গাঞ্জাপ্রেনিউর: কানাডায় গাঁজা ব্যবসায়ীদের উত্থান

নিউজবিডি৭১ডটকম 
ঢাকাকানাডায় কখনো গাঁজা বৈধ হবে – এটাই একসময় বহু কানাডিয়ানের জন্য একটা ছিল ‘গাঁজাখুরি’ চিন্তা।

কিন্তু এখন আর তা নয়। আর কয়েকদিনের মধ্যেই – আসছে ১৭ই অক্টোবর – কানাডায় ‘আনন্দের জন্য গাঁজা সেবন’ বৈধ হয়ে যাচ্ছে।

কানাডাই হতে যাচ্ছে প্রথম জি-সেভেন দেশ যারা গাঁজা বৈধ করছে। এবং সাথে সাথেই যেটা ঘটতে যাচ্ছে তা হলো: গাঁজা উৎপাদন এবং বিক্রি এক বিরাট শিল্প হয়ে উঠতে যাচ্ছে।

যারা এই গাঁজা উৎপাদক-বিক্রেতা হতে যাচ্ছেন তাদের ইতিমধ্যেই নাম দেয়া হয়েছে ‘গাঞ্জাপ্রেনিউর’ – ইংরেজি এন্ট্রেপ্রেনিউর বা উদ্যোক্তা শব্দটির সাথে গাঁজা জুড়ে দিয়ে।

এদের একজন হচ্ছেন বিনয় টোলিয়া – তিনি এর আগে একটি হেজ ফান্ড বা বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান চালাতেন। তিনি এখন গাঁজা ব্যবসা শুরুর জন্য নতুন কোম্পানি করেছেন ‘ফ্লোআর’ নাম দিয়ে।

তার সাথে যোগ দিয়েছেন টম ফ্লো নামে আরেক ব্যবসায়ী। তারা ইতিমধ্যে গাঁজা চাষের জন্য ৮৪ হাজার বর্গফুটের এক বিশাল ফার্ম করেছেন। সেখানে অত্যন্ত আধুনিক উপায়ে তাপমাত্রা, আর্দ্রতা এবং বাতাসের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা হয় – যার পরিবেশ অনেকটা ফার্মাসিউটিক্যাল ল্যাবরেটরির মতো।

এখানে থাকবেন বিজ্ঞানী ও গবেষক – যারা গাছের জাত, এবং সেবনকারীদের দেহে এর প্রতিক্রিয়া নিয়ে কাজ করবেন।

ফ্লোআর বলছে, এখানে বিপুল পরিমাণে উচ্চমানের গাঁজা উৎপাদিত হবে।

পৃথিবীর বেশ কিছু দেশে এখন বিনোদনমূলক গাঁজা সেবন বৈধ করা হচ্ছে।পৃথিবীর বেশ কিছু দেশে এখন বিনোদনমূলক গাঁজা সেবন বৈধ করা হচ্ছে।

আরেক জনের নাম কেলি কোল্টার তিনি একটা গাঁজার ফার্ম করছেন – যা হবে ছোট আকারের। তিনি ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় এ জন্য দু’একর জমি লিজ নিয়েছেন।

“আমার ফার্ম হবে ছোট – অনেকটা ইতালির ছোট আঙুরের ক্ষেতের মতো। শীতের সময় আমরা বিশ্রাম নেবো”- বলছিলেন মিজ কোল্টার।

তার ফার্মের ব্যবসায় আবার কাজ করবেন শুধু নারীরা।

কেলি কোল্টারকেলি কোল্টার

শন রোবি নামে আরেক ব্যবসায়ী আবার ‘গাঁজা-পর্যটনের’ ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছেন।

তিনি একটি ওয়েবসাইট খুলেছেন যেখানে বিভিন্ন দেশে ১০০টি ছোট হোটেলের তালিকা আছে। সেখানে লোকে গিয়ে শুধু গাঁজা সেবনই নয়, গাঁজাসেবীদের ইয়োগা ক্লাস, প্রশিক্ষণ এবং আরো নানারকম উপভোগ্য ব্যবস্থা থাকবে।

নিউজবিডি৭১/বিসি/অক্টোবর ১৫, ২০১৮




মোবাইল ব্যাংকিংয়ে অর্থপাচারের ঝুঁকি বাড়ছে

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : মোবাইল ব্যাংকিংয়ের বেনামি লেনদেনে অর্থপাচারের ঝুঁকি বাড়ছে বলে মনে করছেন ৬৭ শতাংশ ব্যাংকার। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট- বিআইবিএমের গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। অর্থপাচার রোধে দেশের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা। এক্ষেত্রে দক্ষ জনবল বাড়ানোর পাশাপাশি নজরদারি বাড়ানোর পরামর্শ বিশ্লেষকদের।

আগে আর্থিক লেনদেন হতো শুধুমাত্র প্রচলিত ব্যাংকিং পদ্ধতিতে। কিন্ত গত কয়েক বছরে সে জায়গা দখল করে নিয়েছে এটিএম কার্ড, ই-ওয়ালেট, মোবাইল ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম।

কিন্ত আধুনিক এসব পদ্ধতিতে টাকা লেনদেন দ্রুত করা গেলেও ঝুঁকি বাড়ছে। বিআইবিএমের গবেষণা বলছে, বেনামি লেনদেন, সঠিক এজেন্ট নির্বাচন না করা, অসচেতনতা সহ বিভিন্ন কারনে বাড়ছে অর্থ পাচারের ঝুঁকি। আর মোবাইল ব্যাংকিংয়ে সবচেয়ে বেশি অনিয়ম পাওয়া গেছে বিআইবিএমের গবেষণায়।

প্রযুক্তির উন্নয়নের সুযোগ নিয়ে এ ধরনের অনিয়মে জড়িয়ে পড়ছে অনেকে। তবে রাজস্ব কর্মকর্তারা মনে করেন, প্রযুক্তিকে বাদ দিয়ে নয়, বরং এর দুর্বলতা চিহ্ণিত করে তা সমাধান করতে হবে।

অর্থপাচারের ঝুঁকি মোকাবেলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পাশাপাশি সব সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাকে একসাথে কাজ করার তাগিদ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের।

গ্রাহক লেনদেনের সব তথ্য অনলাইনে সংরক্ষন করা গেলে, অর্থপাচারের ঝুঁকি অনেকটা কমে আসবে বলেও মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজবিডি৭১/আ/অক্টোবর ১০, ২০১৮




জলবায়ু ও অর্থনীতির সমন্বয় করে দুই অর্থনীতিবিদের নোবেল জয়

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : অর্থনীতিতে এ বছর নোবেল পুরস্কার জিতেছেন উইলিয়াম ডি নর্ডহাউস এবং পল এম রোমার। জলবায়ু অর্থনীতির জন্য নর্ডহাউস এবং এন্ডোজেনাস গ্রোথ থিওরির জন্য রোমারকে এ পুরস্কার দেয়া হচ্ছে।

জলবায়ু পরিবর্তনকে দীর্ঘমেয়াদী ম্যাক্রোইকোনমিক বিশ্লেষণের সঙ্গে যুক্ত করার সম্মাননা হিসেবে এবার অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন উইলিয়াম নর্ডহাউস। তিনি গবেষণায় দেখিয়েছেন, গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমনের ফলে সৃষ্ট জলবায়ুগত সমস্যার সবচেয়ে সুবিধাজনক সমাধান হলো পৃথিবীর সব দেশের ওপর সুশৃঙ্খলভাবে কার্বন ট্যাক্স বসানোর বৈশ্বিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা।

অন্যদিকে পল রোমার নোবেল পেয়েছেন প্রাযুক্তিক উদ্ভাবনকে দীর্ঘমেয়াদী ম্যাক্রোইকোনমিক বিশ্লেষণে সংযোজনের সফলতার বিনিময়ে। বর্তমানে যা এন্ডোজেনাস গ্রোথ থিওরি হিসেবে পরিচিত, তার ভিত্তিই রোমারের গবেষণা। তার এই তত্ত্বের সূত্র ধরে অসংখ্য নতুন নতুন গবেষণা পরিচালনা সম্ভব হয়েছে যা দীর্ঘস্থায়ী স্বচ্ছলতা আনতে সক্ষম এমন নতুন নতুন কলাকৌশল বের করে আনতে সহায়তা করছে।

নিউজবিডি৭১/আ/অক্টোবর ০৯, ২০১৮




৫ বছর পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের জন্য চ্যালেঞ্জিং: অর্থমন্ত্রী

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, আগামী পাঁচ বছর পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের জন্য চ্যালেঞ্জিং। তবে বাজারকে স্থিতিশীল করতে সরকারের পক্ষ থেকে যেসব উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, সেগুলো অব্যাহত থাকলে বিনিয়োগকারীরা সুবিধা পাবেন। আর এতে ব্যর্থ হলে ফের ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে।

আজ রোববার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের পুঁজিবাজারে সিংহভাগ হচ্ছে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী। এদের অনেকেরই বিচার-বিশ্লেষণ করে বিনিয়োগের ক্ষমতা নেই। ফলে তারা অনেক সময় ক্ষতির সম্মুখীন হন। তাই বিনিয়োগের শিক্ষাই তাদের সুরক্ষা দিতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার নিরবচ্ছিন্নভাবে ১০ বছর ক্ষমতায় থাকায় ব্যক্তিগত ও সরকারি বিনিয়োগ বেড়ে ৩০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

অর্থমন্ত্রীর মতে, বিনিয়োগের ফলেই অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়। তাই দেশ ও দেশের মানুষের সমৃদ্ধির জন্য বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন। শেখ হাসিনার সরকার আরও পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকলে দেশ অর্থনৈতিকভাবে আরও সমৃদ্ধি লাভ করবে।

তিনি বলেন, কোনো বিনিয়োগকারী কোথায়, কখন, কীভাবে, কী পরিমাণে বিনিয়োগ করবেন, সে সিদ্ধান্ত তার নিজের। বিনিয়োগ সংশ্লিষ্ট ঝুঁকি না বুঝে সঠিক বিনিয়োগ সিদ্ধান্তে ব্যর্থতার কারণে কোনো বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা থেকে সুরক্ষার ব্যবস্থা করা নিয়ন্ত্রক সংস্থা বা সরকারের পক্ষে সম্ভব নয়।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগকারী যদি তার আর্থিক অবস্থার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত গ্রহণে ব্যর্থ হন, তবে তার বিনিয়োগ ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। তাই আইনকানুন প্রণয়নের পাশাপাশি যথাযথ নজরদারির মাধ্যমে পুঁজিবাজারে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা উচিত।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, বিএসইসির চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন প্রমুখ।

নিউজবিডি৭১/আ/অক্টোবর ০৭, ২০১৮




৭ লাখ কৃষক পাবেন ৮০ কোটি টাকার বীজ-সার

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : ১১টি ফসলের উৎপাদন বাড়াতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য ৭৯ কোটি ৯৯ লাখ ৮২ হাজার ৪৯৫ টাকার প্রণোদনা ঘোষণা দিয়েছে সরকার। রোববার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। তিনি জানান, ৬ লাখ ৯০ হাজার ৯৭০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে এই প্রণোদনা দেওয়া হবে।

চলতি মৌসুমে গম, ভুট্টা, সরিষা, চীনাবাদাম, ফেলন, খেসারি, বিটি বেগুন, বোরো, শীতকালীন মুগ এবং পরবর্তী খরিপ-১ মৌসুমে গ্রীষ্মকালীন মুগ ও গ্রীষ্মকালীন তিল উৎপাদনের জন্য প্রণোদনা দেওয়া হবে। এর আওতায় প্রতিটি কৃষক পরিবার সর্বোচ্চ এক বিঘা জমির জন্য বিনামূল্যে বীজ ও সার পাবে।

কৃষিমন্ত্রী আরও জানান, ৬৫ হাজার ৭০০ জন কৃষক গম বীজ, দুই লাখ ২১ হাজার ৫০০ জন ভুট্টা বীজ, দুই লাখ ১০ হাজার ২০০ জন সরিষা, ১০ হাজার ১০০ জন চিনাবাদাম, ১৮ হাজার জন গ্রীষ্মকালীন তিল, ৪৮ হাজার ৪০০ জন গ্রীষ্মকালীন মুগ, ২৪ হাজার ৩০০ জন শীতকালীন মুগ, ১৩ হাজার ৬০০ জন খেসারী, পাঁচ হাজার ৪০০ জন ফেলন, দুই হাজার ৭০ জন বিটি বেগুন ও ৭১ হাজার ৭০০ জন কৃষক বোরো বীজ পাবেন।

এক বিঘা জমিতে চাষাবাদের জন্য প্রত্যেক কৃষককে ২০ কেজি গম, পাঁচ কেজি ধান, দুই কেজি ভুট্টা, এক কেজি সরিষা, ১০ কেজি চীনাবাদাম, এক কেজি গ্রীষ্মকালীন তিল, পাঁচ কেজি গ্রীষ্মকালীন মুগ, আট কেজি খেসারী, সাত কেজি ফেলন ও ২০ গ্রাম বিটি বেগুনের বীজ দেওয়া হবে।

এছাড়া ধান, গম, ভুট্টা, গ্রীষ্মকালীন তিল, সরিষা ও বিটি বেগুন চাষে প্রত্যেক কৃষক পাবেন ২০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি করে এমওপি সার। আর চীনাবাদাম, গ্রীষ্মকালীন মুগ, শীতকালীন মুগ, খেসারী, মাষকলাই ও ফেলন চাষে প্রত্যেক কৃষক ১০ কেজি করে ডিএপি ও পাঁচ কেজি করে এমওপি সার পাবেন।

মতিয়া চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে কৃষকের নিজস্ব অ্যাকাউন্টে প্রণোদনার অর্থ পাঠিয়ে দেওয়া হবে। প্রণোদনা বিতরণে অনিয়ম হলে তা আপনারা তা তুলে ধরবেন, আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেব। প্রণোদনার অর্থ কৃষি মন্ত্রণালয়ের বাজেট থেকে বরাদ্দ দেওয়া হবে। এজন্য সরকারের অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের প্রয়োজন হবে না।

সংবাদ সম্মেলনে কৃষি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. নাসিরুজ্জামান ছাড়াও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজবিডি৭১/আ/অক্টোবর ০৭, ২০১৮




এক বোতল হুইস্কির দাম সোয়া ৮ কোটি টাকা!

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : এটি ছিল বিশ্বের অন্যতম সেরা স্বাদের বিরল একটি হুইস্কির বোতল। আর এটিই ছিল এই বিপুল দামের কারণ। চলতি বছরের মে মাসে এই একই সংস্থার একটি হুইস্কির বোতল বিক্রি হয় প্রায় ৭ কোটি ৯০ লাখ টাকায়। তাকেও ছাপিয়ে গেল এটি। বিক্রি হল প্রায় আট কোটি ১৫ লাখ টাকায়।

হুইস্কির নাম শুনলে অনেককেরই মন একটু অন্য রকম হতে পারে। তবে যখন এক বোতল হুইস্কির দাম সোয়া ৮ কোটি টাকা তখন সেটা অবাক হওয়ারই বিষয়। এমনই অবাক করা বিষয় ঘটেছে স্কটল্যান্ডের এডিনবার্গে। সেখানে নিলামে এই বিপুল দামেই বিক্রি হয়েছে বিরল হুইস্কির এই বোতল।

তবে এই বোতলটি কে কিনেছেন, তা জানানো হয়নি। তবে রিচার্ড হার্ভে নামে এক হুইস্কি বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, এশিয়ার এক ব্যক্তি নিলামে কিনেছেন এটি। ১৯২৬ সালে প্রথম এই হুইস্কি তৈরি হয়। তারপর ম্যাককালান ডিস্টেলারিতে এটি রাখা ছিল কাস্কেই। বোতলে ভরা হয় ১৯৮৬ সালে।

মোট ২৪টি বোতলে ভরা হয়েছিল এটি। এর মধ্যে ১২টিতে পপ আর্টিস্ট পিটার ব্লেক ও ১২টিতে ভালেরিও আদেমি লেবেল লাগানো হয়েছিল। সেই ভালেরিও আদেমির বয়স এখন ৮৩ বছর। ছবি ও কমিক আর্ট তার সবচেয়ে পছন্দের। এক ব্যবসায়ী ম্যাককালান ডিস্টেলারি থেকে বোতলগুলো সরাসরি কেনেন। ওই মালিকই বিক্রি করেছিলেন এগুলো।

নিউজবিডি৭১/আ/অক্টোবর ০৬, ২০১৮




নিউ রেনেসাঁ পুরস্কার পেলেন ড. ইউনূস

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : ‘নুওভো রিনাসসিমেনতো’ বা ‘নিউ রেনেসাঁ পুরস্কার’ পেলেন নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

ইতালীয় বৌদ্ধ স্কুল সোকা গাকাই মিলানে অনুষ্ঠিত সোকা গাকাই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ড. ইউনূসকে ‘নুওভো রিনাসসিমেনতো’ বা ‘নিউ রেনেসাঁ পুরস্কার’-এ ভূষিত করে।

ইউনূস সেন্টার থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞতিতে বুধবার এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞতিতে বলা হয়, সামাজিক ব্যবসা ও ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে মানবতাবাদী দর্শনে তার অসাধারণ অবদানের জন্য এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

ইতালীয় বৌদ্ধ স্কুল সোকা গাকাই’র মতে, প্রফেসর ইউনূস দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে, মানুষ একটি অনন্য সত্ত্বা যা নিছক মুনাফার চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান। দারিদ্র বিমোচন ও টেকসই অর্থনীতির মাধ্যমে মানব জাতির উন্নততর ভবিষ্যৎ নির্মাণের জন্য তিনি নিরন্তর সংগ্রাম করে যাচ্ছেন।

অনুষ্ঠান শেষ হয় প্রফেসর ইউনূসের সাম্প্রতিক গ্রন্থ ‘এ ওয়ার্ল্ড অব থ্রি জিরোস’-কে কেন্দ্র করে সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে।

নিউজবিডি৭১/আ/অক্টোবর ০৪, ২০১৮




বেশি গ্রাহক ছাড়তে চান গ্রামীণফোন

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : নম্বর অপরিবর্তিত রেখে অপারেটর বদল বা মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি (এমএনপি) সেবা গতকাল সোমবার থেকে শুরু হয়েছে। প্রথম দিনেই গ্রামীণফোন ছাড়তে চেয়েছেন সবচেয়ে বেশি গ্রাহক। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গ্রামীণফোন ছেড়ে অন্য অপারেটরে যেতে আবেদন করেছেন বেশি মানুষ। আর সবচেয়ে কম গ্রাহক টেলিটক ছেড়ে অন্য অপারেটরে যেতে আবেদন করেছেন। গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যারা ছেড়ে যাওয়ার আবেদন করছেন তাদের নানা কৌশলে আটকে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। পোর্টিং করা হচ্ছে না। আবেদনকারীদের মধ্যে মাত্র ২/৩ ভাগেরও কম গ্রাহকের পোর্টিং সম্পন্ন করেছে গ্রামীণফোন।

রবির হেড অব কর্পোরেট এ্যাফেয়ার্স শাহেদ আলম বলেন, গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত অন্য অপারেটরের ৯৭৬ জন রবিতে পরিবর্তনের জন্য আসে। এর মধ্যে গ্রামীণফোনের নম্বর ছিল ৮০ শতাংশ। কিন্তু গ্রামীণফোনের নম্বরের ক্ষেত্রে মাত্র আড়াই শতাংশ সফলভাবে রবি নেটওয়ার্কে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। বাকী সাড়ে ৯৭ শতাংশ গ্রামীণফোন স্থগিত রেখেছে। তিনি অভিযোগ করেন, ৫ মিনিটের মধ্যে গ্রাহকের কনফারমেশন আসার কথা। কিন্তু গ্রামীণফোনের কাছ থেকে এক ঘন্টার নিচে কোন কনফারমেশনই আসেনি। এমএনপির এই পর্যায়ে এসে এটা প্রত্যাশিত নয়। বাংলালিংকের অভিযোগ আরো ভয়াবহ। প্রতিষ্ঠানটির কর্পোরেট কম্যুনিকেশনসের সিনিয়র ম্যানেজার আংকিত সুরেকা বলেন, ‘সোমবার বিকাল পর্যন্ত ৫০০ জনেরও বেশি গ্রাহক অন্য অপারেটর থেকে আমাদের নেটওয়ার্কে যুক্ত হতে চেষ্টা করেছেন। রবি থেকে আমাদের নেটওয়ার্কে যোগদানের ক্ষেত্রে সাফল্যের হার ৩০ শতাংশ। কিন্তু গ্রামীণফোনের ক্ষেত্রে এই হার একজনও না। অর্থাত্ ০ শতাংশ।’ তারা কাউকেই ছাড়েনি।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রথম দিনে দেড় হাজারের বেশি মানুষ অপারেটর পরিবর্তনের আবেদন করেছেন। তবে সফলভাবে পোর্টিং সম্পন্ন হয়েছে দুই শতাধিকের বেশি গ্রাহকের। এর মধ্যে গ্রামীণফোনের পোর্টিং সবচেয়ে কম। বাংলালিংকে যে ৫০০ জনের মতো আবেদন এসেছে তার ৭০ ভাগ অর্থাত্ সাড়ে ৩শ’ এসেছে গ্রামীণফোন থেকে। রবিতে যে আবেদন এসেছে তার ৮০ ভাগ অর্থাত্ প্রায় ৮০০ জনের বেশি আবেদন এসেছে গ্রামীণফোন ফোন থেকে। ফলে দেখা যাচ্ছে প্রথমদিনে গ্রাহকরা যে অপারেটর ছাড়তে চাচ্ছেন তার মধ্যে প্রায় সাড়ে ১১শ’ গ্রাহকই গ্রামীণফোন ছেড়ে অন্য অপারেটরে যেতে আবেদন দিয়েছেন।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই গ্রামীণফোন থেকে নেটওয়ার্ক পরিবর্তন করতে চাওয়া গ্রাহকের কাছে তাত্ক্ষণিকভাবে মোবি ক্যাশ থেকে ঋণ পাঠিয়ে ‘ঋণ থাকায়’ প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার কথা জানানো হয়। এছাড়া গ্রামীণফোনের জিপে এবং ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স সংক্রান্ত সেবার বকেয়া থাকার কথা বলেও গ্রাহকদের নম্বর পরিবর্তন করতে দেওয়া হয়নি। বাংললিংক থেকে রবিতে নম্বর পরিবর্তণের ক্ষেত্রেও কিছু সমস্যা হয়েছে।

নাসির খান গতকাল সকাল ১০টার সময় কুষ্টিয়ার রবি গ্রাহক সেবা কেন্দ্রে গিয়ে হাজির হন নিজের ব্যবহূত গ্রামীণফোনের নম্বরটি রবি নম্বরে পরিবর্তনের জন্য। তার কাছ থেকে ফি এবং প্রায়োজনীয় তথ্য নিয়ে নতুন সিমকার্ড দেওয়া হয়। কিন্তু সারা দিনেও তার অপাটেরের পরিবর্তন হয়নি। নাসির হোসেন বলেন, তিনি গ্রাহক সেবা কেন্দ্র থেকে নতুন সিমকার্ড নিয়ে বাসায় ফেরার পর তাকে রবির গ্রাহক সেবা কেন্দ্র থেকে জানানো হয়, গ্রামীণফোন তার নম্বরটি পরিবর্তনে অস্বীকৃতি জানিয়ে প্রক্রিয়া স্থগিত করেছে। তিনি পরে গ্রামীণফোনের গ্রাহক সেবা কেন্দ্রে যোগাযোগ করলে সেখান থেকে তাকে বলা হয়, তার কোন বকেয়া কিংবা অন্য কোন সমস্যা নেই। তিনি নেটওয়ার্ক পরিবর্তন করতে পারবেন। কিন্তু পরে রবি থেকে আবারও জানানো হয়, গ্রামীণফোন তার পরিবর্তন প্রক্রিয়া স্থগিত রেখেছে এবং তার প্রমাণও তাদের কাছে আছে। পরে এ বিষয়ে তিনি আবারও গ্রামীণফোন গ্রাহক সেবা কেন্দ্রে যোগাযোগ করলে আর কোন তথ্য দেওয়া হয়নি। একই ধরনের বিড়ম্বনার কথা জানান নারায়ণগঞ্জের আব্দুস শুক্কুরসহ আরো অনেকেই। শুক্কুর বলেন, প্রথম দিনেই তার নম্বরটি রবিতে পরিবর্তনের জন্য যান। কিন্তু তাকেও সিমকার্ড দেওয়ার পর জানানো হয় গ্রামীণফোন তার পরিবর্তন প্রক্রিয়া স্থগিত রেখেছে। কেন রেখেছে সেটি এখন আর বলছে না।

এসব অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে গ্রামীণ ফোনের হেড অব কমিউনিকেশন সৈয়দ তালাত কামাল বলেন, গ্রামীণফোন এমএনপি সেবা নিশ্চিত করতে সবার আগে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। ফলে গ্রাহকরা যে ধরনের সমস্যার কথা বলছেন, তা হওয়ার কথা নয়। এটা একটা সংক্রিয় সেবা এমনটি হওয়ার কথা নয়। তারপরও এ সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন।

এমএনপির কাজটি করছে ইনফোজিনিয়ান বিডি টেলিটেক। প্রতিষ্ঠানটির এমডি মাবরুর হোসেন বলেন, প্রথম দিনেই আশানুরূপ গ্রাহক এমএনপিতে আগ্রহ দেখিয়েছে। অনেকগুলোই সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। অনেকের ব্যালান্স জটিলতা বা অন্য সমস্যা থাকায় তাদের কার্যক্রম শেষ করা যায়নি। সকালে যারা আবেদন করেছেন দুপুরের মধ্যেই তাদেরটা হয়ে গেছে। ইনফোজিনিয়ানের পক্ষ থেকে কোন ধরনের জটিলতা ছাড়াই কাজ চলছে। তবে কত গ্রাহক আবেদন করেছেন সেই সংখ্যাটি বলতে চাননি মাবরুর।

এদিকে গতকাল টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসিতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ সেবা শুরুর ঘোষণা দেন কমিশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জহুরুল হক। তিনি বলেন, সেবা চালুর প্রথম দিন বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ১৭ জন তাদের অপারেটর পরিবর্তন করেছেন। আবেদন করেছেন শতাধিক গ্রাহক। এ সেবা নিতে গ্রাহককে ৫০ টাকা চার্জের সঙ্গে সিম রিপ্লেসমেন্ট ট্যাক্স এবং ভ্যাটসহ মোট ১৫৭ টাকা ৫০ পয়সা দিতে হচ্ছে। তবে এই চার্জ একেক অপারেটর একেকভাবে নিচ্ছে। গ্রামীণফোন ১৫৫ টাকা নিলেও রবি নিচ্ছে ১৪৯ টাকা। আর বাংলালিংক নিচ্ছে ১০০ টাকা। বিটিআরসির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের ৭২টি দেশে এমএনপি চালু আছে। প্রতিবেশি দেশ ভারত ২০১১ সাল থেকে এবং পাকিস্তান ২০০৭ সাল থেকে এই সেবা চালু করেছে।

নিউজবিডি৭১/আ/অক্টোবর ০২, ২০১৮




টাকা আত্মসাত: এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যানসহ ৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : সিটিসেলের নামে ৩৮৩ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলার তদন্তে এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক ও তিন পরিচালককে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ সোমবার প্রধান কার্যালয়ে সকাল ৯টা ৫০ মিনিট থেকে কমিশনের উপপরিচালক ও তদন্ত কর্মকর্তা মো. সামসুল আলম তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছেন।

সংস্থাটির জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য এসব তথ্য জানিয়েছেন।

যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে তারা হলেন- এবি ব্যাংকের প্রাক্তন চেয়ারম্যান ও পরিচালক এম ওয়াহিদুল হক, পরিচালক মো. ফিরোজ আহমেদ, প্রাক্তন পরিচালক এম এ আউয়াল ও অধ্যাপক মো. ইমতিয়াজ হোসেন।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর তাদের তলব করে চিঠি দেওয়া হয়। ওই তলবি নোটিশে আগামী ২ ও ৩ অক্টোবর বর্তমান ও প্রাক্তন মিলিয়ে আরো ৮ পরিচালককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়।

অর্থ আত্মসাতের ওই মামলার আসামি বিএনপি নেতা এম মোরশেদ খান ও তার স্ত্রী নাছরিন খানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হলেও অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তারা হাজির হননি।

২০১৭ সালের ২৮ জুন রাজধানীর বনানী থানায় করা মামলায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোরশেদ খান, তার স্ত্রী, সিটিসেলের এমডি মেহবুব চৌধুরীসহ মোট ১৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।

মোবাইল ফোন অপারেটর সিটিসেলের মূল কোম্পানির নাম প্যাসিফিক টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেড (পিবিটিএল)। এম মোরশেদ খান এর চেয়ারম্যান, তার স্ত্রী নাছরিন খানও একজন পরিচালক।

এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে সিটিসেলের নামে এ বি ব্যাংক থেকে অনিয়মের মাধ্যমে সাড়ে তিনশ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

দেনার দায়ে ২০১৬ সালে বন্ধ হয়ে যাওয়া সিটিসেলের হাত ধরেই দেড় যুগ আগে বাংলাদেশে মোবাইল ফোন সেবার যাত্রা শুরু হয়েছিল।

১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড (বিটিএল) নামে টেলিকম সেবা পরিচালনার লাইসেন্স পায় বর্তমান সিটিসেল। পরের বছর হংকং হাচিসন টেলিকমিউনিকেশন লিমিটেড এ কোম্পানিতে বিনিয়োগ করলে বিটিএল নাম বদলে হয় হাচসন বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড (এইচবিটিএল)।

১৯৯৩ সালে মোরশেদ খানের মালিকানাধীন প্যাসিফিক মটরস ও ফারইস্ট টেলিকম মিলে এইচবিটিএল এর শেয়ার কিনে নিলে এ কোম্পানির মালিকানায় পরিবর্তন আসে। কোম্পানির নাম বদলে হয় প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড।

প্যাসিফিক মটরস যখন সিটিসেলের মালিকানায় আসে, মোরশেদ খান তখন মন্ত্রীর পদমর্যাদায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বিনিয়োগ বিষয়ক বিশেষ দূতের দায়িত্বে। আর এইচ এম এরশাদ সরকারের সময়ে সিটিসেল যখন লাইসেন্স পায়, মোরশেদ খান তখন ছিলেন জাতীয় পার্টির কোষাধ্যক্ষ।

একমাত্র অপারেটর হওয়ার সুযোগে সিটিসেল বিএনপি সরকারের সময়ে একচেটিয়া ব্যবসা করে। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যাওয়ার পর আরো কোম্পানিকে মোবাইল ফোন সেবার লাইসেন্স দেওয়া হলে সেই একচেটিয়া ব্যবসার অবসান ঘটে। কোম্পানিতে ২০০৪ সালে বিনিয়োগ করে সিঙ্গাপুরের সিংটেল। কিন্তু ব্যবসার আর প্রসার ঘটেনি।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ কোম্পানির ৩৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ শেয়ারের মালিক মোরশেদ খানের প্যাসিফিক মোটরস লিমিটেড।

নিউজবিডি৭১/আ/অক্টোবর ০১, ২০১৮




১২৫ কোটি পাউন্ড জরিমানার মুখে ফেসবুক

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : অন্তত পাঁচ কোটি গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার ঘটনায় বিশাল অংকের জরিমানা গুণতে হতে পারে ফেসবুককে। ওই ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় এই মাধ্যমের ১২৫ কোটি পাউন্ড পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।

অপরাধীরা ফেসবুকের একটি নিরাপত্তা ত্রুটির সুযোগ নিয়ে ওই অ্যাকাউন্টগুলো অ্যাকসেস করে। এর ফলে বিশাল পরিমাণ স্পর্শকাতর, ব্যক্তিগত তথ্য ঝুঁকির মুখে পড়ে।

গেল মঙ্গলবার ওই হ্যাকিংয়ের ঘটনা ঘটলেও তিনদিন পর শুক্রবার এই বিষয়টি জনসম্মুখে প্রকাশ করে ফেসবুক। তবে হ্যাকিংয়ের কারণে কতগুলো ব্রিটিশ অ্যাকাউন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ফেসবুক তা শনিবার রাত পর্যন্তও জানাতে পারেনি। ডাবলিনে অবস্থিত আইরিশ ডাটা প্রোটেকশন কমিশনার জানিয়েছে, ফেসবুকের নোটিফিকেশনে অপ্রতুলতা রয়েছে।

এদিকে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের নতুন ডাটা আইন অনুযায়ী এখন বিশাল অংকের জরিমানা গুণতে হবে ফেসবুককে। ইউনিয়নের ওই আইন অনুযায়ী, এ ধরনের পরিস্থিতিতে কোনও একটি প্রতিষ্ঠানের বৈশ্বিক আয়ের চার শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা দিতে হবে। গেল বছর ফেসবুক ৩১.২ বিলিয়ন পাউন্ড আয় করেছিল।

হ্যাকররা ফেসবুকের ‘ভিউ অ্যাজ’ অপশনের ত্রুটির সুযোগ নিয়ে গ্রাহকদের অ্যাকাউন্ট নিয়ন্ত্রণে নিয়ে অ্যাকাউন্ট হোল্ডারের মতো করেই সেটি ব্যবহার করেছে। এর ফলে তারা পোস্ট করার অ্যাকসেস এবং ওই অ্যাকাউন্ট হোল্ডারের শেয়ার করা তথ্য দেখতে পেয়েছে।

ফেসবুক জানায়, নয় কোটির বেশি গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট জোরপূর্বক লগ আউট করতে বাধ্য হয়েছে তারা এবং নিরাপত্তার কারণে শুক্রবার পুনরায় লগ ইন করতে হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি জানাচ্ছে, জোরপূর্বক লগ আউট করা ওই নয় কোটি অ্যাকাউন্টের মধ্যে ফেসবুকের সিইও মার্ক জাকারবার্গ এবং চিফ অপারেটিং অফিসার শেরিল স্যান্ডবার্গের অ্যাকাউন্টও রয়েছে।

নিউজবিডি৭১/আ/সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৮




যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির সভা- ভারতে বিদ্যুৎ রফতানি করতে চায় বাংলাদেশ

নিউজবিডি৭১ডটকম 
ঢাকা : বেশ আগে থেকেই ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করছে বাংলাদেশ। এখন বাংলাদেশই বিদ্যুৎ রফতানি করতে চায় ভারতে। কারণ বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষমতা দ্রুত বাড়ছে বাংলাদেশের। বাংলাদেশকে ঘিরে রয়েছে ভারতের সাতটি রাজ্য। এ রাজ্যগুলোর বেশ কয়েকটি বিদ্যুৎ উৎপাদনে পিছিয়ে আছে। তাদের অনেক ঘাটতিও আছে। বাংলাদেশ ওই রাজ্যগুলোতে বিদ্যুৎ রফতানি করতে চায়।

বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা সংক্রান্ত বাংলাদেশ-ভারত যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির পঞ্চদশ সভায় বিদ্যুৎ রফতানির বিষয়ে ভারতকে প্রস্তাব দেয় বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার সিলেটের স্থানীয় একটি হোটেলে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের পক্ষে বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমদ কায়কাউস এবং ভারতের পক্ষে দেশটির বিদ্যুৎ সচিব অজয় কুমার ভাল্লা আলোচনায় নেতৃত্ব দেন।

ভারত বাংলাদেশের বিদ্যুৎ রফতানির প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমদ কায়কাউস।

দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দ্রুত বাড়ছে। বর্তমানে বিদ্যুতের উৎপাদন সক্ষমতা ২০ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেছে। ২০৩০ সালের মধ্যে উৎপাদন ক্ষমতা হবে ৪০ হাজার মেগাওয়াট। তাই ভবিষ্যতে আমদানির পাশাপাশি বিদ্যুৎ রফতানির কথা ভাবছে বাংলাদেশ। বিদ্যুৎ আমদানি ও রফতানি পাশাপাশি চলতে পারে। এটা আর্থিকভাবে উভয় দেশের জন্য লাভজনক বলে মনে করেন কর্মকর্তারা। আগামীতে নেপাল-ভটুান থেকেও বিদ্যুৎ আমদানি করতে চায় বাংলাদেশ। কারণ ওই দু’দেশের জলবিদ্যুতের উৎপাদন খরচ কম। বাংলাদেশে উৎপাদন খরচ অনেক বেশি। এজন্য সেখান থেকে আমদানি করলে কম দামে বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে।

আহমদ কায়কাউস সমকালকে বলেন, ভবিষ্যতে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ রফতানির বিষয়ে চিন্তাভাবনা হচ্ছে। বিশেষ করে শীতকালে চাহিদা অনেক কমে যায়। এ সময় আমাদের বিদ্যুৎ উদ্বৃত্ত থাকে। এ সময় রফতানি করা যেতেই পারে। ভারতকে এমন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তারা ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে।

বাংলাদেশ কীভাবে বিদ্যুৎ রফতানি করবে জানতে চাইলে স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেন বলেন, বিদ্যুৎ খাতের মাস্টারপ্ল্যান এমনভাবে করা হয়েছে, ভবিষ্যতে চাহিদার চেয়ে উৎপাদন সক্ষমতা সব সময় বেশি থাকবে। ফলে পার্শ্ববর্তী কোনো দেশ চাইলে আমরা রফতানি করতে পারব।

তিনি বলেন, গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ চাহিদা যখন বেশি থাকে তখন বিদ্যুৎ আমদানি করা হবে। শীতকালে চাহিদা কম থাকে, তখন রফতানি করা হবে।

শীতকালে তো ভারতেও চাহিদা কম থাকবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভারতের সব প্রদেশের চাহিদা একই থাকে না। ঋতু অনুসারে পরিবর্তিত হয়। ফলে কোথাও না কোথাও রফতানি সম্ভব হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশে যখন গ্রীষ্মকাল তখন নেপাল ও ভুটানে প্রচুর জলবিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়। সে সময় আমদানি করা যাবে। শীতকালে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যায়, কিন্তু তাদের ব্যবহার বাড়ে। সে সময় রফতানি করা যাবে।

সভায় ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানির ক্ষেত্রে সব ধরনের কর থেকে অব্যাহতি প্রদান, রাজনৈতিক কারণে বা ভারতীয় আইন পরিবর্তনজনিত আর্থিক সংশ্লেষের উদ্ভব হলে তা থেকে ছাড়ের বিষয়ে আলোচনা হয়।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সচিব জানান, তারা (ভারতীয় প্রতিনিধি দল) বলেছে, কর নিয়ে বাংলাদেশের আপত্তির কথা ভারতের অর্থ মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে। শিগগিরই সমস্যার ইতিবাচক সমাধান হবে।

আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ বাণিজ্যে ভারতের যে আইনি বাধা রয়েছে, তা দূর করার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। সচিব কায়কাউস এ বিষয়ে বলেন, ভারতীয় প্রতিনিধি দল জানিয়েছে, ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে অন্য দেশ থেকে বিদ্যুৎ আমদানির ক্ষেত্রে যেসব শর্ত রয়েছে তা পুনর্বিবেচনা করে নতুন করে নীতিমালা করা হচ্ছে। তারা এরই মধ্যে একটি খসড়া প্রস্তুত করেছে। বাংলাদেশ একটি কপি চেয়েছে। তা হাতে পেলে এ সম্পর্কে মতামত জানানো হবে। এটি চূড়ান্ত হলেই নেপাল ও ভুটান থেকে বিদ্যুৎ আমদানি ও সেসব দেশে বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগের বাধা দূর হবে।

সভা সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এগুলো হলো- ভারতের জিএমআর কোম্পানির নেপালে উৎপাদিত জলবিদ্যুৎ ভারতের এনভিভিএনের মাধ্যমে বাংলাদেশে আমদানি, ভুটানের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে বাংলাদেশ-ভারত ও ভুটানের যৌথ বিনিয়োগ ও এই প্রকল্প থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বাংলাদেশে আমদানির বিষয়টি।

সচিব জানান, ভারতের অরুণাচলের বিদ্যুৎ বাংলাদেশের ওপর দিয়ে বিহারে নিতে সঞ্চালন লাইন নির্মাণের বিষয়ে কারিগরি ও আর্থিক সমীক্ষা চলছে। এসব প্রতিবেদন হাতে পেলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সভায় ভেড়ামারা-বহরপুর আন্তঃসংযোগের মাধ্যমে বিদ্যুৎ আমদানির বর্তমান অবস্থা, সূর্যমনি-কুমিল্লা আন্তঃসংযোগ দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে আরও ৩৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি, প্রস্তাবিত কাটিহার-পার্বতীপুর-বড়পুকুরিয়া-বরানগর ৭৬৫ কেভি গ্রিড সঞ্চালন লাইনের বিষয়ে আলোচনা হয়। এ ছাড়া ভারতীয় শিল্পগ্রুপ আদানি ও রিলায়েন্সের বাংলাদেশে বিনিয়োগ, বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগে ভারতে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়েও আলোচনা হয়। সভায় রামপালে বাস্তবায়নাধীন মৈত্রী সুপার থারমাল বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়। এ ছাড়া নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের সহযোগিতার বিষয়ে দুই দেশ একমত হয়।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মাহবুবুল আলম, ভারতের বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের জয়েন্ট সেক্রেটারি মিজ ভারতী, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান খালিদ মাহমুদ, পাওয়ার গ্রিড কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম আল বেরুনী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি প্রমুখ।

এর আগে গত সোমবার বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা-সংক্রান্ত বাংলাদেশ-ভারত জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের ১৫তম সভা একই স্থানে অনুষ্ঠিত হয়।

নিউজবিডি৭১/বিসি/সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৮




মেহেরপুরে সোয়া ৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ব্যাংক কর্মকর্তা গ্রেফতার

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : ৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অগ্রণী ব্যাংক মেহেরপুর শাখার ক্যাশিয়ার মাহমুদুল করীমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

আজ মঙ্গলবার সকাল ১০ টার দিকে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। এর আগে সোমবার রাতে সদর থানা পুলিশের একটি টিম মাহমুদুল করীমের নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।

গ্রেফতার মাহমুদল করীম মেহেরপুর সদর উপজেলার চাঁদবীল গ্রামের মৃতু আবুল কাশেমের ছেলে।

এর আগে গত সোমবার বিকেলে অগ্রণী ব্যাংক মেহেরপুর শাখার ব্যবস্থাপক মেহেদী মাসুদ তিন কোটি ২৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে ৪০৯/৪১৮/৩৪ ধারায় মেহেরপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ব্যাস্থাপকের ওই মামলার একমাত্র আসামি মাহমুদুল করীম।

মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম জানান, ২০১২ সাল থেকে মাহমুদুল করীম অগ্রণী ব্যাংকের মেহেরপুর শাখায় কর্মরত থাকা অবস্থায় বিভিন্ন সময়ে ব্যাংকের বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাত করেছেন। থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদে ৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা আত্মসাতের প্রমাণ মিলেছে। আরো যাছাই-বাছাই করা হচ্ছে। এখন আইন অনুযায়ী ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

অগ্রণী ব্যাংকের মেহেরপুর শাখার ব্যবস্থাপক মেহেদী মাসুদ জানান, ২০১২ সলের ২২ এপ্রিল মাহমুদুল করীম মেহেরপুর শাখার ক্যাশিয়ার হিসেবে যোগদান করেন। এ শাখায় যোগদান করার পর থেকেই তিনি অত্যন্ত সুক্ষভাবে ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ করে আসছিলেন। তিনি কি পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন তা জানার জন্য মঙ্গলবার ব্যাংকের হেড অফিস থেকে একটি বিশেষজ্ঞ টিম মেহেরপুর শাখার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।

নিউজবিডি৭১/আ/সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৮