ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে কম সুদে ঋণ না দিলে কর ছাড় পাবে না ব্যাংক : এনবিআর

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেছেন, নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যাংক খাতে করপোরেট কর কমানোর যে প্রস্তাব করা হয়েছে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে কম সুদে ঋণ না দিলে সেই সুবিধা তারা পাবে না।

বৃহস্পতিবার মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এমসিসিআই) এক সংবাদ সম্মেলনে অতিথি হয়ে এসে এ কথা বলেন এনবিআর চেয়ারম্যান।

তিনি বলেন, “ব্যাংকগুলো লাকি যে তাদের কর হার কমানো হয়েছে। তবে লেন্ডিং রেট ঠিক না রাখলে ব্যাংকগুলো এই বেনিফিট পাবে না।”

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত গত ৭ জুন জাতীয় সংসদে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জন্য ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার যে বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন, সে বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতেই এমসিসিআই এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

অর্থমন্ত্রী এবারের বাজেটে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের করপোরেট ট্যাক্স বিদ্যমান ৪০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ প্রস্তাব করেছেন। আর অনিবন্ধিত ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের করপোরেট ট্যাক্স বিদ্যমান ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪০ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছেন।

তার এ প্রস্তাবের পর বিভিন্ন মহলে সমালোচনা হচ্ছে। সিপিডি বলেছে, ব্যাংক খাতের বিদ্যমান ‘নৈরাজ্যের’ সমাধান না করে এ ধরনের সুবিধা দেওয়া উচিৎ হবে না। আর টিআইবি একে বলছে ‘অসাংবিধানিক ও বৈষম্যমূলক’।

ব্যাংকের সুদ হারের সঙ্গে তাদের করপোরেট করের হার সরকার কীভাবে সমন্বয় করবে সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ধারণা দেননি এনবিআর চেয়ারম্যান।

এমসিসিআইয়ের সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “আপনারা দেখেছেন, ব্যাংকগুলো ইতোমধ্যে সুদের হার কমানোর ঘোষণা দিয়েছে।”
বুধবার বেসরকারি ব্যাংক মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) সভার পর সংগঠনের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তারা ব্যাংক ঋণের সুদের হার ৯ শতাংশে নামিয়ে আনার পাশাপাশি আমানতের সুদ হার ৬ শতাংশের মধ্যে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

যেসব ব্যাংক এ সিদ্ধান্ত মানবে না তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

গত ১৪ এপ্রিল বেসরকারি ব্যাংক মালিকদের সঙ্গে এক বৈঠকে ব্যাংক ঋণের সুদের হার ১০ শতাংশের নিচে (সিঙ্গেল ডিজিট) নামিয়ে আনতে তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, বেসরকারি ব্যাংকগুলো ১২ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত সুদে ঋণ বিতরণ করছে। আর আমানত সংগ্রহ করছে ৮ থেকে ১১ শতাংশ সুদে।

নিউজবিডি৭১/আ/২১ জুন ,২০১৮




স্বর্ণের দাম কমলো

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমার কারণে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমছে। প্রতি ভরি স্বর্ণে সর্বোচ্চ এক হাজার ১৬৬ টাকা পর্যন্ত কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

আজ বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে। তবে সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম।

বাজুস জানায়, নতুন দাম অনুযায়ী প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে ৪৯ হাজার ৮০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ২১ ও ১৮ ক্যারেটের দাম এক হাজার ১৬৬ টাকা কমানো হয়েছে। এর মধ্যে ২১ ক্যারেট ৪৭ হাজার ৫৩০ টাকা, ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ৪২ হাজার ৪৫৬ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি এক হাজার ১৬৬ টাকা বাড়িয়ে ২৭ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতি ভরি ২১ ক্যারেট রুপার (ক্যাডমিয়াম) দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ৫০ টাকা।

নিউজবিডি৭১/আর/ ২০ জুন , ২০১৮




বাজেটে ৩১ দেশি পণ্যের ট্যারিফ মূল্য বেড়েছে

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ট্যারিফ মূল্যের পরিবর্তন আনা হয়েছে। ফলে দেশে উৎপাদিত হয় এমন ৩১ ধরনের পণ্যের দাম বাড়তে পারে।

পণ্যগুলোর মধ্যে কেক, টমেটোর সস বা কেচআপ, তৈরি পোশাকের জুট, জুস, বিস্কুট, এলপি গ্যাস, আমসত্ত্ব, চশমার ফ্রেম, ডুপ্লেক্স বোর্ড। অন্যদিকে চীন, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে একই ধরনের পণ্যের আমদানি বাড়তে পারে।

ট্যারিফ মূল্য হলো, উৎপাদন বা প্রস্তুত পর্যায়ে পণ্যের ন্যূনতম খরচের নির্ধারিত মূল্য। শুল্ক ও কর ফাঁকি ঠেকাতে এবং ভোক্তা পর্যায়ে গুণগত মানসম্পন্ন পণ্য সরবরাহের চিন্তা করে সরকার অনেক সময় বিভিন্ন পণ্যের ট্যারিফ মূল্য নির্ধারণ করে দেয়। কেননা উৎপাদন মূল্য কমিয়ে দেখিয়ে উৎপাদকেরা শুল্ক ও কর ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ নিতে পারেন। আবার মানহীন বা নিম্নমানের পণ্যের সরবরাহ ঠেকাতেও ট্যারিফ মূল্য বসানো হয়। ট্যারিফ মূল্যের ওপরেই সম্পূরক শুল্ক (যদি থাকে), মূল্য সংযোজন কর (মূসক), অগ্রিম ব্যবসায় ভ্যাট বা এটিভি, অগ্রিম করসহ যাবতীয় শুল্ক ও কর বসানো হয়। ট্যারিফ মূল্য হচ্ছে শুল্ক ও কর বসানোর ভিত্তিমূল্য। ট্যারিফ মূল্য কমানো বা বাড়ানো হলে পণ্যের দাম কমতে বা বাড়তে পারে। সাধারণত ট্যারিফ মূল্য বাড়লে স্থানীয় উৎপাদকেরা সমস্যায় পড়েন।

দেশের কোনো উদ্যোক্তা আম, আনারস, পেয়ারা ও তেঁতুলের জুস উৎপাদন করলে তাঁর খরচ বাড়বে। কারণ এসব পণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহ পর্যায়ে ট্যারিফ মূল্যে ২৫ শতাংশ বেড়েছে। আগে এক লিটার জুস দেশে উৎপাদন করলে ট্যারিফ মূল্য ধরা হতো ২০ টাকা। এখন থেকে ধরা হবে ২৫ টাকা। এই ২৫ টাকা ধরেই সম্পূরক শুল্ক, ভ্যাট, অগ্রিম করসহ প্রযোজ্য হারে শুল্ক ও কর বসবে। সে ক্ষেত্রে ভোক্তাদের কমপক্ষে ২৫ শতাংশ বেশি অর্থ খরচ করে এসব পণ্য কিনতে হবে।

একইভাবে টমেটো পেস্ট ও আমসত্ত্বের ট্যারিফ মূল্য দ্বিগুণ করা হয়েছে। আগে টমেটো পেস্টের প্রতি কেজিতে ট্যারিফ মূল্য ছিল ২০ টাকা, এখন করা হয়েছে ৪০ টাকা। আর আমসত্ত্বের ১৬ গ্রাম প্যাকের ট্যারিফ মূল্য ছিল ২ টাকা, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ টাকা। উৎপাদক মুনাফার হার না কমালে এসব পণ্যের দাম দ্বিগুণ হতে পারে। দেশে প্রাণ গ্রুপসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান জুস, আমসত্ত্বসহ এসব পণ্য তৈরি করে থাকে।

অন্যদিকে দেশি টমেটো কেচআপ বা সস এবং আম, আনারস, পেয়ারা, কলার পাল্পের পাশাপাশি তেঁতুলের পেস্টের দামও বাড়তে পারে। বোতলজাত টমেটো সসের ট্যারিফ মূল্য বেড়েছে ১০ টাকা। এখন থেকে প্রতি কেজির দাম কমপক্ষে ৬৫ টাকা ধরতে হবে। এতে উৎপাদকদের কারখানা থেকে বের হওয়ার পর বাজারে আসার আগেই সসের দাম বেড়ে যেতে পারে।

দেশে এলপি গ্যাসের চাহিদা ব্যাপক হারে বাড়ছে। এ অবস্থায় ট্যারিফ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছ, যা আগে ছিল না। এখন থেকে ৪৫ কেজির ঊর্ধ্বে এলপি গ্যাস সরবরাহ করা হলে প্রতি কেজিতে ট্যারিফ মূল্য হবে ৩ টাকা।

যাঁদের চোখের সমস্যা আছে, তাঁদের জন্য সুখবর নেই। দেশে তৈরি চশমার ফ্রেম ও গ্লাসের ওপর ট্যারিফ মূল্য বাড়ানো হয়েছে। চশমার প্রতি পিস প্লাস্টিক বা ধাতব ফ্রেমে ১০ টাকা করে ট্যারিফ মূল্য বেড়েছে। এর ফলে চশমা ও সানগ্লাসের দাম ২৫ শতাংশ বাড়তে পারে। প্রতি পিস চশমার প্লাস্টিক ফ্রেম এখন ৪০ টাকার পরিবর্তে ৫০ টাকা, মেটাল ফ্রেম (স্প্রিংযুক্ত হোক বা না হোক) ৫০ টাকার পরিবর্তে ৬০ টাকা, প্লাস্টিকের সানগ্লাস ৪০ টাকার পরিবর্তে ৫০ টাকা, ধাতব সানগ্লাসের ফ্রেম ৫০ টাকার পরিবর্তে ৬০ টাকা ট্যারিফ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আর রিডিং গ্লাসের প্রতি পিসে ১০ টাকা বাড়িয়ে ৫৫ টাকা করা হয়েছে। এখন দেশে চশমার ফ্রেম ও গ্লাস তৈরি হচ্ছে। এগুলোর দাম ২০ থেকে ২৫ শতাংশ বাড়তে পারে। অন্যদিকে বিদেশ থেকে চশমার ফ্রেম ও গ্লাস আমদানি বাড়তে পারে।

তৈরি পোশাক খাতের ঝুটের বিশাল ব্যবসা আছে। সেখানেও ট্যারিফ মূল্য দ্বিগুণ করা হয়েছে। আগে প্রতি কেজিতে ১০ টাকা ধরে ভ্যাট দিতে হতো। এখন থেকে কটন ইয়ার্ন বর্জ্য ও ডেনিম বর্জ্যে ২০ টাকা কেজি দরে ট্যারিফ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

হাতে তৈরি বিস্কুট ও কেকের ট্যারিফ মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে পাড়া-মহল্লার ছোট উৎপাদকদের ছাড় দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে হাতে তৈরি এক কেজি বিস্কুটের দাম যদি ১৫০ টাকার কম হয়, তাতে ভ্যাট দিতে হবে না। আগে এই সীমা ছিল ১০০ টাকা পর্যন্ত। দাম ১৫০ টাকা পেরোলেই প্রতি কেজির দাম ৬০ টাকা ধরে শুল্ক ও কর বসানো হবে। আর হাতে তৈরি কেকের প্রতি কেজির দাম ১৫০ টাকা পেরোলেই ৬০ টাকা দরে শুল্ক ও কর বসবে।

নিউজবিডি৭১/আর/ ১৫ জুন , ২০১৮




এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা রাখার নির্দেশ

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : ঈদুল ফিতরের ছুটিতে গ্রাহকদের জন্য এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্টের মহাব্যবস্থাপক লীলা রশিদ স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

গ্রাহক যেন কোনোভাবেই হয়রানির শিকার না হয় সে বিষয়ে ব্যাংকগুলোকে বিশেষ ব্যবস্থা নিতেও সোমবার জারি হওয়া প্রজ্ঞাপনে বলা হয়।

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, এটিএম বুথ, পয়েন্ট অব সেল (পিওএস), ই-পেমেন্ট গেটওয়ে, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন লেনদেন নিশ্চিত করতে হবে ব্যাংকগুলোকে।

সার্বক্ষণিক এটিএম সেবা চালু রাখা, বুথের কারিগরি ত্রুটি দ্রুততম সময়ে সমাধান করা এবং বুথে সার্বক্ষণিক পাহারাদারদের সতর্ক অবস্থানসহ অন্যান্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ই-পেমেন্ট গেটওয়ের ক্ষেত্রে কার্ডভিত্তিক ‘কার্ড নট প্রেজেন্ট’ লেনদেনে ‘টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন’ ব্যবস্থা চালু রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে যেকোনো অঙ্কের লেনদেনের তথ্য এসএমএস অ্যালার্ট সার্ভিসের মাধ্যমে গ্রাহককে জানাতে হবে।

ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে সব ধরনের সেবার ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, গ্রাহকদের সতর্কতা অবলম্বনে গণমাধ্যমে প্রচার চালাতে হবে, গ্রাহককে প্রতারিত করা যাবে না এবং সার্বক্ষণিক হেল্প লাইন সহায়তা দিতে হবে।

নিউজবিডি৭১/আ/১২ জুন ,২০১৮




আমরা ঋণ করে ঘি খাইনি,মানুষের কল্যাণে তা খরচ হয়েছে : কৃষিমন্ত্রী

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী বিদ্যুৎ খাতে অতিরিক্ত বরাদ্দ চাওয়ার যৌক্তিকতা তুলে ধরে বলেছেন, ৩ হাজার ২শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নিয়ে আমরা শুরু করেছিলাম। এখন বিদ্যুৎ উৎপাদন ১১ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছে বলে কলকারখানার সংখ্যা বেড়েছে। তিনি বিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতন হতে সকলের সহযোগিতা কামনা করি।আজ সোমবার সংসদে সম্পূরক বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও খাবারের ব্যবস্থা করতে, গত বছর সুনামগঞ্জের হাওড়ে অকাল বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা প্রদানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় এই খাতে অতিরিক্ত বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাপী জঙ্গিবাদ ও নৈরাজ্য বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশে জননিরাপত্তা বিধানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে। এ জন্য অতিরিক্ত খরচ মেটাতে বরাদ্দ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, সার্বিকভাবে সম্পূরক বাজেটে যে অতিরিক্ত বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে তা যৌক্তিক। আমরা ঋণ করে ঘি খাইনি, মানুষের কল্যাণে তা খরচ করা হয়েছে।

জাতীয় পার্টির সদস্য ফখরুল ইমাম বলেন, বাজেটে ব্যাংকের জন্য বরাদ্দ রাখা এবং আড়াই শতাংশ কর কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে, এটা ব্যাংকিং খাতে নৈরাজ্য আরো বেড়ে যাবে। ব্যাংকিং খাতকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে অর্থনীতিতে ধস নামবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি মুক্ত বাজার অর্থনীতির সমালোচনা করে বলেন, মুক্তবাজার অর্থনীতির ফলে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন হয়েছে। সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এটি একটি বাধা।

করের চেয়ে ভ্যাট বেশি আদায় করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, খাদ্যদ্রব্য থেকে ভ্যাট আদায় ধনী-গরীবের মধ্যে বৈষম্য তৈরি করে। কারণ, একজন ধনী ব্যক্তি একটি পানীয় কিনে যে পরিমাণ ভ্যাট দেয়, তেমনি একজন গরীব লোকও ওই একই পানীয়ের জন্য একই পরিমাণ ভ্যাট দেয়। এতে ধনী-গরীবের বৈষম্য তৈরি করে।

জাতীয় পার্টির সদস্য রওশন আরা মান্নান ও সেলিম উদ্দিন আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।

নিউজবিডি৭১/আ/১১ জুন ,২০১৮




জাতীয় পার্টির মন্ত্রী বলায় চটেছেন অর্থমন্ত্রী!

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : আবুল মাল আবদুল মুহিত এক সময় জাতীয় পার্টি সরকারের মন্ত্রী ছিলেন এবং সংসদে দুবার বাজেট পেশ করেছেন- বিরোধীদলীয় সদস্যদের এমন বক্তব্যে বেজায় চটেছেন অর্থমন্ত্রী। কখনো জাতীয় পার্টি সরকারের মন্ত্রী ছিলেন না দাবি করে তিনি আগামীতে এমন বক্তব্যের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।

পাল্টা হুমকি দিয়েছেন বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্যরা। তারা বলেন, ব্যাংক ডাকাতদের রক্ষা করায় আপনাকে (অর্থমন্ত্রী) আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হতে পারে।

আজ সোমবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হওয়া সংসদ অধিবেশনে সম্পূরক বাজেট নিয়ে আলোচনাকালে অনির্ধারিত ইস্যুতে দুপক্ষ কথা বলেন। এর আগে সংসদ অধিবেশনে সম্পূরক বাজেটের ওপর দুই দিনের আলোচনায় সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যরা ব্যাংক খাতে লুটপাট নিয়ে অর্থমন্ত্রীর কঠোর সমালোচনা করেন।

এক সময় এরশাদ সরকারের অর্থমন্ত্রী এখন ব্যাংক ডাকাতদের প্রটেকশন দিচ্ছেন বলে দাবি করেন তাঁরা। কিন্তু সমাপনী বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী ব্যাংক খাতের লুটপাট নিয়ে কোনো কথা না বললেও জাতীয় পার্টির সদস্যদের বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন।

এ সময় জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমার একটু বলা উচিত। কয়েকবারই বলেছি, কিন্তু জাতীয় পার্টির সদস্যরা সেটা অস্বীকার করে যান। আজও মিস্টার সেলিম (সেলিম উদ্দিন) সাহেব সেটা বলেছেন।’ তিনি বলেন, ‘আমি কোনো দিন জাতীয় পার্টির সদস্যও ছিলাম না, কোনো দিন জাতীয় পার্টির মন্ত্রীও ছিলাম না, অনেকবার এটা বলেছি।’

ক্ষিপ্ত আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘জেনারেল এরশাদ যখন সামরিক শাসক ছিলেন সেই সময় আমি মন্ত্রী ছিলাম, জাতীয় পার্টির তখন জন্মও হয় নাই। সেই সময়টিতে মন্ত্রী ছিলাম। জাতীয় পার্টি জন্ম হওয়ার আগে আমি সেই সরকার থেকে পদত্যাগ করে চলে আসি। কাজেই আমার অনুরোধ হবে, ভবিষতে যেন জাতীয় পার্টির সদস্যরা মনে রাখেন। যদি না রাখেন তবে তাদের বিরুদ্ধে আমি যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবো।’

এরপর ছাঁটাই প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশিদ বলেন, জাতীয় পার্টি গঠনের পূর্বেই এরশাদ সাহেবের সামরিক সরকার যখন গঠিত হয়, তখন তাঁর অর্থমন্ত্রী হিসেবে যোগ দেন তিনি (আবুল মাল আবদুল মুহিত)। তিনি সামরিক সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে এই সংসদে বাজেট দিয়েছেন। উনি কখনো জাতীয় পার্টি করেননি।

তিনি আরো বলেন, আমি তাঁকে আশ্বস্থ করতে চাই, ভবিষতে আপনার মতো এত জ্ঞানী, অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে জাতীয় পার্টি তাদের দলে স্থান দেবেন না। এ জন্য আপনাকে আদালতে যেতে হবে না। কিন্তু আপনি যে ব্যাংক ডাকতদের প্রটেকশন দিয়েছেন, তার জন্য আপনাকে আদালতে দাঁড়ানো লাগতে পারে।

একই আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থমন্ত্রীর ধমকানোতে ক্ষোভ প্রকাশ করে জাতীয় পার্টির সেলিম উদ্দিন বলেন, ‘আমি তাকে (অর্থমন্ত্রী) জাতীয় পার্টির আমলের মন্ত্রী কথাটি বলিনি। তিনি খুবই শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি। ছেলে বড় হলে যেমন বাবা তাকে শাসন করতে পারেন না। তেমনি তিনি বয়স্ক হলেও অন্য সংসদ সদস্যদের ধমকানো তাঁর সঠিক হয়নি।

এ সময় সম্পূরক বাজেট সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, গতবার সম্পূরক বাজেট নিয়ে যে সকল আলোচনা হয়েছিল, তাতে আমার ইচ্ছা ছিল সম্পূরক বাজেটকে আরেকটু অর্থবহ করা। সেটা বিস্তৃত আলোচনার ব্যবস্থা করা। এটা এ বছর আমি করতে পারিনি সেজন্য খবুই দুঃখিত। আশা করছি ভবিষতে এ ধরনের একটা ব্যবস্থা হবে।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, সম্পূরক বাজেটে আমরা যে পরিবর্তন করেছি, সেটা খুবই সামান্য। মোটামুটিভাবে আগে বিভিন্ন বিভাগে যে ক্ষমতা এই সংসদ দিয়েছিল সেটা যতদূর সম্ভব রক্ষা করেছি। তবে কিছুটা আয়-ব্যয় এদিকে-সেদিক হয়েছে। সেটিজে জায়েজ করতে সম্পূরক বাজেট উত্থাপন করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

নিউজবিডি৭১/আ/১১ জুন ,২০১৮




যেভাবে চিনবেন ফরমালিনমুক্ত আম

ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : চলছে আমের মৌসুম। হিমসাগর, ফজলি, ল্যাংড়া, আম্রপালিসহ নানান প্রজাতির আমে বাজার সয়লাব। আর অনেকরেই প্রিয় ফল যে আম, এটা বলাই বাহুল্য। কিন্তু আমের সঙ্গে আপনার আমার শরীরে বিষ ঢুকছে না তো! কারণ আম দীর্ঘদিন ‘তাজা’ রাখতে ফরমালিনসহ অন্যান্য ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ মেশানো হয়। তাই আসুন জেনে নিই ফরমালিনমুক্ত আম চেনার উপায়-

১. প্রাকৃতিকভাবে পাকা আমের বৃন্তে সুঘ্রাণ মিলবে। কিন্তু ফরমালিনযুক্ত আমের বৃন্তে কোনো ঘ্রাণ থাকবে না। তাই গন্ধ শুঁকে আম কিনুন।

২. আমের রং দেখেও চেনা যায়। প্রাকৃতিকভাবে পাকা আমে হলুদ ও সবুজের মিশেল থাকে। অনেক সময় হালকা সবুজ রঙেরও হয়। আবার আমের গায়ে সাদাটে বা কালো দাগ দেখা যায়। কিন্তু ফরমালিনযুক্ত বা অন্যান্য ক্যামিকেল দিয়ে পাকানো আমগুলো দেখতে খুব সুন্দর, চকচকে আর সম্পূর্ণ হলুদ রঙের হয়। আমের গায়ে কোনো দাগ থাকে না।

৩. প্রাকৃতিকভাবে পাকা আম বেশ মিষ্টি ও অনেক বেশি রসালো হয়। কিন্তু ফরমালিনযুক্ত আমে রস অনেক কম থাকে।

নিউজবিডি৭১/আ/১১ জুন ,২০১৮




নতুন মুদ্রিত ২ ও ৫ টাকা মূল্যমানের নোট ইস্যু সোমবার

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে নতুন মুদ্রিত ২ ও ৫ টাকা মূল্যমানের নোট ইস্যু করা হবে সোমবার (১১ জুন)। পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্যান্য অফিস থেকে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি সংবলিত ২ ও ৫ টাকা মূল্যমানের নতুন কারেন্সি নোটে অর্থসচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরীর স্বাক্ষর রয়েছে। নতুন মুদ্রিত নোটের পাশাপাশি বর্তমানে প্রচলিত ২ ও ৫ টাকা মূল্যমানের কাগুজে নোট ও ধাতব মুদ্রা চালু থাকবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নোটের রং, পরিমাপ, জলছাপ, ডিজাইন ও অন্যান্য নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য বর্তমানে প্রচলিত নোটের মতই থাকবে।-বাসস

নিউজবিডি৭১/আর/ ১০ জুন , ২০১৮




এবার কর বসবে ফেসবুক গুগল ইউটিউবেও

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, গুগল ও ইউটিউব থেকে অর্জিত আয়ের ওপর করারোপের প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে এই প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী।

দেশের অর্থনীতি বর্তমানে অনেক বেশি উন্মুক্ত হওয়ায় কর পরিহারের ঝুঁকি দেখছেন অর্থমন্ত্রী।

বাজেট প্রস্তাবে তিনি বলেন, ‘ভার্চুয়াল ও ডিজিটাল লেনদেনের মাধ্যমে অনেক বিদেশি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে প্রচুর আয় করছে, কিন্তু তাদের কাছ থেকে আমরা তেমন একটা কর পাচ্ছি না।’

‘ভার্চুয়াল ও ডিজিটাল লেনদেনের বিষয়টি তুলনামূলক নতুন বিধায় এসব লেনদেনকে করের আওতায় আনার মতো পর্যাপ্ত বিধান এতদিন আমাদের কর আইনে ছিল না।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি ভার্চুয়াল ও ডিজিটাল খাত যেমন- ফেইসবুক, গুগল, ইউটিউব ইত্যাদির বাংলাদেশে অর্জিত আয়ের উপর করারোপণের জন্য আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চার আলোকে প্রয়োজনীয় আইনী বিধান সংযোজনের প্রস্তাব করছি।’

নিউজবিডি৭১/আর/ ৮ জুন , ২০১৮




ই-কমার্স ব্যবসার উপর ভ্যাট

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : ই-কমার্স ব্যবসার উপর ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে অনলাইন থেকে কেনাকাটায় পণ্যের দাম বাড়তে পারে।

সুপার শপ থেকে কেনাকাটায় ৪ শতাংশ ভ্যাট থাকলেও তা ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাজেট প্রস্তাবনায় বেশ কিছু পণ্যের শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে এসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে আগামী অর্থ বছরে।

এছাড়া সব ধরনের তামাকজাত পণ্য ও সিগারেটের দাম বাড়তে পারে আগামী অর্থবছরে।

পাশাপাশি ই-কমার্স ব্যবসা ও ইন্টারনেট ব্যবসার সেবার দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। শুল্ক ছাড়ের তালিকায় রয়েছে এনার্জি সেভিং লাইট, শিশু খাদ্য সহ স্থানীয় পর্যায়ে তৈরি ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী।

২০১৮-১৯ অর্থবছরে ব্যক্তি শ্রেণির করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানো হবে না। রাখা হয়েছে আড়াই লাখ টাকা।

বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা ৫১ মিনিটে দশম জাতীয় সংসদের পঞ্চম এবং নির্বাচনের আগে শেষ বাজেট পেশ শুরু করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

এর আগে মন্ত্রিসভায় ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রায় ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন দেয়া হয়।

অর্থমন্ত্রী হিসেবে এটি আবুল মাল আব্দুল মুহিতের ১২তম ও বাংলাদেশের ৪৭তম বাজেট। বাজেটে মোট জিডিপির আকার ২৫ লাখ ৩৭ হাজার ৮৪৯ কোটি টাকা। বাজেট ঘাটতি ১ লাখ ২৯৩ কোটি।

নিউজবিডি৭১/আর/ ৮ জুন , ২০১৮




ইউএস-বাংলায় ঈদ ভ্রমণ কম ভাড়ায়

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : আসন্ন ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে বেসরকারি এয়ারলাইন্স ইউএস-বাংলা যাত্রীদের জন্য ভাড়ার উপর মূল্যহ্রাস ঘোষণা করেছে। আগামী ৭ জুন থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত এই সুযোগ থাকছে।

এর আওতায় সব ধরনের ট্যাক্স ও সারচার্জসহ যশোর, রাজশাহী, বরিশাল ও সৈয়দপুর থেকে ঢাকা ভ্রমণ করার জন্য সর্বনিম্ন ১৮৯৯ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করেছে ইউএস-বাংলা।

এছাড়া ঈদ উপলক্ষে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ৭ জুন থেকে যশোর, সৈয়দপুর, বরিশাল এবং রাজশাহী রুটে অতিরিক্ত ফ্লাইট পরিচালনা করতে যাচ্ছে। এসব অতিরিক্ত ফ্লাইট ছাড়াও শিডিউল অনুযায়ী ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স প্রতিদিন ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে ৬টি, যশোরে ২টি, কক্সবাজারে ২টি, সৈয়দপুরে ২টি, সিলেট ও রাজশাহীতে ১টি এবং বরিশালে সপ্তাহে তিনটি করে ফ্লাইট পরিচালনা করবে।

নিউজবিডি৭১/এম কে/ ৭ জুন , ২০১৮




বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের প্রস্তাব অর্থমন্ত্রীর

নিউজবিডি৭১ডটকম
ঢাকা : রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে চার লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটির প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনকালে জাতীয় সংসদে উপস্থাপনকালে তিনি এই প্রস্তাব করেন।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বিমানে আমরা যথেষ্ট বিনিয়োগ করে চলেছি, কিন্তু বিমান এখনও তেমন ভালো সেবাদানে সক্ষম হয়ে উঠতে পারেনি। বিমানকে সরকারি সংস্থার পরিবর্তে একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করার উদ্যোগটি আমার মনে হয় এ প্রেক্ষাপটে অপরিহার্য।’

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘২০১৯ সালের মধ্যে ৪টি বোয়িং ৭৮৭-৮ উড়োজাহাজ সংগ্রহ ও ২টি ড্যাশ-৮ উড়োজাহাজ কেনা পরিকল্পনা নিয়েছি।’ তিনি বলেন, ‘নিরাপদ বেসামরিক বিমান চলাচল, যাত্রী ও মালামাল পরিবহনের জন্য হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও আঞ্চলিক বিমানবন্দরগুলো সক্ষমতা ও সেবা-সুবিধা বৃদ্ধির কাজ অব্যাহত রেখেছি। পিপিপি’র আওতায় খান জাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে । বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় কাজ প্রায় ৯০ ভাগ শেষ হয়েছে।’

বাজেটে যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে মোট ৫৩ হাজার ৮১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।

উল্লেখ, ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত দেশের একমাত্র সরকারি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তর করা হয়। ওই সময় বিমান বাংলাদেশের জন্য ১০টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করা হয়। ইতোমধ্যে ৬টি উড়োজাহাজ যুক্ত হয়েছে বিমান বহরে, বাকি ৪টি বোয়িং ৭৮৭-৮ উড়োজাহাজ ২০১৯ সালের মধ্যে বিমান বহরে যুক্ত হবে।

নিউজবিডি৭১/আ/৭ জুন ,২০১৮