৭১/আ/আগস্ট ১৪ ,২০১৮




ঈদুল আজহায় পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করেছে সরকার। পশু ও আকারভেদে এবার চামড়ার দাম গতবারের চেয়ে কম। ট্যানারি ব্যবসায়ীরা এবার ঢাকায় লবণযুক্ত প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়া কিনবেন ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়; ঢাকার বাইরে এর দাম হবে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। এছাড়া সারা দেশে খাসির চামড়া ১৮-২০ টাকা এবং বকরির চামড়া ১৩-১৫ টাকায় সংগ্রহ করবেন ব্যবসায়ীরা।

বৃহস্পতিবার (০৯ আগস্ট) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে পশুর চামড়ার নতুন দাম ঘোষণা করেন। িএর আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে চামড়া শিল্প সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় বৈঠক করেন তিনি।

গতবছর ট্যানারি ব্যবসায়ীরা ঢাকায় প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়া ৫০ থেকে ৫৫ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় সংগ্রহ করেন। এছাড়া সারা দেশে খাসির চামড়া ২০-২২ টাকা এবং বকরির চামড়া ১৫-১৭ টাকায় সংগ্রহ করা হয়।

ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, বছরে বাংলাদেশ থেকে মোটামুটি ২২ কোটি বর্গফুট চামড়া পাওয়া যায়। এর মধ্যে ৬৪ দশমিক ৮৩ শতাংশ গরুর চামড়া, ৩১ দশমিক ৮২ শতাংশ ছাগলের, ২ দশমিক ২৫ শতাংশ মহিষের এবং ১ দশমিক ২ শতাংশ ভেড়ার চামড়া। এর অর্ধেকের বেশি আসে কোরবানির ঈদের সময়।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর কোরবানি উপলক্ষে সারা দেশে এক কোটি পাঁচ লাখের মত গবাদিপশু বিক্রি হয়েছিল। আর এবার দেশের খামারগুলোতে কোরবানিযোগ্য পশু আছে এক কোটি ১৬ লাখ।

সরকার গত কয়েক বছর ধরেই বলে আসছে, দেশি গরু-ছাগলেই কোরবানির মওসুমের চাহিদা মেটানোর সক্ষমতা বাংলাদেশের তৈরি হয়েছে।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে সরকার এবার কোরবানির ঈদের ছুটি রেখেছে ২১ থেকে ২৩ অগাস্ট। অর্থাৎ, ১২ অগাস্ট জিলহজ মাসের চাঁদ উঠলে ২২ অগাস্ট বাংলাদেশের মুসলমানরা কোরবানির ঈদ উদযাপন করবেন।

নিউজবিডি৭১/এম কে/আগস্ট ১২ , ২০১৮




আশা করছি ঈদের পর পেঁয়াজের দাম কমে যাবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : ঈদের পর পেঁয়াজের দাম কমে যাবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। বাজারে পেঁয়াজের দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে আজ রবিবার দুপুরে সচিবালয়ে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘ভারতে অতিবৃষ্টির কারণে অনেক পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে গেছে। বাজারে তার একটা প্রভাব এবং ঈদের একটা প্রভাব পড়েছে। আশা করছি ঈদের পর পেঁয়াজের দাম কমে যাবে।’

নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনের সময় সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে বিষয়ে জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও ন্যক্কারজনক ঘটনা। এই ঘটনা যারাই ঘটিয়েছে, সরকার তাদের খুঁজে বের করতে কার্পণ্য করবে না।’ তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনের সময় জিগাতলার মোড়ে মুখোশ পরা যারা হামলায় অংশ নিয়েছিল, এরা কারা। এদেরও খুঁজে বের করতে হবে।’

নির্বাচনকালীন সরকারে কারা থাকবে জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় সংসদে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়েই নির্বাচনকালীন সরকার গঠিত হবে। সেখানে বিএনপির থাকার কোনও সুযোগ নাই। কারণ, বর্তমান সংসদে বিএনপির কোনও প্রতিনিধিত্ব নাই।’

বিএনপির সঙ্গে সংলাপের বিষয়ে জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘বিএনপির সঙ্গে সংলাপ হবে না। প্রয়োজনও নাই।’

এর আগে সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর দফতরে মন্ত্রীর সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ঝ্যাং জু সাক্ষাৎ করেন।

নিউজবিডি৭১/আ/আগস্ট ১২ ,২০১৮




ইরানের গ্যাসক্ষেত্রের দায়িত্ব নিল চীন

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্র উন্নয়নের কাজে ফরাসি কোম্পানি টোটালের দায়িত্ব বুঝে নিয়েছে চীনা সরকারি কোম্পানি সিএনপিসি। ইরানের জাতীয় তেল কোম্পানির পুঁজি বিনিয়োগ বিভাগের পরিচালক মোহাম্মাদ মোস্তাফাভি এ খবর জানিয়ে বলেছেন, টোটাল ইরান থেকে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়ায় চীনা কোম্পানিকে এ দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, সিএনপিসি বিশ্বের সেরা পাঁচ তেল কোম্পানির অন্যতম এবং এটি শীর্ষ তেল কোম্পানিগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা রাখে। চীনা কোম্পানিটির সঙ্গে ইরানের জাতীয় তেল কোম্পানির সহযোগিতা কৌশলগত পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে তিনি জানান।

ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্র উন্নয়নের জন্য ফরাসি কোম্পানি টোটালের নেতৃত্বে একটি আন্তর্জাতিক কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে ২০১৭ সালের ৩ জুলাই ইরানের চুক্তি সই হয়। ওই কনসোর্টিয়ামের অন্যতম শরীক ছিল চীনা জাতীয় তেল কোম্পানি সিএনপিসি এবং ইরানি কোম্পানি পেট্রোপার্স।

চুক্তি অনুযায়ী কনসোর্টিয়ামের প্রধান কোম্পানি টোটালের ৫০.১‌ শতাংশ পুঁজি বিনিয়োগের কথা ছিল। অন্যদিকে সিএনপিসি ও পেট্রোপার্সের পুঁজি বিনিয়োগ ছিল যথাক্রমে ৩০ ও ১৯.৯ শতাংশ।

চুক্তিতে আরো বলা হয়েছিল, কোনো কারণে টোটাল এ চুক্তি থেকে বেরিয়ে গেলে কনসোর্টিয়ামের প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করবে সিএনপিসি এবং সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্র উন্নয়নে এ কোম্পানির পুঁজি বিনিয়োগ ৮০.১ শতাংশে উন্নীত হবে।

ইরানের ওপর সাম্প্রতিক মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অনুসরণ করে ফরাসি কোম্পানি টোটাল ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্র উন্নয়নের কাজ পরিত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেয়।

নিউজবিডি৭১/এম কে/আগস্ট ১২ , ২০১৮




পেঁয়াজের দাম বাড়লেও চালের দাম স্থিতিশীল

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : কুরবানির ঈদে হাতেগোনা যে কয়েকটি পণ্য বেশি প্রয়োজন তার মধ্যে পেঁয়াজ অন্যতম। ক্রেতা চাহিদা বেশি থাকায় এসময় বেশি বাড়ে পেঁয়াজের দাম। সপ্তাহ ব্যবধানে আমদানিকৃত পেঁয়াজ ৫টাকা বেড়ে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৩ টাকায়। আর ১০টাকা বেড়ে প্রতি কেজি আদা বিক্রি হচ্ছে ৯৫ টাকায়।

পাইকারি বাজারে পেয়াজের দাম বাড়লেও দামে হেরফের নেই কোনো ধরনের চালে। প্রতি কেজি মিনিকেট ৪৮-৫৫, আটাশ চাল ৩৭-৪০, নাজিরশাইল ৫০-৬০ আর পাইজাম চাল পাওয়া যাবে ৩৯ টাকায়। তবে, দাম বাড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানান পাইকাররা।

দাম বাড়তে থাকা মশলার বাজার এখন অনেকটাই রয়েছে ক্রেতাদের নাগালের মধ্যেই। পর্যাপ্ত আমদানি থাকায় ঈদকে সামনে রেখে কোনো ধরনের মশলার দাম বাড়বে না বলে জানান পাইকাররা। বাজারে প্রতি কেজি এলাচ ১৬৬-১৮০০, জিরা ৩৫০ আর দেশি মসুর ডাল পাওয়া যাবে প্রতি কেজি ৭৫-৮০ টাকায়।

পাইকারি বাজারে আগের দামেই প্রতি কেজি খোলা সয়াবিন তেল ৮৬ টাকা আর প্রতি কেজি ৫ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল পাওয়া যাবে ৪৬০ থেকে ৪৯০ টাকায়।

নিউজবিডি৭১/এম কে/আগস্ট ১১ , ২০১৮




গ্রামীণফোন ও রবি’র ফাঁকি ১২ হাজার কোটি টাকা

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : অডিট রিপোর্টের ভিত্তিতে গ্রামীণফোন ও রবির কাছে ১২ হাজার কোটি টাকার বেশি পাওনার কথা জানিয়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। ৮৬৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা চেয়ে মোবাইল ফোন অপারেটর রবিকে ইতোমধ্যে চিঠি দিয়েছে বিটিআরসি। ১১ হাজার ৫৩০ কোটি ১৫ লাখ টাকা পাওনা চেয়ে গ্রামীণফোনকেও চিঠি দিচ্ছে। বিটিআরসির এক কর্মকর্তা বলেন, গত ৩১ জুলাই রবিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ভ্যাট ও ট্যাক্স বাবদ পাওনা টাকা আদায়ে রাজস্ব বোর্ডকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। শিগগিরই গ্রামীণফোনেও চিঠি যাচ্ছে। তারা এই টাকা সরকারকে ফাঁকি দিয়েছে। অডিটে যেটা ধরা পড়েছে।

রবির কাছে পাওনা টাকার মধ্যে বিভিন্নখাতে বিটিআরসির নিট পাওনা ৬৭৭ কোটি ৭৬ লাখ টাকা এবং ভ্যাট ও ট্যাক্স বাবদ রাজস্ব বোর্ডের পাওনা রয়েছে ১৮৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। আর গ্রামীণফোনের কাছে বিটিআরসির পাওনা রয়েছে ১১ হাজার ৫৩০ কোটি ১৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে নিট পাওনা ৭ হাজার ৪৪৪ কোটি ২১ লাখ টাকা। বাকি ৪ হাজার ৮৫ কোটি ৯৪ লাখ টাকা ভ্যাট ও ট্যাক্স বাবদ পাবে এনবিআর।

চিঠি পাঠানোর ১০ কার্যদিবসের মধ্যে রবিকে টাকা পরিশোধ করতে বলেছে বিটিআরসি। ২০১৬ সালের মার্চে রবির ইনফরমেশন সিস্টেম নিরীক্ষায় স্থানীয় নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান মসিহ মুহিত হক অ্যান্ড কোম্পানি এবং ভারতীয় সহযোগী নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান পি কে এফ শ্রীধর অ্যান্ড সান্থনাম এলএলপি সঙ্গে চুক্তি করে বিটিআরসি। বাংলাদেশে রবির কার্যক্রম শুরুর পর এই প্রথম বিটিআরসি পূর্ণাঙ্গ নিরীক্ষা কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ নেওয়ার পর সম্প্রতি অডিট কোম্পানি বিটিআরসিতে নিরীক্ষা প্রতিবেদন জমা দেয়। বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জহুরুল হক বলেন, অডিটি সিস্টেম অনুযায়ী অডিট ফার্ম অডিট করেছে। কত পাব, কত পাব না, কেন পাব ডিবেট হয়েছে। পরে ফাইনাল ফিগারটা জানানো হয়েছে। অডিট রুলস অনুযায়ী এ টাকা চাওয়া হয়েছে।

এদিকে রবাির পক্ষ থেকে সংবাদ মাধ্যমে জানানো হয়েছে, ‘রবি এই ত্রুটিপূর্ণ নিরীক্ষা প্রতিবেদন এবং এর সাথে সম্পর্কিত সকল পাওনা দাবিকে জোরালোভাবে প্রত্যাখ্যান করছে। সম্পূর্ণ যুক্তিহীন এই দাবির আইনগত ভিত্তি নেই।

অডিট প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গ্রাহক সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অপারেটর গ্রামীণফোনের কাছে বিটিআরসির পাওনা রয়েছে ১১ হাজার ৫৩০ কোটি ১৫ লাখ টাকা। বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, গ্রামীণফোনের অনেক বড় ব্যাপার, জিপির একবার অডিট হয়েছিল তিন হাজার ৩৪ কোটি টাকা চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছিল, হাইকোর্টে মামলা করার পর ফ্রেশ অডিট করতে বলায় সে নির্দেশে অডিট করা হয়েছে। তিনি বলেন, নতুন অডিটে অডিট ফার্ম একটা ফিগার বের করেছে। এটি অনেক দিন হয়ে গেছে, এ জন্য ইন্টারেস্ট হবে। এ নিয়ে ডিবেট হয়েছে। ডিবেট হওয়ার পর যা ফিগার হয়, তা আমাদের বলেছে। এ ফিগার চাওয়া ছাড়া অলটারনেটিভ নেই।

২০১১ সালে প্রথম অডিটে গ্রামীণফোনের দেনা ছিল প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা। তখন তারা আপত্তি তুলে জানায়, অডিট আন্তর্জাতিক মানের হয়নি। ফলে তাদের দাবি অনুযায়ী দ্বিতীয় দফা অডিটে বিদেশি পার্টনার ফার্ম নিয়োগের ব্যবস্থা করে বিটিআরসি। পরে দেশি তোহা খান জামান অ্যান্ড কোম্পানি লিড অডিটর এবং সহযোগী অডিটর হয় ভারতের সিএনকে অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস, এলএলপি, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট। এই অডিট প্রতিবেদন অনুযায়ী গ্রামীণফোনের কাছে এখন সরকারের পাওনা ১১ হাজার ৫৩০ কোটি ১৫ লাখ টাকা। তবে এ বিষয়ে গ্রামীণফোন সংবাদ মাধ্যমের কাছে কোন কথা বলেনি।

নিউজবিডি৭১/এম কে/১১ আগস্ট, ২০১৮




বড় বড় শিল্প গড়ার আহ্বান জ্বালানি উপদেষ্টার

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : বড় বড় শিল্প-কারখানা স্থাপনের আহ্বান জানিয়ে উদ্যোক্তাদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক ই ইলাহী চৌধুরী বলেছেন, গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যা হবে না, আপনারা বড় বড় শিল্প-কারখানা গড়ুন।

বৃহস্পতিবার (৯ আগস্ট) জ্বালানি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের পেট্রো সেন্টারে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি কখনো ওয়াদার বরখেলাপ করেন না। আমরা কথা দিয়েছিলাম সবার ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেবো। এ বছরের মধ্যে সারাদেশ বিদ্যুতের আওতায় আসবে।

তৌফিক ই ইলাহী আরও বলেন, আমরা যখন এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) থেকে বের হওয়ার পথে, তখন গবেষকদের বলতে শুনেছি। এলডিসি থেকে বের হলে নাকি সমস্যা হবে। আমি অবশ্য তাদের তথাকথিত গবেষক বলি। তারা সাধারণ বাঙালিদের গবেষণা করে জীবিকা নির্বাহ করে। এরা চায় না সাধারণ জনগণের ভাগ্যের উন্নয়ন হোক।

এলডিসি থেকে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, এরপর মধ্যম ও উন্নত দেশে পরিণত হবো আমরা। তবে পশ্চিমাদের অনুকরণে হবে না। আমাদের দেশ এমন হবে, যেখানে সবাই শিক্ষা পাবে, মায়েদের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

নিউজবিডি৭১/আ/আগস্ট ৯ ,২০১৮




জালনোট শনাক্তকরণ অ্যাপ আসছে

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : দেশে কার্যরত ব্যাংকগুলোর শাখায় জালনোট শনাক্তকরণে ‘আসল নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য নিয়ে সচিত্র ও ভিডিও প্রদর্শনী’র পর এবার আসছে স্মার্টফোনে অ্যাপের মাধ্যমে শনাক্তের ব্যবস্থা। ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই এ অ্যাপের মাধ্যমে জাল নোট শনাক্ত করা যাবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগামী তিনমাসের মধ্যে অ্যাপটি সবার জন্যে উন্মুক্ত করা হতে পারে। এ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের আইটি বিশেষজ্ঞরা।

সূত্র বলছে, তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলাদেশ বেশ এগিয়েছে। প্রায় প্রতিটি খাতেই এর ছোঁয়া লেগেছে। ডিজিটাল বাংলাদেশে যুগোপযোগী সেবা দিতে একটি অ্যাপ তৈরি করছে বাংলাদেশ ব্যাংকের আইটি অপারেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগ। ‘টাকাফাই’ (TAKAFY) শীর্ষক অ্যাপটি তৈরি করছেন ওই বিভাগের সহকারী প্রোগ্রামার ত্বাঊছুন আখতারী, বেলাল হোসেন ও লিখন বণিক।

ত্বাঊছুন আখতারী ও বেলাল হোসেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়েছেন; আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন লিখন বণিক।

বাংলানিউজকে তারা বলেন, বর্তমানে জালটাকা শনাক্তকরণের জন্য কোনো অ্যাপভিত্তিক সেবা নেই। এছাড়া অনলাইনে বিদ্যমান টাকা শনাক্তকরণের উপায়গুলোতেও সময় ও স্থান সাপেক্ষে অ্যাক্সেস করা সম্ভব হয় না। এ কারণে জাল টাকা শনাক্ত করার জন্য সর্ব সাধারণকে ম্যানুয়াল পদ্ধতির উপর নির্ভর করতে হয়।

‘তবে টাকার বৈশিষ্ট্য সর্ম্পকে পর্যাপ্ত ধারণা না থাকায় ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে জাল টাকা শনাক্ত করা সাধারণ মানুষের জন্য বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। ফলে জাল টাকার বিস্তার বেড়েই চলেছে,’ বলেন এই তিন কর্মকর্তা।

তারা বলেন, গ্রাহকদের এ সমস্যা সমাধানে একটি মোবাইল অ্যাপ বেশ ভালো ফল দেবে। কেননা মোবাইল অ্যাপ সবার কাছে পৌঁছানোর সর্বোত্তম মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়।

প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, টাকার সব বৈশিষ্ট্য অ্যাপের ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকবে। গ্রাহকের নোটের ছবি ও অন্যান্য ইনপুটের উপর ভিত্তি করে যথাযথ নির্দেশনা এবং ইমেজ প্রসেসিং অ্যালগরিদম প্রয়োগের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট নোটটি জাল কি-না সে ফলাফল দেখা যাবে।

অ্যাপ ব্যবহারের সুবিধা বিষয়ে ওই তিন কর্মকর্তা বলেন, অ্যাপটির মাধ্যমে অতি দ্রুত সময়ে যেকোনো জায়গা থেকে টাকা শনাক্ত করা সম্ভব হবে। অ্যাপটি জাল টাকার বিস্তার রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

নিউজবিডি৭১/এম কে/৯ আগস্ট, ২০১৮